» সিভিলিয়ান হিট

: এক জওয়ান : স্যার, দুজন সিভিলিয়ান হিট হয়ে খাদে পড়ে গেছে বলে মনে হচ্ছে; কানে ইয়ারপ্লাগ লাগিয়ে গান শুনছিল মনে হয়, ট্র্যানসেন্ড বা মোবাইল থেকে, তাই আমাদের আর শত্রুদের ফায়ারিঙের আওয়াজ শুনতে পায়নি। অ্যাসিস্ট্যান্টContinue Reading

» স্মৃতির জার

: ছয় বাবা-মার জন্য স্মৃতির জারকে আচ্ছন্ন সুশান্তর মন কেমন করে মাঝেসাঝে, তখন গ্যাঁজানো তরমুজের চোলাই-করা সোমরস নিয়ে বসেন, সঙ্গে শুয়োরের মাংসের বড়া, আদা-রসুন-পেঁয়াজবাটা আর বেসন মাখা, হামান দিস্তায় থেঁতো করা মাংসের বড়া, সাদা তেলেContinue Reading

» দণ্ডকারণ্যে যাবো

: এগার দণ্ডকারণ্যে যাবো আপনার বাড়ি, যদি নিয়ে যান কখনও। আর হ্যাঁ, আমি কয়েকদিনের জন্য বাড়ি যাবো, আপনি আমার অ্যাবসেন্সটা ম্যানেজ করে দেবেন। আপনি তো পি এইচ ডি করছেন, অসুবিধা হবার কথা নয়। অপু বললContinue Reading

» বনবিভাগের বিট মার্শাল

: ষোল বনবিভাগের বিট মার্শাল : দুজন পোচারের বডি পড়ে আছে স্যার। বনবিভাগের রেঞ্জ অ্যাসিস্ট্যান্ট : দেখে তো পোচার মনে হচ্ছে না। টিম্বার মাফিয়ার এজেন্ট শালারা, নিশ্চই। বনবিভাগের বিট মার্শাল : টিম্বার মাফিয়ার এজেন্টদের আমিContinue Reading

অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র

» মানুক দেওতার রহস্য সন্ধানে

এক সে কীরে, ব্যাংকক! তপনের বন্ধুরা শুনে আঁতকে উঠল। কেন, তাতে কী? তপন দৃঢ়স্বরে জানায়, লোকে ইউরোপ—আমেরিকায় যাচ্ছে না? পড়তে যাচ্ছে, চাকরি করতে যাচ্ছে। এ—তো ঢের কাছে। ব্যাংকক চমৎকার শহর। আর। সুনীলদা বলেছে চাকরিটাও ভালো।Continue Reading

অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র

» রক্তচোষা

গ্রীষ্মের ছুটির শেষ দিক। আমি আর সুনন্দ বেড়াতে গেলাম ঘাটশিলায়। সুনন্দর মামার একটা বাড়ি আছে ঘাটশিলায়। কেউ বড় যায়—টায় না। বন্ধই থাকে। বারোমাস। একজন মালি বাড়ি আগলায়। সুতরাং ইচ্ছে ছিল নির্বিঘ্নে আড্ডা মারব। এ বেড়াব।Continue Reading

অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র

» বাস্তেন দ্বীপে অভিযান

এক সুনন্দ হঠাৎ খপ করে আমার হাতটা চেপে ধরে বলল, দাঁড়া। সামনে একটা ছিনতাই কেল মনে হচ্ছে। দেখি ব্যাপারটা? দুজনে স্তব্ধ হয়ে যাই। একটু সরে গেলাম পাশে গাছের ছায়ার আড়ালে। চুপচাপ দেখতে থাকি।  কলকাতা শহর।Continue Reading

অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র

» কেল্লাপাহাড়ের গুপ্তধন

এক চৈত্র মাস। রতন এসে প্রস্তাব দিল, চল, কেওঞ্ঝরগড় বেড়িয়ে আসি। ছোটকাকার বাড়ি। রতন ও আমি ছেলেবেলার বন্ধ। ও ভতত্তের ছাত্র, আপাতত গবেষণা করছে। আমার বিষয় প্রাচীন ভারতীয় ইতিহাস। আমিও গবেষণা করছি একটি ফেলোশিপ পেয়ে—প্রত্নতত্ত্বContinue Reading

ঠাকুরবাড়ির আঙিনায়

» ঠাকুরবাড়ির আঙিনায়

‘ঠাকুরবাড়ির আঙ্গিনায়’ পল্লীকবি জসিম উদ্দীনের স্মৃতিকথামূলক গ্রন্থ। গ্রন্থটির প্রকাশিকা নন্দিতা বসু; গ্রন্থপ্রকাশ, ৬-১ রমানাথ মজুমদার স্ট্রীট, কলিকাতা -৯। প্রচ্ছদ এঁকেছিলেন কানাই পাল। মুদ্রাকর কার্তিকচন্দ্র পাণ্ডা; মুদ্রণী, ৭১ নং কৈলাসবোস ষ্ট্রীট, কলিকাতা ৬। গ্রন্থটির উৎসর্গপত্রে কবিContinue Reading

ঠাকুরবাড়ির আঙিনায়

» রবীন্দ্র-তীর্থে

এতদিন পরে কিছুতেই ভালমত মনে করিতে পারিতেছি না, কোন সময়ে প্রথম রবীন্দ্রনাথের নাম শুনি। আবছা একটু মনে পড়িতেছে, আমাদের গ্রামের নদীর ধারে দুইটি ভদ্রলোক কথা বলিতেছিলেন। একজন বলিলেন, “অমুক কবি কবিতা লিখে এক লক্ষ টাকাContinue Reading

ঠাকুরবাড়ির আঙিনায়

» অবন ঠাকুরের দরবারে

কলিকাতা গেলেই আমি কল্লোল-আফিসে গিয়া উঠিতাম। সেবার কলিকাতা গেলে কল্লোলের সম্পাদক দীনেশরঞ্জন দাশ আমাদের সকলকার দীনেশদা বলিলেন অবনীন্দ্রনাথ তোমার সঙ্গে আলাপ করতে চান। কাল তোমাকে তার কাছে নিয়ে যাব। কল্লোলে প্রকাশিত তোমার মুর্শিদা-গান প্রবন্ধটি পড়েContinue Reading

» একটু পরে রোদ উঠবে

গ্রন্থপরিচয় প্রচেত গুপ্ত রচিত উপন্যাস ‘একটু পরে রোদ উঠবে’ প্রথম প্রকাশিত হয় জানুয়ারি ২০১৭; প্রকাশক পত্রভারতী। প্রচ্ছদ এঁকেছেন সৌজন্য চক্রবর্তী। উপন্যাসটির উৎসর্গ পাতায় লেখা আছে— পৌলোমী বসু ব্রাত্য বসু সুজনেষু লেখকের কথা এক শীত শীতContinue Reading

» প্রথম কিস্তি

এক খুব বেশি হলে পনেরো সেকেন্ড। তার থেকেও কম হতে পারে। গুনে গুনে ক’টা কথা। একবার পেটের কাছে চুলকুনি আর একটু চোঁয়া ঢেকুর। তাও পুরো ঢেকুর নয়, আধখানা ঢেকুর। সেই ঢেকুর গলার কাছ পর্যন্ত এসেContinue Reading

» দ্বিতীয় কিস্তি

এগার অপকারীর বিপদ আসে যেচে, পরোপকারীর বিপদ আসে নেচে। এই প্রবাদ কোনও সত্যি প্রবাদ নয়, মেঘবতীর বানানো। বরের জন্য বানিয়েছে। এর মানে হল, কারও অপকার করলে বিপদ নিজে থেকেই ডেকে আনা হয়, কিন্তু কারও উপকারContinue Reading

» তৃতীয় কিস্তি

একুশ কমলকান্তি শান্তভাবে বললেন, ‘কী করবি?’ বারিধারা বলল, ‘দাদু, তুমি জানো, আমি কী করব।’ কমলকান্তি বললেন, ‘আন্দাজ করতে পারছি। মোস্ট ইনটেলিজেন্ট লিস্টে এক নম্বরে যে বোকার নাম রয়েছে, এই ধরনের সিচুয়েশনে সে কী করতে পারে,Continue Reading

» চতুর্থ কিস্তি

একত্রিশ ‘দ্য ক্যালকাটা’ হোটেলের ঘরে ঢুকে বৈশাখী সান্যাল অবাক হলেন। এই দুনিয়ায় ঠকবাজ, জালিয়াত, দু’নম্বরী লোকদের দেখতে বেশি ভদ্রলোকের মতো হয়। অরিজিনালের থেকে বেশি। পোশাক-আশাক ফিটফাট। কথাবার্তা, চালচলন, জুতো পালিশের মতো চকচকে। হয় শুদ্ধ বাংলা,Continue Reading

» পঞ্চম কিস্তি

একচল্লিশ তমসা আরেক হাত ভাত তুলে দিল অর্চিনের প্লেটে। অন্য কোনও সময় হলে অর্চিন বারণ করত, আজ করল না। তার খিদে পেয়েছে। থানা থেকে বেরিয়ে ইউনিভার্সিটিতে চলে যাচ্ছিল অর্চিন। শেখর আটকাল। ‘আমার বাড়িতে চল। খেয়েContinue Reading

» ষষ্ঠ কিস্তি

একান্ন কর্ণিকা বাড়িতে ঢুকেই থমকে দাঁড়াল। ড্রইংরুমে দুজন মহিলা বসে। এদের মধ্যে একজনকে কর্ণিকা চেনে। মায়ের দূর সম্পর্কের আত্মীয়। করবী মাসি। টালিগঞ্জের দিকে কোথায় যেন থাকে। অন্যজনকে চিনতে পারছে না। করবী মাসি সোফায় বসে আছেন,Continue Reading

» সপ্তম কিস্তি

একষট্টি ‘ওই কে এলে আকাশ পরে দিক-ললনার প্রিয়/ চিত্তে আমার লাগল তোমার ছায়ার উত্তরীয়…’ মণিকুন্তলা গান করছেন। গলা খুলে নয়, গুনগুন করে। তিনি ছোট মেয়ের ঘর গোছাতে এসেছেন। বাসি জামা, বিছানার চাদর,  বালিশের ওয়াড় আলাদাContinue Reading

অদ্ভুতুড়ে সিরিজ

» অদ্ভূতুড়ে সিরিজ

শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যয়ের অদ্ভুতুড়ে চমৎকার একটা সিরিজ। ছোটদের জন্য রচিত প্রায় চল্লিশের বেশি গল্প নিয়ে তৈরি হয়েছে ‘অদ্ভুতুড়ে সিরিজ’। শিশু-কিশোরদের জন্য এই লেখাগুলোর অন্যতম বৈশিষ্ট্য হল সহজ সরল সরস বর্ণনা। প্রচুর হাস্যরস ও রহস্য মেশানো এইContinue Reading