আল-কুরআনের শিক্ষা
- আল-কুরআনের শিক্ষা
- অনুবাদকের আরয
- আমরাও তোমাদের সাথে অপেক্ষারত
- লেখকের আরয
- অপশক্তিধরদের আলোকিত চিন্তা চেতনা
- আল্লাহ্ কি হিংস্রতা এবং জুলম করেন?
- মানবাধিকার ও আমেরিকা
- ইসলাম ও কুফুরীর দ্বন্ধ
- ফোরকানুল হকের উদ্দেশ্য ও পরিকল্পনা
- কোরআন সংরক্ষণের সংক্ষিপ্ত ইতিহাস
- কুরআন মাজীদের সাত ক়েরাত
- নে’মতের বহিঃপ্রকাশ
- কোরআন মাজীদের চেলেঞ্জ কি?
- ফোরকানুল হকের ফেতনা
- ফোরকানুল হকের শয়তানি
নব্য জাপান ও রুষ জাপান যুদ্ধের ইতিহাস
- নব্য জাপান ও রুষ জাপান যুদ্ধের ইতিহাস
- প্রথম সংস্করণের ভূমিকা।
- দ্বিতীয় সংস্করণের বিজ্ঞাপন।
- ভৌগলিক বৃত্তান্ত।
- ঐতিহাসিক বৃত্তান্ত: প্রাচীনযুগ।
- ঐতিহাসিক বৃত্তান্ত: মধ্যযুগ।
- ঐতিহাসিক বৃত্তান্ত: নবযুগ।
- ধর্ম্মপ্রণালী।
- সামাজিক রীতিনীতি।
- জাপানের শিক্ষা-প্রণালী।
- জাপানের সাহিত্য ও সংবাদপত্র।
- জাপান সাম্রাজ্যের গঠনপ্রণালী ও রাজনীতি।
- জাপানের বাণিজ্য।
- জাপানের সমর বল।
- জাপানের নানাকথা।
- রুষ ও জাপান যুদ্ধের ইতিহাস।
ইস্তাহার
- ইস্তাহার
- মুখবন্ধ
- ইস্তাহার
- মশাল
- জনতা
- আদিম ও আগামী
- চোখ
- জেহাদ
- রাজনীতি
- সঙ্কট
- বন্যা
- জবানবন্দী
- নেতা
- শকুনির পাশা
- মহাজীবন
- যৌথ
- জালিয়াত
- সাংবাদিক
- কুতুব মিনার
- বাংলা দেশ
- হিপি
- চন্দ্রকাব্য
- পিঞ্জরে বন্দী
- বেনামী সার্কাস
- আরশি
- রঙের গোলাম
- শোষক মশক
- মুক্তির নিমন্ত্রণ
- বীরবরণ
- জলছবি
- বিকল্প
- মুক
- প্রতিবাদ
- প্রস্তরমূর্তি
- নিরুপায়
- বিনষ্ট
- প্রস্থান
- সংশোধন
- বিবৃতি
- সেই লোকটি
- পলাতক
- মাটি ও মানুষ
- মৃত্যু
- গরীয়সী
- প্রণাম
চোদ্দ শতকের বাঙালী
- চোদ্দ শতকের বাঙালী
- শতক বিহরণ
- বিপ্লববাদী সমাজের অভ্যুত্থান
- হিন্দু সভ্যতার শিকর আবিষ্কার
- কুলীনের মেয়ের মুক্তি
- হিন্দু বিবাহ-বিধান
- মুসলিম বিবাহ ও তিন তালাক
- বিয়ে বাড়ির আদব
- শতাব্দীর মর্মন্তুদ অগ্নিকাণ্ড
- কলকাতার দাঙ্গা
- শতাব্দীর আর্থিক চিত্র
- পশ্চিমবঙ্গের নবরূপ
- সার্বভৌম বাংলাদেশের জন্ম
- বাঙালী জীবনচর্যার পরিবর্তন
- বাঙালী জীবনের অস্তাচল
- বাঙালী আরও হারিয়েছে তার স্বয়ম্ভরতা
- নারী নির্যাতনে দেশ গেল ভরে
- বাঙালীর দুর্গতি
- ঘটনাপঞ্জী
যুগবাণী
- যুগবাণী
- উৎসর্গ
- নবযুগ
- গেছে দেশ দুঃখ নাই, আবার তোরা মানুষ হ!
- ডায়ারের স্মৃতিস্তম্ভ
- ধর্মঘট
- লোকমান্য তিলকের মৃত্যুতে বেদনাতুর কলিকাতার দৃশ্য
- মুহাজিরিন হত্যার জন্য দায়ী কে?
- বাংলা সাহিত্যে মুসলমান
- ছুঁৎমার্গ
- উপেক্ষিত শক্তির উদ্বোধন
- মুখবন্ধ
- রোজ কেয়ামত বা প্রলয় দিন
- বাঙালির ব্যবসাদারি
- আমাদের শক্তি স্থায়ী হয় না কেন?
- কালা আদমিকে গুলি মারা
- শ্যাম রাখি না কুল রাখি
- লাট-প্রেমিক আলি ইমাম
- ভাব ও কাজ
- সত্য-শিক্ষা
- জাতীয় শিক্ষা
- জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়
- জাগরণী
বিষের বাঁশী
- বিষের বাঁশী
- উৎসর্গ
- কৈফিয়ত
- আয় রে আবার আমার চির-তিক্ত প্রাণ!
- ফাতেহা-ই-দোয়াজ্-দহম্ : আবির্ভাব
- ফাতেহা-ই-দোয়াজ্-দহম্ : তিরোভাব
- সেবক
- জাগৃহি
- তূর্য-নিনাদ
- বোধন
- উদ্বোধন
- অভয়-মন্ত্র
- আত্মশক্তি
- মরণ-বরণ
- বন্দি-বন্দনা
- বন্দনা-গান
- মুক্তি-সেবকের গান
- শিকল-পরার গান
- মুক্ত-বন্দি
- যুগান্তরের গান
- চরকার গান
- জাতের বজ্জাতি
- সত্য-মন্ত্র
- বিজয়-গান
- পাগল পথিক
- ভূত-ভাগানোর গান
- বিদ্রোহীর বাণী
- অভিশাপ
- মুক্ত-পিঞ্জর
- ঝড়
ছায়ানট
- পলাতকা
- ছায়ানট
- বিজয়িনী
- কমল-কাঁটা
- চৈতি হাওয়া
- বেদনা-অভিমান
- নিশীথ-প্রীতম্
- অ-বেলায়
- হার-মানা-হার
- লক্ষ্মীছাড়া
- শেষের গান
- নিরুদ্দেশের যাত্রী
- চিরন্তনী প্রিয়া
- বেদনা-মণি
- পরশ পূজা
- অনাদৃতা
- শায়ক-বেঁধা পাখী
- হারামণি
- নীল পরী
- স্নেহ-ভীতু
- চিরশিশু
- মানস-বধূ
- দহনমালা
- বিদায়-বেলায়
- অকরুণ পিয়া
- ব্যথা-নিশীথ
- সন্ধ্যাতারা
- দূরের বন্ধু
- আশা
- মরমী
- মুক্তি-বার
- আপন-পিয়াসী
- বিবাগিনী
- প্রতিবেশিনী
- দুপুর-অভিসার
- ছলকুমারী
- পাপড়ি-খোলা
- বিধুরা পথিকপ্রিয়া
- মনের মানুষ
- প্রিয়ার রূপ
- বাদল-দিনে
- কার বাঁশি বাজিল?
- অ-কেজোর গান
- স্তব্ধ বাদল
- চাঁদমুকুর
- চির-চেনা
- পাহাড়ী গান
- অমর-কানন
- পূবের হাওয়া
- আলতা-স্মৃতি
- রৌদ্রদগ্ধের গান
ফণী-মনসা
- ফণী-মনসা
- সব্যসাচী
- দ্বীপান্তরের বন্দিনী
- প্রবর্তকের ঘুর-চাকায়
- আশীর্বাদ
- মুক্তিকাম
- সাবধানী ঘণ্টা
- বিদায়-মাভৈঃ
- বাংলার মহাত্মা
- হেমপ্রভা
- অশ্বিনীকুমার
- ইন্দু-প্রয়াণ
- দিল-দরদী
- সত্যেন্দ্র-প্রয়াণ
- সত্য-কবি
- সত্যেন্দ্র-প্রয়াণ-গীতি
- সুর-কুমার
- রক্ত-পতাকার গান
- অন্তর-ন্যাশন্যাল সঙ্গীত
- জাগর-তূর্য
- যুগের আলো
- পথের দিশা
- যা শত্রু পরে পরে
- হিন্দু-মুসলিম যুদ্ধ
বাঁধনহারা
- বাঁধনহারা
- উৎসর্গ
- পরিচ্ছেদ ক : পত্র এক
- পরিচ্ছেদ ক : পত্র দুই
- পরিচ্ছেদ খ : পত্র এক
- পরিচ্ছেদ খ : পত্র দুই
- পরিচ্ছেদ গ : পত্র এক
- পরিচ্ছেদ গ : পত্র দুই
- পরিচ্ছেদ ঘ : পত্র এক
- পরিচ্ছেদ ঘ : পত্র দুই
- পরিচ্ছেদ ঘ : পত্র তিন
- পরিচ্ছেদ ঙ
- পরিচ্ছেদ চ
- পরিচ্ছেদ ছ
- পরিচ্ছেদ জ : পত্র এক
- পরিচ্ছেদ জ : পত্র দুই
- পরিচ্ছেদ জ : পত্র তিন
- পরিচ্ছেদ জ : পত্র চার
- পরিচ্ছেদ জ : পত্র পাঁচ
- পরিচ্ছেদ জ : পত্র ছয়
বুলবুল
- বুলবুল
- উৎসর্গ
- ‘বুলবুলে’র কবি
- বাগিচায় বুলবুলি তুই
- আমারে চোখ-ইশারায়
- বসিয়া বিজনে কেন একা মনে
- ভুলি কেমনে আজও যে মনে
- কেন কাঁদে পরান
- মৃদুল বায়ে বকুল ছায়ে
- কে বিদেশি মন-উদাসী
- করুণ কেন অরুণ আঁখি
- এত জল ও-কাজল-চোখে
- আসে বসন্ত ফুলবনে
- দুরন্ত বায়ু পুরবৈয়াঁ
- চেয়ো না সুনয়না
- পরান-প্রিয়! কেন এলে অবেলায়
- সখী জাগো, রজনী পোহায়
- নিশি ভোর হল জাগিয়া
- এ বাসি বাসরে আসিলে
- বসিয়া নদীকূলে
- কেন দিলে এ কাঁটা
- সখী, বোলো-বঁধূয়ারে
- নহে নহে প্রিয়
- এ আঁখি-জল মোছ পিয়া
- কী হবে জানিয়া বলো
- পরদেশি বঁধুয়া
- কেন উচাটন মন
- আসিলে এ ভাঙা ঘরে
- আজি দোল পূর্ণিমাতে
- রুমুঝুমু রুমুঝুম্
- আজি এ কুসুম-হার
- গরজে গম্ভীর গগন কম্বু
- হাজার তারার হার হয়ে
- অধীর অম্বরে গুরু গরজন
- ঝরে ঝরঝর কোন গভীর
- হৃদয় যত নিষেধ হানে
- শুকাল মিলন-মালা
- স্মরণ-পারের ওগো প্রিয়
- গহীন রাতে ঘুম
- কোন শরতে পূর্ণিমা-চাঁদ
- জাগিলে ‘পারুল’ কি গো
- চরণ ফেলি গো মরণ-ছন্দে
- নমো হে নমো যন্ত্রপতি
- পুরবের তরুণ অরুণ
- কে শিব সুন্দর
- কার নিকুঞ্জে রাত কাটায়ে
- কেন আন ফুল-ডোর
- কেমনে রাখি আঁখি-বারি
- কেন আসিলে যদি যাবে চলি
- সাজিয়াছ যোগী
- মুসাফির! মোছ এ আঁখি জল
- এ নহে বিলাস বন্ধু
চোখের চাতক
- চোখের চাতক
- আমার কোন কূলে আজ ভিড়ল তরী
- কাঁদিতে এসেছি আপনারে লয়ে
- ছাড়িতে পরান নাহি চায়
- কে তুমি দূরের সাথী
- আজি এ শ্রাবণ-নিশি
- আজি বাদল ঝরে
- মোর ঘুম ঘোরে এলে
- কেউ ভোলে না কেউ ভোলে
- যাও যাও তুমি ফিরে
- ফাগুন-রাতের ফুলের নেশায়
- নিশীথ-স্বপন তোর ভুলে যা
- ঘোর তিমির ছাইল রবি শশী
- দারুণ পিপাসায় মায়া-মরীচিকায়
- এত কথা কি গো কহিতে জানে
- মন কেন উদাসে
- আমার গহীন জলের নদী
- তোমায় কূলে তুলে বন্ধু
- আমার সাম্পান যাত্রী না লয়
- ওরে মাঝি ভাই
- কেন প্রাণ ওঠে কাঁদিয়া
- আঁধার রাতে কে গো একেলা
- কী হবে লাল পাল তুলে
ছাড়পত্র
- ছাড়পত্র
- ছাড়পত্র (কবিতা)
- আগামী
- রবীন্দ্রনাথের প্রতি
- চারাগাছ
- খবর
- ইউরোপের উদ্দেশে
- প্রস্তুত
- প্রার্থী
- একটি মোরগের কাহিনী
- সিঁড়ি
- কলম
- আগ্নেয়গিরি
- দুরাশার মৃত্যু
- ঠিকানা
- লেনিন
- অনুভব
- কাশ্মীর
- সিগারেট
- দেশলাই কাঠি
- বিবৃতি
- চিল
- চট্টগ্রাম : ১৯৪৩
- মধ্যবিত্ত '৪২
- সেপ্টেম্বর '৪৬
- ঐতিহাসিক
- শত্রু এক
- মজুরদের ঝড়
- ডাক
- বোধন
- রানার
- মৃত্যুজয়ী গান
- কনভয়
- ফসলের ডাক : ১৩৫১
- কৃষকের গান
- এই নবান্নে
- আঠারো বছর বয়স
- হে মহাজীবন
ঘুম নেই
- ঘুম নেই
- বিক্ষোভ
- ১লা মে-র কবিতা '৪৬
- পরিখা
- সব্যসাচী
- উদ্বীক্ষণ
- বিদ্রোহের গান
- অনন্যোপায়
- অভিবাদন
- জনতার মুখে ফোটে বিদ্যুৎবাণী
- কবিতার খসড়া
- আমরা এসেছি
- একুশে নভেম্বর : ১৯৪৬
- দিন বদলের পালা
- মুক্ত বীরদের প্রতি
- প্রিয়তমাসু
- ছুরি
- সূচনা
- অদ্বৈধ
- দিক্প্রান্তে
- চিরদিনের
- নিভৃত
- বৈশম্পায়ন
- নিভৃত
- কবে
- অলক্ষ্যে
- মহাত্মাজীর প্রতি
- পঁচিশে বৈশাখের উদ্দেশে
- পরিশিষ্ট
- মীমাংসা
- অবৈধ
- ১৯৪১ সাল
- রোম : ১৯৪৩
- জনরব
- রৌদ্রের গান
- দেওয়ালী
গীতিগুচ্ছ
- গীতিগুচ্ছ
- ওগো কবি তুমি আপন ভোলা
- এই নিবিড় বাদল দিনে
- গানের সাগর পাড়ি দিলাম
- হে মোর মরণ
- দাঁড়াও ক্ষণিক পথিক হে
- শয়ন শিয়রে ভোরের পাখির রবে
- ও কে যায় চলে
- হে পাষাণ, আমি নির্ঝরিণী
- শীতের হাওয়া ছুঁয়ে গেল
- কিছু দিয়ে যাও
- ক্লান্ত আমি কর ক্ষমা
- সাঁঝের আঁধার ঘিরল যখন
- কঙ্কণ-কিঙ্কিণী মঞ্জুল মঞ্জীর ধ্বনি
- মেঘ-বিনিন্দিত স্বরে
- গুঞ্জরিয়া এল অলি
- কোন অভিশাপে নিয়ে এল
- ভুল হল বুঝি
- মুখ তুলে চায়
- ফোটে ফুল আসে যৌবন
সুকান্তের অপ্রচলিত রচনা
- সুকান্তের অপ্রচলিত রচনা
- ক্ষুধা
- দুর্বোধ্য
- ভদ্রলোক
- দরদী কিশোর
- কিশোরের স্বপ্ন
- ছন্দ ও আবৃত্তি
- বর্ষ-বাণী
- যেমন ক’রে তপন টানে জল
- জনগণ হও আজ উদ্বুদ্ধ
- আমরা জেগেছি
- শৃঙ্খল ভাঙা সুর
- ভবিষ্যতে
- সুচিকিৎসা
- পরিচয়
- আজিকার দিন কেটে যায়
- চৈত্রদিনের গান
- সুহৃদ্বরেষু
- পটভূমি
- ভারতীয় জীবনত্রাণ-সমাজের মহাপ্রয়াণে
- “নব জ্যামিতি”র ছড়া
- জবাব
- চরমপত্র
- মেজদাকে : মুক্তির অভিনন্দন
- পত্র
- মার্শাল তিতোর প্রতি
- ব্যর্থতা
- দেবদারু গাছে রোদের ঝলক
পলাশির অজানা কাহিনী
- পলাশির অজানা কাহিনী
- ভূমিকা
- প্রাক্-পলাশি বাংলার রূপরেখা
- সিরাজ চরিত-কথা
- ইউরোপীয় কোম্পানি ও এশীয় বণিক সম্প্রদায়
- সিরাজদ্দৌল্লা ও ইংরেজ কোম্পানির সংঘাত
- পলাশি বিপ্লবের অনিবার্যতা
- ষড়যন্ত্রের উদ্ভব ও ক্রমবিকাশ
- চক্রান্তের মূল নায়করা
- পলাশি অভিমুখে : ইংরেজ পরিকল্পনা
- পলাশির পরিণাম : সুদূরপ্রসারী প্রভাব
- উপসংহার
- নির্বাচিত গ্রন্থপঞ্জি
হযরত ওমর
- হযরত ওমর
- গুমরাহীর অন্ধকারায়
- ইসলামের আলোকধারায়
- খেলাফতের প্রতিষ্ঠায়
- বিজয়ীর বেশে ফিরে দেশে দেশে
- ইরাক-আরব বিজয়
- ইরাক-আযম বিজয়
- সিরিয়া বিজয়
- মিসর বিজয়
- ওমরের শাহাদাত
- রাজ্যজয় ও রাষ্ট্রগঠন
- প্রশাসনিক ও রাজস্ব-ব্যবস্থা
- সেনাবিভাগ
- শহর পত্তন ও পূর্তবিভাগ
- বিচার-বিভাগ
- জিম্মীদের অধিকার সংরক্ষণ ও দাসপ্রথা নিয়ন্ত্ৰণ
- শিক্ষাবিস্তার ও ধর্মপ্রচার
- রাষ্ট্রনায়ক : ব্যক্তিত্ব
- মানুষ ওমর
- ওমর-কাহিনীগুচ্ছ
- শেষ প্ৰসঙ্গ
ঐতিহাসিক সমগ্র
- ঐতিহাসিক সমগ্র
- ভারতের দ্বিতীয় প্রভাতে
- মহাভারতের শেষ মহাবীর
- পঞ্চনদের তীরে
- ভগবানের চাবুক
- আলেকজান্ডার দি গ্রেট
- দিগবিজয়ী নেপোলিয়ন
- রক্ত বাদল ঝরে
- হন্তারক নরদানব
- সিরাজের বিজয় অভিযান
- তিন সম্রাটের ত্র্যহস্পর্শযোগ
- সাতহাজারের আত্মদান
- আলেকজান্ডারের পলায়ন
- ওষ্ঠাধরে রাজদণ্ড
- মরা মানিক আর জ্যান্ত মানিক
- মুসলমানের জহরব্রত
- সূর্য দেবী, পর্মল দেবী
- মারাঠার লিওনিডাস
- ভারতের একমাত্র সুলতানা
- ব্যাঘ্রভূমির বঙ্গবীর
- উপন্যাসের চেয়ে আশ্চর্য
- মরণ বিজয়ীর দল
- ছত্রপতির ছত্রভঙ্গ
- জগন্নাথদেবের গুপ্তকথা
- নতুন বাংলার প্রথম কবি
- শিবদাস ভাদুড়ি
- ইতিহাসের রক্তাক্ত প্রান্তরে
- বীরাঙ্গনা, পরাক্রমে ভীমা-সমা
- বর্গি এল দেশে
- হে ইতিহাস গল্প বলো
- প্রথম বাঙালি সম্রাট
- অনামা বীরাঙ্গনা
- ইতিহাসের রক্তাক্ত দৃশ্য
- ছত্রপতির অ্যাডভেঞ্চার
- বাংলাদেশের বোম্বেটেরাজ
ক্রুসেড সিরিজ
- গাজী সালাহুদ্দীনের দুঃসাহসিক অভিযান
- গোপন বিদ্রোহী
- হেমসের যোদ্ধা
- পাপের ফল
- তুমুল লড়াই
- উমরু দরবেশ
- টার্গেট ফিলিস্তিন
- গাদ্দার
- সালাহুদ্দীন আয়ুবীর কমান্ডো অভিযান
- বিষাক্ত ছোবল
- খুনী চক্রের আস্তানায়
- পাল্টা ধাওয়া
- সুবাক দুর্গে আক্রমণ
- ইহুদী কন্যা
- ধাপ্পাবাজ
- ভয়ংকর ষড়যন্ত্র
- ভয়াল রজনী
- আবারও সংঘাত
- দূর্গপতন
- ফেরাউনের গুপ্তধন
- উপকূলে সংঘর্ষ
- সর্প কেল্লার খুনী
- চারদিকে চক্রান্ত
- সামনে বৈরুত
- দুর্গম পাহাড়
- ভণ্ডপীর
- ছোট বেগম
- রক্তস্রোত
- রিচার্ডের নৌবহর
- মহাসমর
বাবরনামা
- দ্বিতীয় অধ্যায়
- বাবরনামা
- ভূমিকা
- প্রথম অধ্যায়
- তৃতীয় অধ্যায়
- চতুর্থ অধ্যায়
- পঞ্চম অধ্যায়
- ষষ্ঠ অধ্যায়
- সপ্তম অধ্যায়
- অষ্টম অধ্যায়
- নবম অধ্যায়
- দশম অধ্যায়
- একাদশ অধ্যায়
- দ্বাদশ অধ্যায়
- ত্রয়োদশ অধ্যায়
- চতুর্দশ অধ্যায়
- পঞ্চদশ অধ্যায়
- ষোড়শ অধ্যায়
- সপ্তদশ অধ্যায়
- অষ্টাদশ অধ্যায়
- ঊনবিংশ অধ্যায়
- বিংশ অধ্যায়
- একবিংশ অধ্যায়
- দ্বাবিংশ অধ্যায়
- ত্রয়োবিংশ অধ্যায়
ভাটির দেশ
- ভাটির দেশ
- প্রথম পর্ব
- ভাটির দেশ
- আমন্ত্রণ
- ক্যানিং
- লঞ্চে
- লুসিবাড়ি
- পতন
- স্যার ড্যানিয়েল
- স্নেল’স উইন্ডো
- ট্রাস্ট
- ফকির
- চিঠি
- ডিঙিতে
- নির্মল আর নীলিমার কথা
- নোঙর
- কুসুম
- কথা
- বনবিবির মহিমা
- স্পন্দন
- মরিচঝাঁপি
- ময়না
- কাঁকড়া
- ভ্রমণকাহিনি
- গর্জনতলা
- আলোড়ন
- হঠাৎ আলো
- শোনা
- তীরে ভেড়া
- ধাওয়া
- স্বপ্ন
- অনুসরণ
- দ্বিতীয় পর্ব
- পুনরাগমনায় চ
- বন্দরের কাল
- ভোজ
- আলাপ
- ঝড়
- আলোচনা
- অভ্যাস
- একটি সূর্যাস্ত
- রূপান্তর
- তীর্থদর্শন
- নিয়তি
- মেঘা
- স্মৃতি
- মধ্যস্থ
- ঘেরাটোপে
- কথা
- অপরাধ
- বিদায় লুসিবাড়ি
- ব্যাঘাত
- বাঁচা
- রবিবারের ডাকঘর
- একটি হত্যা
- জেরা
- মিস্টার স্লোয়েন
- ক্রেতি
- চিহ্ন
- আলো
- খোঁজ
- হতাহত
- উপহার
- মিঠে জল, নোনা জল
- দিগন্তে
- ক্ষয়ক্ষতি
- তরী থেকে তীরে
- ঢেউ
- পরদিন
- বাড়ি : একটি উপসংহার
- লেখকের কথা
- অনুবাদ প্রসঙ্গে
দ্বিতীয় পর্ব
- দ্বিতীয় পর্ব
- পুনরাগমনায় চ
- বন্দরের কাল
- ভোজ
- আলাপ
- ঝড়
- আলোচনা
- অভ্যাস
- একটি সূর্যাস্ত
- রূপান্তর
- তীর্থদর্শন
- নিয়তি
- মেঘা
- স্মৃতি
- মধ্যস্থ
- ঘেরাটোপে
- কথা
- অপরাধ
- বিদায় লুসিবাড়ি
- ব্যাঘাত
- বাঁচা
- রবিবারের ডাকঘর
- একটি হত্যা
- জেরা
- মিস্টার স্লোয়েন
- ক্রেতি
- চিহ্ন
- আলো
- খোঁজ
- হতাহত
- উপহার
- মিঠে জল, নোনা জল
- দিগন্তে
- ক্ষয়ক্ষতি
- তরী থেকে তীরে
- ঢেউ
- পরদিন
- বাড়ি : একটি উপসংহার
- লেখকের কথা
- অনুবাদ প্রসঙ্গে
অলৌকিক জলযান
- অলৌকিক জলযান
- এক
- দুই
- তিন
- চার
- পাঁচ
- ছয়
- সাত
- আট
- নয়
- দশ
- এগার
- বার
- তের
- চৌদ্দ
- পনের
- ষোল
- সতের
- আঠার
- উনিশ
- বিশ
- একুশ
- বাইশ
- তেইশ
- চব্বিশ
- পঁচিশ
- ছাব্বিশ
- সাতাশ
- আঠাশ
- ঊনত্রিশ
- ত্রিশ
- একত্রিশ
- বত্রিশ
- তেত্রিশ
- চৌত্রিশ
- পয়ত্রিশ
- ছত্রিশ
- সাইত্রিশ
- আটত্রিশ
- উনচল্লিশ
- চল্লিশ
- একচল্লিশ
- বিয়াল্লিশ
- তেতাল্লিশ
- চুয়াল্লিশ
- পঁয়তাল্লিশ
- ছিচল্লিশ
- সাতচল্লিশ
- আটচল্লিশ
- উনপঞ্চাশ
- পঞ্চাশ
- একান্ন
- বাহান্ন
- তিপ্পান্ন
- চুয়ান্ন
হরিদাসের গুপ্তকথা
- অষ্টম কল্প
- নবম কল্প
- তৃতীয় খণ্ড
- প্রথম কল্প
- দ্বিতীয় কল্প
- তৃতীয় কল্প
- হরিদাসের গুপ্তকথা
- ভূবনচন্দ্র মুখোপাধ্যায়
- প্রকাশকের নিবেদন
- প্রথম খণ্ড
- প্রথম কল্প
- দ্বিতীয় কল্প
- তৃতীয় কল্প
- চতুর্থ কল্প
- পঞ্চম কল্প
- ষষ্ঠ কল্প
- সপ্তম কল্প
- অষ্টম কল্প
- নবম কল্প
- দশম কল্প
- একাদশ কল্প
- দ্বাদশ কল্প
- ত্রয়োদশ কল্প
- চতুর্দ্দশ কল্প
- পঞ্চদশ কল্প
- ষোড়শ কল্প
- সপ্তদশ কল্প
- অষ্টাদশ কল্প
- উনবিংশ কল্প
- বিংশ কল্প
- একবিংশ কল্প
- দ্বাবিংশ কল্প
- ত্রয়োবিংশ কল্প
- চতুর্ব্বিংশ কল্প
- পঞ্চবিংশ কল্প
- ষড়্বিংশ কল্প
- সপ্তবিংশ কল্প
- অষ্টাবিংশ কল্প
- ঊনত্রিংশ কল্প
- দ্বিতীয় খণ্ড
- প্রথম কল্প
- দ্বিতীয় কল্প
- তৃতীয় কল্প
- চতুর্থ কল্প
- পঞ্চম কল্প
- ষষ্ঠ কল্প
- সপ্তম কল্প
প্রথম খণ্ড
- প্রথম খণ্ড
- প্রথম কল্প
- দ্বিতীয় কল্প
- তৃতীয় কল্প
- চতুর্থ কল্প
- পঞ্চম কল্প
- অষ্টম কল্প
- নবম কল্প
- দশম কল্প
- একাদশ কল্প
- দ্বাদশ কল্প
- ত্রয়োদশ কল্প
- চতুর্দ্দশ কল্প
- পঞ্চদশ কল্প
- ষোড়শ কল্প
- সপ্তদশ কল্প
- অষ্টাদশ কল্প
- উনবিংশ কল্প
- বিংশ কল্প
- একবিংশ কল্প
- দ্বাবিংশ কল্প
- ত্রয়োবিংশ কল্প
- চতুর্ব্বিংশ কল্প
- পঞ্চবিংশ কল্প
- ষড়্বিংশ কল্প
- সপ্তবিংশ কল্প
- অষ্টাবিংশ কল্প
- ঊনত্রিংশ কল্প
নয়
সকালে নাস্তা খাওয়ার সময় রোকন উদ্দিন সাহেব বড় মেয়েকে বললেন, ছেলেটাকে আজ নিয়ে আসবি বলেছিলি না?
তাসনিম বলল, কাল ওর সঙ্গে দেখা হয়েছিল, নিজেই আসবে বলেছেন। কিছুক্ষণের মধ্যে হয়তো এসে পড়বেন।
নাস্তা খেয়ে তাসনিম দোতলার বারান্দায় দাঁড়িয়ে গেটের দিকে তাকিয়ে রইল। প্রায় দশ মিনিট পর আব্দুস সাত্তারের গাড়ি এসে গেটের কাছে দাঁড়াতে দেখে নেমে এল।
তাসনিম আগেই দারোয়ানকে আব্দুস সাত্তারের নাম ও গাড়ির নাম্বার বলে গেট খুলে দিতে বলেছিল। আব্দুস সাত্তার গাড়ি নিয়ে ভিতরে ঢুকল।
রোকন উদ্দিন সাহেব ড্রইংরুমে পেপার পড়ছিলেন। তাসনিম আব্দুস সাত্তারকে নিয়ে এসে বলল, আব্ব, উনি এসেছেন।
রোকন উদ্দিন মুখ তুলে তাকাতে আব্দুস সাত্তার সালাম দিল।
সালামের উত্তর দিয়ে রোকন উদ্দিন সাহেব বসতে বললেন।
তাসনিম আব্বুকে বলল, তুমি ওর সঙ্গে কথা বল, আসছি।
আব্দুস সাত্তারের সুঠাম দেহ ও চেহারায় আভিজাত্যের ছাপ দেখে রোকন উদ্দিন সাহেব খুশী হলেন। বললেন, আমার মেয়েরা তোমার অনেক গুণগান। করে। ওদেরকে একদিন বাজে ছেলেদের খপ্পর থেকে রক্ষা করতে গিয়ে গুলি খেয়েছ, তাও বলেছে। তুমি করে বলছি বলে কিছু মনে করনি তো?
জ্বি না, এটাই তো স্বাভাবিক।
তোমার নাম তো আব্দুস সাত্তার?
জ্বি।
নামের অর্থ জান।
জ্বি, গোপনকারীর বান্দা বা দাস।
রেজাল্ট বেরোবার পর কী করবে কিছু ভেবেছ?
আমাদের একটা ব্যবসা আছে। পরীক্ষার পর থেকে সেটাই দেখাশোনা করছি। ভবিষ্যতে……।
তোমার বাবার ব্যবসা নিশ্চয়?
জ্বি না। উনি গ্রামের এক কলেজে আছেন।
তাসনিমের সঙ্গে কতদিনের পরিচয়?
তা প্রায় আড়াই বছর।
হোম ডিস্ট্রিক্ট কোথায়?
নিলফামারী।
রোকন উদ্দিন সাহেব কুচকে জিজ্ঞেস করলেন, তোমার বাবার নাম?
আব্দুল হামিদ।
রোকন উদ্দিন-চমকে উঠে গম্ভীর হয়ে কিছুক্ষণ চুপ করে রইলেন। তারপর কিছু না বলে উঠে চলে গেলেন।
তাসনিম ড্রইংরুম থেকে ভিতরে এসে মাকে আব্দুস সাত্তারের আসার কথা জানিয়ে নাস্তা পাঠাবার কথা বলল। তারপর ফিরে এসে এতক্ষণ দরজার পর্দা ফাঁক করে সবকিছু শুনছিল ও দেখছিল। আব্ব দরজার বাইরে এলে জানা সত্ত্বেও বলল, চলে এলে যে?
রোকন উদ্দিন সাহেব মেয়ের দিকে কঠিন দৃষ্টিতে তাকিয়ে থেকে বললেন, ওকে চলে যেতে বলে আমার কাছে আয়। তারপর হনহন করে চলে গেলেন।
তাসনিম ভিতরে এসে ছলছল চোখে আব্দুস সাত্তারের দিকে তাকিয়ে রইল।
আব্দুস সাত্তার এগিয়ে এসে বলল, এত সামান্য ঝড় সহ্য করতে পারছ না? সবে তো শুরু, তারপর যখন দেড়শ দু’শ মাইল বেগে ঝড়ের তাণ্ডব শুরু হবে তখন কী করবে? রাতে ফোন করব, এখন আসি। তারপর আল্লাহ হাফেজ বলে। চলে গেল।
তাসনিম কিছুক্ষণ স্ট্যাচুর মতো দাঁড়িয়ে চোখের পানি ফেলল; তারপর চোখ মুছে আব্বর রুমে গিয়ে দেখল, আম্মু ও সায়মা রয়েছে। তিনজনেরই মুখ খুব গম্ভীর।
রোকন উদ্দিন সাহেব বললেন, ওর সঙ্গে আর কোনো দিন মেলামেশা করবি।
কেন আব্বু?
তুই ওর পরিচয় জানিস?
জানি।
কী জানিস বলতো?
তাসনিম আব্দুস সাত্তারের সবকিছু বলল।
কিন্তু ওর বাবা যে রাজাকার ছিল, তা তো জানিস না?
তাতে কী হয়েছে? ওর বাবা রাজাকার ছিলেন, উনি তো ছিলেন না?
রোকন উদ্দিন সাহেব রেগে গিয়ে স্ত্রীর দিকে তাকিয়ে বললেন, শুনেছ তোমার মেয়ের কথা? তারপর তাসনিমকে বললেন, মুক্তিযোদ্ধার মেয়ে হয়ে একজন রাজাকারের ছেলের হয়ে কথা বলতে তোর লজ্জা করল না?
ওকে আমি ভালবাসি আব্বু।
রোকন উদ্দিন সাহেব রাগে কাঁপতে কাঁপতে বললেন, চুপ, আর একটা কথা বলবি না। তোর সাহস দেখে অবাক হচ্ছি। মেয়ে না হয়ে ছেলে হলে চাবকে। পিঠের ছাল তুলে নিতাম। তারপর স্ত্রীকে উদ্দেশ্য করে বললেন, ওকে বুঝিয়ে বলে দিও, এরকম দুঃসাহস যেন আর কখনও না দেখায়। এই কথা বলে বেরিয়ে গেলেন।
মুমীনা বেগম তাসনিমকে বললেন, তোর আব্বুর কথা শুনলি তো? ঐ ছেলেকে তুই ভুলে যা মা।
আব্বুর কথা শুনে তাসনিম মনে খুব ব্যথা পেল। চোখ দুটো পানিতে ভরে উঠল। কিছু না বলে নিজের রুমে ফিরে এল।
সায়মা তার পিছু পিছু এসে বলল, আপু, উনি যে রাজাকারের ছেলে, কই, তুই তো আমাকে বলিস নি? বললে অনেক আগেই বাছাধনকে প্রেম করা বের। করে দিতাম। তারপর জিজ্ঞেস করল, তুই কী আগে জানতিস?
না, কাল বলেছে।
দেখলি তো, উনি কত বড় ফ্রড? তোকে প্রেমের সাগরে ভাসাবার পর জানালেন। তুই ঘৃণা করবি ভেবে আগে জানাই নি। আমি হলে কাল জানার পর। মুখে থুথু ছিটিয়ে চলে আসতাম। আর তুই কী না ওকে এখনও ভালবাসিস। লজ্জায় মাথা খেয়ে আবুকেও আবার সে কথা বললি। ছিছি আপু, কোন মুখে। আব্বুকে কথাটা বলতে পারলি?
তার কথা শুনে তাসনিম প্রচণ্ড রেগে গেল। ইচ্ছা করল, তার গালে কষে একটা চড় মারতে। ইচ্ছাটা দমন করার জন্য উপরের পাটির দাঁত দিয়ে নিচের ঠোঁট কামড়ে রাগ সামলাবার চেষ্টা করল। রাগের চোটে চোখে পানি চলে এল।
তার চোখে পানি দেখে সায়মা বলল, একটা ফ্রড ছেলের জন্য কাঁদা তোর উচিত হচ্ছে না?
তাসনিম গর্জে উঠল, ওকে বার বার ফ্রড বলবি না। বললে চড়িয়ে গাল লাল করে দেব বলে হাত উঠাল। পরক্ষণে নামিয়ে নিয়ে কান্নাজড়িত স্বরে বলল, সবকিছু না জেনে কারো বিরুদ্ধে কমেন্ট করা মুর্খতা। এতদিন পরিচয় না বলার মধ্যে যে কত বড় মহৎ উদ্দেশ্য রয়েছে, তা যদি জানতিস, তা হলে ফ্রড বলতে পারতিস না। এতদিন আমার চেয়ে তুই-ই তার বেশি প্রশংসা করেছিস। রাজাকারের ছেলে জেনে এখন তাকে ঘৃণা করছিস। এটা ভাবছিস না কেন, রাজাকার ছিল তার বাবা, সে নয়। সব থেকে বড় কথা, সে যেই হোক না কেন, তাকে আমি আমার জীবনের সমস্ত সত্তা দিয়ে ভালবাসি। কথাটা তুইও জানিস। একটা কথা জেনে রাখ, ও যদি চোর, ডাকাত, খুনীও হত, তবু ওকে ছাড়া অন্য কোনো ছেলেকে বিয়ে করতে পারতাম না। ওর জন্য চিরকুমারী যদি থাকতে হয়, তাও থাকব। তোকে সাবধান করে দিচ্ছি, আমাকে তুই যা কিছু ভাবতে পারিস, কিন্তু ওর সম্পর্কে আমার কাছে কোনো খারাপ কমেন্ট করবি না।
আব্দুস সাত্তার রাজাকারের ছেলে জেনে তার ও তাসনিমের উপর সায়মার যে ঘৃণা ও রাগ জন্মেছিল, আপুর কথা শুনে তা দূর হয়ে গেল। তাকে জড়িয়ে ধরে বলল, আমাকে মাফ করে দে আপু। ওর সম্পর্কে সবকিছু না জেনে খারাপ কমেন্ট করে অন্যায় করেছি। বল, মাফ করে দিয়েছিস?
সায়মার কথাগুলো তাসনিমের কানে কান্নার মতো শোনাল। বলল, আল্লাহ আমাদেরকে মাফ করুক। এবার ছাড়।
সায়মা ছেড়ে দিয়ে বলল, আব্দুস সাত্তারের মহৎ উদ্দেশ্যের কথা বল না আপু, শুনব।
আম্মু ওদের সম্পর্কে অনেক কিছু নিশ্চয় জানে। ডেকে নিয়ে আয়, তার সামনে বলব। তা হলে সত্য মিথ্যা জানতে পারবি।
সায়মা মুমীনা বেগমকে ডেকে নিয়ে আসার পর তাসনিম বলল, বস আম্মু, আমি কয়েকটা কথা বলব। তোমরা আমাকে দু’টুকরো করে কেটে মাটিতে পুঁতে ফেল আর নদীতে ভাসিয়ে দাও, তবু আমি আব্দুস সাত্তারকে ছাড়া অন্য কাউকে বিয়ে করতে পারব না। আর আল্লুকে বলে দিও, সে যদি আব্দুস সাত্তারের কোনো। ক্ষতি করে, তা হলে আমারও মরা মুখ দেখবে তোমরা। তারপর আব্দুস সাত্তারের আব্ব ও তার আব্বুর সম্পর্ক ও কি কারণে সম্পর্ক ছিন্ন হল সেসব বলে বলল, আব্দুস সাত্তার চায়, সেই পুরানো সম্পর্ক আবার প্রতিষ্ঠিত করতে। সেই জন্যে সে এতদিন তার পরিচয় দেয় নি। আমিও তাই চাই।
সায়মা মাকে জিজ্ঞেস করল, এসব কী সত্যি আম্মু?
মুমীনা বেগম দীর্ঘনিশ্বাস ফেলে বললেন, সত্যি তো বটেই। বরং আরো এমন সত্য ঘটনা আছে। যা আব্দুস সাত্তার হয়তো জানে না বলে বলে নি।
সায়মা বলল, সেই ঘটনাগুলো বল না আম্মু শুনি।
মুমীনা বেগম বললেন, আব্দুস সাত্তারের বাবা আব্দুল হামিদ ভাই খুব উঁচু মনের মানুষ। ওদের আর্থিক অবস্থা অনেক আগের থেকে খুব ভালো। তোর। আব্বুর সঙ্গে আব্দুল হামিদ ভাইয়ের এত গভীর বন্ধুত্ব ছিল যে, যা তোরা কল্পনা করতে পারবি না। আব্দুস সাত্তারের দাদা দাদিও খুব উঁচু মনের মানুষ ছিলেন। তারা তোদের আন্ধুকে নিজের ছেলের মতো মনে করতেন। তোদের দাদার আর্থিক অবস্থা ভালো ছিল না। আব্দুল হামিদ ভাইয়ের বাবার সাহায্যে তোদের আব্ব এত লেখাপড়া করেছে। তোদের আলু অনেকবার আমাকে ওদের বাড়িতে। নিয়ে গেছে। আব্দুস সাত্তারের মাও খুব ভালো মহিলা। অত বিত্তশালী ঘরের বৌ হলেও এতটুকু অহঙ্কার নেই। আমার সঙ্গে সই পাতিয়েছিলেন। তারপর কি করে সম্পর্ক ছিন্ন হল, তা তো তোরা জেনেছিস। আমি তোদের আব্বকে অনেকবার বলেছি, মিলমিশ করার জন্য, কিন্তু ওর একটাই কথা, “যে ইচ্ছা করে মুক্তিযুদ্ধ। করে নি এবং পাকিস্তান সৈন্যদের সাহায্য করেছে, সে রাজাকার। মুক্তিযোদ্ধা হয়ে একজন রাজাকারের সঙ্গে সম্পর্ক রাখা কোনোভাবেই সম্ভব নয়। তা ছাড়া আমাদের সম্পর্কের কথা লোকজন যখন জানবে তখন তাদের কাছে মুখ দেখাব কি করে?” তোদের আব্বুর কথা শুনে চোখের পানি ফেলা ছাড়া আমি কিছুই। বলতে পারি নি।
তাসনিম বলল, তুমি দেখে নিও আম্মু। তুমি যা পার নি, ইনশাআল্লাহ আমি তা করেই ছাড়ব।
মুমীনা বেগম আবার দীর্ঘনিশ্বাস ফেলে বললেন, দোয়া করি, “আল্লাহ যেন তোর মনের আশা পূরণ করেন। তারপর আমি যাই, রান্নার ব্যবস্থা করতে হবে বলে চলে গেলেন।
সায়মা বলল, আব্লু বুঝি আব্দুস সাত্তার সাহেবকে খুব অপমান করে তাড়িয়ে দিয়েছে?
তাসনিম বলল, না, তা করে নি। হাজার হোক এককালের বন্ধুর ছেলে তো। পরিচয় জানার পর চুপচাপ ড্রইংরুম থেকে চলে এসেছে। আমি দরজার বাইরে ছিলাম। দেখে তাকে শুনিয়ে শুনিয়ে বলল, “ওকে চলে যেতে বল। ওর সঙ্গে তুই আর কখন মেলামেশা করবি না।”
এখন কী করবি ভেবেছিস?
ও চলে যাওয়ার সময় রাতে ফোন করবে বলেছে। কি বলে শুনি, তারপর চিন্তা করব।
রাত সাড়ে বারটায় আব্দুস সাত্তার ফোন করতে তাসনিম সালাম বিনিময় করে আব্ব যা কিছু বলেছে এবং সে কি বলেছে বলল।
সায়মা সবকিছু জেনেছে?
হ্যাঁ।
সে কিছু বলে নি?
প্রথমে তোমাকে ফ্রড বলেছিল এবং আমাকেও যা তা করে বলে তোমাকে ভুলে যেতে বলেছিল। তারপর যখন তোমার মহৎ উদ্দেশ্যের কথা বললাম তখন মাফ চেয়ে নিয়েছে।
তোমার আম্মু কিছু বলেন নি?
আম্মুও সায়মার মতো বলেছিল। পরে আমি যখন তোমার আমার গভীর সম্পর্কের কথাও আমাদের উদ্দেশ্যের কথা বললাম তখন শুধু রাজি হননি, দোয়াও করেছেন।
আল্লাহর শুকরিয়া আদায় করে আব্দুস সাত্তার বলল, আম্মুর অসুখ, কাল সকালে দেশের বাড়িতে যাচ্ছি। কবে ফিরব আল্লাহকে মালুম। তুমি কোনো চিন্তা করো না। আব্বুকে রাজি করিয়ে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব ফিরব। দোয়া করো, “আল্লাহ যেন আমার মনের বাসনা পূরণ করেন।”
তাতো করবই। তুমি কিন্তু প্রতিদিন ফোন করে খালাআম্মার খবর জানাবে।
আম্মু নানির বাড়িতে গিয়ে অসুখে পড়েছে। ওখানে ফোন নেই। তবু খবর দেওয়ার চেষ্টা করব।
ফুফুআম্মা উম্মে কুলসুমও কী যাচ্ছেন?
ফুফুআম্মা আমার সঙ্গে যাচ্ছেন। উম্মে কুলসুমের স্বামী আব্দুল মজিদ এখন রাজশাহী মেডিকেলে আছে। ওরা ওখান থেকে যাবে।
মনে হচ্ছে, খালাআম্মার অবস্থা সিরিয়াস। নিলফামারী সদর হাসপাতালে বা ঢাকায় নিয়ে এসে চিকিৎসা করালে হয় না?
সে রকম বুঝলে নিশ্চয় তাই করব। এবার রাখি, খুব ভোরেই রওয়ানা দেব। কিছু কাজ বাকি আছে।
ঠিক আছে, রাখ বলে তাসনিম সালাম বিনিময় করে লাইন কেটে দিল।
ফোনে আব্দুস সাত্তার কি বলে জানার জন্য সায়মা আজ জেগেছিল। তাসনিম রিসিভার রাখার পর বলল, খালাআম্মার চিকিৎসার ব্যাপারে কী যেন বললি?
হ্যাঁ, ওর আম্মুর খুব অসুখ। কাল ফুফুআম্মাকে নিয়ে দেশে যাচ্ছে। নে এবার শুয়ে পড়, একটা বাজে।
