আল-কুরআনের শিক্ষা
- আল-কুরআনের শিক্ষা
- অনুবাদকের আরয
- আমরাও তোমাদের সাথে অপেক্ষারত
- লেখকের আরয
- অপশক্তিধরদের আলোকিত চিন্তা চেতনা
- আল্লাহ্ কি হিংস্রতা এবং জুলম করেন?
- মানবাধিকার ও আমেরিকা
- ইসলাম ও কুফুরীর দ্বন্ধ
- ফোরকানুল হকের উদ্দেশ্য ও পরিকল্পনা
- কোরআন সংরক্ষণের সংক্ষিপ্ত ইতিহাস
- কুরআন মাজীদের সাত ক়েরাত
- নে’মতের বহিঃপ্রকাশ
- কোরআন মাজীদের চেলেঞ্জ কি?
- ফোরকানুল হকের ফেতনা
- ফোরকানুল হকের শয়তানি
নব্য জাপান ও রুষ জাপান যুদ্ধের ইতিহাস
- নব্য জাপান ও রুষ জাপান যুদ্ধের ইতিহাস
- প্রথম সংস্করণের ভূমিকা।
- দ্বিতীয় সংস্করণের বিজ্ঞাপন।
- ভৌগলিক বৃত্তান্ত।
- ঐতিহাসিক বৃত্তান্ত: প্রাচীনযুগ।
- ঐতিহাসিক বৃত্তান্ত: মধ্যযুগ।
- ঐতিহাসিক বৃত্তান্ত: নবযুগ।
- ধর্ম্মপ্রণালী।
- সামাজিক রীতিনীতি।
- জাপানের শিক্ষা-প্রণালী।
- জাপানের সাহিত্য ও সংবাদপত্র।
- জাপান সাম্রাজ্যের গঠনপ্রণালী ও রাজনীতি।
- জাপানের বাণিজ্য।
- জাপানের সমর বল।
- জাপানের নানাকথা।
- রুষ ও জাপান যুদ্ধের ইতিহাস।
ইস্তাহার
- ইস্তাহার
- মুখবন্ধ
- ইস্তাহার
- মশাল
- জনতা
- আদিম ও আগামী
- চোখ
- জেহাদ
- রাজনীতি
- সঙ্কট
- বন্যা
- জবানবন্দী
- নেতা
- শকুনির পাশা
- মহাজীবন
- যৌথ
- জালিয়াত
- সাংবাদিক
- কুতুব মিনার
- বাংলা দেশ
- হিপি
- চন্দ্রকাব্য
- পিঞ্জরে বন্দী
- বেনামী সার্কাস
- আরশি
- রঙের গোলাম
- শোষক মশক
- মুক্তির নিমন্ত্রণ
- বীরবরণ
- জলছবি
- বিকল্প
- মুক
- প্রতিবাদ
- প্রস্তরমূর্তি
- নিরুপায়
- বিনষ্ট
- প্রস্থান
- সংশোধন
- বিবৃতি
- সেই লোকটি
- পলাতক
- মাটি ও মানুষ
- মৃত্যু
- গরীয়সী
- প্রণাম
চোদ্দ শতকের বাঙালী
- চোদ্দ শতকের বাঙালী
- শতক বিহরণ
- বিপ্লববাদী সমাজের অভ্যুত্থান
- হিন্দু সভ্যতার শিকর আবিষ্কার
- কুলীনের মেয়ের মুক্তি
- হিন্দু বিবাহ-বিধান
- মুসলিম বিবাহ ও তিন তালাক
- বিয়ে বাড়ির আদব
- শতাব্দীর মর্মন্তুদ অগ্নিকাণ্ড
- কলকাতার দাঙ্গা
- শতাব্দীর আর্থিক চিত্র
- পশ্চিমবঙ্গের নবরূপ
- সার্বভৌম বাংলাদেশের জন্ম
- বাঙালী জীবনচর্যার পরিবর্তন
- বাঙালী জীবনের অস্তাচল
- বাঙালী আরও হারিয়েছে তার স্বয়ম্ভরতা
- নারী নির্যাতনে দেশ গেল ভরে
- বাঙালীর দুর্গতি
- ঘটনাপঞ্জী
যুগবাণী
- যুগবাণী
- উৎসর্গ
- নবযুগ
- গেছে দেশ দুঃখ নাই, আবার তোরা মানুষ হ!
- ডায়ারের স্মৃতিস্তম্ভ
- ধর্মঘট
- লোকমান্য তিলকের মৃত্যুতে বেদনাতুর কলিকাতার দৃশ্য
- মুহাজিরিন হত্যার জন্য দায়ী কে?
- বাংলা সাহিত্যে মুসলমান
- ছুঁৎমার্গ
- উপেক্ষিত শক্তির উদ্বোধন
- মুখবন্ধ
- রোজ কেয়ামত বা প্রলয় দিন
- বাঙালির ব্যবসাদারি
- আমাদের শক্তি স্থায়ী হয় না কেন?
- কালা আদমিকে গুলি মারা
- শ্যাম রাখি না কুল রাখি
- লাট-প্রেমিক আলি ইমাম
- ভাব ও কাজ
- সত্য-শিক্ষা
- জাতীয় শিক্ষা
- জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়
- জাগরণী
বিষের বাঁশী
- বিষের বাঁশী
- উৎসর্গ
- কৈফিয়ত
- আয় রে আবার আমার চির-তিক্ত প্রাণ!
- ফাতেহা-ই-দোয়াজ্-দহম্ : আবির্ভাব
- ফাতেহা-ই-দোয়াজ্-দহম্ : তিরোভাব
- সেবক
- জাগৃহি
- তূর্য-নিনাদ
- বোধন
- উদ্বোধন
- অভয়-মন্ত্র
- আত্মশক্তি
- মরণ-বরণ
- বন্দি-বন্দনা
- বন্দনা-গান
- মুক্তি-সেবকের গান
- শিকল-পরার গান
- মুক্ত-বন্দি
- যুগান্তরের গান
- চরকার গান
- জাতের বজ্জাতি
- সত্য-মন্ত্র
- বিজয়-গান
- পাগল পথিক
- ভূত-ভাগানোর গান
- বিদ্রোহীর বাণী
- অভিশাপ
- মুক্ত-পিঞ্জর
- ঝড়
ছায়ানট
- পলাতকা
- ছায়ানট
- বিজয়িনী
- কমল-কাঁটা
- চৈতি হাওয়া
- বেদনা-অভিমান
- নিশীথ-প্রীতম্
- অ-বেলায়
- হার-মানা-হার
- লক্ষ্মীছাড়া
- শেষের গান
- নিরুদ্দেশের যাত্রী
- চিরন্তনী প্রিয়া
- বেদনা-মণি
- পরশ পূজা
- অনাদৃতা
- শায়ক-বেঁধা পাখী
- হারামণি
- নীল পরী
- স্নেহ-ভীতু
- চিরশিশু
- মানস-বধূ
- দহনমালা
- বিদায়-বেলায়
- অকরুণ পিয়া
- ব্যথা-নিশীথ
- সন্ধ্যাতারা
- দূরের বন্ধু
- আশা
- মরমী
- মুক্তি-বার
- আপন-পিয়াসী
- বিবাগিনী
- প্রতিবেশিনী
- দুপুর-অভিসার
- ছলকুমারী
- পাপড়ি-খোলা
- বিধুরা পথিকপ্রিয়া
- মনের মানুষ
- প্রিয়ার রূপ
- বাদল-দিনে
- কার বাঁশি বাজিল?
- অ-কেজোর গান
- স্তব্ধ বাদল
- চাঁদমুকুর
- চির-চেনা
- পাহাড়ী গান
- অমর-কানন
- পূবের হাওয়া
- আলতা-স্মৃতি
- রৌদ্রদগ্ধের গান
ফণী-মনসা
- ফণী-মনসা
- সব্যসাচী
- দ্বীপান্তরের বন্দিনী
- প্রবর্তকের ঘুর-চাকায়
- আশীর্বাদ
- মুক্তিকাম
- সাবধানী ঘণ্টা
- বিদায়-মাভৈঃ
- বাংলার মহাত্মা
- হেমপ্রভা
- অশ্বিনীকুমার
- ইন্দু-প্রয়াণ
- দিল-দরদী
- সত্যেন্দ্র-প্রয়াণ
- সত্য-কবি
- সত্যেন্দ্র-প্রয়াণ-গীতি
- সুর-কুমার
- রক্ত-পতাকার গান
- অন্তর-ন্যাশন্যাল সঙ্গীত
- জাগর-তূর্য
- যুগের আলো
- পথের দিশা
- যা শত্রু পরে পরে
- হিন্দু-মুসলিম যুদ্ধ
বাঁধনহারা
- বাঁধনহারা
- উৎসর্গ
- পরিচ্ছেদ ক : পত্র এক
- পরিচ্ছেদ ক : পত্র দুই
- পরিচ্ছেদ খ : পত্র এক
- পরিচ্ছেদ খ : পত্র দুই
- পরিচ্ছেদ গ : পত্র এক
- পরিচ্ছেদ গ : পত্র দুই
- পরিচ্ছেদ ঘ : পত্র এক
- পরিচ্ছেদ ঘ : পত্র দুই
- পরিচ্ছেদ ঘ : পত্র তিন
- পরিচ্ছেদ ঙ
- পরিচ্ছেদ চ
- পরিচ্ছেদ ছ
- পরিচ্ছেদ জ : পত্র এক
- পরিচ্ছেদ জ : পত্র দুই
- পরিচ্ছেদ জ : পত্র তিন
- পরিচ্ছেদ জ : পত্র চার
- পরিচ্ছেদ জ : পত্র পাঁচ
- পরিচ্ছেদ জ : পত্র ছয়
বুলবুল
- বুলবুল
- উৎসর্গ
- ‘বুলবুলে’র কবি
- বাগিচায় বুলবুলি তুই
- আমারে চোখ-ইশারায়
- বসিয়া বিজনে কেন একা মনে
- ভুলি কেমনে আজও যে মনে
- কেন কাঁদে পরান
- মৃদুল বায়ে বকুল ছায়ে
- কে বিদেশি মন-উদাসী
- করুণ কেন অরুণ আঁখি
- এত জল ও-কাজল-চোখে
- আসে বসন্ত ফুলবনে
- দুরন্ত বায়ু পুরবৈয়াঁ
- চেয়ো না সুনয়না
- পরান-প্রিয়! কেন এলে অবেলায়
- সখী জাগো, রজনী পোহায়
- নিশি ভোর হল জাগিয়া
- এ বাসি বাসরে আসিলে
- বসিয়া নদীকূলে
- কেন দিলে এ কাঁটা
- সখী, বোলো-বঁধূয়ারে
- নহে নহে প্রিয়
- এ আঁখি-জল মোছ পিয়া
- কী হবে জানিয়া বলো
- পরদেশি বঁধুয়া
- কেন উচাটন মন
- আসিলে এ ভাঙা ঘরে
- আজি দোল পূর্ণিমাতে
- রুমুঝুমু রুমুঝুম্
- আজি এ কুসুম-হার
- গরজে গম্ভীর গগন কম্বু
- হাজার তারার হার হয়ে
- অধীর অম্বরে গুরু গরজন
- ঝরে ঝরঝর কোন গভীর
- হৃদয় যত নিষেধ হানে
- শুকাল মিলন-মালা
- স্মরণ-পারের ওগো প্রিয়
- গহীন রাতে ঘুম
- কোন শরতে পূর্ণিমা-চাঁদ
- জাগিলে ‘পারুল’ কি গো
- চরণ ফেলি গো মরণ-ছন্দে
- নমো হে নমো যন্ত্রপতি
- পুরবের তরুণ অরুণ
- কে শিব সুন্দর
- কার নিকুঞ্জে রাত কাটায়ে
- কেন আন ফুল-ডোর
- কেমনে রাখি আঁখি-বারি
- কেন আসিলে যদি যাবে চলি
- সাজিয়াছ যোগী
- মুসাফির! মোছ এ আঁখি জল
- এ নহে বিলাস বন্ধু
চোখের চাতক
- চোখের চাতক
- আমার কোন কূলে আজ ভিড়ল তরী
- কাঁদিতে এসেছি আপনারে লয়ে
- ছাড়িতে পরান নাহি চায়
- কে তুমি দূরের সাথী
- আজি এ শ্রাবণ-নিশি
- আজি বাদল ঝরে
- মোর ঘুম ঘোরে এলে
- কেউ ভোলে না কেউ ভোলে
- যাও যাও তুমি ফিরে
- ফাগুন-রাতের ফুলের নেশায়
- নিশীথ-স্বপন তোর ভুলে যা
- ঘোর তিমির ছাইল রবি শশী
- দারুণ পিপাসায় মায়া-মরীচিকায়
- এত কথা কি গো কহিতে জানে
- মন কেন উদাসে
- আমার গহীন জলের নদী
- তোমায় কূলে তুলে বন্ধু
- আমার সাম্পান যাত্রী না লয়
- ওরে মাঝি ভাই
- কেন প্রাণ ওঠে কাঁদিয়া
- আঁধার রাতে কে গো একেলা
- কী হবে লাল পাল তুলে
ছাড়পত্র
- ছাড়পত্র
- ছাড়পত্র (কবিতা)
- আগামী
- রবীন্দ্রনাথের প্রতি
- চারাগাছ
- খবর
- ইউরোপের উদ্দেশে
- প্রস্তুত
- প্রার্থী
- একটি মোরগের কাহিনী
- সিঁড়ি
- কলম
- আগ্নেয়গিরি
- দুরাশার মৃত্যু
- ঠিকানা
- লেনিন
- অনুভব
- কাশ্মীর
- সিগারেট
- দেশলাই কাঠি
- বিবৃতি
- চিল
- চট্টগ্রাম : ১৯৪৩
- মধ্যবিত্ত '৪২
- সেপ্টেম্বর '৪৬
- ঐতিহাসিক
- শত্রু এক
- মজুরদের ঝড়
- ডাক
- বোধন
- রানার
- মৃত্যুজয়ী গান
- কনভয়
- ফসলের ডাক : ১৩৫১
- কৃষকের গান
- এই নবান্নে
- আঠারো বছর বয়স
- হে মহাজীবন
ঘুম নেই
- ঘুম নেই
- বিক্ষোভ
- ১লা মে-র কবিতা '৪৬
- পরিখা
- সব্যসাচী
- উদ্বীক্ষণ
- বিদ্রোহের গান
- অনন্যোপায়
- অভিবাদন
- জনতার মুখে ফোটে বিদ্যুৎবাণী
- কবিতার খসড়া
- আমরা এসেছি
- একুশে নভেম্বর : ১৯৪৬
- দিন বদলের পালা
- মুক্ত বীরদের প্রতি
- প্রিয়তমাসু
- ছুরি
- সূচনা
- অদ্বৈধ
- দিক্প্রান্তে
- চিরদিনের
- নিভৃত
- বৈশম্পায়ন
- নিভৃত
- কবে
- অলক্ষ্যে
- মহাত্মাজীর প্রতি
- পঁচিশে বৈশাখের উদ্দেশে
- পরিশিষ্ট
- মীমাংসা
- অবৈধ
- ১৯৪১ সাল
- রোম : ১৯৪৩
- জনরব
- রৌদ্রের গান
- দেওয়ালী
গীতিগুচ্ছ
- গীতিগুচ্ছ
- ওগো কবি তুমি আপন ভোলা
- এই নিবিড় বাদল দিনে
- গানের সাগর পাড়ি দিলাম
- হে মোর মরণ
- দাঁড়াও ক্ষণিক পথিক হে
- শয়ন শিয়রে ভোরের পাখির রবে
- ও কে যায় চলে
- হে পাষাণ, আমি নির্ঝরিণী
- শীতের হাওয়া ছুঁয়ে গেল
- কিছু দিয়ে যাও
- ক্লান্ত আমি কর ক্ষমা
- সাঁঝের আঁধার ঘিরল যখন
- কঙ্কণ-কিঙ্কিণী মঞ্জুল মঞ্জীর ধ্বনি
- মেঘ-বিনিন্দিত স্বরে
- গুঞ্জরিয়া এল অলি
- কোন অভিশাপে নিয়ে এল
- ভুল হল বুঝি
- মুখ তুলে চায়
- ফোটে ফুল আসে যৌবন
সুকান্তের অপ্রচলিত রচনা
- সুকান্তের অপ্রচলিত রচনা
- ক্ষুধা
- দুর্বোধ্য
- ভদ্রলোক
- দরদী কিশোর
- কিশোরের স্বপ্ন
- ছন্দ ও আবৃত্তি
- বর্ষ-বাণী
- যেমন ক’রে তপন টানে জল
- জনগণ হও আজ উদ্বুদ্ধ
- আমরা জেগেছি
- শৃঙ্খল ভাঙা সুর
- ভবিষ্যতে
- সুচিকিৎসা
- পরিচয়
- আজিকার দিন কেটে যায়
- চৈত্রদিনের গান
- সুহৃদ্বরেষু
- পটভূমি
- ভারতীয় জীবনত্রাণ-সমাজের মহাপ্রয়াণে
- “নব জ্যামিতি”র ছড়া
- জবাব
- চরমপত্র
- মেজদাকে : মুক্তির অভিনন্দন
- পত্র
- মার্শাল তিতোর প্রতি
- ব্যর্থতা
- দেবদারু গাছে রোদের ঝলক
পলাশির অজানা কাহিনী
- পলাশির অজানা কাহিনী
- ভূমিকা
- প্রাক্-পলাশি বাংলার রূপরেখা
- সিরাজ চরিত-কথা
- ইউরোপীয় কোম্পানি ও এশীয় বণিক সম্প্রদায়
- সিরাজদ্দৌল্লা ও ইংরেজ কোম্পানির সংঘাত
- পলাশি বিপ্লবের অনিবার্যতা
- ষড়যন্ত্রের উদ্ভব ও ক্রমবিকাশ
- চক্রান্তের মূল নায়করা
- পলাশি অভিমুখে : ইংরেজ পরিকল্পনা
- পলাশির পরিণাম : সুদূরপ্রসারী প্রভাব
- উপসংহার
- নির্বাচিত গ্রন্থপঞ্জি
হযরত ওমর
- হযরত ওমর
- গুমরাহীর অন্ধকারায়
- ইসলামের আলোকধারায়
- খেলাফতের প্রতিষ্ঠায়
- বিজয়ীর বেশে ফিরে দেশে দেশে
- ইরাক-আরব বিজয়
- ইরাক-আযম বিজয়
- সিরিয়া বিজয়
- মিসর বিজয়
- ওমরের শাহাদাত
- রাজ্যজয় ও রাষ্ট্রগঠন
- প্রশাসনিক ও রাজস্ব-ব্যবস্থা
- সেনাবিভাগ
- শহর পত্তন ও পূর্তবিভাগ
- বিচার-বিভাগ
- জিম্মীদের অধিকার সংরক্ষণ ও দাসপ্রথা নিয়ন্ত্ৰণ
- শিক্ষাবিস্তার ও ধর্মপ্রচার
- রাষ্ট্রনায়ক : ব্যক্তিত্ব
- মানুষ ওমর
- ওমর-কাহিনীগুচ্ছ
- শেষ প্ৰসঙ্গ
ঐতিহাসিক সমগ্র
- ঐতিহাসিক সমগ্র
- ভারতের দ্বিতীয় প্রভাতে
- মহাভারতের শেষ মহাবীর
- পঞ্চনদের তীরে
- ভগবানের চাবুক
- আলেকজান্ডার দি গ্রেট
- দিগবিজয়ী নেপোলিয়ন
- রক্ত বাদল ঝরে
- হন্তারক নরদানব
- সিরাজের বিজয় অভিযান
- তিন সম্রাটের ত্র্যহস্পর্শযোগ
- সাতহাজারের আত্মদান
- আলেকজান্ডারের পলায়ন
- ওষ্ঠাধরে রাজদণ্ড
- মরা মানিক আর জ্যান্ত মানিক
- মুসলমানের জহরব্রত
- সূর্য দেবী, পর্মল দেবী
- মারাঠার লিওনিডাস
- ভারতের একমাত্র সুলতানা
- ব্যাঘ্রভূমির বঙ্গবীর
- উপন্যাসের চেয়ে আশ্চর্য
- মরণ বিজয়ীর দল
- ছত্রপতির ছত্রভঙ্গ
- জগন্নাথদেবের গুপ্তকথা
- নতুন বাংলার প্রথম কবি
- শিবদাস ভাদুড়ি
- ইতিহাসের রক্তাক্ত প্রান্তরে
- বীরাঙ্গনা, পরাক্রমে ভীমা-সমা
- বর্গি এল দেশে
- হে ইতিহাস গল্প বলো
- প্রথম বাঙালি সম্রাট
- অনামা বীরাঙ্গনা
- ইতিহাসের রক্তাক্ত দৃশ্য
- ছত্রপতির অ্যাডভেঞ্চার
- বাংলাদেশের বোম্বেটেরাজ
ক্রুসেড সিরিজ
- গাজী সালাহুদ্দীনের দুঃসাহসিক অভিযান
- গোপন বিদ্রোহী
- হেমসের যোদ্ধা
- পাপের ফল
- তুমুল লড়াই
- উমরু দরবেশ
- টার্গেট ফিলিস্তিন
- গাদ্দার
- সালাহুদ্দীন আয়ুবীর কমান্ডো অভিযান
- বিষাক্ত ছোবল
- খুনী চক্রের আস্তানায়
- পাল্টা ধাওয়া
- সুবাক দুর্গে আক্রমণ
- ইহুদী কন্যা
- ধাপ্পাবাজ
- ভয়ংকর ষড়যন্ত্র
- ভয়াল রজনী
- আবারও সংঘাত
- দূর্গপতন
- ফেরাউনের গুপ্তধন
- উপকূলে সংঘর্ষ
- সর্প কেল্লার খুনী
- চারদিকে চক্রান্ত
- সামনে বৈরুত
- দুর্গম পাহাড়
- ভণ্ডপীর
- ছোট বেগম
- রক্তস্রোত
- রিচার্ডের নৌবহর
- মহাসমর
বাবরনামা
- দ্বিতীয় অধ্যায়
- বাবরনামা
- ভূমিকা
- প্রথম অধ্যায়
- তৃতীয় অধ্যায়
- চতুর্থ অধ্যায়
- পঞ্চম অধ্যায়
- ষষ্ঠ অধ্যায়
- সপ্তম অধ্যায়
- অষ্টম অধ্যায়
- নবম অধ্যায়
- দশম অধ্যায়
- একাদশ অধ্যায়
- দ্বাদশ অধ্যায়
- ত্রয়োদশ অধ্যায়
- চতুর্দশ অধ্যায়
- পঞ্চদশ অধ্যায়
- ষোড়শ অধ্যায়
- সপ্তদশ অধ্যায়
- অষ্টাদশ অধ্যায়
- ঊনবিংশ অধ্যায়
- বিংশ অধ্যায়
- একবিংশ অধ্যায়
- দ্বাবিংশ অধ্যায়
- ত্রয়োবিংশ অধ্যায়
ভাটির দেশ
- ভাটির দেশ
- প্রথম পর্ব
- ভাটির দেশ
- আমন্ত্রণ
- ক্যানিং
- লঞ্চে
- লুসিবাড়ি
- পতন
- স্যার ড্যানিয়েল
- স্নেল’স উইন্ডো
- ট্রাস্ট
- ফকির
- চিঠি
- ডিঙিতে
- নির্মল আর নীলিমার কথা
- নোঙর
- কুসুম
- কথা
- বনবিবির মহিমা
- স্পন্দন
- মরিচঝাঁপি
- ময়না
- কাঁকড়া
- ভ্রমণকাহিনি
- গর্জনতলা
- আলোড়ন
- হঠাৎ আলো
- শোনা
- তীরে ভেড়া
- ধাওয়া
- স্বপ্ন
- অনুসরণ
- দ্বিতীয় পর্ব
- পুনরাগমনায় চ
- বন্দরের কাল
- ভোজ
- আলাপ
- ঝড়
- আলোচনা
- অভ্যাস
- একটি সূর্যাস্ত
- রূপান্তর
- তীর্থদর্শন
- নিয়তি
- মেঘা
- স্মৃতি
- মধ্যস্থ
- ঘেরাটোপে
- কথা
- অপরাধ
- বিদায় লুসিবাড়ি
- ব্যাঘাত
- বাঁচা
- রবিবারের ডাকঘর
- একটি হত্যা
- জেরা
- মিস্টার স্লোয়েন
- ক্রেতি
- চিহ্ন
- আলো
- খোঁজ
- হতাহত
- উপহার
- মিঠে জল, নোনা জল
- দিগন্তে
- ক্ষয়ক্ষতি
- তরী থেকে তীরে
- ঢেউ
- পরদিন
- বাড়ি : একটি উপসংহার
- লেখকের কথা
- অনুবাদ প্রসঙ্গে
দ্বিতীয় পর্ব
- দ্বিতীয় পর্ব
- পুনরাগমনায় চ
- বন্দরের কাল
- ভোজ
- আলাপ
- ঝড়
- আলোচনা
- অভ্যাস
- একটি সূর্যাস্ত
- রূপান্তর
- তীর্থদর্শন
- নিয়তি
- মেঘা
- স্মৃতি
- মধ্যস্থ
- ঘেরাটোপে
- কথা
- অপরাধ
- বিদায় লুসিবাড়ি
- ব্যাঘাত
- বাঁচা
- রবিবারের ডাকঘর
- একটি হত্যা
- জেরা
- মিস্টার স্লোয়েন
- ক্রেতি
- চিহ্ন
- আলো
- খোঁজ
- হতাহত
- উপহার
- মিঠে জল, নোনা জল
- দিগন্তে
- ক্ষয়ক্ষতি
- তরী থেকে তীরে
- ঢেউ
- পরদিন
- বাড়ি : একটি উপসংহার
- লেখকের কথা
- অনুবাদ প্রসঙ্গে
অলৌকিক জলযান
- অলৌকিক জলযান
- এক
- দুই
- তিন
- চার
- পাঁচ
- ছয়
- সাত
- আট
- নয়
- দশ
- এগার
- বার
- তের
- চৌদ্দ
- পনের
- ষোল
- সতের
- আঠার
- উনিশ
- বিশ
- একুশ
- বাইশ
- তেইশ
- চব্বিশ
- পঁচিশ
- ছাব্বিশ
- সাতাশ
- আঠাশ
- ঊনত্রিশ
- ত্রিশ
- একত্রিশ
- বত্রিশ
- তেত্রিশ
- চৌত্রিশ
- পয়ত্রিশ
- ছত্রিশ
- সাইত্রিশ
- আটত্রিশ
- উনচল্লিশ
- চল্লিশ
- একচল্লিশ
- বিয়াল্লিশ
- তেতাল্লিশ
- চুয়াল্লিশ
- পঁয়তাল্লিশ
- ছিচল্লিশ
- সাতচল্লিশ
- আটচল্লিশ
- উনপঞ্চাশ
- পঞ্চাশ
- একান্ন
- বাহান্ন
- তিপ্পান্ন
- চুয়ান্ন
হরিদাসের গুপ্তকথা
- অষ্টম কল্প
- নবম কল্প
- তৃতীয় খণ্ড
- প্রথম কল্প
- দ্বিতীয় কল্প
- তৃতীয় কল্প
- হরিদাসের গুপ্তকথা
- ভূবনচন্দ্র মুখোপাধ্যায়
- প্রকাশকের নিবেদন
- প্রথম খণ্ড
- প্রথম কল্প
- দ্বিতীয় কল্প
- তৃতীয় কল্প
- চতুর্থ কল্প
- পঞ্চম কল্প
- ষষ্ঠ কল্প
- সপ্তম কল্প
- অষ্টম কল্প
- নবম কল্প
- দশম কল্প
- একাদশ কল্প
- দ্বাদশ কল্প
- ত্রয়োদশ কল্প
- চতুর্দ্দশ কল্প
- পঞ্চদশ কল্প
- ষোড়শ কল্প
- সপ্তদশ কল্প
- অষ্টাদশ কল্প
- উনবিংশ কল্প
- বিংশ কল্প
- একবিংশ কল্প
- দ্বাবিংশ কল্প
- ত্রয়োবিংশ কল্প
- চতুর্ব্বিংশ কল্প
- পঞ্চবিংশ কল্প
- ষড়্বিংশ কল্প
- সপ্তবিংশ কল্প
- অষ্টাবিংশ কল্প
- ঊনত্রিংশ কল্প
- দ্বিতীয় খণ্ড
- প্রথম কল্প
- দ্বিতীয় কল্প
- তৃতীয় কল্প
- চতুর্থ কল্প
- পঞ্চম কল্প
- ষষ্ঠ কল্প
- সপ্তম কল্প
প্রথম খণ্ড
- প্রথম খণ্ড
- প্রথম কল্প
- দ্বিতীয় কল্প
- তৃতীয় কল্প
- চতুর্থ কল্প
- পঞ্চম কল্প
- অষ্টম কল্প
- নবম কল্প
- দশম কল্প
- একাদশ কল্প
- দ্বাদশ কল্প
- ত্রয়োদশ কল্প
- চতুর্দ্দশ কল্প
- পঞ্চদশ কল্প
- ষোড়শ কল্প
- সপ্তদশ কল্প
- অষ্টাদশ কল্প
- উনবিংশ কল্প
- বিংশ কল্প
- একবিংশ কল্প
- দ্বাবিংশ কল্প
- ত্রয়োবিংশ কল্প
- চতুর্ব্বিংশ কল্প
- পঞ্চবিংশ কল্প
- ষড়্বিংশ কল্প
- সপ্তবিংশ কল্প
- অষ্টাবিংশ কল্প
- ঊনত্রিংশ কল্প
সাত
পরের দিন সকালে উম্মে কুলসুম ছোট ভাইয়াকে বলল, তাসনিম আপা খুব টেনসান নিয়ে ফোনের অপেক্ষায় আছেন। ফোন করে আসতে বলি?
আব্দুস সাত্তার মৃদু হেসে বলল, তার আর দরকার নেই। এক্ষুনি হয়তো এসে পড়বে।
উম্মে কুলসুমও মৃদু হেসে বলল, তা হলে রাতেই তোমাদের মিটমাট হয়ে গেছে?
তোর কী মনে হয়?
যা মনে হয় তাইতো বললাম।
সামান্য ভুলের জন্য বেচারী অনেক দুঃখ পেয়েছে তাই রাতে ফোন করে মিটমাট করে ফেললাম।
এমন সময় তাসনিম কেবিনে ঢুকে সালাম দিল।
উম্মে কুলসুম সালামের উত্তর দিয়ে হাসি মুখে বলল, এক্ষুনি আপনাকে ফোন করার জন্য ছোট ভাইয়ার কাছে পারমিশান চাচ্ছিলাম। তারপর জিজ্ঞেস করল, সায়মা আসেন নি?
ও আসতে চেয়েছিল, না করে দিয়েছি।
আপনি ছোট ভাইয়ার সাথে কথা বলুন, তারপর আসছি বলে উম্মে কুলসুম বেরিয়ে বারান্দার রেলিং এর কাছে এসে গেটের দিকে তাকিয়ে রইল।
কিছুক্ষণ পরে তাদের গাড়ি গেটের কাছে দাঁড়াতে দেখে তাড়াতাড়ি নেমে এল। ততক্ষণে আব্দুল মজিদ ও উম্মে হাফসা নেমে দাঁড়িয়েছেন। উম্মে কুলসুম সালাম দিল।
সালামের উত্তর দিয়ে আব্দুল মজিদ জিজ্ঞেস করল, ছোট ভাইয়া কেমন আছে?
আল্লাহর রহমতে ভালো। তারপর স্বামীকে চোখ টিপে বলল, তুমি ডিউটিতে যাও, ফেরার সময় আসবে। আমি আম্মুকে নিয়ে যাচ্ছি।
আব্দুল মজিদ বুঝতে পারল, তাকে এখন যেতে নিষেধ করছে। বলল, ঠিক আছে; তা হলে আসি। তারপর গাড়িতে উঠে বলল, গাড়ি পাঠিয়ে দিচ্ছি, তুমি বাসায় গিয়ে গোসল করে খেয়ে ফুফুআম্মাকে নিয়ে এসে আম্মুকে পাঠিয়ে দিও।
গাড়ি ছেড়ে দেওয়ার পর উম্মে কুলসুম উম্মে হাফসাকে বলল, আম্মু চল। বারান্দায় এসে বলল, আমরা কিছুক্ষণ রিসেপসন রুমে বসি। ভাইয়ার সঙ্গে একজন দেখা করতে এসেছে।
রিসেপসন রূমে বসার পর উম্মে হাফসা জিজ্ঞেস করলেন, কে এসেছে চিনিস?
হ্যাঁ চিনি। কাল বিকেলে যে দুটো মেয়ে এসেছিল, তাদের বড় জন। নাম তাসনিম। জান আম্মু, ও না এক মন্ত্রীর মেয়ে।
উম্মে হাফসা অবাক হয়ে বললেন, তাই না কী?
হ্যাঁ আম্মু। ওর বাবার নাম বললে তুমিও চিনবে। আমাদের পাশের গ্রামের রোকন উদ্দিন।
উম্মে হাফসা চমকে উঠে গম্ভীর হয়ে বললেন, তার মেয়ের সঙ্গে আব্দুস সাত্তারের কি এমন সম্পর্ক যে, সাত সকালে দেখা করতে এসেছে?
ছোট ভাইয়া ওকে ভালবাসে। ও-ও ছোট ভাইয়াকে ভালবাসে।
উম্মে হাফসা আবার চমকে উঠে বললেন, কী বললি?
আম্মুর দু’বার চমকে উঠার কারণ উম্মে কুলসুম জানে। তাই দেখেও না দেখার ভান করে বলল, তুমি তো কাল তাসনিমকে ভালো করে দেখ নি, তার। সাথে আলাপও কর নি। আজ দেখলে ও আলাপ করলে বুঝতে পারবে, মেয়েটা কি দারুণ সুন্দরী আর ব্যবহারও কত সুন্দর। মন্ত্রীর মেয়ে হলেও এতটুকু অহঙ্কার। নেই। একদম সহজ সরল। ওকে তোমার পছন্দ হবেই।
উম্মে হাফসা রেগে উঠে বললেন, চুপ কর। মন্ত্রীর মেয়ে হোক, আর যতই রূপবতী-গুণবতী হোক, তোর আব্ব কিছুতেই বৌ করবে না। আর মেয়ের। আব্বাও আব্দুস সাত্তারকে জামাই করবেন না। বরং ওদের সম্পর্কের কথা জানতে পারলে মেয়েকে কি করবেন জানি না, আব্দুস সাত্তারকে বিপদে ফেলার চেষ্টা করবেন। ভেবে খুব আশ্চর্য হচ্ছি, সবকিছু জেনেও আব্দুস সাত্তার ঐ পথে পা বাড়াল কেন?
আমিও সবকিছু জানি আম্মু।
কার কাছে জেনেছিস?
ছোট ভাইয়ার কাছে।
তবু তুই মেয়েটার গুণগান করছিস? আব্দুস সাত্তারকে বাধা দিস নি কেন?
বাধা দিয়েছি, কাজ হয় নি। বলল, সে নিজেও তাসনিমকে ভুলে যেতে চেষ্টা করেও সফল হয় নি।
আব্দুস সাত্তার জেনে শুনে একি আগুন নিয়ে খেলছে? মেয়ের বাবা ওদের সম্পর্কের কথা জানেন?
না।
জানলে যে কি হবে আল্লাহই জানে। আচ্ছা, মেয়েটা কি তোদের আব্বুর পরিচয় জানে?
ছোট ভাইয়া তাকে এখনও পরিচয় বলে নি।
আমার খুব ভয় করছে। আল্লাহ বড় ছেলেকে দুনিয়া থেকে তুলে নিলেন। আব্দুস সাত্তার কত বড় বিপদ থেকে মরতে মরতে বাঁচল। এখন আবার আর এক বিপদের কথা শোনালি। আল্লাহ তকদিরে কি রেখেছেন কি জানি। কথা শেষ করে আঁচলে চোখ মুছলেন।
তুমি কোনো দুশ্চিন্তা করো না তো আম্মু। মেয়ে যদি ভাইয়াকে সাপোর্ট করে, তা হলে মন্ত্রী হোক আর যেই হোক, ছোট ভাইয়ার কোনো ক্ষতি করতে পারবেন না। ছোট ভাইয়াকে অত কাঁচা ছেলে মনে করো না, সে জেনে শুনেই এই পথে পা বাড়িয়েছে। আমি যখন ঐসব বলে বাধা দিয়েছিলাম তখন বলল, তাসনিমকে বিয়ে করে আব্বুর সঙ্গে ওর আব্বুর পুরানো বন্ধুত্ব ফিরিয়ে আনবে।
উম্মে হাফসা দীর্ঘনিশ্বাস ফেলে বললেন, তা যদি করতে পারে, তা হলে তোর আব্বুর থেকে আর কেউ বেশি খুশী হবে না। দোয়া করি, “আল্লাহ যেন ওর মনের উদ্দেশ্য পূরণ করেন। তারপর বললেন, চলতো দেখি মেয়েটার সঙ্গে আলাপ করি।”
কেবিনের দরজার কাছে এসে পর্দার বাইরে থেকে উম্মে কুলসুম বলল, ছোট ভাইয়া, আম্মু এসেছে।
তাসনিম তখন বেডে বসে আব্দুস সাত্তারের বুকে হাত রেখে বলছিল, আল্লাহ কবে এখানে মাথা রাখার সুযোগ দেবেন, তা তিনিই জানেন। উম্মে কুলসুমের গলা পেয়ে তাড়াতাড়ি হাত সরিয়ে দাঁড়িয়ে পড়ল।
আব্দুস সাত্তার বলল, বাইরে রয়েছিস কেন? আম্মুকে নিয়ে ভিতরে আসবি
ওরা ঢুকতেই তাসনিম সালাম দিয়ে এগিয়ে এসে উম্মে হাফসাকে কদমবুসি করল।
উম্মে হাফসা থাক মা থাক বলে তার মাথায় চুমো খেয়ে দোয়া করলেন, “আল্লাহ তোমাকে সুখী করুক, হায়াতে তৈয়েবা দিক।” তারপর চিবুক ধরে কয়েক সেকেন্ড মুখের দিকে তাকিয়ে হাসিমুখে সুবহান আল্লাহ, মাশাআল্লাহ বলে বললেন, বাহ! কী সুন্দর চেহারা? যেমন চোখ মুখ, তেমনি নাক। গায়ের রংও দুধে আলতা। যে বাড়ির বৌ হয়ে যাবে, তারা খুব ভাগ্যবান। দাঁড়িয়ে আছ কেন মা, বস। তারপর ছেলের বেডের কাছে এসে বললেন, কেমন আছিস বাবা?
আব্দুস সাত্তার বলল, আল্লাহর রহমতে ও তোমার দোয়ার বরকতে গতকালের চেয়ে অনেকটা ভালো। একটু আগে ডাক্তার এসেছিলেন। বললেন, আর কোনো ভয় নেই।
আল্লাহর শুকরিয়া আদায় করে উম্মে হাফসা বললেন, মেয়েটা দাঁড়িয়ে আছে। আমি ওকে নিয়ে বসে একটু আলাপ করি। এত সুন্দর মেয়েকে কাল আসতে না আসতেই তুই তাড়িয়ে দিয়ে ভালো করিস নি। তারপর তাসনিমের একটা হাত ধরে বললেন, এস মা, আমরা আলাপ করি। বসার পর তাসনিমকে বললেন, তুমি মন্ত্রীর মেয়ে উম্মে কুলসুম বলেছে। নিশ্চয় লেখাপড়া করছ?
উম্মে হাফসা যখন চিবুক ধরে রূপের প্রশংসা করছিলেন তখন থেকে তাসনিম লজ্জায় মুখ নিচু করেছিল। এখন লজ্জা একটু কমেছে। মুখ তুলে তার দিকে। তাকিয়ে বলল, জি, বাংলায় অনার্স পরীক্ষা দিয়েছি।
আল্লাহ তোমাকে রূপের সাথে গুণও দিয়েছেন।
ততক্ষণে উম্মে কুলসুম আম্মুর সঙ্গে তাসনিমের ব্যাপারে যা আলাপ হয়েছিল, তার সারমর্ম সটকাটে ছোট ভাইয়াকে ফিস ফিস করে বলছিল। মায়ের কথা শুনে তার দিকে তাকিয়ে বলল, ওকে যদি তোমার এতই পছন্দ তখন বৌ করে ঘরে নিলেই পার।
তাসনিম লজ্জা পেয়ে আবার মুখ নিচু করে নিল।
অত ভাগ্য কী আমাদের হবে?
ভাগ্যে কি আছে না আছে, তা আল্লাহ জানেন। মেয়ে যখন পাশে বসে আছে, মতামত নিতেও তো পার?
উম্মে হাফসা তাসনিমকে বললেন, তুমি তো আমার মেয়ের কথা শুনলে মা, আব্দুস সাত্তার সুস্থ হওয়ার পর একদিন বাসায় এস।
তাসনিম আরো বেশি লজ্জা পেয়ে মুখ নিচু করেই বলল, জুি আসব। তারপর দাঁড়িয়ে বলল, এবার আসি খালা আম্মা।
আর একটু বস। মনে হচ্ছে, তুমি নাস্তা না খেয়ে এসেছ। আমি নাস্তা নিয়ে এসেছি, ওদের সঙ্গে নাস্তা খেয়ে তারপর যাবে।
আজ নয় খালা আম্মা, অন্য দিন খাব অনেকক্ষণ এসেছি, আব্বু নাস্তার টেবিলে আমার জন্য অপেক্ষা করবেন।
তা হলে তো আর জোর করব না। শোন, আব্দুস সাত্তার সুস্থ হওয়ার পর বাসায় আসতে বলেছি বলে যেন আবার মনে করো না, এখানে আসতে নিষেধ করেছি। কী? এখানে আসবে না?
তাসনিম মৃদু হেসে জ্বি আসব বলে সালাম বিনিময় করে বেরিয়ে এল।
রোকন উদ্দিন সাহেব প্রতিদিন সকাল আটটায় স্ত্রী ও দুই মেয়েকে নিয়ে নাস্তা করেন। আজ এসে বড় মেয়েকে দেখতে না পেয়ে ছোট মেয়েকে বললেন, রূপাকে দেখছি না কেন?
সায়মা বলল, আপু ভোর সাড়ে ছ’টায় গাড়ি নিয়ে বেরিয়ে গেছে। কোথায় যাবে জিজ্ঞেস করতে বলল, এসে বলবে। বললাম, আব্ব তো তোকে নাস্তার। টেবিলে খুঁজবে, কী বলব? বলল, তার আগেই ফিরব। সঙ্গে যেতে চাইলাম নিল না।
তাই না কী? তা হলে তো এতক্ষণ ফিরে আসার কথা। এখন তো রাস্তায় যানজট নেই, তবু দেরি হচ্ছে কেন? কোনো অসুবিধায় পড়ল না তো? আচ্ছা, ড্রাইভারকে নিয়েছে?
না নেয় নি।
তা হলে তো খুব চিন্তার কথা। অত সকালে ড্রাইভারকে না নিয়ে একা বেরোন উচিত হয়নি।
এমন সময় তাসনিম এসে আব্বর শেষের কথা শুনতে পেয়ে বলল, কাছেই গিয়েছিলাম, তাই ড্রাইভারকে নিই নি।
রোকন উদ্দিন সাহেব স্বস্তির নিশ্বাস ফেলে বললেন, আর কোনো দিন অত সকালে ড্রাইভার ছাড়া একা বেরোবি না। তা কোথায় গিয়েছিলি বল তো?
ইবনেসিনা ক্লিনিকে একজন রুগীকে দেখতে।
খেতে শুরু করে রোকন উদ্দিন সাহেব বললেন, নিশ্চয় রুগী তোর প্রিয় কেউ?
কী করে বুঝলে?
তা না হলে নাস্তা না খেয়ে অত সকালে কেউ কাউকে দেখতে যায়?
ঠিক বলেছ। জান আব্বু, ছেলেটার বোনের বিয়ের অনুষ্ঠানে সন্ত্রাসীরা চাদা নিতে এসেছিল। ছেলেটা প্রতিবাদ করে। যা হওয়ার তাই হল। সন্ত্রাসীরা ওকে হাইজ্যাক করে নিয়ে যেতে চাইলে লোকজন প্রতিরোধ করতে গেলে দু’দলে যুদ্ধ হল! উভয়পক্ষের কয়েকজন করে আহত হল। ছেলেটার একটা পা ভেঙ্গে গেছে। ইবনেসিনায় চিকিৎসা চলছে।
ছেলেটা খুব সাহসী বল?
হ্যাঁ আব্ব, শুধু সাহসী নয়, শক্তিশালীও। কয়েক মাস আগে একদিন আমি ও সায়মা সংসদ ভবন চত্বরে গিয়েছিলাম। তিন চারটে বাজে ছেলে আমাদেরকে টিজ করছিল। ছেলেটা তখন আমাদের পাশ দিয়ে যাচ্ছিল। ব্যাপারটা বুঝতে পেরে প্রথমে তাদেরকে দ্রভাবে চলে যেতে বলল। ছেলেগুলো তর্ক করতে করতে এক পর্যায়ে তাদের একজন পিস্তল বের করে গুলি করল। ছেলেটা তড়িৎগতিতে সরে গেলেও গুলিটা কাঁধের কিছু মাংস নিয়ে বেরিয়ে গেল। তবু ছেলেটা ভয় পেল না। পিস্তলটা কেড়ে নিয়ে তাদেরকে ভাগিয়ে দিল। আশেপাশের অনেকে ঘটনাটা দেখলেও কেউ ছেলেটাকে সাহায্য করতে এগিয়ে আসে নি। আমরা খুব ভয় পেয়েছিলাম। তারপর বাজে ছেলেগুলো চলে যাওয়ার পর যা কিছু হয়েছে বলে বলল, আমরা ছেলেটার কার্যকলাপে খুব অবাক হলাম। সব থেকে বড় কথা, তখন তাকে আমরা চিনতাম না।
রোকন উদ্দিন সাহেব উচ্ছ্বসিত কণ্ঠে বললেন, বাহ, ছেলেটা সত্যিই খুব বাহাদুর। তা হারে, পরে ছেলেটার সঙ্গে পরিচয় হল কী করে?
ঐ ঘটনার কয়েকদিন পর সায়মার জুতো কেনার জন্য নিউমার্কেটে গিয়ে হঠাৎ দেখা হয়ে গেল। ছেলেটাও তার বোনকে নিয়ে জুতো কিনতে এসেছিল। তখন থেকে পরিচয়।
মেয়ের কথাবার্তায় রোকন উদ্দিন সাহেব বুঝতে পারলেন, সে ছেলেটার প্রতি বেশ দুর্বল। বললেন, এতকিছু বললি, দেখতে কেমন, কতদূর লেখাপড়া করেছে উপার্জন-টুপার্জন করে কিনা, বাবা কি করেন, দেশের বাড়ি কোথায়, সেসব তো কিছুই বললি না?
প্রায় দু’আড়াই মাস মানসিক যন্ত্রণায় ভোগার পর আজ আব্দুস সাত্তারের সঙ্গে দেখা করে সেই যন্ত্রণা থেকে রেহাই পেয়েছে। তাই তার মন আনন্দে আপ্লুত হয়েছিল। আব্বুর কথার ইঙ্গিত তাসনিম বুঝতে পারল না। স্বতস্ফূর্ত কণ্ঠে বলল, দেশের বাড়ি কোথায় জানি না। আর দেখতে দারুণ। ফর্সা টকটকে দোহারা গড়ন, প্রায় ছ’ফুট লম্বা। এ বছর মাস্টার্স পরীক্ষা দিয়েছে। দেখলে তোমারও ভালো লাগবে।
রোকন উদ্দিন সাহেব মেয়ের মনের খবর এবার স্পষ্ট বুঝতে পারলেন।
ছোট মেয়ের মনের খবর জানার জন্য তার দিকে তাকিয়ে মৃদু হেসে বললেন, কীরে মা, তুই চুপ করে আছিস কেন? ছেলেটার সম্পর্কে তোর মতামতটা বলতো শুনি।
আপুর উচ্ছাসের বোকামী দেখে সায়মা মনে মনে হাসছিল। বলল, হ্যাঁ আব্বু, ছেলেটা সত্যিই খুব ভালো। আপু যা বলল, একবর্ণ মিথ্যে নয়।
কি নাম ছেলেটার?
আব্দুস সাত্তার। জান আব্ব, উনি আপুর ডাক নাম রূপা বাদ দিতে বলে তাসনিম রেখেছেন এবং বাসার সবাইকে সেকথা জানাতে বলেছেন।
তাই নাকি?
তাসনিম ততক্ষণে বুঝতে পেরেছে, আব্দুস সাত্তারের ব্যাপারে আব্বুর সামনে এত উচ্ছাস প্রকাশ করা বোকামী হয়েছে। তাই এবার সায়মা কিছু বলার আগে বলল, হ্যাঁ আব্বু; উনি একদিন আমার ডাক নাম রূপা শুনে আসল নাম জানতে চাইলেন। আমি বললাম, যাবিন তাসনিম। তারপর নামের ব্যাপারে আব্বুর সাত্তার যা কিছু বলেছে সব বলে বলল, খুব ধার্মিক ছেলে বলে মনে হয়, তাই না আব্বু?
তোদের কথা শুনে তাই তো মনে হচ্ছে। তারপর বললেন, ছেলেটাকে একদিন নিয়ে আসিস, আলাপ করব।
তাসনিম বলল, সুস্থ হওয়ার পর নিয়ে আসব।
আব্দুস সাত্তার একমাস ক্লিনিকে থেকে বাসায় ফিরে এলেও সম্পূর্ণ সুস্থ হতে আরো একমাস সময় লাগল। তাসনিম দু’একদিন পরপর তাকে ক্লিনিকে দেখতে গেলেও বাসায় সপ্তাহে একবার করে যায়। আর প্রতিদিন রাতে দীর্ঘ সময় ফোনে। আলাপ করে। উম্মে হাফসা তাকে মতামত জিজ্ঞেস করেন নি। তবে তাদের গভীর সম্পর্কের কথা বুঝতে পেরেছেন। ক্লিনিক থেকে বাসায় আসার পর একদিন ছেলেকে বললেন, উম্মে কুলসুম তোর ও তাসনিমের সম্পর্ক ও তোর উদ্দেশ্যের কথা আমাকে বলেছে। কিন্তু কাজটা কত কঠিন ভেবে দেখেছিস?
আব্দুস সাত্তার বলল, যত কঠিনই হোক, আমি আমার সংকল্প থেকে বিচ্যুত হব না। তুমি মা, তোমার কাছে কিছু লুকাব না। আমি তাসনিমকে ভীষণ ভালবাসি। তাসনিমও আমাকে ভীষণ ভালবাসে। ওকে ছাড়া আমি যেমন বাঁচব না, আমাকে ছাড়া তাসনিমও হয়তো বাঁচবে না। অবশ্য বাঁচা মরা আল্লাহর হাতে। হায়াত থাকলে বাচব ঠিক; কিন্তু সে বাচার থেকে না বাচাই ভালো। ওকে না পেলে আমি পাগল হয়ে যাব কিনা জানি না, তবে একথা ঠিক, অন্য কোনো মেয়েকে বিয়ে করতে পারব না। তা ছাড়া আমি সিদ্ধান্ত নিয়েছি, এই বিয়ের মাধ্যমে ওর আব্বুর সঙ্গে আমার আব্বুর পূর্ব সম্পর্ক ফিরিয়ে আনবই। তুমি সবকিছু বলে আব্বুকে রাজি করাবে। আন্ধু তোমার কথা না রেখে পারবে না। আমি জানি আব্ব তোমাকে কত ভালবাসে।
এই বয়সেও সেই প্রথম জীবনের মতো স্বামী যে তাকে পাগলের মতো ভালবাসে, তা উম্মে হাফসা জানেন। তাই ছেলের মুখে সেই কথা শুনে লজ্জা পেলেও অন্তর জুড়িয়ে গেল। মনে মনে আল্লাহর শুকরিয়া আদায় করে মৃদু হেসে বললেন, খুব সেয়ানা হয়ে গেছিস না?
বারে সেয়ানা হব না? কত বয়স হল, মা হয়ে তাতো ভালো করেই জান।
প্রসঙ্গ পাল্টে বললেন, তোর আব্বর সঙ্গে তাসনিমের আব্বার আগের ও এখনকার সম্পর্কের কথা তুই কী ওকে বলেছিস?
না বলি নি। ভাবছি, কয়েকদিনের মধ্যে জানাব।
আমি না-হয় তোর আব্বকে রাজি করাব; কিন্তু তাসনিম যখন জানবে তুই রাজাকারের ছেলে তখন যদি তোকে ঘৃণা করে সরে যায় তখন কী করবি?
একথা যে ভাবিনি, তা নয়। এ ব্যাপারটা আল্লাহর উপর ভরসা করে আছি। তিনি ভাগ্যে যা রেখেছেন, মুসলমান হিসাবে তা মেনে নিতেই হবে। তবু বান্দারা আল্লাহর কাছে মনের কামনা বাসনা জানায়। আমিও জানাচ্ছি। তুমি দোয়া করো আম্মু, আল্লাহ যেন আমার কামনা বাসনা পূরণ করেন।
উম্মে কুলসুমের মুখে তোর উদ্দেশ্যের কথা শোনার পর থেকেই প্রতি ওয়াক্ত নামাযের পর দোয়া করি। তারপর উম্মে কুলসুমের কাছে তাসনিমের বাবার কাছ থেকে যে বিপদ আসার কথা বলেছিলেন তা বললেন।
তুমি যে বিপদ আসার কথা ভেবে ভয় পাচ্ছ, তা আমিও ভেবেছি। তবে আমার দৃঢ় বিশ্বাস, তাসনিম আমার পরিচয় পাওয়ার পরেও দূরে সরে যাবে না। তারপর যখন আমার উদ্দেশ্যের কথা জানবে তখন আমাকে সাহায্য করবে। আর আমার অনুমান যদি সত্য না হয়, তা হলে ভাগ্যকে মেনে নেব। তুমি এসব নিয়ে এতটুকু দুশ্চিন্তা করো না।
আব্দুস সাত্তার সম্পূর্ণ সুস্থ হওয়ার কয়েকদিন পর আজ দেশের বাড়িতে চলে যাওয়ার সময় উম্মে হাফসা ছেলেকে বললেন, তাসনিমকে সবকিছু জানাবার পর কি হয় না হয়, চিঠি দিয়ে জানাবি। কাল রাতে যে তুই বললি, বাড়ি চলে যাওয়ার কথা শুনে তাসনিম আজ আসবে। কই, এখনও তো এল না?
আব্দুস সাত্তার বলল, হয়তো কোনো কারণে লেট হচ্ছে।
এমন সময় তাসনিম পর্দা ঠেলে ঢুকে সালাম দিল।
উম্মে হাফসা সালামের উত্তর দিয়ে হাসিমুখে বললেন, এসেছো না? তোমার জন্য অপেক্ষা করছিলাম। নচেৎ অনেক আগেই রওয়ানা হয়ে যেতাম। তারপর ছেলের দিকে তাকিয়ে বললেন, সবকিছু গাড়িতে তোলা হয়েছে?
এমন সময় রাইসা বেগম এসে বললেন, কখন রওয়ানা হবে? আরো দেরি করলে পৌঁছাতে রাত হয়ে যাবে তো?
উম্মে হাফসা বললেন, এই তো এক্ষুনি রওয়ানা হব।
তাসনিম এগিয়ে এসে উম্মে হাফসাকে কদমবুসি করে রাইসা বেগমকেও করল।
দু’জনেই মাথায় চুমো খেয়ে দোয়া করলেন। তারপর উম্মে হাফসা তার হাত ধরে নিচে এসে গাড়িতে উঠার সময় ছেলের দিকে ইঙ্গিত করে বললেন, এই দুরন্ত ছেলেটা কারো কথা শোনে না, তুমি একটু শাসন করে দিওতো মা।
সবার অলক্ষ্যে আব্দুস সাত্তার ও তাসনিম একে অপরের দিকে তাকিয়ে মৃদু হাসল।
