» » ষষ্ঠ অধ্যায় : বেগম বৃত্তান্ত

ষষ্ঠ অধ্যায় : বেগম বৃত্তান্ত

নবাবি আমলে মুর্শিদাবাদের ইতিহাস আলোচনা করতে গেলে নবাব-বেগমদের কথা স্বাভাবিকভাবেই এসে পড়ে। এঁদের মধ্যে কেউ কেউ ব্যক্তিত্বসম্পন্না, বুদ্ধিমতী, বিজ্ঞ মহিলা—তাঁদের স্বামীদের প্রয়োজনমতো রাজকার্য থেকে শুরু করে বিভিন্ন সংকটের সময় যথাসাধ্য সাহায্য করেছেন, সাহস জুগিয়েছেন এবং পাশে দাঁড়িয়েছেন। আবার কেউ কেউ ছিলেন কুটিল, কুচক্রী ও স্বার্থান্বেষী। শুধু তাই নয়, কারও কারও ব্যক্তিগত চরিত্রও খুব একটা নিষ্কলঙ্ক ছিল না। নিজেদের অভীষ্ট সিদ্ধ করার জন্য এঁরা অনেকটা নীচে নামতেও দ্বিধা করতেন না। তাই বলা যায় যে মুর্শিদাবাদ বেগমদের মধ্যে একদিকে খুব উঁচু আদর্শের মহিলাকে যেমন দেখা যায়, তেমনি সাক্ষাৎ মেলে একেবারে বিপরীত চরিত্রের নারীর। এখানে আমরা এই দুই বিপরীত মেরুর কয়েকজন বেগমদের বৃত্তান্ত আলোচনা করব।

জিন্নতউন্নেসা

জিন্নতউন্নেসা ছিলেন নবাব মুর্শিদকুলি খাঁর একমাত্র কন্যা এবং পরবর্তী নবাব সুজাউদ্দিনের পত্নী। সিয়রের লেখক ঐতিহাসিক গোলাম হোসেনের ভাষ্য অনুযায়ী তাঁর আরেকটি নাম ছিল, নাফিসা। কিন্তু রিয়াজ-উস-সলাতিনে নাফিসাকে সরফরাজের ভগিনী বলেই বলা হয়েছে।[১] সমসাময়িক সব ফারসি ইতিহাস থেকেই জানা যায় যে মুর্শিদকুলির অন্য কোনও স্ত্রী বা রক্ষিতা ছিল না। বাংলার পরবর্তী কিছু নবাবের মতো তাঁর কোনও হারেমও ছিল না। মুর্শিদকুলি তাঁর একমাত্র পত্নীর প্রতিই বিশ্বস্ত ছিলেন। সে যাই হোক, তিনি যখন দাক্ষিণাত্যে ছোট রাজকর্মচারী ছিলেন, তখনই তিনি তাঁর কন্যার সঙ্গে সুজাউদ্দিনের বিবাহ দেন। সুজা তাঁর শ্বশুরবাড়িতে পরিবারের সদস্য হিসেবে বাস করতে আরম্ভ করেন। এর কিছুদিন পরে মুর্শিদকুলি বাংলার দেওয়ান ও পরে বাংলার সুবাদার পদেও অধিষ্ঠিত হলেন। তখন তিনি জামাতা সুজাউদ্দিনকে উড়িষ্যার ডেপুটি গভর্নর বা ছোট নবাব হিসেবে নিযুক্ত করেন। কিন্তু অল্পদিনের মধ্যেই শ্বশুর-জামাতার সম্পর্ক খারাপ হতে শুরু করল। দু’জনের মধ্যে মনোমালিন্য এমন পর্যায়ে পৌঁছয় যে সুজাউদ্দিন মুর্শিদাবাদ ছেড়ে উড়িষ্যা চলে গেলেন।

শাসক হিসেবে সুজাউদ্দিন জনপ্রিয় ছিলেন, বেশ দয়ালু এবং উদার স্বভাবেরও। কিন্তু নারীর প্রতি ছিল তাঁর অসম্ভব দুর্বলতা, নারী সম্ভোগে তাঁর আসক্তি ছিল প্রবল। জিন্নতউন্নেসা ধর্মভীরু ও উদারচেতা ছিলেন সন্দেহ নেই, কিন্তু তেজস্বীও। তাই স্বামীর এমন চরিত্রস্খলন তিনি মেনে নিতে পারেননি। তা ছাড়া তাঁর পিতার প্রতি স্বামীর বিরূপ মনোভাবও তিনি সহ্য করতে পারেননি। তাই স্বামী সুজাউদ্দিনকে ছেড়ে তিনি পুত্র সরফরাজকে নিয়ে পিতার কাছে মুর্শিদাবাদে চলে আসেন। সেখানে তিনি ঐশ্বর্য ও প্রাচুর্যের মধ্যে জীবন কাটাতে থাকেন।

মুর্শিদকুলির কোনও পুত্র সন্তান ছিল না। জামাতা সুজাউদ্দিনের ওপর তিনি মোটেই সন্তুষ্ট ছিলেন না। তাই মৃত্যু ঘনিয়ে আসছে বুঝতে পেরে তিনি তাঁর দৌহিত্র, কন্যা জিন্নতউন্নেসার পুত্র, সরফরাজকে মসনদে তাঁর উত্তরাধিকারী নির্বাচিত করবেন স্থির করে দিল্লির বাদশাহের কাছ থেকে অনুমোদন আনার চেষ্টা করলেন। এদিকে সুজাউদ্দিন এখবর পেয়ে তাঁর পরামর্শদাতা দুই ভ্রাতা হাজি আহমেদ ও আলিবর্দি খানের সঙ্গে আলোচনা করে দিল্লিতে বাদশাহের কাছে দূত পাঠালেন বাংলার দেওয়ানি ও নিজামতে তাকে অধিষ্ঠিত হওয়ার অনুমতি দেওয়ার জন্য। তারপর যেই তিনি খবর পেলেন যে মুর্শিদকুলি মৃত্যুশয্যায়, তখনই তিনি আলিবর্দি খান ও সৈন্যসামন্তদের নিয়ে কটক থেকে মুর্শিদাবাদ অভিমুখে যাত্রা করেন। পথিমধ্যেই তিনি মুর্শিদকুলির মৃত্যু সংবাদ[২] পান এবং মুর্শিদাবাদ পৌঁছবার আগেই বাদশাহের অনুমতিও এসে যায়। মুর্শিদাবাদ এসে তিনি সোজা মুর্শিদকুলির প্রাসাদ চেহেল সুতুনে ওঠেন এবং নিজেকে বাংলার নবাব হিসেবে ঘোষণা করেন।[৩]

এ খবর পেয়ে সরফরাজ তাঁর পিতার বিরুদ্ধে যুদ্ধ করার জন্য প্রস্তুত হলেন। কিন্তু তাঁর মা জিন্নতউন্নেসা ও দিদিমা, মুর্শিদকুলির বেগম নাসিরা, দু’জনেই সরফরাজকে তা থেকে বিরত করার চেষ্টা করলেন। সরফরাজ এ দু’জনেরই নয়নের মণি ছিলেন। তাঁরা তাঁকে বললেন:[৪]

Your father is old; after him, the subadari as well as the country with its treasure would devolve on you. To fight against one’s own father is cause of loss in this world and in the next as well as ignominy. It is meet that till the lifetime of your father, you should remain con-tented with the Diwani of Bengal.

সরফরাজ যেহেতু কোনওদিনই এঁদের মতামত অগ্রাহ্য করেননি এবং সবসময় এঁদের প্রতি শ্রদ্ধা ও সম্মান দেখিয়েছেন, তাই তিনি বিনা বাক্যব্যয়ে এঁদের কথা মেনে নিলেন এবং সুজাউদ্দিনের বিরুদ্ধে যুদ্ধ থেকে বিরত থাকলেন। তিনি তাঁর পিতাকে বাংলার নবাব হিসেবে মেনে নিলেন। এ ঘটনা থেকে মুর্শিদ-বেগম নাসিরা বানু ও সরফরাজের মা, সুজাউদ্দিনের বেগম, জিন্নতউন্নেসার বিচক্ষণতা ও মহানুভবতার পরিচয় পাওয়া যায়।

এরপর সুজাউদ্দিন জিন্নতউন্নেসার কাছে গিয়ে তাঁর পূর্বকর্মের জন্য অনুতাপ প্রকাশ করেন এবং বেগমের ক্ষমা ভিক্ষা করেন। বেগম জিন্নতউন্নেসা তাঁকে ক্ষমা করে দেন। নবাব হয়ে সুজাউদ্দিন সরফরাজ বা তাঁর অন্য স্ত্রীর গর্ভজাত পুত্র টাকি খানকে বিহারের ছোট নবাব পদে নিযুক্ত করতে চাইলেন। কিন্তু জিন্নতউন্নেসা তাঁর একমাত্র পুত্রকে কাছ ছাড়া করতে রাজি হলেন না। আবার টাকি খানকেও ওই পদে নিযুক্ত করতে তিনি আপত্তি জানালেন। বাধ্য হয়ে সুজাউদ্দিন বেগমের ইচ্ছা মেনে নিলেন। এ থেকে বোঝা যায় সুজাউদ্দিনের ওপর জিন্নতউন্নেসার কতটা প্রভাব ছিল।

যা হোক শেষ পর্যন্ত, মনে হয় অনেকটা জিন্নতউন্নেসার ইচ্ছেতেই, আলিবর্দি খানকে বিহারের ডেপুটি গভর্নর করে পাঠানো হবে স্থির হল। বেগম মনে করতেন তিনিই মুর্শিদকুলির মৃত্যুর পর তাঁর প্রতিষ্ঠিত নিজামতের প্রকৃত উত্তরাধিকারী এবং সুজাউদ্দিন তাঁর অধীনেই রাজ্যশাসন করার অধিকার পেয়েছেন। তাই তিনিই প্রথমে আলিবর্দিকে ডেকে পাঠিয়ে তাঁকে খেলাত দিয়ে বিহারের ছোট নবাব পদে নিযুক্ত করলেন। তাঁর পর সুজাউদ্দিন আলিবর্দিকে খেলাত প্রদান করে বিহারের ছোট নবাব বলে ঘোষণা করলেন।[৫] এ ঘটনা থেকেও স্পষ্ট, জিন্নতউন্নেসা কতটা বিজ্ঞা, বিচক্ষণ ও ব্যক্তিত্বসম্পন্না ছিলেন, এবং তিনি রাজ্যশাসনেও কতটা প্রভাব বিস্তার করেছিলেন।

এর পরের ঘটনাবলী জিন্নতউন্নেসার পক্ষে খুবই নিদারুণ হয়েছিল। আলিবর্দি সুজাউদ্দিনের সময়কার শক্তিশালী ত্রয়ীর (triumverate)—হাজি আহমেদ, আলমচাঁদ ও জগৎশেঠ, যাঁরা সুজাউদ্দিনের বকলমে বাংলা শাসন করতেন—সঙ্গে ষড়যন্ত্র করে সুজাউদ্দিনের মৃত্যুর পর তাঁর বেগম জিন্নতউন্নেসার পুত্র নবাব সরফরাজের বিরুদ্ধে যুদ্ধযাত্রা করেন। গিরিয়ার যুদ্ধে (১৭৪০) সরফরাজ আলিবর্দির বাহিনীর মুখোমুখি হন এবং যুদ্ধক্ষেত্রে যুদ্ধ করতে করতেই তিনি প্রাণ বিসর্জন দেন।[৬] এভাবে একমাত্র পুত্রের মৃত্যু জিন্নতউন্নেসার কাছে কতটা মর্মান্তিক ও বেদনাদায়ক হয়েছিল তা সহজেই অনুমান করা যেতে পারে।

যুদ্ধ জেতার দু’দিন পরে আলিবর্দি মুর্শিদাবাদ শহরে পদার্পণ করলেন এবং মসনদে বসার আগেই জিন্নতউন্নেসার কাছে তাঁর কৃতকর্মের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করলেন। বেগমকে তিনি জানালেন যে জীবনের শেষদিন পর্যন্ত তিনি তাঁকে তাঁর প্রাপ্য সম্মান দেবেন এবং যথাসাধ্য তাঁর আজ্ঞা বহন করে চলবেন। জিন্নতউন্নেসা পুত্রশোকে এতই কাতর ছিলেন যে তিনি উত্তরে আলিবর্দিকে কোনও কথাই বললেন না।[৭] নবাব হয়ে আলিবর্দি তাঁর জ্যেষ্ঠা কন্যার স্বামী নওয়াজিস মহম্মদকে ঢাকার ছোট নবাব পদে নিযুক্ত করেন। নওয়াজিস জিন্নতউন্নেসাকে তাঁর প্রাসাদ ছেড়ে ঢাকায় তাঁর কাছে তাঁর পালিতা মা হিসেবে এসে থাকতে রাজি করালেন। শুধু তাই নয়, তিনি তাঁর ঘরসংসারের সব দায়িত্বও জিন্নতউন্নেসার হাতে দিয়েছিলেন এবং এ ব্যাপারে তাকে সম্পূর্ণ স্বাধীনতা দিলেন। বেগম নওয়াজিসকে জিজ্ঞেস না করে বা তাঁর অনুমতি না নিয়েও নিজের পছন্দমতো সব কাজ করার অধিকারও পেলেন। তবে নিজের সম্মান ও আভিজাত্য বজায় রেখে তিনি সবসময় পর্দার অন্তরাল থেকেই নওয়াজিসের সঙ্গে কথাবার্তা বলতেন।[৮]

বেগম জিন্নতউন্নেসার উদারতা ও মহানুভবতার পরিচয় পাওয়া যায় আরও একটি ঘটনা থেকে। তিনি সরফরাজের এক রক্ষিতার গর্ভজাত পুত্র আগা বা আকা বাবাকে দত্তক নেন। সরফরাজ যেদিন গিরিয়ার যুদ্ধে নিহত হন, সেদিনই আগা বাবার জন্ম হয়। হয়তো এজন্যই শোকাতুরা বেগমের আগার প্রতি করুণার উদ্রেক হয় এবং তিনি তাঁকে দত্তকপুত্র হিসেবে গ্রহণ করেন। আগা বেগমের নয়নের মণি হয়ে ওঠেন, বেগমের বার্ধক্যে একমাত্র সান্ত্বনা। আগার সঙ্গে তিনি নওয়াজিস মহম্মদের ভাই সৈয়দ আহমেদের এক কন্যার বিবাহ দিতে উৎসুক হয়ে ওঠেন। সৈয়দ আহমেদ প্রথমে এ প্রস্তাবে রাজি হননি কিন্তু শেষ পর্যন্ত নওয়াজিস মহম্মদ ও তাঁর স্ত্রী ঘসেটি বেগমের পীড়াপীড়িতে রাজি হলেন, কিন্তু নবাব পরিবারের নানা দুর্ঘটনার জন্য এই বিবাহ সম্পন্ন হয়নি বলেই মনে হয়।[৯]

ঘসেটি ও নওয়াজিস দু’জনেই জিন্নতউন্নেসাকে খুবই সম্মান ও শ্রদ্ধা করতেন। মুর্শিদকুলির খাসতালুক ও ব্যক্তিগত সম্পত্তি তিনি একাই ভোগ করেছেন। নওয়াজিস মহম্মদ বা আলিবর্দি কখনও তাতে হাত দেননি। শুধু তাই নয়, আলিবর্দি এবং নওয়াজিস তাকে এতই সমীহ এবং সম্মান করতেন যে তাঁর সঙ্গে দেখা করতে এলে তাঁর সামনে তারা নতজানু হয়ে অভিবাদন জানাতেন এবং তিনি বলার পরই শুধু তারা তাঁর সামনে আসন গ্রহণ করতেন।[১০]

জিন্নতউন্নেসা কতদিন জীবিত ছিলেন, কবে তাঁর মৃত্যু হয়, সে সম্বন্ধে কিছু জানা যায় না। তবে মুর্শিদাবাদ প্রাসাদের আধ মাইলের মতো উত্তরে আজিমনগরে তিনি যে মসজিদ নির্মাণ করেন, তাঁর ধ্বংসাবশেষ অনেক দিন দেখা গেছে। কথিত আছে, এ ধ্বংসাবশেষের পাশেই তাঁর মৃত্যুর পর তাকে সমাধিস্থ করা হয়।[১১]

সূত্রনির্দেশ ও টীকা

  1. সিয়র, ১ম খণ্ড, পৃ. ৩৪৫; রিয়াজ-উস-সলাতিন, পৃ. ৩২২।
  2. Abdul Karim, Murshid Quli, p. 59
  3. B. N. Banerjee, Begams of Bengal, pp. 2-3. ফারসি ইতিহাস সিয়র বা রিয়াজ-উস-সলাতিনে আগে থেকে বাদশাহের অনুমোদন নেওয়ার উল্লেখ কিছুই নেই। আসলে অষ্টাদশ শতকের প্রথমার্ধে দিল্লির বাদশাহ শুধু নামেমাত্র মুঘল সাম্রাজ্যের অধীশ্বর ছিলেন কিন্তু কার্যত তাঁর কোনও ক্ষমতাই ছিল না। ফলে বাংলার নবাবরা দিল্লিতে যিনিই মসনদে বসতেন, তাঁকেই রাজস্ব পাঠাতেন। দিল্লিতে নিয়মিত রাজস্ব পাঠালেই বাদশাহ সন্তুষ্ট থাকতেন, তাঁদের আর ঘাঁটাতেন না।
  4. রিয়াজ-উস-সলাতিন, পৃ. ২৮৮. রিয়াজের লেখক গোলাম হোসেন সলিম অবশ্য বলছেন যে সরফরাজকে নিবৃত্ত করেন তাঁর মাতামহী মুর্শিদপত্নী নাসিরা বানু বেগম, রিয়াজ, পৃ. ২৮৮। স্যার যদুনাথ সরকারের বক্তব্যও মোটামুটি তাই, History of Bengal, vol. 2, p.423. অন্যদিকে ব্রজেন্দ্রনাথ ব্যানার্জি লিখেছেন যে জিন্নতউন্নেসাই সরফরাজকে তাঁর পিতার বিরুদ্ধে যুদ্ধ করা থেকে বিরত থাকতে বলেছিলেন, B. N. Banerjee, Beganas of Bengal, p. 2. অবশ্য তারিখ-ই বংগালার লেখক সলিমুল্লা জানাচ্ছেন, এ ব্যাপারে নাসিরা বানু ও জিন্নতউন্নেসা দু’জনেই সরফরাজকে নিবৃত্ত করেন, তারিখ-ই-বংগালা, পৃ. ৭২।
  5. ইউসুফ আলি, তারিখ-ই-বংগালা-ই-মহবৎজঙ্গী, পৃ. ৮-৯; B. N. Banerjee, Begams of Bengal, pp. 3-4; সিয়র, ১ম খণ্ড, পৃ. ২৮২।
  6. রিয়াজ, পৃ. ৩১০-৩২১, মুজাফ্‌ফরনামা, পৃ. ২০-২৩; J. N. Sarkar, History of Bengal, vol. II, pp. 440-42; K. K. Datta, Alivardi and His Times, p. 248.
  7. সিয়র, ১ম খণ্ড, পৃ. ৩৪০; B. N. Banerjee, Begams of Bengal, p. 5.
  8. B.N. Banerjee, Begams of Bengal, p. 6
  9. সিয়র, ১ম খণ্ড, পৃ. ৩৫৬; J, N. Sarkar, Bengal Nawabs, Pp. 50, 147-48; 152-53.
  10. সিয়র, ১ম খণ্ড, পৃ. ৩৫৬।
  11. B. N. Banerjee, Begams of Bengal, p. 6.