» » চতুর্থ অধ্যায় : বণিকরাজা

চতুর্থ অধ্যায় : বণিকরাজা

নবাবি আমলে মুর্শিদাবাদের যে সমৃদ্ধি তাতে ওখানকার বণিকরাজাদের (mer-chant princes) অবদান অনস্বীকার্য। এই বণিকরাজারা একাধারে সওদাগর, ব্যবসায়ী, ব্যাঙ্কার, মহাজন-—সব কাজই এঁরা করতেন। এঁরা শুধু প্রভূত ধনসম্পদের অধিকারী ছিলেন না, বাংলার রাজনীতি, অর্থনীতি ও মুর্শিদাবাদ দরবারে এঁদের প্রভাব ছিল প্রবল। এঁদের রাজকীয় আচার আচরণ ও জীবনযাত্রা দেখে অনেক ইউরোপীয় পর্যটক এঁদের ‘বণিকরাজা’ হিসেবেই গণ্য করতেন। অষ্টাদশ শতকের প্রথমার্ধের শেষ তিন দশকে বাংলার বাণিজ্যিক অর্থনীতি এবং সে জন্যই কিছুটা বাংলার সামগ্রিক অর্থনীতিতেও এঁরা বেশ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন। সেদিক থেকে দেখতে গেলে মুর্শিদাবাদের ইতিহাসেও এঁদের গুরুত্ব অনেকখানি। আবার অন্যদিকে পলাশির ষড়যন্ত্র ও বিপ্লবে এঁদের ভূমিকাও নিতান্ত নগণ্য নয়। এই বণিকরাজাদের মধ্যে জগৎশেঠদের মূল আস্তানা ছিল মুর্শিদাবাদে; অন্য দু’জনের মধ্যে উমিচাঁদের কলকাতা আর আর্মানি বণিক খোজা ওয়াজিদের হুগলি। তবে যেহেতু এই বণিকরাজাদের মুর্শিদাবাদের দরবারে নিত্য আনাগোনা ছিল, সেজন্য এই তিনজন বণিকরাজাকেই মুর্শিদাবাদের লোক বলে গণ্য করা যেতে পারে।

বণিকরাজাদের মধ্যে জগৎশেঠরা অষ্টাদশ শতকের প্রায় গোড়া থেকেই বাংলার অর্থনীতিতে বিশিষ্ট ভূমিকা নিতে শুরু করেছিলেন, উমিচাঁদ ১৭৩০-র দশক থেকে আর খোজা ওয়াজিদ ১৭৪০-র দশক থেকে। বাংলার বাণিজ্যিক ও আর্থিক প্রশাসনে এই তিন বণিকরাজারা মিলে একাধিপত্য বিস্তার করেছিলেন। বাংলার টাকার বাজার ছিল এঁদেরই হাতে এবং এঁরাই একদিকে শিল্পবাণিজ্য ও অন্যদিকে নবাব সরকারকে প্রয়োজনীয় অর্থের জোগান দিতেন। মুর্শিদাবাদের নবাবদের আনুকূল্যে বিভিন্ন পণ্যদ্রব্যের একচেটিয়া ব্যবসা ও অন্যান্য বেশ কিছু বাণিজ্যিক সুযোগসুবিধা করায়ত্ত করে এঁরা বাংলার শিল্পবাণিজ্যে নিজেদের আধিপত্য প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। ইউরোপীয় কোম্পানিগুলির সঙ্গেও ছিল তাঁদের ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ। কোম্পানিগুলি এঁদের মাধ্যমে শুধু যে রফতানি পণ্য সংগ্রহ করত তা নয়। তারা এঁদের কাছ থেকে নিয়মিত টাকা ধার করে তাদের ব্যবসা-বাণিজ্য চালাত। এঁদের কাছেই তারা ইউরোপ থেকে পাঠানো সোনা রুপো বিক্রি করে নগদ টাকা জোগাড় করত। তবে এখানে বিশেষভাবে মনে রাখা প্রয়োজন যে এই বণিকরাজাদের উত্থান, প্রভাব ও প্রতিপত্তির প্রধান সোপান ছিল মুর্শিদাবাদ নবাবদের দাক্ষিণ্য। নবাবদের আনুকূল্যেই এঁরা এতটা প্রভাবশালী ও ক্ষমতাবান হয়ে উঠতে পেরেছিলেন।

এই বণিকরাজাদের মধ্যে সবদিক থেকে অগ্রগণ্য ছিলেন জগৎশেঠরা। এঁদের বলা হয় ‘Rothchilds of the East’। রাজস্থানের মারওয়ার অঞ্চলের নাগর থেকে এঁদের পূর্বপুরুষ হীরানন্দ শাহু ভাগ্যান্বেষণে ১৬৫২ সালে পাটনা চলে আসেন। তাঁর সাত পুত্রের জ্যেষ্ঠ মানিকচাঁদ তখনকার বাংলার রাজধানী ঢাকায় এসে মহাজনি ব্যবসা শুরু করেন। এঁরা ছিলেন শ্বেতাম্বর জৈন।[১]

ঢাকায় মানিকচাঁদের সঙ্গে নবাগত দেওয়ান মুর্শিদকুলি খাঁর ঘনিষ্ঠতা হয়। মুর্শিদকুলি যখন বাংলার তৎকালীন সুবাদার আজিম-উস-শানের হাত থেকে রেহাই পাওয়ার জন্য ১৭০৪ সালে দেওয়ানি দফতর ঢাকা থেকে মুর্শিদাবাদে স্থানান্তরিত করেন, তখন তার সঙ্গে মানিকচাঁদও ঢাকা ছেড়ে মুর্শিদাবাদে চলে আসেন। তখন থেকেই মুর্শিদকুলির আনুকূল্যে জগৎশেঠদের উন্নতির শুরু—তাঁদের আর পেছন ফিরে তাকাতে হয়নি। তাঁদের রমরমা এই মানিকচাঁদ ও তার উত্তরসূরী ফতোচাঁদের সময়। ১৭১৪ সালে মানিকচাঁদের মৃত্যু হওয়ার পর তাঁর ভাগ্নে ফতেচাঁদ গদিতে বসেন। ফতেচাঁদের সময়ই জগৎশেঠরা প্রভাব ও প্রতিপত্তির সর্বোচ্চ শিখরে পৌঁছয়। সম্ভবত মুর্শিদকুলির অনুরোধে মুঘল সম্রাট ১৭২২ সালে ফতেচাঁদকে ‘জগৎশেঠ’ (Banker of the World) উপাধিতে ভূষিত করেন। এই উপাধি বংশানুক্রমিক।

প্রায় তিরিশ বছর ধরে বাংলার বাণিজ্য, অর্থনীতি ও রাজনীতিতে তাঁর প্রভাব বিস্তার করে জগৎশেঠ ফতেচাঁদ ১৭৪৪ সালে মারা যান। তাঁর উত্তরাধিকারী হন তাঁর দুই পৌত্র জগৎশেঠ মহতাব রায় ও মহারাজা স্বরূপচাঁদ। ১৭৬৩ সালে মীরকাসিমের আদেশে গঙ্গাবক্ষে তাঁদের সলিল সমাধি হয়।[২] বাংলায় জগৎশেঠদের বিপুল আয়, প্রচও ক্ষমতা ও বিশেষ মর্যাদার কতগুলো উৎস ছিল। সেগুলি হল: মুর্শিদাবাদ ও ঢাকার টাঁকশালে মুদ্রা তৈরির প্রায় একচ্ছত্র অধিকার, বাংলার রাজস্বের দুই-তৃতীয়াংশ জমা নেওয়ার অনুমোদন, মুদ্রা বিনিময়ের হার ধার্য করার ক্ষমতা ও সুদে টাকা ধার দেওয়ার মহাজনি ব্যবসা। বাংলার সুবাদার মুর্শিদকুলির প্রচ্ছন্ন সমর্থনে জগৎশেঠরা ১৭২০ সাল নাগাদ টাঁকশালের কর্তৃত্ব নিজেদের হাতে নিয়ে নেয়। তার প্রমাণ মেলে ১৭২১ সালে লেখা কলকাতার ফোর্ট উইলিয়াম কাউন্সিলের চিঠি: ‘…Futtichund having the entire use of the mint, no other shroff dare buy an ounce of silver.’[৩]

ইংরেজ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি বেশ কিছুদিন ধরেই টাঁকশালে মুদ্রা তৈরির অনুমতি পাওয়ার চেষ্টা করছিল। এই মর্মে কাশিমবাজারের ইংরেজ কুঠিকে কোম্পানি অনেকবার নির্দেশ পাঠায় তারা যেন নবাবের কাছ থেকে এ জন্য অনুমতি জোগাড় করার চেষ্টা করে। কাশিমবাজার কাউন্সিল নবাবের দরবারের গণ্যমান্য অমাত্যদের সঙ্গে এ ব্যাপারে আলাপ আলোচনা করে। কিন্তু ওটা যে হওয়ার নয় তা বুঝতে পেরে তারা ফোর্ট উইলিয়ামকে জানাল যে: “We are informed that while Futtichund is so great with the Nabab, they [the English] can have no hopes of that Grant, he alone having the sole use of the mint nor dare any other shroff or mer- chant buy or coin a rupee’s worth of silver.’[৪]

টাঁকশালে মুদ্রা তৈরির একচেটিয়া অধিকার জগৎশেঠদের আয়ের একটি বড় উৎস ছিল। তার ফলে তাঁরা সে অধিকারে অন্য কাউকে ভাগ বসাতে দিতে কোনওমতেই রাজি ছিলেন না। যে কোনও মূল্যেই তাঁরা এটা বজায় রাখতে বদ্ধপরিকর ছিলেন। এমনকী, ১৭৪৩ সালে কাশিমবাজারের ইংরেজ কুঠিয়ালরা লিখছে যে জগৎশেঠ ফতেচাঁদ যতদিন জীবিত আছেন, ততদিন ইংরেজদের অন্য কারও পক্ষে টাঁকশালে মুদ্রা তৈরি করার অনুমতি পাওয়া সম্ভব নয়। কারণ বাংলার নবাব ও মুর্শিদাবাদ দরবারে তাঁর এমনই প্রভাব যে তিনি যা চাইবেন তার অন্যথা হবে না।[৫] ফলে ইউরোপীয় কোম্পানিগুলির খুবই মুশকিল হত। তারা বাংলার রফতানি পণ্য কেনার জন্য ইউরোপ থেকে যেসব সোনা-রুপো নিয়ে আসত (প্রায় সবটাই রুপো) সেগুলোর বেশিরভাগই জগৎশেঠদের কাছে বিক্রি করতে হত কারণ এগুলোর বিনিময়ে তাদের স্থানীয় মুদ্রা সংগ্রহ করতে হত এবং তা দিয়েই রফতানি পণ্য সংগ্রহ করা সম্ভব হত। আর যেহেতু জগৎশেঠদের হাতেই টাঁকশালের কর্তৃত্ব, তাদের আমদানি করা রুপো জগৎশেঠদের কাছে বিক্রি করা ছাড়া কোনও উপায় তাদের ছিল না। শুধু তাই নয়, জগৎশেঠরা যে দাম দিতেন, সেটাই তাদের নিতে হত। বলা বাহুল্য সে দাম বাজারের দামের চেয়ে কমই হত। ইউরোপীয় কোম্পানিগুলির পক্ষে এ ব্যবস্থা মেনে নিতেই হত কারণ তারা এ দেশে পণ্য কেনার জন্য যে রুপো নিয়ে আসত, জগৎশেঠদের ছলচাতুরির জন্য তারা সেগুলি দিয়ে টাঁকশালে মুদ্রা তৈরি করতে পারত না। অথচ দাদনি বণিকদের মাধ্যমে রফতানি পণ্য সংগ্রহ করার জন্য তাদের নগদ টাকার খুবই প্রয়োজন হত।[৬]

জগৎশেঠদের প্রভূত আয়ের আরেকটি বড় উৎস ছিল বিভিন্ন রকমের মুদ্রার বিনিময়ের হার বা বাট্টা ধার্য করার অধিকার। বাংলার নবাবদের সঙ্গে শেঠদের এমনই ঘনিষ্ঠতা এবং তাঁদের ওপর ও বাংলার টাকার বাজারে এঁদের এমনই প্রভাব ছিল যে (যার অন্যতম প্রধান কারণ, তাঁরা নবাবদের প্রয়োজনে বরাবরই অর্থ সাহায্য করে গেছেন) তাঁরা নবাবদের দিয়ে তাদের সুবিধামতো বিনিময়ের হার ধার্য করাতে পারতেন। তখনকার বহু নথিপত্রে তার প্রমাণ পাওয়া যায়।[৭] তা ছাড়া এ সময় বাংলায় নানা প্রান্ত থেকে বিভিন্নরকমের মুদ্রা আসত, বাংলায়ও ছিল নানা রকমের মুদ্রা। বাজারে কিন্তু এসব চলত না। সব রকমের মুদ্রাকেই সিক্কা টাকায় পরিবর্তিত করতে হত—এ জন্য দিতে হত বাট্টা। এ বাট্টার হার ঠিক করত জগৎশেঠরা, তাঁদের লাভের অঙ্ক মাথায় রেখে। ফলে বাট্টা থেকেও তাঁদের প্রচুর লাভ হত। জগৎশেঠরা পুরনো বা অন্য প্রান্ত থেকে আসা সব মুদ্রা টাঁকশালে পাঠিয়ে নতুন চলতি মুদ্রায় (সিক্কা) পরিবর্তিত করতেন আর এই মুদ্রা পরিবর্তন করার জন্য তাঁরা বাট্টা নিতেন। সেটা থেকে তাঁদের আয় হত প্রচুর। লিউক স্ক্র্যাফ্‌টনের (Luke Scrafton) অনুমান অনুযায়ী (১৭৫৭ সাল) জগৎশেঠরা বছরে ৫৮ লক্ষ টাকার মতো মুদ্রা তৈরি করত এবং এ বাবদ তাদের বার্ষিক আয় হত ৩-১/২ লক্ষ টাকা।[৮] এ ছাড়াও দেশি ও বিদেশি মুদ্রা বাংলায় চলতি সিক্কা টাকায় বিনিময় করে দেওয়ার জন্য শেঠদের প্রচুর আয় হত। তাঁরা নবাবের প্রাপ্য রাজস্বও জমা নিতেন। জমিদার ও আমিলরা তাঁদের কাছে ভূমি রাজস্ব জমা দিত। তা ছাড়াও যারা রাজস্ব আদায়ের নিলাম কিনত, শেঠরা তাদের জামিনও হতেন, অবশ্যই লাভের বিনিময়ে।

জগৎশেঠদের বার্ষিক আয়ের আরেকটি সোজা রাস্তা ছিল চড়া সুদের মহাজনি ব্যবসা। তারা ইউরোপীয় কোম্পানিগুলিকে বার্ষিক শতকরা ১২ টাকা হারে টাকা ধার দিতেন। বাংলায় ব্যবসা-বাণিজ্য করার জন্য এসব কোম্পানিরা ইউরোপ থেকে সোনা-রুপো, বিশেষ করে রুপো, নিয়ে আসত ঠিকই। কিন্তু ইউরোপ থেকে জাহাজ আসতে অনেক সময় দেরি হত। আবার এসব রুপো সোজাসুজি টাঁকশালে নিয়ে গিয়ে সেগুলি থেকে মুদ্রা তৈরি করা সম্ভব হত না কারণ টাঁকশাল ছিল জগৎশেঠদের কর্তৃত্বে। বাজারে বা জগৎশেঠদের কাছে এসব রুপো বিক্রি করে নগদ টাকা জোগাড় করতে সময় লাগত অনেক। এদিকে রফতানি পণ্য জোগাড় করতে টাকার খুব প্রয়োজন হত কারণ ঠিক সময় এসব পণ্য সরবরাহ করার জন্য দাদনি বণিকদের আগাম টাকা দিয়ে চুক্তিবদ্ধ করতে না পারলে পরে অনেক বেশি দামে এসব পণ্য কিনতে হত। আর ইউরোপ থেকে সোনা-রুপো পাঠালেও প্রয়োজনের তুলনায় তা যথেষ্ট ছিল না। ফলে কোম্পানিগুলির প্রায় সবসময় নগদ টাকার ঘাটতি হত। সে জন্য বাজার থেকে তারা টাকা ধার করতে বাধ্য হত এবং মূলত তারা জগৎশেঠদের কুঠি থেকেই এই টাকা ধার করত, যদিও তারা কলকাতার দাদনি বণিক বা কাশিমবাজারের কাটমা পরিবারের কাছ থেকেও টাকা ধার করত।[৯]

সূত্রনির্দেশ ও টীকা

  1. J.H. T. Walsh, Murshidabad, pp. 254-58; J. H. Little, ed., N K. Sinha, Jagat Seth, p. VI.
  2. Fact. Records, Kasimbazar, vol. 7, 3 Jan. 1745; BPC, vol. 17, f. 437, 4 Jan. 1745; C & B Abstr., vol. 5, f. 28, para 49, 9 Jan. 1745.
  3. BPC, vol. 4, f. 462, vo.4, Nov. 1721.
  4. ঐ. vol. 4, f. 438 vo, 28 Aug. 1721. জগৎশেঠরা মুর্শিদাবাদ টাঁকশালের ওপর প্রায় পুরোপুরি কর্তৃত্ব করতেন বলে আমার যে বক্তব্য, তা ওম প্রকাশ মানতে রাজি নন। সম্প্রতি প্রকাশিত একটি প্রবন্ধে (‘On Coinage in Mughal India’, IESHR, 25, 4 (1988), p. 487) তিনি এটা বলেছেন। এখানে আমি যেসব তথ্য দিয়েছি এবং আমার বই From Prosperity to Decline, Chapter IV,এ যে-বিশদ আলোচনা আছে তা থেকে বলা যায় যে ওম প্রকাশের বক্তব্য সঠিক বলে মনে হয় না। অবশ্য এটা ঠিক যে বাদশাহি টাঁকশালে মুদ্রা তৈরির অধিকার সবারই ছিল কিন্তু জগৎশেঠরা নবাবের ওপর তাদের প্রভাব খাটিয়ে টাঁকশালের কাজকর্ম নিজেদের কুক্ষিগত করে নিয়েছিল। ফলে কাগজে কলমে যাই থাকুক না কেন, টাঁকশালের পুরো কর্তৃত্ব ছিল জগৎশেঠদের হাতে।
  5. Fact. Records, Kasimbazar, vol. 6, 16 March 1743.
  6. S. Chaudhury. From Prosperity to Decline, pp. 77-87, 111-112.
  7. BPC, vol. 11, f. 349, 8 Nov. 1736; vol. 12, f. 17, 13 Dec. 1736; Bengal Letters Recd., vol. 21, f. 507, 13 Jan. 1750; BPC, vol. 25, f, 43, 3 Feb. 1752.
  8. ক্লাইভকে লেখা লিউক স্ক্র্যাফ্‌টনের চিঠি, Orme Mss., India, XVIII, f, 5043, 17 Dec 1737.
  9. S. Chaudhury, From Prosperity to Decline, pp. 67-55.