বেতাল পঞ্চবিংশতি
- বেতাল পঞ্চবিংশতি
- উপক্ৰমণিকা
- প্ৰথম উপাখ্যান
- দ্বিতীয় উপাখ্যান
- তৃতীয় উপাখ্যান
- চতুর্থ উপাখ্যান
- পঞ্চম উপাখ্যান
- ষষ্ঠ উপাখ্যান
- সপ্তম উপাখ্যান
- অষ্টম উপাখ্যান
- নবম উপাখ্যান
- দশম উপাখ্যান
- একাদশ উপাখ্যান
- দ্বাদশ উপাখ্যান
- ত্ৰয়োদশ উপাখ্যান
- চতুর্দশ উপাখ্যান
- পঞ্চদশ উপাখ্যান
- ষোড়শ উপাখ্যান
- সপ্তদশ উপাখ্যান
- অষ্টাদশ উপাখ্যান
- উনবিংশ উপাখ্যান
- বিংশ উপাখ্যান
- একবিংশ উপাখ্যান
- দ্বাবিংশ উপাখ্যান
- ত্ৰয়োবিংশ উপাখ্যান
- চতুর্বিংশ উপাখ্যান
- পঞ্চবিংশ উপাখ্যান
- উপসংহার
আল-কুরআনের শিক্ষা
- আল-কুরআনের শিক্ষা
- অনুবাদকের আরয
- আমরাও তোমাদের সাথে অপেক্ষারত
- লেখকের আরয
- অপশক্তিধরদের আলোকিত চিন্তা চেতনা
- আল্লাহ্ কি হিংস্রতা এবং জুলম করেন?
- মানবাধিকার ও আমেরিকা
- ইসলাম ও কুফুরীর দ্বন্ধ
- ফোরকানুল হকের উদ্দেশ্য ও পরিকল্পনা
- কোরআন সংরক্ষণের সংক্ষিপ্ত ইতিহাস
- কুরআন মাজীদের সাত ক়েরাত
- নে’মতের বহিঃপ্রকাশ
- কোরআন মাজীদের চেলেঞ্জ কি?
- ফোরকানুল হকের ফেতনা
- ফোরকানুল হকের শয়তানি
নব্য জাপান ও রুষ জাপান যুদ্ধের ইতিহাস
- নব্য জাপান ও রুষ জাপান যুদ্ধের ইতিহাস
- প্রথম সংস্করণের ভূমিকা।
- দ্বিতীয় সংস্করণের বিজ্ঞাপন।
- ভৌগলিক বৃত্তান্ত।
- ঐতিহাসিক বৃত্তান্ত: প্রাচীনযুগ।
- ঐতিহাসিক বৃত্তান্ত: মধ্যযুগ।
- ঐতিহাসিক বৃত্তান্ত: নবযুগ।
- ধর্ম্মপ্রণালী।
- সামাজিক রীতিনীতি।
- জাপানের শিক্ষা-প্রণালী।
- জাপানের সাহিত্য ও সংবাদপত্র।
- জাপান সাম্রাজ্যের গঠনপ্রণালী ও রাজনীতি।
- জাপানের বাণিজ্য।
- জাপানের সমর বল।
- জাপানের নানাকথা।
- রুষ ও জাপান যুদ্ধের ইতিহাস।
ইস্তাহার
- ইস্তাহার
- মুখবন্ধ
- ইস্তাহার
- মশাল
- জনতা
- আদিম ও আগামী
- চোখ
- জেহাদ
- রাজনীতি
- সঙ্কট
- বন্যা
- জবানবন্দী
- নেতা
- শকুনির পাশা
- মহাজীবন
- যৌথ
- জালিয়াত
- সাংবাদিক
- কুতুব মিনার
- বাংলা দেশ
- হিপি
- চন্দ্রকাব্য
- পিঞ্জরে বন্দী
- বেনামী সার্কাস
- আরশি
- রঙের গোলাম
- শোষক মশক
- মুক্তির নিমন্ত্রণ
- বীরবরণ
- জলছবি
- বিকল্প
- মুক
- প্রতিবাদ
- প্রস্তরমূর্তি
- নিরুপায়
- বিনষ্ট
- প্রস্থান
- সংশোধন
- বিবৃতি
- সেই লোকটি
- পলাতক
- মাটি ও মানুষ
- মৃত্যু
- গরীয়সী
- প্রণাম
পণ্ডিত মশাই
- পণ্ডিত মশাই
- পণ্ডিত মশাই
- প্রথম পরিচ্ছেদ : কুসুমের বাল্য-ইতিহাস
- দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ : বৃন্দাবনের সংসার
- তৃতীয় পরিচ্ছেদ : সোনার বালা
- চতুর্থ পরিচ্ছেদ : কুঞ্জনাথের বিবাহ
- পঞ্চম পরিচ্ছেদ : কাল একটি দিনের
- ষষ্ঠ পরিচ্ছেদ : মাস-খানেক হইল
- সপ্তম পরিচ্ছেদ : অনুতপ্ত দুষ্কৃতকারী
- অষ্টম পরিচ্ছেদ : তাহা না বুঝিলেও
- নবম পরিচ্ছেদ : অনেকদিন কাটিয়াছে
- একাদশ পরিচ্ছেদ : দোল-উৎসব
- দ্বাদশ পরিচ্ছেদ : পরদিন সকালেই
- ত্রয়োদশ পরিচ্ছেদ : স্বামী আবার
- চতুর্দশ পরিচ্ছেদ : ছয়দিন হইল
- পঞ্চদশ পরিচ্ছেদ : চরণের ক্ষুদ্র দেহ
পরিণীতা
- পরিণীতা
- পরিণীতা
- প্রথম পরিচ্ছেদ : শক্তিশেল
- দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ : শ্যামবাজারের
- তৃতীয় পরিচ্ছেদ : চারুবালার মা
- চতুর্থ পরিচ্ছেদ : এ পাড়ার একজন
- পঞ্চম পরিচ্ছেদ : গুরুচরণ লোকটি
- ষষ্ঠ পরিচ্ছেদ : নবীন রায়
- সপ্তম পরিচ্ছেদ : চায়ের মজলিস
- অষ্টম পরিচ্ছেদ : মাস-তিনেক পরে
- নবম পরিচ্ছেদ : সে রাত্রে
- দশম পরিচ্ছেদ : অসম্ভব বলিয়া
- একাদশ পরিচ্ছেদ : গুরুচরণ
- দ্বাদশ পরিচ্ছেদ : শেখর মাকে লইয়া
গৃহদাহ
- গৃহদাহ
- গৃহদাহ
- প্রথম পরিচ্ছেদ
- দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ
- তৃতীয় পরিচ্ছেদ
- চতুর্থ পরিচ্ছেদ
- পঞ্চম পরিচ্ছেদ
- ষষ্ঠ পরিচ্ছেদ
- সপ্তম পরিচ্ছেদ
- অষ্টম পরিচ্ছেদ
- নবম পরিচ্ছেদ
- দশম পরিচ্ছেদ
- একাদশ পরিচ্ছেদ
- দ্বাদশ পরিচ্ছেদ
- ত্রয়োদশ পরিচ্ছেদ
- চতুর্দশ পরিচ্ছেদ
- পঞ্চদশ পরিচ্ছেদ
- ষোড়শ পরিচ্ছেদ
- সপ্তদশ পরিচ্ছেদ
- অষ্টাদশ পরিচ্ছেদ
- ঊনবিংশ পরিচ্ছেদ
- বিংশ পরিচ্ছেদ
- পরিচ্ছেদ
- দ্বাবিংশ পরিচ্ছেদ
- ত্রয়োবিংশ পরিচ্ছেদ
- চতুর্বিংশ পরিচ্ছেদ
- পঞ্চবিংশ পরিচ্ছেদ
- ষড়্বিংশ পরিচ্ছেদ
- সপ্তবিংশ পরিচ্ছেদ
- অষ্টাবিংশ পরিচ্ছেদ
- ঊনত্রিংশ পরিচ্ছেদ
- ত্রিংশ পরিচ্ছেদ
- একত্রিংশ পরিচ্ছেদ
- দ্বাত্রিংশ পরিচ্ছেদ
- ত্রয়স্ত্রিংশ পরিচ্ছেদ
- চতুস্ত্রিংশ পরিচ্ছেদ
- পঞ্চত্রিংশ পরিচ্ছেদ
- ষড়্ত্রিংশ পরিচ্ছেদ
- সপ্তত্রিংশ পরিচ্ছেদ
- অষ্টাত্রিংশ পরিচ্ছেদ
- ঊনচত্বারিংশ পরিচ্ছেদ
- চত্বারিংশ পরিচ্ছেদ
- একচত্বারিংশ পরিচ্ছেদ
- দ্বিচত্বারিংশ পরিচ্ছেদ
- ত্রিচত্বারিংশ পরিচ্ছেদ
- চতুশ্চত্বারিংশ পরিচ্ছেদ
চন্দ্রনাথ
- চন্দ্রনাথ
- চন্দ্রনাথ
- প্রথম পরিচ্ছেদ : চন্দ্রনাথের পিতৃ-শ্রাদ্ধ
- দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ : দিন-দুই পরে
- তৃতীয় পরিচ্ছেদ : তাহার পর কতদিন
- চতুর্থ পরিচ্ছেদ : চন্দ্রনাথের মাতুলানী
- পঞ্চম পরিচ্ছেদ : বয়সের সন্মান-জ্ঞান
- ষষ্ঠ পরিচ্ছেদ : তখনও কথাটা
- সপ্তম পরিচ্ছেদ : সুলোচনা কোথায়?
- অষ্টম পরিচ্ছেদ : হরিদয়াল সমস্ত কথা
- নবম পরিচ্ছেদ : চন্দ্রনাথ কহিল
- দশম পরিচ্ছেদ : সেই রাত্রে সরযূ
- একাদশ পরিচ্ছেদ : সমস্ত রাত্রি
- দ্বাদশ পরিচ্ছেদ : হরিদয়ালের বাটীতে
- ত্রয়োদশ পরিচ্ছেদ : শরৎকালে
- চতুর্দশ পরিচ্ছেদ : ঘটনার পর
- পঞ্চদশ পরিচ্ছেদ : এই দুই বৎসর
- ষোড়শ পরিচ্ছেদ : চন্দ্রনাথ
- সপ্তদশ পরিচ্ছেদ : তখন স্বামী-স্ত্রীতে
- অষ্টাদশ পরিচ্ছেদ : কিন্তু চন্দ্রনাথ
- ঊনবিংশ পরিচ্ছেদ : বাড়ি পৌঁছিয়া
- বিংশ পরিচ্ছেদ : সে রাত্রে
দত্তা
- দত্তা
- দত্তা
- প্রথম পরিচ্ছেদ
- দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ
- তৃতীয় পরিচ্ছেদ
- চতুর্থ পরিচ্ছেদ
- পঞ্চম পরিচ্ছেদ
- ষষ্ঠ পরিচ্ছেদ
- সপ্তম পরিচ্ছেদ
- অষ্টম পরিচ্ছেদ
- নবম পরিচ্ছেদ
- দশম পরিচ্ছেদ
- একাদশ পরিচ্ছেদ
- দ্বাদশ পরিচ্ছেদ
- ত্রয়োদশ পরিচ্ছেদ
- চতুর্দশ পরিচ্ছেদ
- পঞ্চদশ পরিচ্ছেদ
- ষোড়শ পরিচ্ছেদ
- সপ্তদশ পরিচ্ছেদ
- অষ্টাদশ পরিচ্ছেদ
- ঊনবিংশ পরিচ্ছেদ
- বিংশ পরিচ্ছেদ
- একবিংশ পরিচ্ছেদ
- দ্বাবিংশ পরিচ্ছেদ
- ত্রয়োবিংশ পরিচ্ছেদ
- চতুর্বিংশ পরিচ্ছেদ
- পঞ্চবিংশ পরিচ্ছেদ
- ষড়্বিংশ পরিচ্ছেদ
পল্লী-সমাজ
- পল্লী-সমাজ
- পল্লী-সমাজ
- এক : বেণী ঘোষাল
- দুই : কুঁয়াপুরের বিষয়টা
- তিন : জ্যাঠাইমা!
- চার : এইমাত্র শ্রাদ্ধ শেষ
- পাঁচ : মধু পালের মুদীর দোকান
- ছয় : বিশ্বেশ্বরীর সেদিনের কথাটা
- সাত : হাঁ রে যতীন
- আট : আয় বাবা, ঘরে আয়
- নয় : যত রাগ করিয়াই
- দশ : মাস-তিনেক পরে
- এগার : দুইদিন অবিশ্রান্ত বৃষ্টিপাত
- বার : ছেলেবেলায় একদিন
- তের : আজ দুই মাস
- চৌদ্দ : বর্ষা শেষ হইয়া
- পনর : এমনি একটা আশঙ্কা
- ষোল : প্রতি বৎসর রমা
- সতর : বিশ্বেশ্বরী ঘরে ঢুকিয়া
- আঠার : কারা-প্রাচীরের বাহিরে
- উনিশ : সেইদিন অপরাহ্নে
শুভদা
- শুভদা
- প্রথম অধ্যায়
- প্রথম পরিচ্ছেদ
- দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ
- তৃতীয় পরিচ্ছেদ
- চতুর্থ পরিচ্ছেদ
- পঞ্চম পরিচ্ছেদ
- ষষ্ঠ পরিচ্ছেদ
- সপ্তম পরিচ্ছেদ
- অষ্টম পরিচ্ছেদ
- নবম পরিচ্ছেদ
- দশম পরিচ্ছেদ
- একাদশ পরিচ্ছেদ
- দ্বাদশ পরিচ্ছেদ
- ত্রয়োদশ পরিচ্ছেদ
- দ্বিতীয় অধ্যায়
- প্রথম পরিচ্ছেদ
- দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ
- তৃতীয় পরিচ্ছেদ
- চতুর্থ পরিচ্ছেদ
- পঞ্চম পরিচ্ছেদ
- ষষ্ঠ পরিচ্ছেদ
- সপ্তম পরিচ্ছেদ
- অষ্টম পরিচ্ছেদ
- নবম পরিচ্ছেদ
- দশম পরিচ্ছেদ
- একাদশ পরিচ্ছেদ
- দ্বাদশ পরিচ্ছেদ
- ত্রয়োদশ পরিচ্ছেদ
- চতুর্দশ পরিচ্ছেদ
- পঞ্চদশ পরিচ্ছেদ
- ষোড়শ পরিচ্ছেদ
- সপ্তদশ পরিচ্ছেদ
শ্রীকান্ত
- শ্রীকান্ত
- প্রথম পর্ব
- দ্বিতীয় পর্ব
- তৃতীয় পর্ব
- চতুর্থ পর্ব
- শ্রীকান্ত
- শ্রীকান্ত
- প্রথম পর্ব
- এক : আমার এই ‘ভবঘুরে’
- দুই : কয়েক মুহূর্তেই ঘনান্ধকারে
- তিন : বড় ঘুম পেয়েছে
- চার : পা আর চলে না
- পাঁচ : সমস্ত ব্যাপারটা শুনিতে
- ছয় : নিস্তব্ধ গভীর রাত্রে
- সাত : আজ একাকী গিয়া
- আট : লিখিতে বসিয়া
- নয় : মানুষের অন্তর
- দশ : সমস্ত ঘটনারই হেতু
- এগার : পিয়ারীর কাছে
- বার : যাহাতে অচৈতন্য
- দ্বিতীয় পর্ব
- এক : এই ছন্নছাড়া জীবনের
- দুই : এক-একটা কথা
- তিন : দিন পাঁচ-ছয় পরে
- চার : সেদিন এমন প্রবৃত্তি
- পাঁচ : কেরেন্টিন্ কারাবাসের
- ছয় : অভয়া ও রোহিণীদাদা
- সাত : পথে যাহাদের সুখ
- আট : রাজলক্ষ্মীর অনুরোধ
- নয় : আবার অভয়ার স্বামী
- দশ : হঠাৎ অভয়া
- এগার : মনোহর চক্রবর্তী
- বার : যখন মৃত্যুর পরওয়ানা
- তের : কলিকাতার ঘাটে
- চৌদ্দ : শ্রীমান বঙ্কুকে
- পনর : রাজলক্ষ্মী আমার
- তৃতীয় পর্ব
- এক : একদিন যে ভ্রমণকাহিনী
- দুই : বাঙ্গলার ম্যালেরিয়া
- তিন : সাঁইথিয়া স্টেশনে
- চার : সাধু জিজ্ঞাসা
- পাঁচ : সাধুজী ত স্বচ্ছন্দে
- ছয় : সকালে উঠিয়া শুনিলাম
- সাত : আপনাকে আপনি বিশ্লেষণ
- আট : পূর্বেই বলিয়াছি
- নয় : তাহাদের সম্বন্ধে
- দশ : মানুষের পরকালের
- এগার : সকালে উঠিয়া
- বার : সকালে খবর পৌঁছিল
- তের : সন্ধ্যা শেষ হইল
- চৌদ্দ : গঙ্গামাটির বাটীতে
- পনর : সন্ন্যাসী বজ্রানন্দ
- চতুর্থ পর্ব
- এক
- দুই : স্টেশনে পদার্পণ মাত্র
- তিন : সশব্দ উদ্গারে চমকিত
- চার : পৃথিবীর সর্বাপেক্ষা
- পাঁচ : গহরের খোঁজে আসিয়া
- ছয় : যদিচ ধর্মাচরণে
- সাত : আজ আমাকে বৈষ্ণবী
- আট : এখানে আর একদণ্ডও
- নয় : আজ অবেলায়
- দশ : ওগো, ওঠো
- এগার : পরদিন আমার অনিচ্ছায়
- বার : রাজলক্ষ্মীর প্রশ্নের উত্তরে
- তের : এক সকালে স্বামীজী
- চৌদ্দ : সমস্ত পথ চোখ যাহাকে
দ্বিতীয় পর্ব
- দ্বিতীয় পর্ব
- এক : এই ছন্নছাড়া জীবনের
- দুই : এক-একটা কথা
- তিন : দিন পাঁচ-ছয় পরে
- চার : সেদিন এমন প্রবৃত্তি
- পাঁচ : কেরেন্টিন্ কারাবাসের
- ছয় : অভয়া ও রোহিণীদাদা
- সাত : পথে যাহাদের সুখ
- আট : রাজলক্ষ্মীর অনুরোধ
- নয় : আবার অভয়ার স্বামী
- দশ : হঠাৎ অভয়া
- এগার : মনোহর চক্রবর্তী
- বার : যখন মৃত্যুর পরওয়ানা
- তের : কলিকাতার ঘাটে
- চৌদ্দ : শ্রীমান বঙ্কুকে
- পনর : রাজলক্ষ্মী আমার
অনন্ত দ্রাঘিমা
- অনন্ত দ্রাঘিমা
- চৌদ্দ : গঙ্গামাটির বাটীতে
- চতুর্থ পর্ব
- এক
- দুই : স্টেশনে পদার্পণ মাত্র
- তিন : সশব্দ উদ্গারে চমকিত
- চার : পৃথিবীর সর্বাপেক্ষা
- পাঁচ : গহরের খোঁজে আসিয়া
- ছয় : যদিচ ধর্মাচরণে
- সাত : আজ আমাকে বৈষ্ণবী
- আট : এখানে আর একদণ্ডও
- নয় : আজ অবেলায়
- দশ : ওগো, ওঠো
- এগার : পরদিন আমার অনিচ্ছায়
- বার : রাজলক্ষ্মীর প্রশ্নের উত্তরে
- তের : এক সকালে স্বামীজী
- চৌদ্দ : সমস্ত পথ চোখ যাহাকে
শরৎ গল্প সমগ্র
- শরৎ গল্প সমগ্র
- বিন্দুর ছেলে
- রামের সুমতি
- পথ-নির্দেশ
- মেজদিদি
- দর্পচূর্ণ
- আঁধারে আলো
- বোঝা
- মন্দির
- অনুপমার প্রেম
- হরিচরণ
- স্বামী
- একাদশী বৈরাগী
- ছবি
- বিলাসী
- মামলার ফল
- হরিলক্ষ্মী
- মহেশ
- বাল্যস্মৃতি
- অভাগীর স্বর্গ
- অনুরাধা
- সতী
- পরেশ
- লালু
- ছেলেধরা
- কলকাতার নতুন-দা
- বছর-পঞ্চাশ পূর্বের একটা দিনের কাহিনী
- দেওঘরের স্মৃতি
- কোরেল
- বিচার
- অন্তর্যামী
- জাগরণ
- আগামীকাল
লিঙ্গপুরাণ
- লিঙ্গপুরাণ
- জ্যোতিষ
- গোহত্যা, গোমাংস ও গোমাতার ইতিবৃত্ত
- সরস্বতী
- ব্রাহ্মণ্যবাদ এবং ভারতীয় সমাজ
- মনু, মনুসংহিতা এবং হিন্দুবাদের ভারতবর্ষ
- লিঙ্গপুরাণ
- মোহে-নির্মোহে নগ্নতা
- আঁধারে আলো
- এক : সে অনেকদিনের কথা
- দুই : একফোঁটা রাধারানীকে
- তিন : রমণী যে প্রত্যহ
- চার : জ্ঞানীরা কহিয়াছেন
- পাঁচ : সকালবেলা স্নান করিয়া
- ছয় : চার বৎসর পরের কথা
অপ্রকাশিত রচনাবলী
- অপ্রকাশিত রচনাবলী
- নারীর লেখা
- কানকাটা
- ক্ষুদ্রের গৌরব
- সমাজ-ধর্মের মূল্য
- আসার আশায়
- সধবার একাদশী
- রস-সেবায়েৎ
- চন্দননগরে আলাপ-সভায়
- রসচক্র
- মুসলমান সাহিত্য
- মুসলিম সাহিত্য-সমাজ
- বর্তমান হিন্দু-মুসলমান সমস্যা
- বাঙলা বইয়ের দুঃখ
- ভাগ্য-বিড়ম্বিত লেখক-সম্প্রদায়
- সাহিত্যের মাত্রা
- সাহিত্যের আর একটা দিক
- শেষের পরিচয়ের অপ্রকাশিত অংশ
- শ্রীকান্তের পরিত্যক্ত অংশ
- ৫৭তম জন্মদিনে প্রতিভাষণ
- মাতৃভাষা এবং সাহিত্য
- ভালমন্দ
- অপ্রকাশিত খণ্ডরচনা
- আত্মকথা
- একটি অসমাপ্ত গল্প
- দিন-কয়েকের ভ্রমণ-কাহিনী
- জলধর-সম্বর্ধনা
- দেশসেবা
- নূতন প্রোগ্রাম
- বর্তমান রাজনৈতিক প্রসঙ্গ
- সাম্প্রদায়িক বাঁটোয়ারা
- দু’টি আবেদন
- দুটি অসমাপ্ত প্রবন্ধ
- বাংলা নাটক
- বামুনের মেয়ের নাট্যরূপ
- বিপ্রদাসের পরিত্যক্ত এক পৃষ্ঠা
- বারোয়ারি
- বাল্য-স্মৃতি
- বেতার-সঙ্গীত
- মহাত্মাজী
- মহাত্মার পদত্যাগ
- যুব-সঙ্ঘ
- রবীন্দ্র-জয়ন্তী উপলক্ষে মানপত্র
- শুভেচ্ছা
- সত্যাশ্রয়ী
- সাহিত্য সম্মিলনের রূপ
চোদ্দ শতকের বাঙালী
- চোদ্দ শতকের বাঙালী
- শতক বিহরণ
- বিপ্লববাদী সমাজের অভ্যুত্থান
- হিন্দু সভ্যতার শিকর আবিষ্কার
- কুলীনের মেয়ের মুক্তি
- হিন্দু বিবাহ-বিধান
- মুসলিম বিবাহ ও তিন তালাক
- বিয়ে বাড়ির আদব
- শতাব্দীর মর্মন্তুদ অগ্নিকাণ্ড
- কলকাতার দাঙ্গা
- শতাব্দীর আর্থিক চিত্র
- পশ্চিমবঙ্গের নবরূপ
- সার্বভৌম বাংলাদেশের জন্ম
- বাঙালী জীবনচর্যার পরিবর্তন
- বাঙালী জীবনের অস্তাচল
- বাঙালী আরও হারিয়েছে তার স্বয়ম্ভরতা
- নারী নির্যাতনে দেশ গেল ভরে
- বাঙালীর দুর্গতি
- ঘটনাপঞ্জী
- প্রথম পরিচ্ছেদ
- দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ
- তৃতীয় পরিচ্ছেদ
- চতুর্থ পরিচ্ছেদ
যুগবাণী
- যুগবাণী
- উৎসর্গ
- নবযুগ
- গেছে দেশ দুঃখ নাই, আবার তোরা মানুষ হ!
- ডায়ারের স্মৃতিস্তম্ভ
- ধর্মঘট
- লোকমান্য তিলকের মৃত্যুতে বেদনাতুর কলিকাতার দৃশ্য
- মুহাজিরিন হত্যার জন্য দায়ী কে?
- বাংলা সাহিত্যে মুসলমান
- ছুঁৎমার্গ
- উপেক্ষিত শক্তির উদ্বোধন
- মুখবন্ধ
- রোজ কেয়ামত বা প্রলয় দিন
- বাঙালির ব্যবসাদারি
- আমাদের শক্তি স্থায়ী হয় না কেন?
- কালা আদমিকে গুলি মারা
- শ্যাম রাখি না কুল রাখি
- লাট-প্রেমিক আলি ইমাম
- ভাব ও কাজ
- সত্য-শিক্ষা
- জাতীয় শিক্ষা
- জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়
- জাগরণী
বিষের বাঁশী
- বিষের বাঁশী
- উৎসর্গ
- কৈফিয়ত
- আয় রে আবার আমার চির-তিক্ত প্রাণ!
- ফাতেহা-ই-দোয়াজ্-দহম্ : আবির্ভাব
- ফাতেহা-ই-দোয়াজ্-দহম্ : তিরোভাব
- সেবক
- জাগৃহি
- তূর্য-নিনাদ
- বোধন
- উদ্বোধন
- অভয়-মন্ত্র
- আত্মশক্তি
- মরণ-বরণ
- বন্দি-বন্দনা
- বন্দনা-গান
- মুক্তি-সেবকের গান
- শিকল-পরার গান
- মুক্ত-বন্দি
- যুগান্তরের গান
- চরকার গান
- জাতের বজ্জাতি
- সত্য-মন্ত্র
- বিজয়-গান
- পাগল পথিক
- ভূত-ভাগানোর গান
- বিদ্রোহীর বাণী
- অভিশাপ
- মুক্ত-পিঞ্জর
- ঝড়
ছায়ানট
- পলাতকা
- ছায়ানট
- বিজয়িনী
- কমল-কাঁটা
- চৈতি হাওয়া
- বেদনা-অভিমান
- নিশীথ-প্রীতম্
- অ-বেলায়
- হার-মানা-হার
- লক্ষ্মীছাড়া
- শেষের গান
- নিরুদ্দেশের যাত্রী
- চিরন্তনী প্রিয়া
- বেদনা-মণি
- পরশ পূজা
- অনাদৃতা
- শায়ক-বেঁধা পাখী
- হারামণি
- নীল পরী
- স্নেহ-ভীতু
- চিরশিশু
- মানস-বধূ
- দহনমালা
- বিদায়-বেলায়
- অকরুণ পিয়া
- ব্যথা-নিশীথ
- সন্ধ্যাতারা
- দূরের বন্ধু
- আশা
- মরমী
- মুক্তি-বার
- আপন-পিয়াসী
- বিবাগিনী
- প্রতিবেশিনী
- দুপুর-অভিসার
- ছলকুমারী
- পাপড়ি-খোলা
- বিধুরা পথিকপ্রিয়া
- মনের মানুষ
- প্রিয়ার রূপ
- বাদল-দিনে
- কার বাঁশি বাজিল?
- অ-কেজোর গান
- স্তব্ধ বাদল
- চাঁদমুকুর
- চির-চেনা
- পাহাড়ী গান
- অমর-কানন
- পূবের হাওয়া
- আলতা-স্মৃতি
- রৌদ্রদগ্ধের গান
ফণী-মনসা
- ফণী-মনসা
- সব্যসাচী
- দ্বীপান্তরের বন্দিনী
- প্রবর্তকের ঘুর-চাকায়
- আশীর্বাদ
- মুক্তিকাম
- সাবধানী ঘণ্টা
- বিদায়-মাভৈঃ
- বাংলার মহাত্মা
- হেমপ্রভা
- অশ্বিনীকুমার
- ইন্দু-প্রয়াণ
- দিল-দরদী
- সত্যেন্দ্র-প্রয়াণ
- সত্য-কবি
- সত্যেন্দ্র-প্রয়াণ-গীতি
- সুর-কুমার
- রক্ত-পতাকার গান
- অন্তর-ন্যাশন্যাল সঙ্গীত
- জাগর-তূর্য
- যুগের আলো
- পথের দিশা
- যা শত্রু পরে পরে
- হিন্দু-মুসলিম যুদ্ধ
বাঁধনহারা
- বাঁধনহারা
- উৎসর্গ
- পরিচ্ছেদ ক : পত্র এক
- পরিচ্ছেদ ক : পত্র দুই
- পরিচ্ছেদ খ : পত্র এক
- পরিচ্ছেদ খ : পত্র দুই
- পরিচ্ছেদ গ : পত্র এক
- পরিচ্ছেদ গ : পত্র দুই
- পরিচ্ছেদ ঘ : পত্র এক
- পরিচ্ছেদ ঘ : পত্র দুই
- পরিচ্ছেদ ঘ : পত্র তিন
- পরিচ্ছেদ ঙ
- পরিচ্ছেদ চ
- পরিচ্ছেদ ছ
- পরিচ্ছেদ জ : পত্র এক
- পরিচ্ছেদ জ : পত্র দুই
- পরিচ্ছেদ জ : পত্র তিন
- পরিচ্ছেদ জ : পত্র চার
- পরিচ্ছেদ জ : পত্র পাঁচ
- পরিচ্ছেদ জ : পত্র ছয়
বুলবুল
- বুলবুল
- উৎসর্গ
- ‘বুলবুলে’র কবি
- বাগিচায় বুলবুলি তুই
- আমারে চোখ-ইশারায়
- বসিয়া বিজনে কেন একা মনে
- ভুলি কেমনে আজও যে মনে
- কেন কাঁদে পরান
- মৃদুল বায়ে বকুল ছায়ে
- কে বিদেশি মন-উদাসী
- করুণ কেন অরুণ আঁখি
- এত জল ও-কাজল-চোখে
- আসে বসন্ত ফুলবনে
- দুরন্ত বায়ু পুরবৈয়াঁ
- চেয়ো না সুনয়না
- পরান-প্রিয়! কেন এলে অবেলায়
- সখী জাগো, রজনী পোহায়
- নিশি ভোর হল জাগিয়া
- এ বাসি বাসরে আসিলে
- বসিয়া নদীকূলে
- কেন দিলে এ কাঁটা
- সখী, বোলো-বঁধূয়ারে
- নহে নহে প্রিয়
- এ আঁখি-জল মোছ পিয়া
- কী হবে জানিয়া বলো
- পরদেশি বঁধুয়া
- কেন উচাটন মন
- আসিলে এ ভাঙা ঘরে
- আজি দোল পূর্ণিমাতে
- রুমুঝুমু রুমুঝুম্
- আজি এ কুসুম-হার
- গরজে গম্ভীর গগন কম্বু
- হাজার তারার হার হয়ে
- অধীর অম্বরে গুরু গরজন
- ঝরে ঝরঝর কোন গভীর
- হৃদয় যত নিষেধ হানে
- শুকাল মিলন-মালা
- স্মরণ-পারের ওগো প্রিয়
- গহীন রাতে ঘুম
- কোন শরতে পূর্ণিমা-চাঁদ
- জাগিলে ‘পারুল’ কি গো
- চরণ ফেলি গো মরণ-ছন্দে
- নমো হে নমো যন্ত্রপতি
- পুরবের তরুণ অরুণ
- কে শিব সুন্দর
- কার নিকুঞ্জে রাত কাটায়ে
- কেন আন ফুল-ডোর
- কেমনে রাখি আঁখি-বারি
- কেন আসিলে যদি যাবে চলি
- সাজিয়াছ যোগী
- মুসাফির! মোছ এ আঁখি জল
- এ নহে বিলাস বন্ধু
চোখের চাতক
- চোখের চাতক
- আমার কোন কূলে আজ ভিড়ল তরী
- কাঁদিতে এসেছি আপনারে লয়ে
- ছাড়িতে পরান নাহি চায়
- কে তুমি দূরের সাথী
- আজি এ শ্রাবণ-নিশি
- আজি বাদল ঝরে
- মোর ঘুম ঘোরে এলে
- কেউ ভোলে না কেউ ভোলে
- যাও যাও তুমি ফিরে
- ফাগুন-রাতের ফুলের নেশায়
- নিশীথ-স্বপন তোর ভুলে যা
- ঘোর তিমির ছাইল রবি শশী
- দারুণ পিপাসায় মায়া-মরীচিকায়
- এত কথা কি গো কহিতে জানে
- মন কেন উদাসে
- আমার গহীন জলের নদী
- তোমায় কূলে তুলে বন্ধু
- আমার সাম্পান যাত্রী না লয়
- ওরে মাঝি ভাই
- কেন প্রাণ ওঠে কাঁদিয়া
- আঁধার রাতে কে গো একেলা
- কী হবে লাল পাল তুলে
ছাড়পত্র
- ছাড়পত্র
- ছাড়পত্র (কবিতা)
- আগামী
- রবীন্দ্রনাথের প্রতি
- চারাগাছ
- খবর
- ইউরোপের উদ্দেশে
- প্রস্তুত
- প্রার্থী
- একটি মোরগের কাহিনী
- সিঁড়ি
- কলম
- আগ্নেয়গিরি
- দুরাশার মৃত্যু
- ঠিকানা
- লেনিন
- অনুভব
- কাশ্মীর
- সিগারেট
- দেশলাই কাঠি
- বিবৃতি
- চিল
- চট্টগ্রাম : ১৯৪৩
- মধ্যবিত্ত '৪২
- সেপ্টেম্বর '৪৬
- ঐতিহাসিক
- শত্রু এক
- মজুরদের ঝড়
- ডাক
- বোধন
- রানার
- মৃত্যুজয়ী গান
- কনভয়
- ফসলের ডাক : ১৩৫১
- কৃষকের গান
- এই নবান্নে
- আঠারো বছর বয়স
- হে মহাজীবন
ঘুম নেই
- ঘুম নেই
- বিক্ষোভ
- ১লা মে-র কবিতা '৪৬
- পরিখা
- সব্যসাচী
- উদ্বীক্ষণ
- বিদ্রোহের গান
- অনন্যোপায়
- অভিবাদন
- জনতার মুখে ফোটে বিদ্যুৎবাণী
- কবিতার খসড়া
- আমরা এসেছি
- একুশে নভেম্বর : ১৯৪৬
- দিন বদলের পালা
- মুক্ত বীরদের প্রতি
- প্রিয়তমাসু
- ছুরি
- সূচনা
- অদ্বৈধ
- দিক্প্রান্তে
- চিরদিনের
- নিভৃত
- বৈশম্পায়ন
- নিভৃত
- কবে
- অলক্ষ্যে
- মহাত্মাজীর প্রতি
- পঁচিশে বৈশাখের উদ্দেশে
- পরিশিষ্ট
- মীমাংসা
- অবৈধ
- ১৯৪১ সাল
- রোম : ১৯৪৩
- জনরব
- রৌদ্রের গান
- দেওয়ালী
গীতিগুচ্ছ
- গীতিগুচ্ছ
- ওগো কবি তুমি আপন ভোলা
- এই নিবিড় বাদল দিনে
- গানের সাগর পাড়ি দিলাম
- হে মোর মরণ
- দাঁড়াও ক্ষণিক পথিক হে
- শয়ন শিয়রে ভোরের পাখির রবে
- ও কে যায় চলে
- হে পাষাণ, আমি নির্ঝরিণী
- শীতের হাওয়া ছুঁয়ে গেল
- কিছু দিয়ে যাও
- ক্লান্ত আমি কর ক্ষমা
- সাঁঝের আঁধার ঘিরল যখন
- কঙ্কণ-কিঙ্কিণী মঞ্জুল মঞ্জীর ধ্বনি
- মেঘ-বিনিন্দিত স্বরে
- গুঞ্জরিয়া এল অলি
- কোন অভিশাপে নিয়ে এল
- ভুল হল বুঝি
- মুখ তুলে চায়
- ফোটে ফুল আসে যৌবন
সুকান্তের অপ্রচলিত রচনা
- সুকান্তের অপ্রচলিত রচনা
- ক্ষুধা
- দুর্বোধ্য
- ভদ্রলোক
- দরদী কিশোর
- কিশোরের স্বপ্ন
- ছন্দ ও আবৃত্তি
- বর্ষ-বাণী
- যেমন ক’রে তপন টানে জল
- জনগণ হও আজ উদ্বুদ্ধ
- আমরা জেগেছি
- শৃঙ্খল ভাঙা সুর
- ভবিষ্যতে
- সুচিকিৎসা
- পরিচয়
- আজিকার দিন কেটে যায়
- চৈত্রদিনের গান
- সুহৃদ্বরেষু
- পটভূমি
- ভারতীয় জীবনত্রাণ-সমাজের মহাপ্রয়াণে
- “নব জ্যামিতি”র ছড়া
- জবাব
- চরমপত্র
- মেজদাকে : মুক্তির অভিনন্দন
- পত্র
- মার্শাল তিতোর প্রতি
- ব্যর্থতা
- দেবদারু গাছে রোদের ঝলক
পলাশির অজানা কাহিনী
- পলাশির অজানা কাহিনী
- ভূমিকা
- প্রাক্-পলাশি বাংলার রূপরেখা
- সিরাজ চরিত-কথা
- ইউরোপীয় কোম্পানি ও এশীয় বণিক সম্প্রদায়
- সিরাজদ্দৌল্লা ও ইংরেজ কোম্পানির সংঘাত
- পলাশি বিপ্লবের অনিবার্যতা
- ষড়যন্ত্রের উদ্ভব ও ক্রমবিকাশ
- চক্রান্তের মূল নায়করা
- পলাশি অভিমুখে : ইংরেজ পরিকল্পনা
- পলাশির পরিণাম : সুদূরপ্রসারী প্রভাব
- উপসংহার
- নির্বাচিত গ্রন্থপঞ্জি
হযরত ওমর
- হযরত ওমর
- গুমরাহীর অন্ধকারায়
- ইসলামের আলোকধারায়
- খেলাফতের প্রতিষ্ঠায়
- বিজয়ীর বেশে ফিরে দেশে দেশে
- ইরাক-আরব বিজয়
- ইরাক-আযম বিজয়
- সিরিয়া বিজয়
- মিসর বিজয়
- ওমরের শাহাদাত
- রাজ্যজয় ও রাষ্ট্রগঠন
- প্রশাসনিক ও রাজস্ব-ব্যবস্থা
- সেনাবিভাগ
- শহর পত্তন ও পূর্তবিভাগ
- বিচার-বিভাগ
- জিম্মীদের অধিকার সংরক্ষণ ও দাসপ্রথা নিয়ন্ত্ৰণ
- শিক্ষাবিস্তার ও ধর্মপ্রচার
- রাষ্ট্রনায়ক : ব্যক্তিত্ব
- মানুষ ওমর
- ওমর-কাহিনীগুচ্ছ
- শেষ প্ৰসঙ্গ
ঐতিহাসিক সমগ্র
- ঐতিহাসিক সমগ্র
- ভারতের দ্বিতীয় প্রভাতে
- মহাভারতের শেষ মহাবীর
- পঞ্চনদের তীরে
- ভগবানের চাবুক
- আলেকজান্ডার দি গ্রেট
- দিগবিজয়ী নেপোলিয়ন
- রক্ত বাদল ঝরে
- হন্তারক নরদানব
- সিরাজের বিজয় অভিযান
- তিন সম্রাটের ত্র্যহস্পর্শযোগ
- সাতহাজারের আত্মদান
- আলেকজান্ডারের পলায়ন
- ওষ্ঠাধরে রাজদণ্ড
- মরা মানিক আর জ্যান্ত মানিক
- মুসলমানের জহরব্রত
- সূর্য দেবী, পর্মল দেবী
- মারাঠার লিওনিডাস
- ভারতের একমাত্র সুলতানা
- ব্যাঘ্রভূমির বঙ্গবীর
- উপন্যাসের চেয়ে আশ্চর্য
- মরণ বিজয়ীর দল
- ছত্রপতির ছত্রভঙ্গ
- জগন্নাথদেবের গুপ্তকথা
- নতুন বাংলার প্রথম কবি
- শিবদাস ভাদুড়ি
- ইতিহাসের রক্তাক্ত প্রান্তরে
- বীরাঙ্গনা, পরাক্রমে ভীমা-সমা
- বর্গি এল দেশে
- হে ইতিহাস গল্প বলো
- প্রথম বাঙালি সম্রাট
- অনামা বীরাঙ্গনা
- ইতিহাসের রক্তাক্ত দৃশ্য
- ছত্রপতির অ্যাডভেঞ্চার
- বাংলাদেশের বোম্বেটেরাজ
ক্রুসেড সিরিজ
- গাজী সালাহুদ্দীনের দুঃসাহসিক অভিযান
- গোপন বিদ্রোহী
- হেমসের যোদ্ধা
- পাপের ফল
- তুমুল লড়াই
- উমরু দরবেশ
- টার্গেট ফিলিস্তিন
- গাদ্দার
- সালাহুদ্দীন আয়ুবীর কমান্ডো অভিযান
- বিষাক্ত ছোবল
- খুনী চক্রের আস্তানায়
- পাল্টা ধাওয়া
- সুবাক দুর্গে আক্রমণ
- ইহুদী কন্যা
- ধাপ্পাবাজ
- ভয়ংকর ষড়যন্ত্র
- ভয়াল রজনী
- আবারও সংঘাত
- দূর্গপতন
- ফেরাউনের গুপ্তধন
- উপকূলে সংঘর্ষ
- সর্প কেল্লার খুনী
- চারদিকে চক্রান্ত
- সামনে বৈরুত
- দুর্গম পাহাড়
- ভণ্ডপীর
- ছোট বেগম
- রক্তস্রোত
- রিচার্ডের নৌবহর
- মহাসমর
বাবরনামা
- দ্বিতীয় অধ্যায়
- বাবরনামা
- ভূমিকা
- প্রথম অধ্যায়
- তৃতীয় অধ্যায়
- চতুর্থ অধ্যায়
- পঞ্চম অধ্যায়
- ষষ্ঠ অধ্যায়
- সপ্তম অধ্যায়
- অষ্টম অধ্যায়
- নবম অধ্যায়
- দশম অধ্যায়
- একাদশ অধ্যায়
- দ্বাদশ অধ্যায়
- ত্রয়োদশ অধ্যায়
- চতুর্দশ অধ্যায়
- পঞ্চদশ অধ্যায়
- ষোড়শ অধ্যায়
- সপ্তদশ অধ্যায়
- অষ্টাদশ অধ্যায়
- ঊনবিংশ অধ্যায়
- বিংশ অধ্যায়
- একবিংশ অধ্যায়
- দ্বাবিংশ অধ্যায়
- ত্রয়োবিংশ অধ্যায়
ভাটির দেশ
- ভাটির দেশ
- প্রথম পর্ব
- ভাটির দেশ
- আমন্ত্রণ
- ক্যানিং
- লঞ্চে
- লুসিবাড়ি
- পতন
- স্যার ড্যানিয়েল
- স্নেল’স উইন্ডো
- ট্রাস্ট
- ফকির
- চিঠি
- ডিঙিতে
- নির্মল আর নীলিমার কথা
- নোঙর
- কুসুম
- কথা
- বনবিবির মহিমা
- স্পন্দন
- মরিচঝাঁপি
- ময়না
- কাঁকড়া
- ভ্রমণকাহিনি
- গর্জনতলা
- আলোড়ন
- হঠাৎ আলো
- শোনা
- তীরে ভেড়া
- ধাওয়া
- স্বপ্ন
- অনুসরণ
- দ্বিতীয় পর্ব
- পুনরাগমনায় চ
- বন্দরের কাল
- ভোজ
- আলাপ
- ঝড়
- আলোচনা
- অভ্যাস
- একটি সূর্যাস্ত
- রূপান্তর
- তীর্থদর্শন
- নিয়তি
- মেঘা
- স্মৃতি
- মধ্যস্থ
- ঘেরাটোপে
- কথা
- অপরাধ
- বিদায় লুসিবাড়ি
- ব্যাঘাত
- বাঁচা
- রবিবারের ডাকঘর
- একটি হত্যা
- জেরা
- মিস্টার স্লোয়েন
- ক্রেতি
- চিহ্ন
- আলো
- খোঁজ
- হতাহত
- উপহার
- মিঠে জল, নোনা জল
- দিগন্তে
- ক্ষয়ক্ষতি
- তরী থেকে তীরে
- ঢেউ
- পরদিন
- বাড়ি : একটি উপসংহার
- লেখকের কথা
- অনুবাদ প্রসঙ্গে
দ্বিতীয় পর্ব
- দ্বিতীয় পর্ব
- পুনরাগমনায় চ
- বন্দরের কাল
- ভোজ
- আলাপ
- ঝড়
- আলোচনা
- অভ্যাস
- একটি সূর্যাস্ত
- রূপান্তর
- তীর্থদর্শন
- নিয়তি
- মেঘা
- স্মৃতি
- মধ্যস্থ
- ঘেরাটোপে
- কথা
- অপরাধ
- বিদায় লুসিবাড়ি
- ব্যাঘাত
- বাঁচা
- রবিবারের ডাকঘর
- একটি হত্যা
- জেরা
- মিস্টার স্লোয়েন
- ক্রেতি
- চিহ্ন
- আলো
- খোঁজ
- হতাহত
- উপহার
- মিঠে জল, নোনা জল
- দিগন্তে
- ক্ষয়ক্ষতি
- তরী থেকে তীরে
- ঢেউ
- পরদিন
- বাড়ি : একটি উপসংহার
- লেখকের কথা
- অনুবাদ প্রসঙ্গে
অলৌকিক জলযান
- অলৌকিক জলযান
- এক
- দুই
- তিন
- চার
- পাঁচ
- ছয়
- সাত
- আট
- নয়
- দশ
- এগার
- বার
- তের
- চৌদ্দ
- পনের
- ষোল
- সতের
- আঠার
- উনিশ
- বিশ
- একুশ
- বাইশ
- তেইশ
- চব্বিশ
- পঁচিশ
- ছাব্বিশ
- সাতাশ
- আঠাশ
- ঊনত্রিশ
- ত্রিশ
- একত্রিশ
- বত্রিশ
- তেত্রিশ
- চৌত্রিশ
- পয়ত্রিশ
- ছত্রিশ
- সাইত্রিশ
- আটত্রিশ
- উনচল্লিশ
- চল্লিশ
- একচল্লিশ
- বিয়াল্লিশ
- তেতাল্লিশ
- চুয়াল্লিশ
- পঁয়তাল্লিশ
- ছিচল্লিশ
- সাতচল্লিশ
- আটচল্লিশ
- উনপঞ্চাশ
- পঞ্চাশ
- একান্ন
- বাহান্ন
- তিপ্পান্ন
- চুয়ান্ন
হরিদাসের গুপ্তকথা
- অষ্টম কল্প
- নবম কল্প
- তৃতীয় খণ্ড
- প্রথম কল্প
- দ্বিতীয় কল্প
- তৃতীয় কল্প
- হরিদাসের গুপ্তকথা
- ভূবনচন্দ্র মুখোপাধ্যায়
- প্রকাশকের নিবেদন
- প্রথম খণ্ড
- প্রথম কল্প
- দ্বিতীয় কল্প
- তৃতীয় কল্প
- চতুর্থ কল্প
- পঞ্চম কল্প
- ষষ্ঠ কল্প
- সপ্তম কল্প
- অষ্টম কল্প
- নবম কল্প
- দশম কল্প
- একাদশ কল্প
- দ্বাদশ কল্প
- ত্রয়োদশ কল্প
- চতুর্দ্দশ কল্প
- পঞ্চদশ কল্প
- ষোড়শ কল্প
- সপ্তদশ কল্প
- অষ্টাদশ কল্প
- উনবিংশ কল্প
- বিংশ কল্প
- একবিংশ কল্প
- দ্বাবিংশ কল্প
- ত্রয়োবিংশ কল্প
- চতুর্ব্বিংশ কল্প
- পঞ্চবিংশ কল্প
- ষড়্বিংশ কল্প
- সপ্তবিংশ কল্প
- অষ্টাবিংশ কল্প
- ঊনত্রিংশ কল্প
- দ্বিতীয় খণ্ড
- প্রথম কল্প
- দ্বিতীয় কল্প
- তৃতীয় কল্প
- চতুর্থ কল্প
- পঞ্চম কল্প
- ষষ্ঠ কল্প
- সপ্তম কল্প
প্রথম খণ্ড
- প্রথম খণ্ড
- প্রথম কল্প
- দ্বিতীয় কল্প
- তৃতীয় কল্প
- চতুর্থ কল্প
- পঞ্চম কল্প
- অষ্টম কল্প
- নবম কল্প
- দশম কল্প
- একাদশ কল্প
- দ্বাদশ কল্প
- ত্রয়োদশ কল্প
- চতুর্দ্দশ কল্প
- পঞ্চদশ কল্প
- ষোড়শ কল্প
- সপ্তদশ কল্প
- অষ্টাদশ কল্প
- উনবিংশ কল্প
- বিংশ কল্প
- একবিংশ কল্প
- দ্বাবিংশ কল্প
- ত্রয়োবিংশ কল্প
- চতুর্ব্বিংশ কল্প
- পঞ্চবিংশ কল্প
- ষড়্বিংশ কল্প
- সপ্তবিংশ কল্প
- অষ্টাবিংশ কল্প
- ঊনত্রিংশ কল্প
[স্বর্গীয় ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর মহাশয়ের দ্বারা প্রবর্ত্তিত বহুবিবাহবিষয়ক আন্দোলনের সময়ে বঙ্গদর্শনে এই প্রবন্ধ প্রকাশিত হয়। বিদ্যাসাগর মহাশয়প্রণীত বহুবিবাহ সম্বন্ধীয় দ্বিতীয় পুস্তকের কিছু তীব্র সমালোচনায় আমি কর্ত্তব্যানুরোধে বাধ্য হইয়াছিলাম। তাহাতে তিনি কিছু বিরক্তও হইয়াছিলেন। তাই আমি এ প্রবন্ধ আর পুনর্মুদ্রিত করি নাই। এই আন্দোলন ভ্রান্তিজনিত, ইহাই প্রতিপন্ন করা আমার উদ্দেশ্য ছিল, সে উদ্দেশ্য সফল হইয়াছিল। অতএব বিদ্যাসাগর মহাশয়ের জীবদ্দশায় ইহা পুনর্মুদ্রিত করিয়া দ্বিতীয় বার তাঁহার বিরক্তি উৎপাদন করিতে আমি ইচ্ছা করি নাই। এক্ষণে তিনি অনুরক্তি বিরক্তির অতীত। তথাপি দেশস্থ সকল লোকেই তাঁহাকে শ্রদ্ধা করে, এবং আমিও তাঁহাকে আন্তরিক শ্রদ্ধা করি, এজন্য ইহা এক্ষণে পুনর্মুদ্রিত করার ঔচিত্য বিষয়ে অনেক বিচার কোন দিন কথাটা উঠিবে, দোষ তাঁহার, না আমার। সুবিচার জন্য প্রবন্ধটির প্রথমাংশ পুনর্মুদ্রিত করিলাম। ইচ্ছা ছিল যে, এ সময়ে উহা পুনর্মুদ্রিত করিব না, কিন্তু তাহা না করিলে আমার জীবদ্দশায় উহা আর পুনর্মুদ্রিত হইবে কি না সন্দেহ। উহা বিলুপ্ত করাও অবৈধ; কেন না, ভাল হউক, মন্দ হউক, উহা আমাদের দেশে আধুনিক সমাজসংস্কারের ইতিহাসের অংশ হইয়া পড়িয়াছে—উহার দ্বারাই বহুবিবাহবিষয়ক আন্দোলন নির্ব্বাপিত হয়, এইরূপ প্রসিদ্ধি। আর এখনও Malabari সম্প্রদায় প্রবল—তাঁহারা না পারেন, এমন কাজ নাই।]
প্রায় দুই বৎসর হইল, পণ্ডিতবর শ্রীযুক্ত ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর বহুবিবাহের অশাস্ত্রীয়তা1 সম্বন্ধে একখানি পুস্তক প্রচার করেন। তদুত্তরে শ্রীযুক্ত তারানাথ তর্কবাচস্পতি, এবং অন্যান্য কয়জন পণ্ডিত যদৃচ্ছাপ্রবৃত্ত বহুবিবাহের শাস্ত্রীয়তা প্রমাণ করিতে যত্ন পাইয়াছিলেন। প্রত্যুত্তরে বিদ্যাসাগর মহাশয় দ্বিতীয় পুস্তক প্রচার করিয়াছেন। ইহার বিচার্য্য বিষয় এই যে, যদৃচ্ছাক্রমে বহুবিবাহ হিন্দুশাস্ত্রসম্মত কি না। আমরা প্রথমেই বলিতে বাধ্য হইলাম যে, আমরা ধর্ম্মশাস্ত্রে সম্পূর্ণ অজ্ঞ; সুতরাং এ বিচারে বিদ্যাসাগর মহাশয় প্রতিবাদীদিগের মত খণ্ডন করিয়া জয়ী হইয়াছেন কি না, তাহা আমরা জানি না। এবং সে বিষয়ে কোন অভিপ্রায় ব্যক্ত করিতে অক্ষম। তবে এ বিষয়ে অশাস্ত্রজ্ঞ ব্যক্তিরও কিছু বক্তব্য থাকিতে পারে। আমাদিগের যাহা বক্তব্য, তাহা অতি সংক্ষেপে বলিব।
বহুবিবাহ যে সমাজের অনিষ্টকারক, সকলের বর্জ্জনীয়, এবং স্বাভাবিক নীতিবিরুদ্ধ, তাহা বোধ হয় এ দেশের জনসাধারণের হৃদয়ঙ্গম হইয়াছে। সুশিক্ষিত বা অল্পশিক্ষিত, এ দেশে এমত লোক বোধ হয় অল্পই আছে, যে বলিবে, “বহুবিবাহ অতি সুপ্রথা, ইহা ত্যাজ্য নহে।” যাঁহারা বিদ্যাসাগর মহাশয়ের পুস্তকের প্রতিবাদ করিয়াছেন, বোধ হয়, তাঁহাদেরও এই মাত্র উদ্দেশ্য যে, তাঁহারা আপন আপন জ্ঞানমত বহুবিবাহের শাস্ত্রীয়তা প্রতিপন্ন করেন। তাঁহাদের প্রণীত গ্রন্থ আমরা সবিশেষ পড়ি নাই, কিন্তু বোধ হয় তাঁহারা কেহই বলেন না যে, বহুবিবাহ সুপ্রথা, ইহা তোমরা ত্যাগ করিও না। যদি কেহ এমত কথা কথা বলিয়া থাকেন, তবে ইহা বলা যাইতে পারে যে, তাঁহার মত কুসংস্কারবিশিষ্ট লোক এক্ষণে অতি অল্প। যাঁহারা স্বয়ং বহুবিবাহ করিয়া থাকেন, তাঁহাদিগেরই মুখে বহুবিবাহপ্রথার ভূয়সী নিন্দা এবং কৌলীন্যের উপর ধিক্কার আমরা শতবার শুনিয়াছি। তবে যে তাঁহারা কেন এত বিবাহ করেন, সে স্বতন্ত্র কথা। এমত চোর কেহই নাই যে, জিজ্ঞাসা করিলে চুরিকে অসৎকর্ম্ম বলিয়া স্বীকার করিবে না—কিন্তু অসৎকর্ম্ম বলিয়া স্বীকার করিয়াও সে আবার চুরি করে। কুলীনেরাও বহুবিবাহ নিন্দনীয় বলিয়া স্বীকার করিয়াও বহুবিবাহ করেন। কিন্তু সে যাহা হউক, বহুবিবাহ যে কুপ্রথা, তদ্বিষয়ে বাঙ্গালীর মতৈক্য সম্বন্ধে আমাদের কোন সংশয় নাই।
এই ঐকমত্য যে বিদ্যাসাগর মহাশয়ের কৃত বহুবিবাহবিষয়ক প্রথম পুস্তক প্রচারের পর হইয়াছে, এমত নহে। অনেক দিন হইতেই ইহা সংস্থাপিত হইয়া আসিতেছে। ইহা দেশের মধ্যে সুশিক্ষা প্রচার বা ইউরোপীয় নীতির প্রচার বা সাধারণ উন্নতির ফল। তথাপি তাঁহার প্রথম পুস্তকের জন্য আমরা বিদ্যাসাগর মহাশয়ের নিকট কৃতজ্ঞ। যাহা কিছু সদভিপ্রায়ে অনুষ্ঠিত, তাহা সার্থক হউক বা নিরর্থক হউক, প্রয়োজনবিশিষ্ট হউক বা নিষ্প্রয়োজনীয় হউক, তাহাই প্রশংসনীয় এবং কৃতজ্ঞতার স্থল। বিশেষ বহুবিবাহ সম্বন্ধে লোকের মত যাহাই হউক, বহুবিবাহপ্রথা দেশ হইতে একেবারে উচ্ছিন্ন হয় নাই। তবে বহুবিবাহ এ দেশে যতদূর প্রবল বলিয়া বিদ্যাসাগর প্রতিপন্ন করিবার চেষ্টা করিয়াছেন, বাস্তবিক ততটা প্রবল নহে। আমাদিগের স্মরণ হয়, হুগলী জেলায় যতগুলিন বহুবিবাহপরায়ণ ব্রাহ্মণ আছেন, বিদ্যাসাগর প্রথম পুস্তকে তাঁহাদিগের তালিকা দিয়াছেন। অনেকের মুখে শুনিয়াছি যে, তালিকাটি প্রমাদশূন্য নহে। কেহ কেহ বলেন যে, মৃত ব্যক্তির নাম সন্নিবেশ দ্বারা তালিকাটি স্ফীত হইয়াছে। আমরা স্বয়ং যে দুই একটির কথা সবিশেষ জানি, তাহা তালিকার সঙ্গে মিলে নাই। যাহা হউক, বিদ্যাসাগর মহাশয়ের খ্যাতির অনুরোধে আমরা সেই তালিকাটি যথার্থ বলিয়া গ্রহণ করিলাম। তাহা করিলেও হুগলি জেলার সমুদায় লোকের মধ্যে কয়জন বহুবিবাহপরায়ণ পাওয়া যায়? এই বাঙ্গালায় এক কোটি আশী লক্ষ হিন্দু বাস করে; ইহার মধ্যে আঠার শত ব্যক্তিও যে অধিবেদনপরায়ণ নহে, ইহা নিশ্চিত বলা যাইতে পারে। অর্থাৎ দশ সহস্র হিন্দুর মধ্যে একজনও অধিবেদনপরায়ণ কি না সন্দেহ। এই অল্পসংখ্যকদিগের সংখ্যাও যে দিন দিন কমিতেছে, স্বতঃই কমিতেছে, তাহাও সকলে জানেন। কাহারও কোন উদ্যোগ করিতে হইতেছে না—কোন রাজব্যবস্থার আবশ্যক হইতেছে না—কোন পণ্ডিতের ব্যবস্থার আবশ্যক হইতেছে না, আপনা হইতেই কমিতেছে। ইহা দেখিয়া অনেকেই ভরসা করেন যে, এই কুপ্রথার যাহা কিছু অবশিষ্ট আছে, তাহা আপনা হইতেই কমিবে। এমত অবস্থায় বহুবিবাহরূপ রাক্ষসবধের জন্য বিদ্যাসাগর মহাশয়ের ন্যায় মহারথীকে ধৃতাস্ত্র দেখিয়া অনেকেরই ডন্কুইক্সোট্কে মনে পড়িবে।
কিন্তু সে রাক্ষস বধ্য, তাহাতে সন্দেহ নাই মুমূর্ষু হইলেও বধ্য। আমরা দেখিয়াছি, এক এক জন বীরপুরুষ, মৃত সর্প বা মৃত কুক্কুর দেখিলেই তাহার উপর দুই এক ঘা লাঠি মারিয়া যান; কি জানি, যদি ভাল করিয়া না মরিয়া থাকে। আমাদিগের বিবেচনায় ইঁহারা বড় সাবধান এবং পরোপকারী। যিনি এই মুমূর্ষু রাক্ষসের মৃত্যুকালে দুই এক ঘা লাঠি মারিয়া যাইতে পারিবেন, তিনি ইহলোকে পূজ্য এবং পরলোকে সদ্গতি প্রাপ্ত হইবেন সন্দেহ নাই।
কিন্তু একটা কথায় একটু গোলযোগ বোধ হয়। আমরা স্বীকার করিলাম, বহুবিবাহ এ দেশে বড় চলিত—আপামর সাধারণ সকলেই বহুপত্নীক। জিজ্ঞাস্য এই, এ প্রথা কি প্রকারে নিবারিত হওয়া সম্ভব? বিদ্যাসাগর মহাশয় যে সকল উপায় অবলম্বন করিতে ইচ্ছুক, বহুবিবাহের অশাস্ত্রীয়তা প্রমাণ করা তাহার একটি প্রধান। বাস্তবিক এই প্রথা শাস্ত্রবিরুদ্ধ কি না, তাহা আমরা বলিতে পারি না; কেন না, পূর্ব্বজন্মার্জ্জিত পুণ্যবলে ধর্ম্মশাস্ত্র সম্বন্ধে আমরা ঘোরতর মূর্খ। দেখা যাইতেছে যে, এ বিষয়ে মতভেদ আছে। তবে বিদ্যাসাগর মহাশয়ের উদ্যম, পুস্তকের আকার, এবং স্মৃতিশাস্ত্রোদ্ধৃত বচনের আড়ম্বর দেখিয়া আমরা তাঁহার পক্ষ অবলম্বন করিতে প্রস্তুত আছি। মনে করুন, দেশশুদ্ধ লোক সকলেই স্বীকার করিল যে, বহুবিবাহ প্রাচীন হিন্দুশাস্ত্র—বিরুদ্ধ। তাহাতে কি বহুবিবাহ প্রথা নিবারিত হইবে? আমরা সে বিষয়ে বিশেষ সংশয়াবিশিষ্ট। বঙ্গীয় হিন্দুসমাজে যে সকল সামাজিক প্রথা প্রচলিত আছে, তাহা সকলই শাস্ত্রসম্মত বলিয়া প্রচলিত এমত নহে। সে সমাজমধ্যে ধর্ম্মশাস্ত্রাপেক্ষা লোকাচার প্রবল। যাহা লোকাচারসম্মত, তাহা শাস্ত্রবিরুদ্ধ হইলেও প্রচলিত; যাহা লোকাচারবিরুদ্ধ, তাহা শাস্ত্রসম্মত হইলে প্রচলিত হইবে না। বিদ্যাসাগর মহাশয় পূর্ব্বে একবার বিধবাবিবাহের শাস্ত্রীয়তা প্রমাণ করিয়াছেন; প্রমাণসম্বন্ধে কৃতকার্য্যও হইয়াছেন; অনেকেই তাঁহার মতাবলম্বী; কিন্তু কয় জন স্বেচ্ছাপূর্ব্বক বিধবাবিবাহের শাস্ত্রীয়তা বা অনুষ্ঠেয়তা অনুভূত করিয়া আপন পরিবারস্থা বিধবাদিগের পুনর্ব্বার বিবাহ দিয়াছেন? কোন একজন বিশেষ শাস্ত্রজ্ঞ, শাস্ত্রীয় অনুষ্ঠানে প্রবৃত্ত ব্রাহ্মণ লইয়া বসুন। এবং তৎসঙ্গে মন্বাদি স্মৃতিশাস্ত্রবিষয়ক গ্রন্থ লইয়া এক একটি বচন ধরিয়া তাঁহার আচার ব্যবহারের সহিত মিলাইয়া লউন। কয়টি বচনের সঙ্গে তাঁহার কৃতানুষ্ঠান মিলিবে? শাস্ত্রজ্ঞ মাত্রেই বলিবেন, অতি অল্প। যদি শাস্ত্রজ্ঞ, শাস্ত্রীয় অনুষ্ঠানে প্রবৃত্ত ব্রাহ্মণদিগের এই দশা, তবে আপামর সাধারণের কথায় আর কাজ কি? বাস্তবিক মানবাদিধর্ম্মশাস্ত্রোক্ত বিধিসকলের সম্পূর্ণ চলন, কোন সমাজমধ্যে সম্ভব নহে। কস্মিন্ কালে কোন সমাজে, ঐ সকল বিধি সম্পূর্ণরূপে প্রচলিত ছিল কি না সন্দেহ। সকল বিধিগুলি চলিবার নহে। অনেকগুলি অসাধ্য। অনেকগুলি সাধ্য হইলেও মনুষ্যের এতদূর ক্লেশকর যে, তাহা স্বতঃই পরিত্যক্ত হয়। অনেকগুলি পরস্পরবিরোধী। এই বিধিগুলি সম্যক্ প্রচলিত রাখা যদি কোন সমাজের অদৃষ্টে কখন ঘটিয়া থাকে বা কখন ঘটে, তবে সে সমাজের অদৃষ্ট বড় মন্দ সন্দেহ নাই। অনেকেরই বিশ্বাস আছে, প্রাচীন ভারতে এই ধর্মশাস্ত্র সম্পূর্ণরূপে প্রচলিত ছিল, কেবল এখনই কালমাহাত্ম্যে লুপ্ত হইতেছে। যাঁহারা এরূপ বিবেচনা করেন, তাঁহাদের সহিত আমরা বিচারে প্রবৃত্ত হইব না। কিন্তু ইহা স্বীকার করি যে, পূর্ব্বকালে ভারতবর্ষে এই সকল বিধি কতক দূর প্রচলিত ছিল, এখনও কতক দূর প্রচলিত আছে। প্রচলিত ছিল, এবং প্রচলিত আছে বলিয়াই ভারতবর্ষের এ অধোগতি। যাঁহারা ধর্ম্মশাস্ত্রব্যবসায়ী, তাঁহাদিগকে এ কথা বলা বৃথা। কিন্তু অনেক হিন্দু আমাদিগের কথার অনুমোদন করিবেন, ভরসা আছে। আমরা হিন্দুধর্ম্মবিরোধী নহি; হিন্দুধর্ম্ম পরিশুদ্ধ হইয়া প্রচলিত থাকে, ইহাই আমাদের কামনা। তাই বলিয়া যাহা কিছু ধর্ম্মশাস্ত্র বলিয়া পরিচিত, তাহাই যে হিন্দুধর্ম্মের প্রকৃত অংশ, এবং সমাজের মঙ্গলকারক, এ কথা আমরা স্বীকার করিতে পারি না।
আমরা বিদ্যাসাগর মহাশয়ের উদ্দেশ্য সম্পূর্ণ বুঝিতে পারিয়াছি কি না, বলিতে পারি না। যদৃচ্ছাপ্রবৃত্ত বহুবিবাহ শাস্ত্রনিষিদ্ধ, সেই কারণেই বহুবিবাহ হইতে নিবৃত্ত হইতে বলিলে একটি দোষ ঘটে। বহুবিবাহপরায়ণ পক্ষেরা বলিতে পারেন, “যদি আপনি আমাদের শাস্ত্রানুসারে কার্য্য করিতে বলেন, তবে আমরা সম্মত আছি। কিন্তু যদি শাস্ত্র মানিতে হয়, তবে আপনার ইচ্ছামত, তাহার একটি বিধি গ্রহণ করা, অপরগুলি ত্যাগ করা যাইতে পারে না। আপনি কতকগুলিন বচন উদ্ধৃত করিয়া বলিতেছেন, এই এই বচনানুসারে তোমরা যদৃচ্ছাক্রমে বহুবিবাহ করিতে পারিবে না। ভাল, আমরা তাহা করিব না। কিন্তু সেই সেই বিধিতে যে যে অবস্থায় অধিবেদনের অনুমতি আছে, আমরা এই দুই কোটি হিন্দু সকলেই সেই সেই বিধানানুসারে প্রয়োজনমত অধিবেদনে প্রবৃত্ত হইব—কেন না, সকলেরই শাস্ত্রানুমত আচরণ করা কর্ত্তব্য। আমরা যত ব্রাহ্মণ আছি—রাঢ়ীয়, বৈদিক, বারেন্দ্র, কান্যকুব্জ প্রভৃতি—সকলেই অগ্রে সবর্ণা বিবাহ করিয়া কামতঃ ক্ষত্রিয়কন্যা, বৈশ্যকন্যা এবং শূদ্রকন্যা বিবাহ করিব। আমাদিগের মধ্যে যখনই কাহারও স্ত্রী স্বামীর সঙ্গে বচসা করিয়া বাপের বাড়ী যাইবে, আমরা তখনই বিবাহের উদ্দেশ্য অসিদ্ধ বলিয়া ছোট জাতির মেয়ে খুঁজিব। গৃহিণী যখন ঝগড়া করিয়াছেন, তখন রাগের মাথায় সম্মতি দিবেন, সন্দেহ নাই। এই দুই কোটি বাঙ্গালীর মধ্যে যাহার স্ত্রী বন্ধ্যা,2 সেই আর একটি বিবাহ করুক—যাহারই স্ত্রী মৃতপ্রজা, সেই আর একটি বিবাহ করুক—যে হতভাগিনীকে বিধাতা বর্ষে বর্ষে মনঃপীড়া দিয়া থাকেন, স্বামীও তাহার মর্ম্মান্তিক পীড়ার বিধান করুন; কেন না, ইহা শাস্ত্রসম্মত। তদ্ভিন্ন যাহার কন্যা ভিন্ন পুত্র জন্মে নাই, এই দুই কোটি হিন্দুর মধ্যে এমত যত লোক আছে, সকলেই আর এক এক দারপরিগ্রহ করুন। আমাদিগের এমন ভরসা আছে যে, এই সকল কারণে হিন্দুগণ শাস্ত্রানুসারে অধিবেদনে প্রবৃত্ত হইলে, এখন যেখানে একজন কুলীন ব্রাহ্মণ বহুবিবাহপরায়ণ, সেখানে সহস্র সহস্র কুলীন, অকুলীন, ব্রাহ্মণ, শূদ্র, বহু পত্নী লইয়া সুখে স্বচ্ছন্দে শাস্ত্রানুসারে সংসারধর্ম্ম করিতে থাকিবেন।”
কিন্তু এখনও শাস্ত্রের মহিমা শেষ হয় নাই। ধর্মশাস্ত্রের প্রধান বিধির উল্লেখ করিতে বাকি আছে। “সদ্যস্ত্বপ্রিয়বাদিনী!”—ভার্য্যা অপ্রিয়বাদিনী হইলে, সদ্যই অধিবেদন করিবে! আমাদিগের বিশেষ অনুরোধ যে, যাঁহার যাঁহার ভার্য্যা অপ্রিয়বাদিনী, তাঁহারা হিন্দুশাস্ত্রের গৌরববর্দ্ধনার্থ সদ্যই পুনর্ব্বার বিবাহ করুন। স্ত্রীলোক স্বভাবতঃ মুখরা, দ্বিতীয়া ভার্য্যাও অপ্রিয়বাদিনী হইলে হইতে পারে,—তাহা হইলে আবার তৃতীয় বিবাহ করিবেন; তৃতীয়াও যদি অপ্রিয়বাদিনী হয় (বাঙ্গালীর মেয়ের মুখ ভাল নহে), তবে আবার বিবাহ করিবেন—এরূপ “লোকহিতৈষী নিরীহ শাস্ত্রকারদিগের”3 অনুকম্পায় আপনারা অনন্ত গৃহিণীশ্রেণীতে পুরী শোভিতা করিতে পারিবেন। এমন বাঙ্গালীই নাই, যাহাকে একদিন না একদিন স্ত্রীর কাছে “মুখঝাম্টা” খাইতে না হয়। অতএব আমাদিগের ধর্ম্মশাস্ত্রের অনন্ত মহিমার গুণে সকলেই অনন্তসংখ্যক গৃহিণীকর্ত্তৃক পরিবেষ্টিত হইয়া জীবনযাত্রা নির্ব্বাহ করিতে পারিবে। যাঁহারই স্ত্রী, ননন্দার সহিত বচসা করিয়া আসিয়া স্বামীর উপর তর্জ্জন গর্জ্জন করিবেন, তিনিই তৎক্ষণাৎ অন্য বিবাহ করিতে পারিবেন। যাঁহারই স্ত্রী, যার তার অঙ্গে নূতন অলঙ্কার দেখিয়া আসিয়া স্বামীকে বলিবেন, “তোমার হাতে পড়িয়া আমার কোন সুখ হইল না”, তিনি তৎক্ষণাৎ সেই রাত্র ঘটক ডাকাইয়া সম্বন্ধ স্থির করিয়া সদ্যই অন্য দার গ্রহণ করিবেন। যাঁহার স্ত্রী, স্বামীর মুখে স্বকৃত পাকের নিন্দা শুনিয়া বলিবেন, “কিছুতেই তোমার মন যোগাইতে পারিলাম না—আমার মরণ হয় ত বাঁচি”—তিনি তখনই চেলির কাপড় পরিয়া, সোলার টোপর মাথায় দিয়া, প্রতিবাসীর দ্বারে গিয়া দাঁড়াইয়া বলিবেন, “মহাশয়, কন্যাদান করুন।” এত দিনে বাঙ্গালীর ঘরে জন্মগ্রহণ করা সার্থক হইল,—অমূল্যধন স্ত্রীরত্ন পর্য্যাপ্ত পরিমাণে লাভ করা যাইতে পারিবে। বঙ্গসুন্দরীগণ বোধ হয় ধর্ম্মশাস্ত্রপ্রচারের এই নবোদ্যম দেখিয়া তত সন্তুষ্ট হইবেন না। কিন্তু তাঁহাদিগের শাসনের যে একটা সদুপায় হইতে পারিবে, ইহাতে আমরা বড় সুখী। আমাদের এমত ভরসা হইয়াছে যে, অনেক ভদ্রলোক নিখুঁত মুক্তা খুঁজিয়া বেড়াইবার দায় হইতে নিষ্কৃতি পাইবেন—কেন না, নথনাড়া দিবার দিন কাল গেল। বিধুমুখী ঘোষ, সৌদামিনী মিত্র, কামিনী গাঙ্গুলী প্রভৃতি দেশের শ্রীবৃদ্ধির পতাকাবাহিনীগণ, বোধ হয় পতাকা ফেলিয়া দিয়া, ফিরে বাঙ্গালীর মেয়ে সাজিয়া, স্বামীর শ্রীচরণ মাত্র ভরসা মনে করিয়া, বিবিয়ানা চাল খাট করিয়া আনিবেন। কালভুজঙ্গিনী কুলকামিনীগণ এখন হইতে মুখের বিষ হৃদয়ে লুকাইয়া, কেবল কটাক্ষ—বিষকে সংসারজয়ের একমাত্র সম্বল করিবেন। তাঁহাদিগের মনে থাকে যেন, “সদ্যস্ত্বপ্রিয়বাদিনী!”—বিদ্যাসাগর মহাশয়—প্রণীত বহুবিবাহ নিবারণবিষয়ক দ্বিতীয় পুস্তকে এ ব্যবস্থা খুঁজিয়া পাইয়াছি। বিদ্যাসাগর মহাশয় বহুবিবাহ নিবারণ জন্য এই পুস্তক লিখিয়াছিলেন, কিন্তু বাঙ্গালীর অদৃষ্ট সুপ্রসন্ন!—আমাদিগের পূর্ব্বজন্মার্জ্জিত পুণ্য অনন্ত! সেই পুস্তকোদ্ধৃত ধর্ম্মশাস্ত্রের বলে বাঙ্গালী মাত্রেই অসংখ্য বিবাহ করিতে পারিবেন। বিদ্যাসাগর মহাশয় যে শাস্ত্রকারদিগকে “লোকহিতৈষী” বলিয়াছেন, তাহা সার্থক বটে।
এরূপ শাস্ত্রের দোহাই দিয়া কি ফল! এ শাস্ত্রানুসারে লোককে কার্য্য করিতে বলিলে বহুবিবাহ নিবারণ হয়, না বৃদ্ধি হয়?
কিন্তু বোধ হয়, শাস্ত্রাবলম্বনপূর্ব্বক বহুবিবাহ পরিত্যাগ করিতে বলা বিদ্যাসাগর মহাশয়ের প্রকৃত উদ্দেশ্য নহে। বিদ্যাসাগর মহাশয় এবং তাঁহার সহিত যাঁহারা একমতাবলম্বী, তাঁহাদের মুখ্য উদ্দেশ্য এই যে, বহুবিবাহ নিবারণ জন্য রাজব্যবস্থা প্রচার হউক। দ্বিতীয় পুস্তকে সে কথা কিছুই নাই, কিন্তু প্রথম পুস্তকে আছে। সেই উদ্দেশ্যে প্রবৃত্তিদায়কস্বরূপ বহুবিবাহের অশাস্ত্রীয়তা প্রমাণ করিবার জন্য যত্ন করিয়াছেন। নচেৎ শাস্ত্রের নামে ভয় পাইয়া হিন্দু বহুবিবাহ বা কোন চিরপ্রচলিত প্রথা হইতে নিবৃত্ত হইবেক, এমত ভরসা বিদ্যাসাগর মহাশয় করিবেন, বোধ হয় না। কিন্তু রাজব্যবস্থার পক্ষে প্রবৃত্তিদায়ক বলিয়াও এ বিষয়ে ধর্ম্মশাস্ত্রের সাহায্য অবলম্বন করা আমাদিগের উপযুক্ত বোধ হয় না। এ বিষয়ে রাজবিধি প্রণীত করিতে গেলে, তাহা কি শাস্ত্রানুমত হওয়া আবশ্যক? না শাস্ত্রবিরুদ্ধ হইলেও ক্ষতি নাই? যদি তাহা শাস্ত্রানুমত হওয়া আবশ্যক হয়, তবে “সদ্যস্ত্বপ্রিয়বাদিনী”, “ক্ষত্রবিট্শূদ্রকন্যাস্তু* * * বিবাহ্যাঃ ক্কচিদেব তু” কথাগুলিও বিধিবদ্ধ করিতে হইবে। আর যদি তাহা শাস্ত্রবিরুদ্ধ হইলেও চলে, তবে বহুবিবাহের অশাস্ত্রীয়তা প্রমাণ করিতে প্রয়াস পাওয়া, নিষ্প্রয়োজনে পরিশ্রম করা মাত্র।
আর একটি কথা এই যে, এ দেশে অর্দ্ধেক মুসলমান। যদি বহুবিবাহ নিবারণ জন্য আইন হওয়া উচিত হয়, তবে হিন্দু মুসলমান উভয় সম্বন্ধেই সে আইন হওয়া উচিত। হিন্দুর পক্ষে বহুবিবাহ মন্দ, মুসলমানের পক্ষে ভাল, এমত নহে। কিন্তু বহুবিবাহ হিন্দুশাস্ত্রবিরুদ্ধ বলিয়া, মুসলমানের পক্ষেও তাহা কি প্রকারে দণ্ডবিধি দ্বারা নিষিদ্ধ হইবে? রাজব্যবস্থাবিধাতৃগণ কি প্রকারে বলিবেন যে, “বহুবিবাহ হিন্দুশাস্ত্রবিরুদ্ধ, অতএব যে মুসলমান বহুবিবাহ করিবে, তাহাকে সাত বৎসরের জন্য কারারুদ্ধ হইতে হইবে।” যদি তাহা না বলেন, তবে অবশ্য বলিতে হইবে যে, “আমরা বড় প্রজাহিতৈষী ব্যবস্থাপক বটে; প্রজার হিতার্থ আমরা বহুবিবাহ প্রথা উঠাইব; কিন্তু আমরা অর্দ্ধেক প্রজাদিগের মাত্র হিত করিব। হিন্দুদিগের শাস্ত্র ভাল, তাঁহাদের ব্যাকরণের গুণে এক স্থানে “ক্রমশো বরা” ও “ক্রমশোহবরা” উভয় পাঠ চলিতে পারে, সুতরাং তাহাদিগেরই হিত করিব। আমাদিগের অবশিষ্ট প্রজা তাহাদিগের ভাগ্যদোষে মুসলমান, তাহাদিগের শাস্ত্রপ্রণেতৃগণ সুচতুর নহে, আরবী কায়দা হেলে দোলে না, বিশেষ মুসলমানের মধ্যে শ্রীযুক্ত ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর মহাশয়ের ন্যায় কেহ পণ্ডিত নাই, অতএব বাকি অর্দ্ধেক প্রজাগণের হিত করিবার আবশ্যকতা নাই।” আমাদিগের ক্ষুদ্র বুদ্ধিতে বোধ হয় যে, ব্যবস্থাপক সমাজ এই দ্বিবিধ উক্তির মধ্যে কোন উক্তিই ন্যায়সঙ্গত বিবেচনা করিবেন না।
অতএব আমাদিগের সামান্য বিবেচনায় ধর্ম্মশাস্ত্রের দোহাই দিয়া কোন দিকে কোন ফল নাই। তবে ইহা অবশ্য স্বীকার্য্য যে, যদি ধর্ম্মশাস্ত্রে বিদ্যাসাগর মহাশয়ের বিশ্বাস ও ভক্তি থাকে, এবং যদি বহুবিবাহ সেই শাস্ত্রবিরুদ্ধ বলিয়া তাঁহার বিশ্বাস থাকে, তবে তিনি আত্মপক্ষসমর্থনে অধিকারী বটে, এবং তাহার পুস্তক, একজন সদনুষ্ঠাতার সদনুষ্ঠানে প্রবৃত্তির প্রমাণস্বরূপ সকলের নিকট আদরণীয়। আর যদি বিদ্যাসাগর মহাশয়ের শাস্ত্রে বিশ্বাস ও ভক্তি না থাকে, তবে সেই শাস্ত্রের দোহাই দেওয়া কপটতা মাত্র। যিনি বলিবেন যে, সদনুষ্ঠানের অনুরোধে এইরূপ কপটতা প্রশংসনীয়, আমরা তাঁহাকে বলিব যে, সদনুষ্ঠানের উদ্দেশ্যেই হউক বা অসদনুষ্ঠানের উদ্দেশ্যেই হউক, যিনি কপটাচার করেন, তাঁহাকে কপটাচারী ভিন্ন আর কিছুই বলিব না। আপনার ক্ষুধানিবারণার্থে যে চুরি করে, সেও যেমন চোর, পরকে বিতরণার্থ যে চুরি করে, সেও তেমনি চোর। বরং দাতা চোরের অপেক্ষা ক্ষুধাতুর চোর মার্জ্জনীয়; কেন না, সে কাতরতাবশতঃ, এবং অলঙ্ঘ্য প্রয়োজনের বশীভূত হইয়া চুরি করিয়াছে। তেমনি যে ব্যক্তি কাতরতাবশতঃ এবং অলঙ্ঘ্য প্রয়োজনের বশীভূত হইয়া চুরি করিয়াছে। তেমনি যে ব্যক্তি আত্মরক্ষার্থ কপটতা করে, তাহার অপেক্ষা যে নিষ্প্রয়োজনে কপটতা করে, সেই অধিকতর নিন্দনীয়। যিনি এই পাপপূর্ণ, মিথ্যাপরায়ণ মনুষ্যজাতিকে এমত শিক্ষা দেন যে সদনুষ্ঠানের জন্য প্রতারণা এবং কপটাচারও অবলম্বনীয়, তাঁহাকে আমরা মনুষ্যজাতির পরম শত্রু বিবেচনা করি। তিনি কুশিক্ষার পরম গুরু।
আমরা এ কথা বিদ্যাসাগর সম্বন্ধে বলিতেছি না। আমরা এমত বলিতেছি না যে, বিদ্যাসাগর মহাশয় ধর্ম্মশাস্ত্রে স্বয়ং বিশ্বাসবিহীন বা ভক্তিশূন্য। তিনি ধর্ম্মশাস্ত্রের প্রতি গদ্গদচিত্ত হইয়া তৎপ্রচারে প্রবৃত্ত হইয়াছেন। আমরা ইহাও বলিতেছি যে, বিদ্যাসাগর মহাশয়ের ন্যায় উদার চরিত্রে কপটাচরণ কখনই স্পর্শ করিতে পারে না—তিনি স্বয়ং ধর্ম্মশাস্ত্রে অবিচলিত ভক্তিবিশিষ্ট সন্দেহ নাই। কেবল আমাদিগের কপালদোষে বহুবিবাহ নিবারণের সদুপায় কি, তৎসম্বন্ধে তিনি কিছু ভ্রান্ত। ইহার অধিক আর কিছুই আমাদিগের বলিবার নাই।
যে কয়েকটি কথা বলা আমাদিগের উদ্দেশ্য, তাহা সংক্ষেপে পুনরুক্ত করিতেছি।
১। বহুবিবাহ অতি কুপ্রথা; যিনি তাহার বিরোধী, তিনিই আমাদিগের কৃতজ্ঞতার ভাজন।
২। বহুবিবাহ এ দেশে স্বতঃই নিবারিত হইয়া আসিতেছে; অল্প দিনে একেবারে লুপ্ত হইবার সম্ভাবনা; তজ্জন্য বিশেষ আড়ম্বর আবশ্যক বোধ হয় না। সুশিক্ষার ফলে উহা অবশ্য লুপ্ত হইবে।
৩। এ কথা যদিও সত্য বলিয়া স্বীকার না করা যায়, তবে ইহার অশাস্ত্রীয়তা প্রমাণ করিয়া কোন ফললাভের আকাঙ্ক্ষা করা যাইতে পারে না।
৪। আমাদিগের বিবেচনায় বহুবিবাহ নিবারণের জন্য আইনের প্রয়োজন নাই। কিন্তু যদি প্রজার হিতার্থ আইনের আবশ্যকতা আছে, ইহা স্থির হয়, তবে ধর্ম্মশাস্ত্রের মুখ চাহিবার আবশ্যক নাই।
উপসংহার কালে আমরা বিদ্যাসাগর মহাশয়ের নিকট ক্ষমা প্রার্থনা করিতেছি। তিনি বিজ্ঞ, শাস্ত্রজ্ঞ, দেশহিতৈষী, এবং সুলেখক, ইহা আমরা বিস্মৃত হই নাই। বঙ্গদেশ তাঁহার নিকট অনেক ঋণে বদ্ধ। এ কথা যদি আমরা বিস্মৃত হই, তবে আমরা কৃতঘ্ন। আমরা যাহা লিখিয়াছি, তাহা কর্ত্তব্যানুরোধেই লিখিয়াছি। তিনি যদি কর্ত্তব্যানুরোধে বহুবিবাহের বিচারে প্রবৃত্ত হইয়া থাকেন, তবে আমাদের এ কথা সহজে বুঝিবেন।
সূত্রনির্দেশ ও টীকা
- বহুবিবাহ রহিত হওয়া উচিত কি না এতদ্বিষয়ক বিচার। দ্বিতীয় পুস্তক। শ্রীঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর প্রণীত। কলিকাতা, শ্রীপীতাম্বর বন্দোপাধ্যায় দ্বারা সংস্কৃত যন্ত্রে মুদ্রিত।
- “বন্ধ্যাষ্টমেহধিবেদ্যাব্দে দশমে তু মৃতপ্রজা। একাদশে স্ত্রীজননী সদ্যস্ত্বপ্রিয়াবাদিনী।।”—বহুবিবাহ, দ্বিতীয় পুস্তক, ১৪৩ পৃঃ।
- বহুবিবাহ, দ্বিতীয় পুস্তক, ২৫২ পৃঃ।
