» দ্বিতীয় অধ্যায়

জন্ম, কোষ্ঠী-বিচার, পাঠশালার শিক্ষা, পাঠশালায় প্রতিভা, বাল্য-চাপল্য, বাল্য-প্রতিভা, কলিকাতায় আগমন, পীড়িত অবস্থায় প্রতিগমন, পুনরাগমন ও শিক্ষার ব্যবস্থা। ১২২৭ সালের ১২ই আশ্বিন বা ১৮২০ খৃষ্টাব্দের ২৬শে সেপ্টেম্বর মঙ্গলবার দিবা দ্বিপ্রহরের সময় ঈশ্বরচন্দ্র জন্মগ্রহণ করেন। ঈশ্বরচন্দ্র যখনContinue Reading

» তৃতীয় অধ্যায়

সংস্কৃত কলেজে ভর্ত্তি, সংস্কৃত কলেজের উদ্দেশ্য ও প্রতিষ্ঠা, তাৎকালিক শিক্ষার অবস্থা, ভবিষ্যৎ আভাস, ব্যাকরণ-শিক্ষা, কলেজের অধ্যাপক, বেতন-ব্যবস্থার ফল, পিতার শাসন, ব্যাকরণে প্রতিপত্তি ও পুরস্কার, একগুঁয়েমি, অধ্যয়ন ও অধ্যবসায়, কাব্যের শিক্ষা ও প্রতিষ্ঠা, দারিদ্র্য-কঠোরতা এবং ব্যাকরণContinue Reading

» চতুর্থ অধ্যায়

বিবাহ, শ্বশুরের পরিচয়, অলঙ্কারে প্রতিষ্ঠা, দয়া, সখ, ও শ্রম। ঈশ্বরচন্দ্রের ভূয়সী খ্যাতি-প্রতিপত্তি হওয়ায়, নিকটবর্ত্তী গ্রামবাসীদের মধ্যে অনেকে তাঁহাকে কন্যা সমর্পণ করিবার জন্য লালায়িত হন। ক্ষীরপাইনিবাসী শত্রুঘ্ন ভট্টাচার্য্য মহাশয়ের সপ্তমবর্ষীয়া কন্যা দিনময়ীর সহিত তাঁহার বিবাহ হয়।Continue Reading

» পঞ্চম অধ্যায়

স্মৃতিতে প্রতিষ্ঠা, পিতৃভক্তির পরিচয়, বেদান্ত-পাঠ, পিতৃঋণে কষ্ট, ন্যায়-দর্শনে প্রতিষ্ঠা, ব্যাকরণের অধ্যাপকতা, পাঠ-সমাপ্তি ও প্রশংসাপত্র। অলঙ্কারের পাঠ সমাপ্ত হইলে পর, ১২৪৪ সালে বা ১৮৩৭ খৃষ্টাব্দে ঈশ্বরচন্দ্র স্মৃতির শ্রেণীতে প্রবেশ করেন। তৎকালে কলেজে স্মৃতির পূর্ব্বে ন্যায়-দর্শন ওContinue Reading

» ষষ্ঠ অধ্যায়

সংস্কৃত-রচনা, পরীক্ষার ব্যবস্থা, পরীক্ষার রচনা, অনুরোধে রচনা, স্বেচ্ছায় রচনা ও আমাদের বক্তব্য। কলেজের পাঠ সমাপ্ত করিয়া ঈশ্বরচন্দ্র চাকুরীতে প্রবৃত্ত হন। পরবর্ত্তী অধ্যায় হইতে তদ্বিবরণের বিবৃতি আরম্ভ হইবে। সংস্কৃত কলেজে পাঠের সময় তিনি যে সব রচনাContinue Reading

» সপ্তম অধ্যায়

কার্য্যাভাস, চাকুরিতে প্রবেশ, সাহেবের গুণগ্রাহিতা, ফোর্ট উইলিয়ম্‌ কলেজ, ইংরেজি শিক্ষা, অক্ষয়কুমার দত্তের সহিত পরিচয়, মহাভারত-অনুবাদ ও অধ্যাপনা প্রণালী। পাঠ্যাবস্থার অবসানে কার্য্য-কালের প্রারম্ভ। এইবার কার্য্যবীর বিদ্যাসাগর কার্য্যক্ষেত্রে অবতীর্ণ হইলেন। কার্য্যময় সংসারে কার্য্যের কীর্ত্তি বিদ্যাসাগর মহাশয়ের বহুContinue Reading

» অষ্টম অধ্যায়

প্রতিষ্ঠা-প্রতিপত্তি, বাঙ্গালা চিঠি, শিক্ষা-বিভাগের পরিবর্ত্তন, পিতার কার্য্য-ত্যাগ, বাসার অবস্থা, সহৃদয়তার পরিচয়, প্রতিশ্রুতি-পালন, চলচ্ছক্তির প্রমাণ, বীরসিংহে কৌতুক, দুর্ব্বলে দয়া, মাতৃ-ভক্তি, সংস্কৃত-রচনা, তেজস্বিতা, পদ-পরিবর্ত্তন ও গুণগ্রাহিতা। ফোর্ট উইলিয়ম্ কলেজে চাকুরি করিবার পূর্ব্বে পাঠ্যবস্থাতেও বিদ্যাসাগর মহাশয়, নিজ-গুণগ্রামে শিক্ষাবিভাগেরContinue Reading

» নবম অধ্যায়

বাসুদেব চরিত ও সাহিত্য-সন্ধান। ফোর্ট উইলিয়ম কলেজে প্রবেশ করিবার পর, বিদ্যাসাগর মহাশয় কলেজের কর্ত্তৃপক্ষ কর্ত্তৃক সুপাঠ্য বাঙ্গালা গদ্য পাঠ্য পুস্তক প্রণয়ন করিবার জন্য অনুরুদ্ধ হন। সেই অনুরোধের বশবর্ত্তী হইয়া তিনি “বাসুদেব-চরিত” নামক একখানি গ্রন্থ রচনাContinue Reading

» দশম অধ্যায়

প্রতিপত্তি-পরিচয়, ফোর্ট উইলিয়ম্‌ কলেজের কার্য্যত্যাগ, সংস্কৃত কলেজের আসিষ্টাণ্ট সেক্রেটারীর পদে নিয়োগ, কলেজের সংস্কার, তেজস্বিতা, গুণগ্রাহিতা, ভ্রাতৃবিয়োগ, কলেজের কার্য্য ত্যাগ ও সখের কাজ। ফোর্ট উইলিয়ম্ কলেজে চাকুরী করিবার সময় কেবল সিবিলিয়ন সাহেব সম্প্রদায় কেন; তাৎকালিক এContinue Reading

» একাদশ অধ্যায়

বেতাল-পঞ্চবিংশতি, সংস্কৃত-যন্ত্র ও কবি-প্রীতি। ১৮৪৭ খৃষ্টাব্দে বা ১২৫৪ সালে বিদ্যাসাগর মহাশয় মার্সেল্‌ সাহেবের অনুরোধে হিন্দী “বৈতাল পঁচ্চিসী” নামক গ্রন্থের বাঙ্গালা অনুবাদ করেন। “বেতাল-পঞ্চবিংশকা” নামক একখানি সংস্কৃত গ্রন্থও আছে। বিদ্যাসাগর মহাশয়, স্বয়ং সুগভীর সংস্কৃতজ্ঞ হইয়াও, মূলContinue Reading

» দ্বাদশ অধ্যায়

বাঙ্গালা-ইতিহাস, দুর্গাচরণের পরিচয়, ফোর্র্ট উইলিয়ম্ কলেজে পুনঃ প্রবেশ, ইংরেজি লিপি-পটুতা, শুভঙ্করী, জুনিয়র সিনিয়র পরীক্ষা, গুণবানের পুরস্কার, পুত্রের জন্ম ও ভ্রাতৃবিয়োগ। ১২৫৬ সালে বা ১৮৪৯ খৃষ্টাব্দে বিদ্যাসাগর মহাশয় মার্শমান্ সাহেব কৃত হিষ্টরি অব্ বেঙ্গল (History ofContinue Reading

দোলন-চাঁপা প্রচ্ছদ

» অভিশাপ

যেদিন আমি হারিয়ে যাব, বুঝবে সেদিন বুঝবে, অস্তপারের সন্ধ্যাতারায় আমার খবর পুছবে- বুঝবে সেদিন বুঝবে।    ছবি আমার বুকে বেঁধে পাগল হয়ে কেঁদে কেঁদে ফিরবে মরু কানন গিরি, সাগর আকাশ বাতাস চিরি যেদিন আমায় খুঁজবে-Continue Reading

চক্রবাক

» অপরাধ শুধু মনে থাক

মোর অপরাধ শুধু মনে থাক! আমি হাসি, তার আগুনে আমারি অন্তর হোক পুড়ে খাক! অপরাধ শুধু মনে থাক! নিশীথের মোর অশ্রুর রেখা প্রভাতে কপোলে যদি যায় দেখা, তুমি পড়িও না সে গোপন লেখা গোপনে সেContinue Reading

সন্ধ্যা - কাজী নজরুল ইসলাম

» অন্ধ স্বদেশ-দেবতা

ফাঁসির রশ্মি ধরি আসিছে অন্ধ স্বদেশ-দেবতা, পলে পলে অনুসরি মৃত্যু-গহন-যাত্রীদলের লাল পদাঙ্ক-রেখা। যুগযুগান্ত-নির্জিত-ভালে নীল কলঙ্ক-লেখা! নীরন্ধ্র মেঘে অন্ধ আকাশ, অন্ধ তিমির রাতি, কুহেলি-অন্ধ দিগন্তিকার হস্তে নিভেছে বাতি,− চলে পথহারা অন্ধ দেবতা ধীরে ধীরে এরি মাঝে,Continue Reading

সন্ধ্যা - কাজী নজরুল ইসলাম

» পাথেয়

দরদ দিয়ে দেখল না কেউ যাদের জীবন যাদের হিয়া, তাদের তরে ঝড়ের রথে আয় রে পাগল দরদিয়া। শূণ্য তোদের ঝোলা-ঝুলি, তারই তোরা দর্প নিয়ে দর্পীদের ওই প্রাসাদ-চূড়ে রক্ত-নিশান যা টাঙিয়ে। মৃত্যু তোদের হাতের মুঠায়, সেইContinue Reading

সন্ধ্যা - কাজী নজরুল ইসলাম

» দাড়ি-বিলাপ

হে আমার দাড়ি! একাদশ বর্ষ পরে গেলে আজি ছাড়ি আমারে কাঙাল করি, শূন্য করি বুক! শূন্য এ চোয়াল আজি শূন্য এ চিবুক! তোমার বিরহে বন্ধু, তোমার প্রেয়সী ঝুরিছে শ্যামলী গুম্ফ ওষ্ঠকূলে বসি! কপোল কপাল ঠুকিContinue Reading

সন্ধ্যা - কাজী নজরুল ইসলাম

» তর্পণ

(স্বর্গীয় দেশবন্ধুর চতুর্থ বার্ষিক শ্রাদ্ধ উপলক্ষে) − আজিও তেমনি করি আষাঢ়ের মেঘ ঘনায়ে এসেছে ভারত-ভাগ্য ভরি। আকাশ ভাঙিয়া তেমনই বাদল ঝরে সারা দিনমান, দিন না ফুরাতে দিনের সূর্য মেঘে হল অবসান! আকাশে খুঁজিছে বিজলি প্রদীপ,Continue Reading

সন্ধ্যা - কাজী নজরুল ইসলাম

» না–আসা দিনের কবির প্রতি

জবা-কুসুম-সংকাশ রাঙা অরুণ রবি তোমরা উঠিছ; না-আসা দিনের তোমরা কবি। যে-রাঙা প্রভাত দেখিবার আশে আমরা জাগি তোমরা জাগিছ দলে দলে পাখি তারই-র লাগি। স্তব-গান গাই আমি তোমাদেরই আসার আশে, তোমরা উদিবে আমার রচিত নীল আকাশে।Continue Reading

চোখের চাতক

» চোখের চাতক

‘চোখের চাতক’ প্রথম সংস্করণ প্রকাশিত হয় ১৩৩৬ বঙ্গাব্দের অগ্রহায়ণ মুতাবিক ১৯২৯ খ্রিস্টাব্দের ডিসেম্বরে। প্রকাশক শ্রীগোপালদাস মজুমদার; ডি. এম. লাইব্রেরি, ৬১ কর্ণওয়ালিশ ষ্ট্রীট, কলিকাতা। মুদ্রাকর শ্রীসতীশচন্দ্র রায়, সুধা প্রেস, ১৯৮/১ কর্ণওয়ালিশ ষ্ট্রীট, কলিকাতা। পৃষ্ঠা সংখ্যা ৪+৭৮;Continue Reading

চোখের চাতক

» আমার কোন কূলে আজ ভিড়ল তরী

১ খাম্বাজ-পিলু–দাদরা আমার কোন কূলে আজ ভিড়ল তরী এ কোন্ সোনার গাঁয়। আমার ভাটির তরী আবার কেন উজান যেতে চায়॥ আমার দুঃখেরে কাণ্ডারী করি আমি ভাসিয়েছিলাম ভাঙা তরী, তুমি ডাক দিলে কে স্বপনপরী নয়ন-ইশারায়॥ আমারContinue Reading