সীতারাম » প্রথম খণ্ড : দিবা-গৃহিণী

বর্ণাকার

দেবী চৌধুরাণী » প্রথম খণ্ড

বর্ণাকার

আনন্দমঠ » প্রথম খণ্ড

বর্ণাকার

রাজসিংহ » প্রথম খণ্ড : চিত্রে চরণ

বর্ণাকার

কৃষ্ণকান্তের উইল » প্রথম খণ্ড

বর্ণাকার

রজনী » প্রথম খণ্ড : রজনীর কথা

বর্ণাকার

চন্দ্রশেখর » প্রথম খণ্ড : পাপীয়সী

বর্ণাকার

মৃণালিনী » প্রথম খণ্ড

বর্ণাকার

কপালকুণ্ডলা » প্রথম খণ্ড

বর্ণাকার

দেবী চৌধুরাণী

প্রথম খণ্ড

রাজসিংহ উপন্যাসটি আটটি খণ্ড ও একটি উপসংহার অংশে বিন্যস্ত। আটটি খণ্ডের নাম যথাক্রমে “চিত্রে চরণ”, “নন্দনে নরক”, “বিবাহে বিকল্প”, “রন্ধ্রে রন্ধ্রে”, “অগ্নির আয়োজন”, “অগ্নি উৎপাদন”, “অগ্নি জ্বলিল” ও “আগুনে কে কে পুড়িল?” এবং উপসংহার অংশটি “গ্রন্থকারের নিবেদন” নামে নামাঙ্কিত।

প্রথম খণ্ডে মোট পাঁচটি পরিচ্ছেদ আছে। এগুলির নাম যথাক্রমে “তসবীরওয়ালী”, “চিত্রে চরণ”, “চিত্রবিচারণ”, “বুড়ি বড় সতর্ক” ও “দরিয়াবিবি”। রাজকন্যা চঞ্চলকুমারী কর্তৃক ঔরঙ্গজেবের চিত্রে পদাঘাতের কী প্রতিক্রিয়া হল, তাই এই খণ্ডের বিষয়বস্তু।

এক বুড়ি ছবিওয়ালি রূপনগরের রাজপ্রাসাদে বিভিন্ন রাজা-রাজড়াদের ছবি দেখাতে এসেছে। এই ঘটনা দিয়েই উপন্যাসের সূত্রপাত। রাজকন্যা চঞ্চলকুমারী বুড়ির কাছ থেকে ঔরঙ্গজেবের ছবি কিনে সেটিকে লাথি মেরে ভেঙে ফেললেন। রাণা রাজসিংহের বীরমূর্তি রাজকন্যার পছন্দ হল। চঞ্চলকুমারী তাঁর কেনা ছবিগুলির মধ্যে থেকে বারবার রাজসিংহের ছবিটি দেখতে লাগলেন। তাঁর এই দুর্বলতাটি সখী নির্মলকুমারীর কাছে ধরা পড়ে গেল। এদিকে ছবিওয়ালি বুড়ি যাতে রাজকুমারীর চিত্রদলনের খবরটি দিল্লিতে কাউকে না বলে, তার জন্য রাজকুমারীর এক সখী তাকে কিছু বখশিশ দিয়েছিল। কিন্তু বুড়ি তার ছেলের কাছে কথাটি বলার জন্য ছটফট করতে লাগল। শেষপর্যন্ত বলেই ফেলল। বুড়ির পুত্রবধূ সেই খবরটি দরিয়াবিবি নামে একটি স্ত্রীলোককে বলল। দরিয়াবিবি রওনা হল খবরটি বাদশাহের হারেমে বিক্রি করার জন্য।

রজনীর কথা

প্রথম খণ্ড

প্রথম খণ্ডের সূচি