- গ্রন্থপরিচয়
- প্রথম পরিচ্ছেদ
- দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ
- তৃতীয় পরিচ্ছেদ
- চতুর্থ পরিচ্ছেদ
- পঞ্চম পরিচ্ছেদ
- ষষ্ঠ পরিচ্ছেদ
- সপ্তম পরিচ্ছেদ
- অষ্টম পরিচ্ছেদ
- নবম পরিচ্ছেদ
বেতাল পঞ্চবিংশতি
- বেতাল পঞ্চবিংশতি
- উপক্ৰমণিকা
- প্ৰথম উপাখ্যান
- দ্বিতীয় উপাখ্যান
- তৃতীয় উপাখ্যান
- চতুর্থ উপাখ্যান
- পঞ্চম উপাখ্যান
- ষষ্ঠ উপাখ্যান
- সপ্তম উপাখ্যান
- অষ্টম উপাখ্যান
- নবম উপাখ্যান
- দশম উপাখ্যান
- একাদশ উপাখ্যান
- দ্বাদশ উপাখ্যান
- ত্ৰয়োদশ উপাখ্যান
- চতুর্দশ উপাখ্যান
- পঞ্চদশ উপাখ্যান
- ষোড়শ উপাখ্যান
- সপ্তদশ উপাখ্যান
- অষ্টাদশ উপাখ্যান
- উনবিংশ উপাখ্যান
- বিংশ উপাখ্যান
- একবিংশ উপাখ্যান
- দ্বাবিংশ উপাখ্যান
- ত্ৰয়োবিংশ উপাখ্যান
- চতুর্বিংশ উপাখ্যান
- পঞ্চবিংশ উপাখ্যান
- উপসংহার
আল-কুরআনের শিক্ষা
- আল-কুরআনের শিক্ষা
- অনুবাদকের আরয
- আমরাও তোমাদের সাথে অপেক্ষারত
- লেখকের আরয
- অপশক্তিধরদের আলোকিত চিন্তা চেতনা
- আল্লাহ্ কি হিংস্রতা এবং জুলম করেন?
- মানবাধিকার ও আমেরিকা
- ইসলাম ও কুফুরীর দ্বন্ধ
- ফোরকানুল হকের উদ্দেশ্য ও পরিকল্পনা
- কোরআন সংরক্ষণের সংক্ষিপ্ত ইতিহাস
- কুরআন মাজীদের সাত ক়েরাত
- নে’মতের বহিঃপ্রকাশ
- কোরআন মাজীদের চেলেঞ্জ কি?
- ফোরকানুল হকের ফেতনা
- ফোরকানুল হকের শয়তানি
নব্য জাপান ও রুষ জাপান যুদ্ধের ইতিহাস
- নব্য জাপান ও রুষ জাপান যুদ্ধের ইতিহাস
- প্রথম সংস্করণের ভূমিকা।
- দ্বিতীয় সংস্করণের বিজ্ঞাপন।
- ভৌগলিক বৃত্তান্ত।
- ঐতিহাসিক বৃত্তান্ত: প্রাচীনযুগ।
- ঐতিহাসিক বৃত্তান্ত: মধ্যযুগ।
- ঐতিহাসিক বৃত্তান্ত: নবযুগ।
- ধর্ম্মপ্রণালী।
- সামাজিক রীতিনীতি।
- জাপানের শিক্ষা-প্রণালী।
- জাপানের সাহিত্য ও সংবাদপত্র।
- জাপান সাম্রাজ্যের গঠনপ্রণালী ও রাজনীতি।
- জাপানের বাণিজ্য।
- জাপানের সমর বল।
- জাপানের নানাকথা।
- রুষ ও জাপান যুদ্ধের ইতিহাস।
ইস্তাহার
- ইস্তাহার
- মুখবন্ধ
- ইস্তাহার
- মশাল
- জনতা
- আদিম ও আগামী
- চোখ
- জেহাদ
- রাজনীতি
- সঙ্কট
- বন্যা
- জবানবন্দী
- নেতা
- শকুনির পাশা
- মহাজীবন
- যৌথ
- জালিয়াত
- সাংবাদিক
- কুতুব মিনার
- বাংলা দেশ
- হিপি
- চন্দ্রকাব্য
- পিঞ্জরে বন্দী
- বেনামী সার্কাস
- আরশি
- রঙের গোলাম
- শোষক মশক
- মুক্তির নিমন্ত্রণ
- বীরবরণ
- জলছবি
- বিকল্প
- মুক
- প্রতিবাদ
- প্রস্তরমূর্তি
- নিরুপায়
- বিনষ্ট
- প্রস্থান
- সংশোধন
- বিবৃতি
- সেই লোকটি
- পলাতক
- মাটি ও মানুষ
- মৃত্যু
- গরীয়সী
- প্রণাম
পণ্ডিত মশাই
- পণ্ডিত মশাই
- পণ্ডিত মশাই
- প্রথম পরিচ্ছেদ : কুসুমের বাল্য-ইতিহাস
- দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ : বৃন্দাবনের সংসার
- তৃতীয় পরিচ্ছেদ : সোনার বালা
- চতুর্থ পরিচ্ছেদ : কুঞ্জনাথের বিবাহ
- পঞ্চম পরিচ্ছেদ : কাল একটি দিনের
- ষষ্ঠ পরিচ্ছেদ : মাস-খানেক হইল
- সপ্তম পরিচ্ছেদ : অনুতপ্ত দুষ্কৃতকারী
- অষ্টম পরিচ্ছেদ : তাহা না বুঝিলেও
- নবম পরিচ্ছেদ : অনেকদিন কাটিয়াছে
- একাদশ পরিচ্ছেদ : দোল-উৎসব
- দ্বাদশ পরিচ্ছেদ : পরদিন সকালেই
- ত্রয়োদশ পরিচ্ছেদ : স্বামী আবার
- চতুর্দশ পরিচ্ছেদ : ছয়দিন হইল
- পঞ্চদশ পরিচ্ছেদ : চরণের ক্ষুদ্র দেহ
পরিণীতা
- পরিণীতা
- পরিণীতা
- প্রথম পরিচ্ছেদ : শক্তিশেল
- দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ : শ্যামবাজারের
- তৃতীয় পরিচ্ছেদ : চারুবালার মা
- চতুর্থ পরিচ্ছেদ : এ পাড়ার একজন
- পঞ্চম পরিচ্ছেদ : গুরুচরণ লোকটি
- ষষ্ঠ পরিচ্ছেদ : নবীন রায়
- সপ্তম পরিচ্ছেদ : চায়ের মজলিস
- অষ্টম পরিচ্ছেদ : মাস-তিনেক পরে
- নবম পরিচ্ছেদ : সে রাত্রে
- দশম পরিচ্ছেদ : অসম্ভব বলিয়া
- একাদশ পরিচ্ছেদ : গুরুচরণ
- দ্বাদশ পরিচ্ছেদ : শেখর মাকে লইয়া
গৃহদাহ
- গৃহদাহ
- গৃহদাহ
- প্রথম পরিচ্ছেদ
- দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ
- তৃতীয় পরিচ্ছেদ
- চতুর্থ পরিচ্ছেদ
- পঞ্চম পরিচ্ছেদ
- ষষ্ঠ পরিচ্ছেদ
- সপ্তম পরিচ্ছেদ
- অষ্টম পরিচ্ছেদ
- নবম পরিচ্ছেদ
- দশম পরিচ্ছেদ
- একাদশ পরিচ্ছেদ
- দ্বাদশ পরিচ্ছেদ
- ত্রয়োদশ পরিচ্ছেদ
- চতুর্দশ পরিচ্ছেদ
- পঞ্চদশ পরিচ্ছেদ
- ষোড়শ পরিচ্ছেদ
- সপ্তদশ পরিচ্ছেদ
- অষ্টাদশ পরিচ্ছেদ
- ঊনবিংশ পরিচ্ছেদ
- বিংশ পরিচ্ছেদ
- পরিচ্ছেদ
- দ্বাবিংশ পরিচ্ছেদ
- ত্রয়োবিংশ পরিচ্ছেদ
- চতুর্বিংশ পরিচ্ছেদ
- পঞ্চবিংশ পরিচ্ছেদ
- ষড়্বিংশ পরিচ্ছেদ
- সপ্তবিংশ পরিচ্ছেদ
- অষ্টাবিংশ পরিচ্ছেদ
- ঊনত্রিংশ পরিচ্ছেদ
- ত্রিংশ পরিচ্ছেদ
- একত্রিংশ পরিচ্ছেদ
- দ্বাত্রিংশ পরিচ্ছেদ
- ত্রয়স্ত্রিংশ পরিচ্ছেদ
- চতুস্ত্রিংশ পরিচ্ছেদ
- পঞ্চত্রিংশ পরিচ্ছেদ
- ষড়্ত্রিংশ পরিচ্ছেদ
- সপ্তত্রিংশ পরিচ্ছেদ
- অষ্টাত্রিংশ পরিচ্ছেদ
- ঊনচত্বারিংশ পরিচ্ছেদ
- চত্বারিংশ পরিচ্ছেদ
- একচত্বারিংশ পরিচ্ছেদ
- দ্বিচত্বারিংশ পরিচ্ছেদ
- ত্রিচত্বারিংশ পরিচ্ছেদ
- চতুশ্চত্বারিংশ পরিচ্ছেদ
চন্দ্রনাথ
- চন্দ্রনাথ
- চন্দ্রনাথ
- প্রথম পরিচ্ছেদ : চন্দ্রনাথের পিতৃ-শ্রাদ্ধ
- দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ : দিন-দুই পরে
- তৃতীয় পরিচ্ছেদ : তাহার পর কতদিন
- চতুর্থ পরিচ্ছেদ : চন্দ্রনাথের মাতুলানী
- পঞ্চম পরিচ্ছেদ : বয়সের সন্মান-জ্ঞান
- ষষ্ঠ পরিচ্ছেদ : তখনও কথাটা
- সপ্তম পরিচ্ছেদ : সুলোচনা কোথায়?
- অষ্টম পরিচ্ছেদ : হরিদয়াল সমস্ত কথা
- নবম পরিচ্ছেদ : চন্দ্রনাথ কহিল
- দশম পরিচ্ছেদ : সেই রাত্রে সরযূ
- একাদশ পরিচ্ছেদ : সমস্ত রাত্রি
- দ্বাদশ পরিচ্ছেদ : হরিদয়ালের বাটীতে
- ত্রয়োদশ পরিচ্ছেদ : শরৎকালে
- চতুর্দশ পরিচ্ছেদ : ঘটনার পর
- পঞ্চদশ পরিচ্ছেদ : এই দুই বৎসর
- ষোড়শ পরিচ্ছেদ : চন্দ্রনাথ
- সপ্তদশ পরিচ্ছেদ : তখন স্বামী-স্ত্রীতে
- অষ্টাদশ পরিচ্ছেদ : কিন্তু চন্দ্রনাথ
- ঊনবিংশ পরিচ্ছেদ : বাড়ি পৌঁছিয়া
- বিংশ পরিচ্ছেদ : সে রাত্রে
দত্তা
- দত্তা
- দত্তা
- প্রথম পরিচ্ছেদ
- দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ
- তৃতীয় পরিচ্ছেদ
- চতুর্থ পরিচ্ছেদ
- পঞ্চম পরিচ্ছেদ
- ষষ্ঠ পরিচ্ছেদ
- সপ্তম পরিচ্ছেদ
- অষ্টম পরিচ্ছেদ
- নবম পরিচ্ছেদ
- দশম পরিচ্ছেদ
- একাদশ পরিচ্ছেদ
- দ্বাদশ পরিচ্ছেদ
- ত্রয়োদশ পরিচ্ছেদ
- চতুর্দশ পরিচ্ছেদ
- পঞ্চদশ পরিচ্ছেদ
- ষোড়শ পরিচ্ছেদ
- সপ্তদশ পরিচ্ছেদ
- অষ্টাদশ পরিচ্ছেদ
- ঊনবিংশ পরিচ্ছেদ
- বিংশ পরিচ্ছেদ
- একবিংশ পরিচ্ছেদ
- দ্বাবিংশ পরিচ্ছেদ
- ত্রয়োবিংশ পরিচ্ছেদ
- চতুর্বিংশ পরিচ্ছেদ
- পঞ্চবিংশ পরিচ্ছেদ
- ষড়্বিংশ পরিচ্ছেদ
পল্লী-সমাজ
- পল্লী-সমাজ
- পল্লী-সমাজ
- এক : বেণী ঘোষাল
- দুই : কুঁয়াপুরের বিষয়টা
- তিন : জ্যাঠাইমা!
- চার : এইমাত্র শ্রাদ্ধ শেষ
- পাঁচ : মধু পালের মুদীর দোকান
- ছয় : বিশ্বেশ্বরীর সেদিনের কথাটা
- সাত : হাঁ রে যতীন
- আট : আয় বাবা, ঘরে আয়
- নয় : যত রাগ করিয়াই
- দশ : মাস-তিনেক পরে
- এগার : দুইদিন অবিশ্রান্ত বৃষ্টিপাত
- বার : ছেলেবেলায় একদিন
- তের : আজ দুই মাস
- চৌদ্দ : বর্ষা শেষ হইয়া
- পনর : এমনি একটা আশঙ্কা
- ষোল : প্রতি বৎসর রমা
- সতর : বিশ্বেশ্বরী ঘরে ঢুকিয়া
- আঠার : কারা-প্রাচীরের বাহিরে
- উনিশ : সেইদিন অপরাহ্নে
শুভদা
- শুভদা
- প্রথম অধ্যায়
- প্রথম পরিচ্ছেদ
- দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ
- তৃতীয় পরিচ্ছেদ
- চতুর্থ পরিচ্ছেদ
- পঞ্চম পরিচ্ছেদ
- ষষ্ঠ পরিচ্ছেদ
- সপ্তম পরিচ্ছেদ
- অষ্টম পরিচ্ছেদ
- নবম পরিচ্ছেদ
- দশম পরিচ্ছেদ
- একাদশ পরিচ্ছেদ
- দ্বাদশ পরিচ্ছেদ
- ত্রয়োদশ পরিচ্ছেদ
- দ্বিতীয় অধ্যায়
- প্রথম পরিচ্ছেদ
- দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ
- তৃতীয় পরিচ্ছেদ
- চতুর্থ পরিচ্ছেদ
- পঞ্চম পরিচ্ছেদ
- ষষ্ঠ পরিচ্ছেদ
- সপ্তম পরিচ্ছেদ
- অষ্টম পরিচ্ছেদ
- নবম পরিচ্ছেদ
- দশম পরিচ্ছেদ
- একাদশ পরিচ্ছেদ
- দ্বাদশ পরিচ্ছেদ
- ত্রয়োদশ পরিচ্ছেদ
- চতুর্দশ পরিচ্ছেদ
- পঞ্চদশ পরিচ্ছেদ
- ষোড়শ পরিচ্ছেদ
- সপ্তদশ পরিচ্ছেদ
শ্রীকান্ত
- শ্রীকান্ত
- প্রথম পর্ব
- দ্বিতীয় পর্ব
- তৃতীয় পর্ব
- চতুর্থ পর্ব
- শ্রীকান্ত
- শ্রীকান্ত
- প্রথম পর্ব
- এক : আমার এই ‘ভবঘুরে’
- দুই : কয়েক মুহূর্তেই ঘনান্ধকারে
- তিন : বড় ঘুম পেয়েছে
- চার : পা আর চলে না
- পাঁচ : সমস্ত ব্যাপারটা শুনিতে
- ছয় : নিস্তব্ধ গভীর রাত্রে
- সাত : আজ একাকী গিয়া
- আট : লিখিতে বসিয়া
- নয় : মানুষের অন্তর
- দশ : সমস্ত ঘটনারই হেতু
- এগার : পিয়ারীর কাছে
- বার : যাহাতে অচৈতন্য
- দ্বিতীয় পর্ব
- এক : এই ছন্নছাড়া জীবনের
- দুই : এক-একটা কথা
- তিন : দিন পাঁচ-ছয় পরে
- চার : সেদিন এমন প্রবৃত্তি
- পাঁচ : কেরেন্টিন্ কারাবাসের
- ছয় : অভয়া ও রোহিণীদাদা
- সাত : পথে যাহাদের সুখ
- আট : রাজলক্ষ্মীর অনুরোধ
- নয় : আবার অভয়ার স্বামী
- দশ : হঠাৎ অভয়া
- এগার : মনোহর চক্রবর্তী
- বার : যখন মৃত্যুর পরওয়ানা
- তের : কলিকাতার ঘাটে
- চৌদ্দ : শ্রীমান বঙ্কুকে
- পনর : রাজলক্ষ্মী আমার
- তৃতীয় পর্ব
- এক : একদিন যে ভ্রমণকাহিনী
- দুই : বাঙ্গলার ম্যালেরিয়া
- তিন : সাঁইথিয়া স্টেশনে
- চার : সাধু জিজ্ঞাসা
- পাঁচ : সাধুজী ত স্বচ্ছন্দে
- ছয় : সকালে উঠিয়া শুনিলাম
- সাত : আপনাকে আপনি বিশ্লেষণ
- আট : পূর্বেই বলিয়াছি
- নয় : তাহাদের সম্বন্ধে
- দশ : মানুষের পরকালের
- এগার : সকালে উঠিয়া
- বার : সকালে খবর পৌঁছিল
- তের : সন্ধ্যা শেষ হইল
- চৌদ্দ : গঙ্গামাটির বাটীতে
- পনর : সন্ন্যাসী বজ্রানন্দ
- চতুর্থ পর্ব
- এক
- দুই : স্টেশনে পদার্পণ মাত্র
- তিন : সশব্দ উদ্গারে চমকিত
- চার : পৃথিবীর সর্বাপেক্ষা
- পাঁচ : গহরের খোঁজে আসিয়া
- ছয় : যদিচ ধর্মাচরণে
- সাত : আজ আমাকে বৈষ্ণবী
- আট : এখানে আর একদণ্ডও
- নয় : আজ অবেলায়
- দশ : ওগো, ওঠো
- এগার : পরদিন আমার অনিচ্ছায়
- বার : রাজলক্ষ্মীর প্রশ্নের উত্তরে
- তের : এক সকালে স্বামীজী
- চৌদ্দ : সমস্ত পথ চোখ যাহাকে
দ্বিতীয় পর্ব
- দ্বিতীয় পর্ব
- এক : এই ছন্নছাড়া জীবনের
- দুই : এক-একটা কথা
- তিন : দিন পাঁচ-ছয় পরে
- চার : সেদিন এমন প্রবৃত্তি
- পাঁচ : কেরেন্টিন্ কারাবাসের
- ছয় : অভয়া ও রোহিণীদাদা
- সাত : পথে যাহাদের সুখ
- আট : রাজলক্ষ্মীর অনুরোধ
- নয় : আবার অভয়ার স্বামী
- দশ : হঠাৎ অভয়া
- এগার : মনোহর চক্রবর্তী
- বার : যখন মৃত্যুর পরওয়ানা
- তের : কলিকাতার ঘাটে
- চৌদ্দ : শ্রীমান বঙ্কুকে
- পনর : রাজলক্ষ্মী আমার
অনন্ত দ্রাঘিমা
- অনন্ত দ্রাঘিমা
- চৌদ্দ : গঙ্গামাটির বাটীতে
- চতুর্থ পর্ব
- এক
- দুই : স্টেশনে পদার্পণ মাত্র
- তিন : সশব্দ উদ্গারে চমকিত
- চার : পৃথিবীর সর্বাপেক্ষা
- পাঁচ : গহরের খোঁজে আসিয়া
- ছয় : যদিচ ধর্মাচরণে
- সাত : আজ আমাকে বৈষ্ণবী
- আট : এখানে আর একদণ্ডও
- নয় : আজ অবেলায়
- দশ : ওগো, ওঠো
- এগার : পরদিন আমার অনিচ্ছায়
- বার : রাজলক্ষ্মীর প্রশ্নের উত্তরে
- তের : এক সকালে স্বামীজী
- চৌদ্দ : সমস্ত পথ চোখ যাহাকে
শরৎ গল্প সমগ্র
- শরৎ গল্প সমগ্র
- বিন্দুর ছেলে
- রামের সুমতি
- পথ-নির্দেশ
- মেজদিদি
- দর্পচূর্ণ
- আঁধারে আলো
- বোঝা
- মন্দির
- অনুপমার প্রেম
- হরিচরণ
- স্বামী
- একাদশী বৈরাগী
- ছবি
- বিলাসী
- মামলার ফল
- হরিলক্ষ্মী
- মহেশ
- বাল্যস্মৃতি
- অভাগীর স্বর্গ
- অনুরাধা
- সতী
- পরেশ
- লালু
- ছেলেধরা
- কলকাতার নতুন-দা
- বছর-পঞ্চাশ পূর্বের একটা দিনের কাহিনী
- দেওঘরের স্মৃতি
- কোরেল
- বিচার
- অন্তর্যামী
- জাগরণ
- আগামীকাল
লিঙ্গপুরাণ
- লিঙ্গপুরাণ
- জ্যোতিষ
- গোহত্যা, গোমাংস ও গোমাতার ইতিবৃত্ত
- সরস্বতী
- ব্রাহ্মণ্যবাদ এবং ভারতীয় সমাজ
- মনু, মনুসংহিতা এবং হিন্দুবাদের ভারতবর্ষ
- লিঙ্গপুরাণ
- মোহে-নির্মোহে নগ্নতা
- আঁধারে আলো
- এক : সে অনেকদিনের কথা
- দুই : একফোঁটা রাধারানীকে
- তিন : রমণী যে প্রত্যহ
- চার : জ্ঞানীরা কহিয়াছেন
- পাঁচ : সকালবেলা স্নান করিয়া
- ছয় : চার বৎসর পরের কথা
অপ্রকাশিত রচনাবলী
- অপ্রকাশিত রচনাবলী
- নারীর লেখা
- কানকাটা
- ক্ষুদ্রের গৌরব
- সমাজ-ধর্মের মূল্য
- আসার আশায়
- সধবার একাদশী
- রস-সেবায়েৎ
- চন্দননগরে আলাপ-সভায়
- রসচক্র
- মুসলমান সাহিত্য
- মুসলিম সাহিত্য-সমাজ
- বর্তমান হিন্দু-মুসলমান সমস্যা
- বাঙলা বইয়ের দুঃখ
- ভাগ্য-বিড়ম্বিত লেখক-সম্প্রদায়
- সাহিত্যের মাত্রা
- সাহিত্যের আর একটা দিক
- শেষের পরিচয়ের অপ্রকাশিত অংশ
- শ্রীকান্তের পরিত্যক্ত অংশ
- ৫৭তম জন্মদিনে প্রতিভাষণ
- মাতৃভাষা এবং সাহিত্য
- ভালমন্দ
- অপ্রকাশিত খণ্ডরচনা
- আত্মকথা
- একটি অসমাপ্ত গল্প
- দিন-কয়েকের ভ্রমণ-কাহিনী
- জলধর-সম্বর্ধনা
- দেশসেবা
- নূতন প্রোগ্রাম
- বর্তমান রাজনৈতিক প্রসঙ্গ
- সাম্প্রদায়িক বাঁটোয়ারা
- দু’টি আবেদন
- দুটি অসমাপ্ত প্রবন্ধ
- বাংলা নাটক
- বামুনের মেয়ের নাট্যরূপ
- বিপ্রদাসের পরিত্যক্ত এক পৃষ্ঠা
- বারোয়ারি
- বাল্য-স্মৃতি
- বেতার-সঙ্গীত
- মহাত্মাজী
- মহাত্মার পদত্যাগ
- যুব-সঙ্ঘ
- রবীন্দ্র-জয়ন্তী উপলক্ষে মানপত্র
- শুভেচ্ছা
- সত্যাশ্রয়ী
- সাহিত্য সম্মিলনের রূপ
চোদ্দ শতকের বাঙালী
- চোদ্দ শতকের বাঙালী
- শতক বিহরণ
- বিপ্লববাদী সমাজের অভ্যুত্থান
- হিন্দু সভ্যতার শিকর আবিষ্কার
- কুলীনের মেয়ের মুক্তি
- হিন্দু বিবাহ-বিধান
- মুসলিম বিবাহ ও তিন তালাক
- বিয়ে বাড়ির আদব
- শতাব্দীর মর্মন্তুদ অগ্নিকাণ্ড
- কলকাতার দাঙ্গা
- শতাব্দীর আর্থিক চিত্র
- পশ্চিমবঙ্গের নবরূপ
- সার্বভৌম বাংলাদেশের জন্ম
- বাঙালী জীবনচর্যার পরিবর্তন
- বাঙালী জীবনের অস্তাচল
- বাঙালী আরও হারিয়েছে তার স্বয়ম্ভরতা
- নারী নির্যাতনে দেশ গেল ভরে
- বাঙালীর দুর্গতি
- ঘটনাপঞ্জী
- প্রথম পরিচ্ছেদ
- দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ
- তৃতীয় পরিচ্ছেদ
- চতুর্থ পরিচ্ছেদ
যুগবাণী
- যুগবাণী
- উৎসর্গ
- নবযুগ
- গেছে দেশ দুঃখ নাই, আবার তোরা মানুষ হ!
- ডায়ারের স্মৃতিস্তম্ভ
- ধর্মঘট
- লোকমান্য তিলকের মৃত্যুতে বেদনাতুর কলিকাতার দৃশ্য
- মুহাজিরিন হত্যার জন্য দায়ী কে?
- বাংলা সাহিত্যে মুসলমান
- ছুঁৎমার্গ
- উপেক্ষিত শক্তির উদ্বোধন
- মুখবন্ধ
- রোজ কেয়ামত বা প্রলয় দিন
- বাঙালির ব্যবসাদারি
- আমাদের শক্তি স্থায়ী হয় না কেন?
- কালা আদমিকে গুলি মারা
- শ্যাম রাখি না কুল রাখি
- লাট-প্রেমিক আলি ইমাম
- ভাব ও কাজ
- সত্য-শিক্ষা
- জাতীয় শিক্ষা
- জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়
- জাগরণী
বিষের বাঁশী
- বিষের বাঁশী
- উৎসর্গ
- কৈফিয়ত
- আয় রে আবার আমার চির-তিক্ত প্রাণ!
- ফাতেহা-ই-দোয়াজ্-দহম্ : আবির্ভাব
- ফাতেহা-ই-দোয়াজ্-দহম্ : তিরোভাব
- সেবক
- জাগৃহি
- তূর্য-নিনাদ
- বোধন
- উদ্বোধন
- অভয়-মন্ত্র
- আত্মশক্তি
- মরণ-বরণ
- বন্দি-বন্দনা
- বন্দনা-গান
- মুক্তি-সেবকের গান
- শিকল-পরার গান
- মুক্ত-বন্দি
- যুগান্তরের গান
- চরকার গান
- জাতের বজ্জাতি
- সত্য-মন্ত্র
- বিজয়-গান
- পাগল পথিক
- ভূত-ভাগানোর গান
- বিদ্রোহীর বাণী
- অভিশাপ
- মুক্ত-পিঞ্জর
- ঝড়
ছায়ানট
- পলাতকা
- ছায়ানট
- বিজয়িনী
- কমল-কাঁটা
- চৈতি হাওয়া
- বেদনা-অভিমান
- নিশীথ-প্রীতম্
- অ-বেলায়
- হার-মানা-হার
- লক্ষ্মীছাড়া
- শেষের গান
- নিরুদ্দেশের যাত্রী
- চিরন্তনী প্রিয়া
- বেদনা-মণি
- পরশ পূজা
- অনাদৃতা
- শায়ক-বেঁধা পাখী
- হারামণি
- নীল পরী
- স্নেহ-ভীতু
- চিরশিশু
- মানস-বধূ
- দহনমালা
- বিদায়-বেলায়
- অকরুণ পিয়া
- ব্যথা-নিশীথ
- সন্ধ্যাতারা
- দূরের বন্ধু
- আশা
- মরমী
- মুক্তি-বার
- আপন-পিয়াসী
- বিবাগিনী
- প্রতিবেশিনী
- দুপুর-অভিসার
- ছলকুমারী
- পাপড়ি-খোলা
- বিধুরা পথিকপ্রিয়া
- মনের মানুষ
- প্রিয়ার রূপ
- বাদল-দিনে
- কার বাঁশি বাজিল?
- অ-কেজোর গান
- স্তব্ধ বাদল
- চাঁদমুকুর
- চির-চেনা
- পাহাড়ী গান
- অমর-কানন
- পূবের হাওয়া
- আলতা-স্মৃতি
- রৌদ্রদগ্ধের গান
ফণী-মনসা
- ফণী-মনসা
- সব্যসাচী
- দ্বীপান্তরের বন্দিনী
- প্রবর্তকের ঘুর-চাকায়
- আশীর্বাদ
- মুক্তিকাম
- সাবধানী ঘণ্টা
- বিদায়-মাভৈঃ
- বাংলার মহাত্মা
- হেমপ্রভা
- অশ্বিনীকুমার
- ইন্দু-প্রয়াণ
- দিল-দরদী
- সত্যেন্দ্র-প্রয়াণ
- সত্য-কবি
- সত্যেন্দ্র-প্রয়াণ-গীতি
- সুর-কুমার
- রক্ত-পতাকার গান
- অন্তর-ন্যাশন্যাল সঙ্গীত
- জাগর-তূর্য
- যুগের আলো
- পথের দিশা
- যা শত্রু পরে পরে
- হিন্দু-মুসলিম যুদ্ধ
বাঁধনহারা
- বাঁধনহারা
- উৎসর্গ
- পরিচ্ছেদ ক : পত্র এক
- পরিচ্ছেদ ক : পত্র দুই
- পরিচ্ছেদ খ : পত্র এক
- পরিচ্ছেদ খ : পত্র দুই
- পরিচ্ছেদ গ : পত্র এক
- পরিচ্ছেদ গ : পত্র দুই
- পরিচ্ছেদ ঘ : পত্র এক
- পরিচ্ছেদ ঘ : পত্র দুই
- পরিচ্ছেদ ঘ : পত্র তিন
- পরিচ্ছেদ ঙ
- পরিচ্ছেদ চ
- পরিচ্ছেদ ছ
- পরিচ্ছেদ জ : পত্র এক
- পরিচ্ছেদ জ : পত্র দুই
- পরিচ্ছেদ জ : পত্র তিন
- পরিচ্ছেদ জ : পত্র চার
- পরিচ্ছেদ জ : পত্র পাঁচ
- পরিচ্ছেদ জ : পত্র ছয়
বুলবুল
- বুলবুল
- উৎসর্গ
- ‘বুলবুলে’র কবি
- বাগিচায় বুলবুলি তুই
- আমারে চোখ-ইশারায়
- বসিয়া বিজনে কেন একা মনে
- ভুলি কেমনে আজও যে মনে
- কেন কাঁদে পরান
- মৃদুল বায়ে বকুল ছায়ে
- কে বিদেশি মন-উদাসী
- করুণ কেন অরুণ আঁখি
- এত জল ও-কাজল-চোখে
- আসে বসন্ত ফুলবনে
- দুরন্ত বায়ু পুরবৈয়াঁ
- চেয়ো না সুনয়না
- পরান-প্রিয়! কেন এলে অবেলায়
- সখী জাগো, রজনী পোহায়
- নিশি ভোর হল জাগিয়া
- এ বাসি বাসরে আসিলে
- বসিয়া নদীকূলে
- কেন দিলে এ কাঁটা
- সখী, বোলো-বঁধূয়ারে
- নহে নহে প্রিয়
- এ আঁখি-জল মোছ পিয়া
- কী হবে জানিয়া বলো
- পরদেশি বঁধুয়া
- কেন উচাটন মন
- আসিলে এ ভাঙা ঘরে
- আজি দোল পূর্ণিমাতে
- রুমুঝুমু রুমুঝুম্
- আজি এ কুসুম-হার
- গরজে গম্ভীর গগন কম্বু
- হাজার তারার হার হয়ে
- অধীর অম্বরে গুরু গরজন
- ঝরে ঝরঝর কোন গভীর
- হৃদয় যত নিষেধ হানে
- শুকাল মিলন-মালা
- স্মরণ-পারের ওগো প্রিয়
- গহীন রাতে ঘুম
- কোন শরতে পূর্ণিমা-চাঁদ
- জাগিলে ‘পারুল’ কি গো
- চরণ ফেলি গো মরণ-ছন্দে
- নমো হে নমো যন্ত্রপতি
- পুরবের তরুণ অরুণ
- কে শিব সুন্দর
- কার নিকুঞ্জে রাত কাটায়ে
- কেন আন ফুল-ডোর
- কেমনে রাখি আঁখি-বারি
- কেন আসিলে যদি যাবে চলি
- সাজিয়াছ যোগী
- মুসাফির! মোছ এ আঁখি জল
- এ নহে বিলাস বন্ধু
চোখের চাতক
- চোখের চাতক
- আমার কোন কূলে আজ ভিড়ল তরী
- কাঁদিতে এসেছি আপনারে লয়ে
- ছাড়িতে পরান নাহি চায়
- কে তুমি দূরের সাথী
- আজি এ শ্রাবণ-নিশি
- আজি বাদল ঝরে
- মোর ঘুম ঘোরে এলে
- কেউ ভোলে না কেউ ভোলে
- যাও যাও তুমি ফিরে
- ফাগুন-রাতের ফুলের নেশায়
- নিশীথ-স্বপন তোর ভুলে যা
- ঘোর তিমির ছাইল রবি শশী
- দারুণ পিপাসায় মায়া-মরীচিকায়
- এত কথা কি গো কহিতে জানে
- মন কেন উদাসে
- আমার গহীন জলের নদী
- তোমায় কূলে তুলে বন্ধু
- আমার সাম্পান যাত্রী না লয়
- ওরে মাঝি ভাই
- কেন প্রাণ ওঠে কাঁদিয়া
- আঁধার রাতে কে গো একেলা
- কী হবে লাল পাল তুলে
ছাড়পত্র
- ছাড়পত্র
- ছাড়পত্র (কবিতা)
- আগামী
- রবীন্দ্রনাথের প্রতি
- চারাগাছ
- খবর
- ইউরোপের উদ্দেশে
- প্রস্তুত
- প্রার্থী
- একটি মোরগের কাহিনী
- সিঁড়ি
- কলম
- আগ্নেয়গিরি
- দুরাশার মৃত্যু
- ঠিকানা
- লেনিন
- অনুভব
- কাশ্মীর
- সিগারেট
- দেশলাই কাঠি
- বিবৃতি
- চিল
- চট্টগ্রাম : ১৯৪৩
- মধ্যবিত্ত '৪২
- সেপ্টেম্বর '৪৬
- ঐতিহাসিক
- শত্রু এক
- মজুরদের ঝড়
- ডাক
- বোধন
- রানার
- মৃত্যুজয়ী গান
- কনভয়
- ফসলের ডাক : ১৩৫১
- কৃষকের গান
- এই নবান্নে
- আঠারো বছর বয়স
- হে মহাজীবন
ঘুম নেই
- ঘুম নেই
- বিক্ষোভ
- ১লা মে-র কবিতা '৪৬
- পরিখা
- সব্যসাচী
- উদ্বীক্ষণ
- বিদ্রোহের গান
- অনন্যোপায়
- অভিবাদন
- জনতার মুখে ফোটে বিদ্যুৎবাণী
- কবিতার খসড়া
- আমরা এসেছি
- একুশে নভেম্বর : ১৯৪৬
- দিন বদলের পালা
- মুক্ত বীরদের প্রতি
- প্রিয়তমাসু
- ছুরি
- সূচনা
- অদ্বৈধ
- দিক্প্রান্তে
- চিরদিনের
- নিভৃত
- বৈশম্পায়ন
- নিভৃত
- কবে
- অলক্ষ্যে
- মহাত্মাজীর প্রতি
- পঁচিশে বৈশাখের উদ্দেশে
- পরিশিষ্ট
- মীমাংসা
- অবৈধ
- ১৯৪১ সাল
- রোম : ১৯৪৩
- জনরব
- রৌদ্রের গান
- দেওয়ালী
গীতিগুচ্ছ
- গীতিগুচ্ছ
- ওগো কবি তুমি আপন ভোলা
- এই নিবিড় বাদল দিনে
- গানের সাগর পাড়ি দিলাম
- হে মোর মরণ
- দাঁড়াও ক্ষণিক পথিক হে
- শয়ন শিয়রে ভোরের পাখির রবে
- ও কে যায় চলে
- হে পাষাণ, আমি নির্ঝরিণী
- শীতের হাওয়া ছুঁয়ে গেল
- কিছু দিয়ে যাও
- ক্লান্ত আমি কর ক্ষমা
- সাঁঝের আঁধার ঘিরল যখন
- কঙ্কণ-কিঙ্কিণী মঞ্জুল মঞ্জীর ধ্বনি
- মেঘ-বিনিন্দিত স্বরে
- গুঞ্জরিয়া এল অলি
- কোন অভিশাপে নিয়ে এল
- ভুল হল বুঝি
- মুখ তুলে চায়
- ফোটে ফুল আসে যৌবন
সুকান্তের অপ্রচলিত রচনা
- সুকান্তের অপ্রচলিত রচনা
- ক্ষুধা
- দুর্বোধ্য
- ভদ্রলোক
- দরদী কিশোর
- কিশোরের স্বপ্ন
- ছন্দ ও আবৃত্তি
- বর্ষ-বাণী
- যেমন ক’রে তপন টানে জল
- জনগণ হও আজ উদ্বুদ্ধ
- আমরা জেগেছি
- শৃঙ্খল ভাঙা সুর
- ভবিষ্যতে
- সুচিকিৎসা
- পরিচয়
- আজিকার দিন কেটে যায়
- চৈত্রদিনের গান
- সুহৃদ্বরেষু
- পটভূমি
- ভারতীয় জীবনত্রাণ-সমাজের মহাপ্রয়াণে
- “নব জ্যামিতি”র ছড়া
- জবাব
- চরমপত্র
- মেজদাকে : মুক্তির অভিনন্দন
- পত্র
- মার্শাল তিতোর প্রতি
- ব্যর্থতা
- দেবদারু গাছে রোদের ঝলক
পলাশির অজানা কাহিনী
- পলাশির অজানা কাহিনী
- ভূমিকা
- প্রাক্-পলাশি বাংলার রূপরেখা
- সিরাজ চরিত-কথা
- ইউরোপীয় কোম্পানি ও এশীয় বণিক সম্প্রদায়
- সিরাজদ্দৌল্লা ও ইংরেজ কোম্পানির সংঘাত
- পলাশি বিপ্লবের অনিবার্যতা
- ষড়যন্ত্রের উদ্ভব ও ক্রমবিকাশ
- চক্রান্তের মূল নায়করা
- পলাশি অভিমুখে : ইংরেজ পরিকল্পনা
- পলাশির পরিণাম : সুদূরপ্রসারী প্রভাব
- উপসংহার
- নির্বাচিত গ্রন্থপঞ্জি
হযরত ওমর
- হযরত ওমর
- গুমরাহীর অন্ধকারায়
- ইসলামের আলোকধারায়
- খেলাফতের প্রতিষ্ঠায়
- বিজয়ীর বেশে ফিরে দেশে দেশে
- ইরাক-আরব বিজয়
- ইরাক-আযম বিজয়
- সিরিয়া বিজয়
- মিসর বিজয়
- ওমরের শাহাদাত
- রাজ্যজয় ও রাষ্ট্রগঠন
- প্রশাসনিক ও রাজস্ব-ব্যবস্থা
- সেনাবিভাগ
- শহর পত্তন ও পূর্তবিভাগ
- বিচার-বিভাগ
- জিম্মীদের অধিকার সংরক্ষণ ও দাসপ্রথা নিয়ন্ত্ৰণ
- শিক্ষাবিস্তার ও ধর্মপ্রচার
- রাষ্ট্রনায়ক : ব্যক্তিত্ব
- মানুষ ওমর
- ওমর-কাহিনীগুচ্ছ
- শেষ প্ৰসঙ্গ
ঐতিহাসিক সমগ্র
- ঐতিহাসিক সমগ্র
- ভারতের দ্বিতীয় প্রভাতে
- মহাভারতের শেষ মহাবীর
- পঞ্চনদের তীরে
- ভগবানের চাবুক
- আলেকজান্ডার দি গ্রেট
- দিগবিজয়ী নেপোলিয়ন
- রক্ত বাদল ঝরে
- হন্তারক নরদানব
- সিরাজের বিজয় অভিযান
- তিন সম্রাটের ত্র্যহস্পর্শযোগ
- সাতহাজারের আত্মদান
- আলেকজান্ডারের পলায়ন
- ওষ্ঠাধরে রাজদণ্ড
- মরা মানিক আর জ্যান্ত মানিক
- মুসলমানের জহরব্রত
- সূর্য দেবী, পর্মল দেবী
- মারাঠার লিওনিডাস
- ভারতের একমাত্র সুলতানা
- ব্যাঘ্রভূমির বঙ্গবীর
- উপন্যাসের চেয়ে আশ্চর্য
- মরণ বিজয়ীর দল
- ছত্রপতির ছত্রভঙ্গ
- জগন্নাথদেবের গুপ্তকথা
- নতুন বাংলার প্রথম কবি
- শিবদাস ভাদুড়ি
- ইতিহাসের রক্তাক্ত প্রান্তরে
- বীরাঙ্গনা, পরাক্রমে ভীমা-সমা
- বর্গি এল দেশে
- হে ইতিহাস গল্প বলো
- প্রথম বাঙালি সম্রাট
- অনামা বীরাঙ্গনা
- ইতিহাসের রক্তাক্ত দৃশ্য
- ছত্রপতির অ্যাডভেঞ্চার
- বাংলাদেশের বোম্বেটেরাজ
ক্রুসেড সিরিজ
- গাজী সালাহুদ্দীনের দুঃসাহসিক অভিযান
- গোপন বিদ্রোহী
- হেমসের যোদ্ধা
- পাপের ফল
- তুমুল লড়াই
- উমরু দরবেশ
- টার্গেট ফিলিস্তিন
- গাদ্দার
- সালাহুদ্দীন আয়ুবীর কমান্ডো অভিযান
- বিষাক্ত ছোবল
- খুনী চক্রের আস্তানায়
- পাল্টা ধাওয়া
- সুবাক দুর্গে আক্রমণ
- ইহুদী কন্যা
- ধাপ্পাবাজ
- ভয়ংকর ষড়যন্ত্র
- ভয়াল রজনী
- আবারও সংঘাত
- দূর্গপতন
- ফেরাউনের গুপ্তধন
- উপকূলে সংঘর্ষ
- সর্প কেল্লার খুনী
- চারদিকে চক্রান্ত
- সামনে বৈরুত
- দুর্গম পাহাড়
- ভণ্ডপীর
- ছোট বেগম
- রক্তস্রোত
- রিচার্ডের নৌবহর
- মহাসমর
বাবরনামা
- দ্বিতীয় অধ্যায়
- বাবরনামা
- ভূমিকা
- প্রথম অধ্যায়
- তৃতীয় অধ্যায়
- চতুর্থ অধ্যায়
- পঞ্চম অধ্যায়
- ষষ্ঠ অধ্যায়
- সপ্তম অধ্যায়
- অষ্টম অধ্যায়
- নবম অধ্যায়
- দশম অধ্যায়
- একাদশ অধ্যায়
- দ্বাদশ অধ্যায়
- ত্রয়োদশ অধ্যায়
- চতুর্দশ অধ্যায়
- পঞ্চদশ অধ্যায়
- ষোড়শ অধ্যায়
- সপ্তদশ অধ্যায়
- অষ্টাদশ অধ্যায়
- ঊনবিংশ অধ্যায়
- বিংশ অধ্যায়
- একবিংশ অধ্যায়
- দ্বাবিংশ অধ্যায়
- ত্রয়োবিংশ অধ্যায়
ভাটির দেশ
- ভাটির দেশ
- প্রথম পর্ব
- ভাটির দেশ
- আমন্ত্রণ
- ক্যানিং
- লঞ্চে
- লুসিবাড়ি
- পতন
- স্যার ড্যানিয়েল
- স্নেল’স উইন্ডো
- ট্রাস্ট
- ফকির
- চিঠি
- ডিঙিতে
- নির্মল আর নীলিমার কথা
- নোঙর
- কুসুম
- কথা
- বনবিবির মহিমা
- স্পন্দন
- মরিচঝাঁপি
- ময়না
- কাঁকড়া
- ভ্রমণকাহিনি
- গর্জনতলা
- আলোড়ন
- হঠাৎ আলো
- শোনা
- তীরে ভেড়া
- ধাওয়া
- স্বপ্ন
- অনুসরণ
- দ্বিতীয় পর্ব
- পুনরাগমনায় চ
- বন্দরের কাল
- ভোজ
- আলাপ
- ঝড়
- আলোচনা
- অভ্যাস
- একটি সূর্যাস্ত
- রূপান্তর
- তীর্থদর্শন
- নিয়তি
- মেঘা
- স্মৃতি
- মধ্যস্থ
- ঘেরাটোপে
- কথা
- অপরাধ
- বিদায় লুসিবাড়ি
- ব্যাঘাত
- বাঁচা
- রবিবারের ডাকঘর
- একটি হত্যা
- জেরা
- মিস্টার স্লোয়েন
- ক্রেতি
- চিহ্ন
- আলো
- খোঁজ
- হতাহত
- উপহার
- মিঠে জল, নোনা জল
- দিগন্তে
- ক্ষয়ক্ষতি
- তরী থেকে তীরে
- ঢেউ
- পরদিন
- বাড়ি : একটি উপসংহার
- লেখকের কথা
- অনুবাদ প্রসঙ্গে
দ্বিতীয় পর্ব
- দ্বিতীয় পর্ব
- পুনরাগমনায় চ
- বন্দরের কাল
- ভোজ
- আলাপ
- ঝড়
- আলোচনা
- অভ্যাস
- একটি সূর্যাস্ত
- রূপান্তর
- তীর্থদর্শন
- নিয়তি
- মেঘা
- স্মৃতি
- মধ্যস্থ
- ঘেরাটোপে
- কথা
- অপরাধ
- বিদায় লুসিবাড়ি
- ব্যাঘাত
- বাঁচা
- রবিবারের ডাকঘর
- একটি হত্যা
- জেরা
- মিস্টার স্লোয়েন
- ক্রেতি
- চিহ্ন
- আলো
- খোঁজ
- হতাহত
- উপহার
- মিঠে জল, নোনা জল
- দিগন্তে
- ক্ষয়ক্ষতি
- তরী থেকে তীরে
- ঢেউ
- পরদিন
- বাড়ি : একটি উপসংহার
- লেখকের কথা
- অনুবাদ প্রসঙ্গে
অলৌকিক জলযান
- অলৌকিক জলযান
- এক
- দুই
- তিন
- চার
- পাঁচ
- ছয়
- সাত
- আট
- নয়
- দশ
- এগার
- বার
- তের
- চৌদ্দ
- পনের
- ষোল
- সতের
- আঠার
- উনিশ
- বিশ
- একুশ
- বাইশ
- তেইশ
- চব্বিশ
- পঁচিশ
- ছাব্বিশ
- সাতাশ
- আঠাশ
- ঊনত্রিশ
- ত্রিশ
- একত্রিশ
- বত্রিশ
- তেত্রিশ
- চৌত্রিশ
- পয়ত্রিশ
- ছত্রিশ
- সাইত্রিশ
- আটত্রিশ
- উনচল্লিশ
- চল্লিশ
- একচল্লিশ
- বিয়াল্লিশ
- তেতাল্লিশ
- চুয়াল্লিশ
- পঁয়তাল্লিশ
- ছিচল্লিশ
- সাতচল্লিশ
- আটচল্লিশ
- উনপঞ্চাশ
- পঞ্চাশ
- একান্ন
- বাহান্ন
- তিপ্পান্ন
- চুয়ান্ন
হরিদাসের গুপ্তকথা
- অষ্টম কল্প
- নবম কল্প
- তৃতীয় খণ্ড
- প্রথম কল্প
- দ্বিতীয় কল্প
- তৃতীয় কল্প
- হরিদাসের গুপ্তকথা
- ভূবনচন্দ্র মুখোপাধ্যায়
- প্রকাশকের নিবেদন
- প্রথম খণ্ড
- প্রথম কল্প
- দ্বিতীয় কল্প
- তৃতীয় কল্প
- চতুর্থ কল্প
- পঞ্চম কল্প
- ষষ্ঠ কল্প
- সপ্তম কল্প
- অষ্টম কল্প
- নবম কল্প
- দশম কল্প
- একাদশ কল্প
- দ্বাদশ কল্প
- ত্রয়োদশ কল্প
- চতুর্দ্দশ কল্প
- পঞ্চদশ কল্প
- ষোড়শ কল্প
- সপ্তদশ কল্প
- অষ্টাদশ কল্প
- উনবিংশ কল্প
- বিংশ কল্প
- একবিংশ কল্প
- দ্বাবিংশ কল্প
- ত্রয়োবিংশ কল্প
- চতুর্ব্বিংশ কল্প
- পঞ্চবিংশ কল্প
- ষড়্বিংশ কল্প
- সপ্তবিংশ কল্প
- অষ্টাবিংশ কল্প
- ঊনত্রিংশ কল্প
- দ্বিতীয় খণ্ড
- প্রথম কল্প
- দ্বিতীয় কল্প
- তৃতীয় কল্প
- চতুর্থ কল্প
- পঞ্চম কল্প
- ষষ্ঠ কল্প
- সপ্তম কল্প
প্রথম খণ্ড
- প্রথম খণ্ড
- প্রথম কল্প
- দ্বিতীয় কল্প
- তৃতীয় কল্প
- চতুর্থ কল্প
- পঞ্চম কল্প
- অষ্টম কল্প
- নবম কল্প
- দশম কল্প
- একাদশ কল্প
- দ্বাদশ কল্প
- ত্রয়োদশ কল্প
- চতুর্দ্দশ কল্প
- পঞ্চদশ কল্প
- ষোড়শ কল্প
- সপ্তদশ কল্প
- অষ্টাদশ কল্প
- উনবিংশ কল্প
- বিংশ কল্প
- একবিংশ কল্প
- দ্বাবিংশ কল্প
- ত্রয়োবিংশ কল্প
- চতুর্ব্বিংশ কল্প
- পঞ্চবিংশ কল্প
- ষড়্বিংশ কল্প
- সপ্তবিংশ কল্প
- অষ্টাবিংশ কল্প
- ঊনত্রিংশ কল্প
রাজমোহনের স্ত্রী
নবম পরিচ্ছেদ
মাতঙ্গিনী অন্তরালে থাকিয়া তাবৎ শুনিয়াছিলেন। এই বিষম কু-সঙ্কল্পকারিদিগের মুখনির্গত যতগুলি শব্দ তাঁহার কর্ণকুহরে প্রবিষ্ট হইয়াছিল, ততগুলি বজ্রাঘাত তাঁহার বোধ হইয়াছে। যতক্ষণ না কথোপকথন সমাপ্ত হইয়াছিল, ততক্ষণ বসন্ত-বাতাহত অশ্বত্থ পত্রের ন্যায় তাঁহার ভীতি-কম্পিত তনু কোন মতে দণ্ডামান ছিল; কিন্তু কথা সমাপ্তি হইবামাত্র মাতঙ্গিনী আত্ম-বিবশা হইয়া ভূতলে বসিয়া পড়িলেন।
প্রথমতঃ কিয়ৎক্ষণ ত্রাস ও উৎকট মানসিক যন্ত্রণার আধিক্য প্রযুক্ত বিমূঢ়া হইয়া রহিলেন; ক্রমে মনঃস্থির হইলে দৈব-প্রকাশিত এই বিষম ব্যাপার মনোমধ্যে পরিচালনা করিতে লাগিলেন। এ পর্য্যন্ত তিনি নিজ ভর্ত্তাকে সম্পূর্ণরূপে চিনিতেন না; আজ তাঁহার চক্ষুরুন্মীলিত হইল। চক্ষুরুন্মীলনে যে করাল মূর্ত্তি দেখিলেন, তাহাতে মাতঙ্গিনীর শরীর রোমাঞ্চিত হইল। এ পর্য্যন্ত মনে ভাবিতেন যে, বিধাতা তাঁহাকে ক্রোধ-পরবশ দুর্নীত ব্যক্তির পাণিগৃহিতী করিয়াছেন; আজ জানিলেন যে, তিনি দস্যুপত্নী-দস্যু তাঁহার হৃদয়-বিহারী।
জানিয়াই বা কি? দস্যু-স্পর্শ হইতে পলাইবার উপায় আছে কি? স্ত্রী-জাতি-পতিসেবাপরায়ণা দাসী-পতিত্যাগের শক্তি কোথায়? চিরদিন দস্যুপদে দেহ-রত্ন অর্পিত হইবে-গরলোদ্গীর্ণমান বিষধর হৃদয়-পথে আসীন থাকিবে, পাছে সে আন্দোলনে আসনচ্যুত হয় বলিয়া কখন দীর্ঘনিঃশ্বাস ত্যাগ করিতে পারিবে না। ইহা অপেক্ষা আর কি ভয়ঙ্কর ললাট-লিপি বিধাতার লেখনী হইতে নির্গত হইতে পারে?
মাতঙ্গিনী ক্ষণেককাল এইরূপ চিন্তা করিলেন; পরক্ষণেই যে দস্যুদল-সঙ্কলিত দারুণপ্রমাদ ঘটনা হইবে তাহাই মনোমধ্যে প্রখর তেজে প্রদীপ্ত হইতে লাগিল। আর কাহারই বা এই সর্ব্বনাশ ঘটনা হইবে? হেমাঙ্গিনীর সর্ব্বনাশ, মাধবের সর্ব্বনাশ! মাতঙ্গিনীর শরীর রোমাঞ্চ কণ্টকিত,-শোণিত শীতল হইতে লাগিল, মস্তক বিঘূর্ণিত হইতে লাগিল। যখন ভাবিলেন যে প্রিয় সহোদরা এক্ষণে এই নির্জ্জন নিশীথে হৃদয়বল্লভের কণ্ঠলগ্না হইয়া নিশ্চিন্ত মনে সুষুপ্তি সুখানুভব করিতেছে, সে মনেও জানে না যে, দারিদ্র্যরাক্ষসী তাহার পশ্চাতে মুখব্যাদান করিয়া রহিয়াছে, এখনই গ্রাস করিবে; হয়ত ধনহানির সঙ্গে মানহানি, প্রাণহানি পর্য্যন্ত হইবে তখনই মাতঙ্গিনীর নিজ সম্বন্ধীয় মর্ম্মব্যথক ভূত ভবিষ্যত চিন্তা অন্তর্হিত হইল। মনে মনে স্থির বুঝিলেন যে, আমি না বাঁচাইলে হেমাঙ্গিনী ও মাধবের রক্ষা নাই, যদি প্রাণ পর্য্যন্ত পণ করিয়া তাহাদের রক্ষা করিতে পারি, তবে তাহাও করিব।
মাতঙ্গিনী প্রথমোদ্যমে মনে করিলেন, গৃহস্থ সকলকে জাগরিত করিয়া সকল ঘটনা বিবৃত করেন, কিন্তু তৎক্ষণাৎ সে ভাব অন্তর্হিত হইল; ভাবিলেন, তাহাতে কোন উপকার হইবে না। কেন না, রাজমোহনের আত্মপরিবার এমত অশ্রুতপূর্ব্ব সংবাদ বিশ্বাস হইবেক না; বিশ্বাস করিলেও মাধবের উপকারার্থ রাজমোহনের বিরুদ্ধাচারী হইবেক না। বরং লাভের মধ্যে তাহারা রাজমোহনের নিকট মাতঙ্গিনীকে এতদ্বিষয়ে সংবাদ-দাত্রী বলিয়া পরিচিত করিলে মাতঙ্গিনীর মহাবিপদ্ সম্ভাবনা।
পশ্চাৎ বিবেচনা করিলেন যে, কেবল কনককে জাগ্রত করিয়া তাহাকে সকল সংবাদ অবগত করান; এবং যাহা উচিত হয় পরামর্শ করেন। তদভিপ্রায়ে মাতঙ্গিনী শয্যাত্যাগ করিয়া বাটীর বাহিরে আসিলেন। কনকের গৃহ সন্নিকট। মাতঙ্গিনী ধীরে ধীরে কনকের গৃহাভিমুখে গমন করিতে লাগিলেন।
চন্দ্রালোকে পৃথিবী প্রফুল্লিতা। মাতঙ্গিনী কনকের গৃহ দ্বারে উপনীত হইয়া ধীরে ধীরে করাঘাত করিলেন, কনকের নিদ্রাভঙ্গ হইতে না হইতে কনকের মাতা কহিল, “কে রে?”
সর্ব্বনাশ! কনকের মাতা অতিশয় মুখরা, মাতঙ্গিনীর এ কথা স্মরণই ছিল না। মাতঙ্গিনী ভয়ে নিঃশব্দ রহিলেন। কনকের মাতা পুনঃ পুনঃ জিজ্ঞাসা করিলেন, “কে রে?” “কে রে?”
মাতঙ্গিনী সাহস করিয়া কম্পিত কণ্ঠে বলিল, “আমি গো।”
কনকের মাতা কোপযুক্ত স্বরে কহিল, “কে?-রাজুর বৌ বুঝি, এত রাত্রে তুমি এখানে কেন গা?”
মাতঙ্গিনী মৃদুস্বরে বলিলেন, “কনককে একটা কথা বলিব।”
কনকের মাতা বলিল, “রাত্রে কথা কি আবার একটা? সারাদিন কথা কয়ে কি আশ মেটে না? ভালমানুষের মেয়েছেলে রাত্রে এ-বাড়ী ও-বাড়ী কি গা? বউ-মানুষ, এখনই এ সব ধরেছ?-চল দেখি তোমার পিশেসের কাছে।”
মাতার তর্জ্জনে গর্জ্জনে কনকের নিদ্রাভঙ্গ হইল; বৃত্তান্ত বুঝিয়া কনক কহিল, “মা, দুয়ারটা খুলে দাও, শুনিই না কি বলে।”
কনকের মাতা গর্জ্জন করিয়া বলিল, “দেখ্ কন্কি, এমন মুড়ো ঝাঁটা তোর কপালে আছে।”
কনক নিস্পন্দ ও নির্ব্বাক্ হইল। মাতঙ্গিনী দীর্ঘশ্বাস ত্যাগ করিয়া গৃহে প্রত্যাগমন করিলেন, এবং পুনরায় গভীর চিন্তায় অভিভূত হইলেন। ভাবিলেন, “কি করি? কেমন করে তাদের রক্ষা হয়? কে সংবাদ দিবে?-কে এ রাত্রে যাইবে? আমি আপনিই যাই, এ ছাড়া অন্য উপায় নাই।” পরক্ষণে ভাবিলেন-“কেমন করিয়া যাইব? লোকে কি বলিবে? মাধব কি মনে করিবে? শুধু তাহাই নহে, স্বামী জানিতে পারিলে প্রমাদ ঘটিবে। তাহা হউক-লোকে যাই বলুক-মাধব যাহা হয় মনে করুক-স্বামী যাহা করে করুক, তজ্জন্য মাতঙ্গিনী ভীতা নহে।”
কিন্তু মাতঙ্গিনী যাইতে সাহস করিলেন না। এ গভীর নিশীথকালে, এই নিস্তব্ধ বনান্ত পথ, তাহাতে আবার একাকিনী অবলা, নবীন বয়সী, বাল্যকালাবধি ভৌতিক উপন্যাস শ্রবণে হৃদয়মধ্যে ভৌতিক-ভীতি বিষম প্রবলা। পথ অতি দুর্গম। তাহাতে আবার দস্যুদল কোথায় জটলা করিয়া আছে; যদি তাহাদের করকবলিত হয়েন? এই কথা স্মৃতিমাত্র ভয়ে মাতঙ্গিনীর শরীর রোমাঞ্চিত হইল। যদি দস্যুদলমধ্যে মাতঙ্গিনী স্বামীর দৃষ্টিপথে পতিতা হয়েন? এই ভয়ে মাতঙ্গিনী পুনঃ পুনঃ রোমাঞ্চিত হইতে লাগিলেন।
স্বভাবতঃ মাতঙ্গিনীর হৃদয় সাহস-সম্পন্ন। যে অন্তঃকরণে স্নেহ আছে, প্রায় সে অন্তঃকরণে সাহস বিরাজ করে। প্রিয়তমা সহোদরা ও তৎপ্রতির মঙ্গলার্থ মাতঙ্গিনী প্রাণ পর্য্যন্ত দিতে উদ্যত হইলেন। যেমন উপস্থিত বিপত্তির বিকট মূর্ত্তি পুনঃ পুনঃ মনোমধ্যে প্রকটিত হইতে লাগিল, অমনি মাতঙ্গিনীও হৃদয়গ্রন্থি দৃঢ়বদ্ধ হইতে লাগিল-তখন অগাধ প্রনয়-সলিলে ভাসমান হইয়া বলিলেন, “এ ছার জীবন কার আর কি জন্য? যদি এ সঙ্কল্পে প্রাণ রক্ষা না হয়, তাতেই বা ক্ষতি কি? এ গুরুভার বহন করা আমার পক্ষে কষ্টকর হইয়াছে। কাজেই এ দেহ ত্যাগ করিতে ইচ্ছা করে। যাহারা প্রাণাধিক্ তাহাদের মঙ্গল সাধনে এ প্রাণ ত্যাগ না করি কেন? আমার ভয় কি? প্রাণনাশাধিক বিপদও ঘটিতে পারে; জগদীশ্বর রক্ষাকর্ত্তা।”
কিন্তু মাধবের বাটীতে এ নিশীথে একাকিনী কি প্রকারেই যান? মাতঙ্গিনীর চিন্তাকুলতা সহনানীত হইল।
কিছুই স্থির করিতে না পারিয়া মাতঙ্গিনী দীর্ঘনিঃশ্বাস ত্যাগ করিয়া চিন্তাসম্বর্দ্ধিত গ্রীষ্মাতিশয্যের প্রতিকার হেতু জালরন্ধ্র সন্নিধানে গিয়া জালাবরণী উত্তোলন করিলেন। দেখিলেন যে, বিটপী শ্রেণীর ছায়া এক্ষণে দীর্ঘাকৃত হইয়াছে-অস্তাচলাভিমুখী নিশাললাটরত্ন প্রায়-দিগন্তব্যাপী বৃক্ষশিরোরাজির উপরে আসিয়া নির্ব্বাণোন্মুখ আলোক বর্ষণ করিতেছেন। আর দুই চারি দণ্ড পরে সে আলোক একেবারে নির্ব্বাপিত হইবে; তখন আর হেমাঙ্গিনীকে রক্ষা করিবার সময় থাকিবে না। বিপদ্ একেবারে সম্মুখে দেখিয়া মাতঙ্গিনী আর বিলম্ব করিলেন না।
মাতঙ্গিনী ঝটিতি এক খণ্ড শয্যোত্তরচ্ছদে আপাদমস্তক দেহ আবরিত করিলেন, এবং কক্ষ হইতে নিষ্ক্রান্তা হইয়া যে কৌশলপ্রভাবে ক্ষণপূর্ব্বে রাজমোহন বাহির হইতে দ্বার রুদ্ধ করিয়াছিলেন, মাতঙ্গিনীও তদ্রূপ করিলেন।
গৃহের বাহিরে দণ্ডায়মানা হইয়া যখন মাতঙ্গিনী ঊর্দ্ধে অসীম নীলাম্বর, চতুর্দ্দিকে বিজন বন-বৃক্ষের নিঃশব্দ নিস্পন্ত্র শিরঃশ্রেণীর নিরীক্ষণ করিতে লাগিলেন, তখন পুনর্ব্বার সাহস দ্রবীভূত হইয়া গেল-হৃদয় শঙ্কাকম্পিত হইল-চরন অচল হইল। মাতঙ্গিনী অঞ্জলিবদ্ধ করে ইষ্টদেবের স্তব করিলেন। হৃদয়ে আবার সাহস আসিল; তিনি দ্রুতপাদবিক্ষেপে পথ বহিয়া চলিলেন।
বনময় পথ দিয়া যাইতে প্রভাতবাতাহত পদ্মের ন্যায় মাতঙ্গিনীর শরীর কম্পিত হইতে লাগিল। সর্ব্বত্র নিঃশব্দ; মাতঙ্গিনীর পাদবিক্ষেপশব্দ প্রতিধ্বনিত হইতে লাগিল; স্থানে স্থানে নিবিড় ছায়ান্ধকারে অন্তঃকরণ শিহরিতে লাগিল। যত বৃক্ষের গুঁড়ি ছিল প্রত্যেককে করালবদন পৈশাচ মূর্ত্তি বলিয়া ভ্রম হইতে লাগিল, বৃক্ষে বৃক্ষে, শাখায় শাখায়, পত্রে পত্রে, নরঘ্ন প্রেত লুক্কায়িতভাবে মাতঙ্গিনীকে লক্ষ্য করিতেছে তাহা তাঁহার প্রতীতি হইতে লাগিল। যে যে স্থলে তমসা নিবিড়তর, সেই সেই স্থানে দুরন্ত ভূতযোনী বা দস্যুর প্রচ্ছন্ন শরীরের ছায়া মাতঙ্গিনীর চক্ষুর্জ্বালা উৎপাদন করিতে লাগিল। বাল্যকালে যত ভৌতিক উপন্যাস শ্রুত হইয়াছিল, নিশীথ পান্থের গহনমধ্যে বিকট পৈশাচ দংষ্ট্র ভঙ্গী সন্দর্শনে ভীতি-বিহ্বল হইয়া প্রাণত্যাগ করার যে সকল উপকথা শ্রবণ করিয়াছিলেন, সে সকলই একেবারে তাঁহার স্মরণপথে আসিতে লাগিল।
যদি কোথাও শাখাচ্যুত শুষ্কপত্র-পতন শব্দ হইল, যদি কোনও শাখারূঢ় নৈশ বিহঙ্গ পক্ষস্পন্দন করিল, যদি কোথাও শুষ্কপত্রমধ্যে কোন কীট দেহ সঞ্চালন করিল, অমনি মাতঙ্গিনী ভয়ে চমকিয়া উঠিতে লাগিলেন; তথাপি দৃঢ় সঙ্কল্প-বিবদ্ধা সাহসিকা তরুণী, কখন বা ইষ্টদেব নামজপ কখন বা প্রিয়জনগনের বিপত্তি চিন্তা করিতে করিতে চঞ্চলপদে উদ্দিষ্ট স্থানাভিমুখে চলিলেন।
ভয়সঙ্কুল নিবিড় তমসাচ্ছন্ন পথের এক পার্শ্বে বৃহৎ আম্র-কানন অপর পার্শ্বে এক দীর্ঘিকার পাহাড়। বন্য উচ্চভূমিখণ্ডমধ্যে পথ অতি সঙ্কীর্ণ; তদুপরি দীর্ঘিকার উপর প্রকাণ্ডাকার কতিপয় বটবৃক্ষের ছায়ায় চন্দ্রালোকের গতি নিরুদ্ধ হইয়াছিল, সুতরাং এই স্থানে পথান্ধকার নিবিড়তর। দীর্ঘিকার পাহাড়ের বটবৃক্ষতল বহুতর লতাগুল্ম কণ্টক বৃক্ষাদিতে সমাচ্ছন্ন।
মাতঙ্গিনী ভীতি-চকিতনেত্রে ইতস্ততঃ নিরীক্ষণ করিতে লাগিলেন। আম্র-কাননের মধ্যে একটা প্রচণ্ড আলোক প্রদীপ্ত হইতেছিল, এবং অস্ফুটস্বরে বহু ব্যক্তির কথোপকথনের শব্দও মাতঙ্গিনীর কর্ণগোচর হইল।
মাতঙ্গিনী বুঝিলেন, যাহা ভর করিয়াছিলেন, তাহাই ঘটিল। এই আম্র-কাননের মধ্যে দস্যুদল জটলা করিতেছে। দুঃসময়ে বিপদ্ এক প্রকারে কেবল উপস্থিত হয় না;-পথিমধ্যে একটা কুকুর শয়ন করিয়াছিল, নিশাকালে পথিক দেখিয়া উচ্চরব করিতে লাগিল। আম্র-কাননের কথোপকথন তৎক্ষণাৎ বন্ধ হইল। মাতঙ্গিনী বুঝিতে পারিলেন যে, কুকুর-শব্দে দুরাত্মারা লোকসমাগত অনুভূত করিয়াছে; অতএব শীঘ্রই তাহারা কাছে আসিবে। আসন্নকালে মাতঙ্গিনী নিঃশব্দ গমনে দীর্ঘিকার জলের নিকট আসিয়া দাঁড়াইলেন। আম্র-কানন বা পথ হইতে তাঁহাকে কেহ দেখিতে পাইবার সম্ভাবনা রহিল না। কিন্তু যদি দস্যুরা দীর্ঘিকার তটারোহণ করিয়া পথিকের অণ্বেষণ করে, তাহা হইলে মাতঙ্গিনী তৎক্ষণাৎ দৃষ্টিপথে পতিত হইবেন। নিকটে এমত কোন ক্ষুদ্র বৃক্ষলতাদি ছিল না যে, তদন্তরালে লুক্কায়িত হইতে পারেন। কিন্তু আসন্ন বিপদে মাতঙ্গিনীর ধৈর্য্য ও কর্ত্তব্যতৎপরতা বিশেষ স্ফূর্ত্তি প্রাপ্ত হইয়া উঠিল।
ক্ষণমধ্যে মাতঙ্গিনী জলতীরস্থ এক খণ্ড গুরুভার আর্দ্র মৃৎখণ্ড উত্তোলন করিয়া অঙ্গস্থ শয্যোত্তরচ্ছদের মধ্যে রাখিয়া গ্রন্থিবন্ধন করিলেন। অনায়াস-গোপনযোগ্য পরিধেয় শাটীমাত্র অঙ্গে রাখিয়া কৃতপ্রতিজ্ঞ হইয়া দণ্ডায়মান রহিলেন। এক্ষণে পুষ্করিণীর পাহাড়ের অপর দিকে মনুষ্যকণ্ঠস্বর স্পষ্ট শ্রুতিগোচর হইল, এবং মনুষ্যসঞ্চালনশব্দও নিঃসন্দেহে শ্রুত হইল। মাতঙ্গিনী ঈদৃশ সাবধানতার সহিত শয্যোত্তরচ্ছদ জলমগ্ন করিলেন যে, জলশব্দ না হয়। বস্ত্রখণ্ড মৃৎখণ্ডের গুরুভারে তলস্পর্শ করিয়া অদৃশ্য হইল। মাতঙ্গিনী এক্ষণে ধীরে ধীরে জলমধ্যে অবতরণ করিয়া অন্ধকারবর্ণ স্বচ্ছ সরোবর-বক্ষে যথায় কথিত বটবিটপীর ছায়ায় প্রগাঢ়তর অন্ধকার হইয়াছিল, তথায় অধর পর্য্যন্ত জলমগ্ন হইয়া রহিলেন। তাঁহার মুখমণ্ডল ব্যতীত আর কিছু জলের উপর জাগিতেছিল না। তথাপি কি জানি, যদি সেই মুখমণ্ডলের উজ্জ্বলবর্ণ সে নিবিড় অন্ধকার মধ্যে কেহ লক্ষ্য করে, এই আশঙ্কায় মাতঙ্গিনী নিজ কবরীবন্ধনী উন্মোচন করিয়া কোমলকুঞ্চিত কুন্তলজাল মুখের উপর লম্বিত করিয়া দিলেন। অতঃপর সেই ঘনান্ধকারবর্ণ সরসীজলের উপরে, ঘনতর বৃক্ষ-ছায়াভ্যন্তরে যে নিবিড় কেশদাম ভাসিতেছিল তাহা মনুষ্য কর্ত্তৃক আবিষ্কৃত হওয়া অসম্ভব। পরক্ষণেই কথোপকথনকারীরা দীর্ঘিকা-তট অবতরণ করিয়া অর্দ্ধপথ আসিল। মাতঙ্গিনী তাহাদের কেবলমাত্র কণ্ঠস্বর ও পদশব্দ শুনিতে পাইলেন। তাহাদের পানে যে চাহিয়া দেখিবেন, এমত সাহস হইল না।
আগন্তুকদের মধ্যে একজন অর্দ্ধস্ফুট বাক্যে দ্বিতীয় ব্যক্তিকে কহিল, “এ ত বড় তাজ্জব! আমি সঠিক বলিতেছি, আমি বেশ দেখিয়াছিলাম, এই পথের উপর একটা মানুষ চাদর মুড়ি দিয়া যাইতেছিল; বাগানের বেড়ার ফাঁক দিয়া আমি দেখিয়াছিলাম।”
দ্বিতীয় ব্যক্তি কহিল, “গাছপালা দেখে তোর ধাঁধা লেগে থাক্বে; অপদেবতা টেবতাই বা দেখে থাক্বি। এত গর্মিতে মানুষে কাপড় মুড়ি দিয়া বেড়াবে কেন?”
“হবে” বলিয়া পুনশ্চ উভয়ে ইতস্ততঃ নিরীক্ষণ করিয়া দেখিল ; আশঙ্কার মূল কারণ যে ভীতিবিহ্বলা অবলা তাঁহাকে তাহারা দেখিতে পাইল না।
দস্যুরা কিছু দেখিতে না পাইয়া চলিয়া গেল। যতক্ষণ তাহাদের প্রত্যাবর্ত্তন-শব্দ কর্ণগোচর হইতে লাগিল ততক্ষণ মাতঙ্গিনী জলমধ্যে আকণ্ঠ নিমজ্জিত করিয়া স্থিরভাবে দণ্ডায়মান রহিলেন। যখন বিবেচনা হইল যে, আর তাহাদের দেখিতে পাইবার সম্ভাবনা নাই, তখন জল হইতে উঠিয়া গমনোদ্যোগিনী হইলেন।
মাতঙ্গিনী যে পথে গমনকালীন এরূপ বিপদ্গ্রস্ত হইয়াছিলেন, শঙ্কাক্রমে এবার সে পথ ত্যাগ করিলেন। পুষ্করিণীর তীর পরিবেষ্টন করিয়া অপর দিকে এক পথে উঠিলেন। মধুমতী যাইতে মাতঙ্গিনীর নিষেধ ছিল বটে, কিন্তু পুষ্করিণী নিষিদ্ধ ছিল না, এবং মধ্যে মধ্যে আহ্নিক স্নানাদি ক্রিয়ার্থ এই জলে আসিতেন। সুতরাং এ স্থানের সকল পথ উত্তমরূপে চিনিতেন। পুষ্করিণীর অন্য এক পাহাড়ে উঠিয়া অন্য এক পথ অবলম্বন করিলে যে পূর্ব্বাবলম্বিত পথে পড়িতে হয়, অথচ আম্র-কাননের ধারে যাইতে হয় না, ইহা এই সময়ে মাতঙ্গিনীর স্মরণ হইল। বৃক্ষলতাকণ্টকাদির প্রাচুর্য্য বশতঃ এই পথ অতি দুর্গম, কিন্তু মাতঙ্গিনীর পক্ষে কণ্টকাদির বিঘ্ন, তুচ্ছ বিঘ্ন অলক্তক পরিবর্ত্তে কণ্টক-বেধবাহিত রক্তধারা চরণদ্বয় রঞ্জিত করিতে লাগিল। এক দিকে গুরুতর সঙ্কল্প সিদ্ধির জন্য উৎকণ্ঠা, অপর দিকে দস্যু-হস্ত হইতে পরিত্রাণের জন্য ব্যগ্রতা; এই উভয় কারণে মাতঙ্গিনী তিলার্দ্ধ বিলম্ব না করিয়া কণ্টকলতাদি পদদলিত করিয়া চলিলেন। কিন্তু এক নূতন ব্যাঘাত উপস্থিত হইবার উপক্রম হইল;-মাতঙ্গিনী রাধাগঞ্জে আসিয়া অবধি দুই তিনবার মাত্র সহোদরাবল্লভ মাধবের আলয়ে আগমন করিয়াছিলেন, কিন্তু পদব্রজে একবারও গমন করেন নাই। সুতরাং এদিকের পথ তাঁহার তেমন জানা ছিল না। এক্ষণে মাতঙ্গিনী চতুর্দ্দিকবাহী পথ-সন্নিধানে উপনীতা হইয়া কোন্ পথে যাইবেন, তাহা অবধারণে অক্ষম হইলেন। মাতঙ্গিনী পাগলিনীর ন্যায় ইতস্ততঃ চাহিতে লাগিলেন। ভাগ্যক্রমে মাধবের অট্টালিকার সম্মুখ-রোপিত দেবদারু-শ্রেণীর শিরোমালা নয়নগোচর হইল। দৃষ্টিমাত্র হর্ষিতচিত্তে তদভিমুখে চলিলেন; এবং সত্বর অট্টালিকার সমীপবর্ত্তিনী হইয়া খিড়কির দ্বারে উপস্থিত হইলেন। তথাপি মাতঙ্গিনীর ক্লেশের চূড়ান্ত হইল না। এ নিশীথে বাটীর সকলেই নিদ্রিত, কে দ্বার খুলিয়া দিবে? অনেকবার করাঘাত করিয়া মাতঙ্গিনী পুরকিঙ্করী করুণাকে নিদ্রোত্থিতা করিলেন। নিদ্রাভঙ্গে করুণা অপ্রসন্ন হইয়া ভীষণ গর্জ্জন করিয়া কহিল, “এত রেতে কে রে দোর ঠেঙ্গায়?”
মাতঙ্গিনী উৎকণ্ঠা-তীব্র স্বরে কহিলেন, “শীঘ্র-শীঘ্র করুণা, দ্বার খোল।” নিদ্রাভঙ্গকরণ-অপরাধ অতি গুরুতর ; এমন সহজে ক্ষমা সম্ভাবনা কি? করুণার ক্রোধোপণম হইল না, পূর্ব্ববৎ পুরুষ বচনে কহিল, “তুই কে যে তোকে আমি তিন পর রেতে দোর খুলে দেব?”
মাতঙ্গিনী স্পষ্টে আপন নাম ডাকিয়া কহিতে পারেন না, অথচ শীঘ্র গৃহ-প্রবেশ জন্য ব্যস্ত হইয়াছেন; অতএব পুনরায় সবিনয়ে কহিলেন, “তুমি এস শীঘ্র এসো গো, এলেই দেখ্তে পাবে।”
করুণা সম্বর্দ্ধত রোষে কহিল, “তুই কে বল্ না, আ মরণ!”
মাতঙ্গিনী কহিলেন, “ওগো বাছা, আমি চোর ছ্যাঁচড় নই, মেয়ে মানুষ।”
তখন করুণার স্থূল বুদ্ধিতেও একটু একটু আভাস হইল যে, চোর ছ্যাঁচড়ের কণ্ঠস্বর এত সুমধুর প্রায় দেখা যায় না। অতএব আর গণ্ডগোল না করিয়া দ্বার খুলিয়া দিল। এবং মাতঙ্গিনীকে দেখিবামাত্র সাতিশয় বিস্ময়াপন্ন হইয়া কহিল, “এ কি! তুমি! তুমি ঠাকুরাণী!”
মাতঙ্গিনী কহিলেন, “আমি একবার হেমের সঙ্গে দেখা করিব-বড় দরকার; শীঘ্র আমাকে হেমের কাছে লইয়া চল।”
…
