ভাগসমূহ ☞ নূতন গ্রন্থের সমালোচনা ☞ THREE YEARS IN EUROPE. ☞ প্রাপ্ত গ্রন্থের সংক্ষিপ্ত সমালোচন ☞ দুর্গা ☞ জন ষ্টুয়ার্ট মিল ☞ মৃত মাইকেল মধুসূদন দত্ত ☞ জাতিবৈর ☞ মানস বিকাশ ☞ সর্ উইলিয়ম গ্রেContinue Reading

আনন্দমঠ ঊনবিংশ শতাব্দীর ঔপন্যাসিক বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত একটি বাংলা উপন্যাস। এর প্রথম প্রকাশ বঙ্গদর্শন পত্রিকায় (চৈত্র, ১২৮৭ – জ্যৈষ্ঠ, ১২৮৯)। গ্রন্থাকারে প্রকাশকাল ১৮৮২ খ্রিস্টাব্দ। উপন্যাসটি ছিয়াত্তরের মন্বন্তরের পটভূমিকায় সন্ন্যাসী-ফকির বিদ্রোহের ছায়া অবলম্বনে রচিত। ভারতবর্ষের স্বাধীনতাContinue Reading

‘ইন্দিরা’ বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের কুশলী হাতে নির্মিত শ্রেষ্ঠ চরিত্রগুলোর একটি নয়। তারপরও এই উপন্যাসের বিশেষত্ব কী? এই রচনাকে বাংলাসাহিত্যের ছোটগল্প রচনার প্রথম সফল প্রচেষ্টার একটি হিসেবে দেখা হয়। প্রকাশিত হয়েছিল ‘বঙ্গদর্শন’ পত্রিকায়। লেখকের নিজের সম্পাদিত কাগজে।Continue Reading

কপালকুণ্ডলা সাহিত্য সম্রাট বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত দ্বিতীয় উপন্যাস। সম্ভবত এটি বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক রোমান্টিক উপন্যাস। ১৮৬৬ খ্রিস্টাব্দে এটি প্রথম প্রকাশিত হয়। এটি বাংলা সাহিত্যের একটি কাব্যধর্মী উপন্যাস। চরিত্র: নবকুমার শর্ম্মা- সপ্তগ্রামনিবাসী যুবক। কাপালিক- যোগসাধকContinue Reading

কৃষ্ণকান্তের উইল বাংলা সাহিত্যের প্রাণপুরুষ বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত একটি বাংলা উপন্যাস। উপন্যাসটি ১৮৭৮ সালে প্রথম প্রকাশিত হয়। রোহিনী, ভ্রমর এবং গোবিন্দলালের ত্রিভুজ প্রেমের কাহিনী বর্নিত হয়েছে কৃষ্ণকান্তের উইল উপন্যাসে। সামাজিক উপন্যাস। ১৮৮২ ও ১৮৮৪ সালেContinue Reading

প্রথম বারের বিজ্ঞাপন ধর্ম সম্বন্ধে আমার যাহা বলিবার আছে, তাহার সমস্ত আনুপূর্বিক সাধারণকে বুঝাইতে পারি, এমন সম্ভাবনা অল্পই। কেন না, কথা অনেক, সময় অল্প। সেই সকল কথার মধ্যে তিনটি কথা, আমি তিনটি প্রবন্ধে বুঝাইতে প্রবৃত্তContinue Reading

প্রতাপ ও শৈবালির একসময় মনে হয় তাদের ভালোবাসা পরিপূর্ণতা পাবে না। তারা দুইজন নদীতে ডুবে আত্মহত্যা করতে গেলেও শৈবালিনী ফিরে আসে; কিন্তু প্রতাপ ঝাপ দেয় ও ডুবে যায়। চন্দ্রশেখর নামক এক নৌচারির হস্তক্ষেপে প্রতাপ উদ্ধারContinue Reading

প্রথমেই বলে রাখা দরকার,‘জীবনী সঙ্কলন’ নামে বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের কোন গ্রন্থ প্রকাশিত হয়নি, এই নামে তিনি কোন পাণ্ডুলিপিও তৈরি করেননি। লেখাগুলো লিখিত হয়েছিল তাঁর সম্পাদিত কয়েকটি গ্রন্থের ভূমিকা হিসেবে। বঙ্কিম রচনাবলীর সম্পাদকেরা এই ভূমিকাগুলোকে ‘সম্পাদিত গ্রন্থেরContinue Reading

বাংলা সাহিত্যের নবজাগরণের পথিকৃৎ-কর্মী বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়। বঙ্কিমচন্দ্রের জন্ম ১৮৩৮ সালের ২৬ শে জুন, অধুনা চব্বিশ পরগণা জেলার অন্তর্গত নৈহাটির কাঁঠালপাড়া গ্রামে। বাবা যাদবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় ছিলেন মেদিনীপুরের কলেক্টর। নিয়মমাফিক পড়াশোনা শুরু বাবার কর্মস্থল মেদিনীপুর জেলার একContinue Reading

ভাগসমূহ ☞ হিন্দুধর্ম্ম ☞ বেদ ☞ বেদের দেবতা ☞ ইন্দ্র ☞ কোন্ পথে যাইতেছি? ☞ বরুণাদি ☞ সবিতা ও গায়ত্রী ☞ বৈদিক দেবতা ☞ দেবতত্ত্ব ☞ দ্যাবাপৃথিবী ☞ চৈতন্যবাদ ☞ উপাসনা ☞ হিন্দু কি জড়োপাসক?Continue Reading

বিধবা কুন্দননন্দিনী নগেন্দ্রের গৃহে কিছু দিন কালাতিপাত করিল। একদিন মধ্যাহ্নের পর পৌরস্ত্রীরা সকলে মিলিত হইয়া পুরাতন অন্তঃপুরে বসিয়াছিল। ঈশ্বরকৃপায় তাহারা অনেকগুলি, সকলে স্ব স্ব মনোমত গ্রাম্যস্ত্রীসুলভ কার্যে ব্যাপৃতা ছিল। তাহাদের মধ্যে অনতীতবাল্যা কুমারী হইতে পলিতকেশাContinue Reading

আর একবার রঙ‍মহালে পাথরের দ্রব্য বেচিয়া, মাণিকলাল নির্‍মলকুমারীর খবর লইল। এবারও সেই পাথরের কৌটা চাবি-বন্ধ হইয়া আসিয়াছিল। চাবি খুলিয়া, নির্‍মল পাইল–সেই দৌত্য পারাবত। নির্‍মল সেটিকে রাখিল। পত্রের দ্বারা, পূর্‍বমত সংবাদ পাঠাইল। লিখিল “সব মঙ্গল। তুমিContinue Reading

“শব্দাখ্যেয়ং যদপি কিল তে যঃ সখীনাং পুরস্তাৎ। কর্ণে লোলঃ কথয়িতুমভূদাননস্পর্শলোভাৎ॥” মেঘদূত নবকুমার কপালকুণ্ডলাকে লইয়া স্বদেশে উপনীত হইলেন। নবকুমার পিতৃহীন, তাঁহার বিধবা মাতা গৃহে ছিলেন, আর দুই ভগিনী ছিল। জ্যেষ্ঠা বিধবা; তাহার সহিত পাঠক মহাশয়ের পরিচয়Continue Reading

এই কবিতাগুলি লেখকের পঞ্চদশ বৎসর বয়সে লিখিত। লিখিত হওয়ার তিন বৎসর পরে মুদ্রিত ও প্রকাশিত হয়। প্রকাশিত হইয়া বিক্রেতার আলমারীতেই পচে-বিক্রয় হয় নাই। তাহার পর আর এ সকল পুনর্মুদ্রিত করিবার যোগ্য বিবেচনা করি নাই, এখনওContinue Reading

বিজ্ঞানরহস্য অর্থাৎ বৈজ্ঞানিক প্রবন্ধসংগ্রহ বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় পর্ষদ সংস্করণ, সংশোধিত দ্বাদশ মুদ্রণ: আশ্বিন ১৪০১-এর আলোকে এতে আছে– আশ্চর্য্য সৌরোৎপাত আকাশে কত তারা আছে? ধূলা গগনপর্য্যটন চঞ্চল জগৎ কত কাল মনুষ্য? জৈবনিক পরিমাণ-রহস্য চন্দ্রলোকContinue Reading

‘বিবিধ প্রবন্ধ’ (প্রথম ও দ্বিতীয় ভাগ) সাহিত্য সম্রাট বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের একটি জ্ঞানগর্ভ চিন্তামূলক প্রবন্ধ গ্রন্থ। উক্ত গ্রন্থে বঙ্কিমচন্দ্র বিশ্বসাহিত্য পরিভ্রমণ করেছেন। বঙ্কিমচন্দ্র এতদিন পর্যন্ত দেশ বিদেশের যে সমৃদ্ধ আকরগ্রন্থ — যেমন, ইতিহাস, সাহিত্য, ধর্ম, দর্শন,Continue Reading

বিষবৃক্ষ বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত একটি উপন্যাস। এটি বঙ্কিমচন্দ্রের চতুর্থ বাংলা উপন্যাস এবং তাঁর বিষবৃক্ষ, কৃষ্ণকান্তের উইল, রজনী গার্হস্থ্যধর্মী উপন্যাসত্রয়ীর অন্যতম। ১২৭৯ বঙ্গাব্দের বৈশাখ সংখ্যা (১৮৭২) থেকে চৈত্র সংখ্যা (১৮৭৩) পর্যন্ত বঙ্গদর্শন পত্রিকায় মোট বারোটি কিস্তিতেContinue Reading

পাঠকদিগকে বলিয়া দেওয়া আবশ্যক যে, এই গ্রন্থ কোন ব্যক্তিবিশেষ বা শ্রেণীবিশেষের লোককে লক্ষ্য করিয়া লিখিত হয় নাই। সাধারণ সমাজ ভিন্ন, কাহারও প্রতি ইহাতে ব্যঙ্গ নাই। ইহাতে পাঠক যেরূপ মনুষ্যচরিত্র দেখিবেন, সেরূপ মনুষ্যচরিত্র সকল সমাজে, সকলContinue Reading

মৃণালিনী সাহিত্যসম্রাট বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের তৃতীয় উপন্যাস। প্রকাশকাল ১৮৬৯। এই উপন্যাসেই প্রথম স্বদেশপ্রেমকে বিষয়বস্তু করেছিলেন বঙ্কিমচন্দ্র। এই উপন্যাসটি বঙ্কিমচন্দ্র আলিপুরে থাকাকালীন রচনা করেছিলেন। বইটি উৎসর্গ করেছিলেন বন্ধু তথা বিশিষ্ট নাট্যকার দীনবন্ধু মিত্রকে। ন্যাশানাল থিয়েটার ১৮৭৪ সালেContinue Reading