২
জয়জয়ন্তী–একতালা

২
জয়জয়ন্তী–একতালা

৩
খাম্বাজ–দাদরা

৪
পুরবী–একতালা
কে তুমি দূরের সাথী
এলে ফুল ঝরার বেলায়।
বিদায়ের বংশী বাজে
ভাঙা মোর প্রাণের মেলায়॥
গোধূলির মায়ায় ভুলে
এলে হায় সন্ধ্যা-কূলে,
দীপহীন মোর দেউলে
এলে কোন্ আলোর খেলায়॥
সেদিনও প্রভাতে মোর
বেজেছে আশাবরি,
পুরবীর কান্না শুনি
আজি মোর শূন্য ভরি।
অবেলায় কুঞ্জবীথি
এলে মোর শেষ অতিথি,
ঝরা ফুল শেষের গীতি
দিনু দান তোমার গলায়॥

৫
মিঁয়া কী মল্লার–কাওয়ালি

৬
ভৈরবী-আশাবরি–আদ্ধা কাওয়ালি

৭
ভৈরবী-গজল–দাদরা

৮
মান্দ–কাহারবা

৯
ভৈরবী–দাদরা

১০
পিলু–কাহারবা

১১
ভৈরবী–দাদরা
নিশীথ-স্বপন তোর
ভুলে যা এ নিশি-শেষে
বাদল-অবসানে
আকাশ উঠেছে হেসে॥
চখার পাশে আসে
বিরহ-রাতের চখি।
আঁধার লুকাল ঐ
দূর বনে এলোকেশে॥
শরম-রাঙা গালে
জাগিল কুমারী উষা,
তরুণ অরুণ ঐ
এল রাঙা বর-বেশে॥

১২
বাগেশ্রী–কাওয়ালি
ঘোর তিমির ছাইল
রবি শশী গ্রহ তারা।
কাঁপে তরাসে ভীতা ধরণী
অসীম আঁধারে হারা॥
প্রলয়েশ মহাকাল
এলায়েছে জটাজাল,
নাচিছে ঝড়ের বেগে
সুরধুনী-জলধারা॥
চমকি চমকি ওঠে
চপলা চপল-ফণা,
লুকাইল শিশুশশী,
মুরছিতা দিগঙ্গনা।
চাতকী চাতক-বুকে
বিভল কাঁদিয়া সারা॥

১৩
জয়জয়ন্তী–একতালা

১৪
খাম্বাজ-দেশ–দাদরা
এত কথা কি গো কহিতে জানে
চঞ্চল ওই আঁখি।
নীরব ভাষায় কী যে কহে যায়
মনের বনের পাখি–
চঞ্চল ওই আঁখি॥
মুদিত কমলে ভ্রমরেরই প্রায়
বন্দি হইয়া কাঁদিয়া বেড়ায়,
চাহিয়া চাহিয়া মিনতি জানায়
সুনীল আকাশে ডাকি–
চঞ্চল ওই আঁখি॥
বুঝিতে পারি না ও আঁখির ভাষা
জলে ডুবে তবু মিটে না পিয়াসা,
আদর সোহাগ প্রেম ভালোবাসা
অভিমান মাখামাখি॥
মানস-সায়রে মরালেরই প্রায়
গহন সলিলে ভেসে ভেসে চায়।
আমার হিয়ার নিভৃত ব্যথায়
সাধ যায় ধরে রাখি।
চঞ্চল ওই আঁখি॥

১৫
(শুদ্ধ) সারং–একতালা

১৬
ভাটিয়ালী–কাহারবা

১৭
ভাটিয়ালি–কার্ফা

১৮
ভাটিয়ালি–কার্ফা

১৯
ভাটিয়ালি–কাহারবা

২০
কীর্তন

২১
দেশ-পিলু–দাদরা