বেতাল পঞ্চবিংশতি
- বেতাল পঞ্চবিংশতি
- উপক্ৰমণিকা
- প্ৰথম উপাখ্যান
- দ্বিতীয় উপাখ্যান
- তৃতীয় উপাখ্যান
- চতুর্থ উপাখ্যান
- পঞ্চম উপাখ্যান
- ষষ্ঠ উপাখ্যান
- সপ্তম উপাখ্যান
- অষ্টম উপাখ্যান
- নবম উপাখ্যান
- দশম উপাখ্যান
- একাদশ উপাখ্যান
- দ্বাদশ উপাখ্যান
- ত্ৰয়োদশ উপাখ্যান
- চতুর্দশ উপাখ্যান
- পঞ্চদশ উপাখ্যান
- ষোড়শ উপাখ্যান
- সপ্তদশ উপাখ্যান
- অষ্টাদশ উপাখ্যান
- উনবিংশ উপাখ্যান
- বিংশ উপাখ্যান
- একবিংশ উপাখ্যান
- দ্বাবিংশ উপাখ্যান
- ত্ৰয়োবিংশ উপাখ্যান
- চতুর্বিংশ উপাখ্যান
- পঞ্চবিংশ উপাখ্যান
- উপসংহার
আল-কুরআনের শিক্ষা
- আল-কুরআনের শিক্ষা
- অনুবাদকের আরয
- আমরাও তোমাদের সাথে অপেক্ষারত
- লেখকের আরয
- অপশক্তিধরদের আলোকিত চিন্তা চেতনা
- আল্লাহ্ কি হিংস্রতা এবং জুলম করেন?
- মানবাধিকার ও আমেরিকা
- ইসলাম ও কুফুরীর দ্বন্ধ
- ফোরকানুল হকের উদ্দেশ্য ও পরিকল্পনা
- কোরআন সংরক্ষণের সংক্ষিপ্ত ইতিহাস
- কুরআন মাজীদের সাত ক়েরাত
- নে’মতের বহিঃপ্রকাশ
- কোরআন মাজীদের চেলেঞ্জ কি?
- ফোরকানুল হকের ফেতনা
- ফোরকানুল হকের শয়তানি
নব্য জাপান ও রুষ জাপান যুদ্ধের ইতিহাস
- নব্য জাপান ও রুষ জাপান যুদ্ধের ইতিহাস
- প্রথম সংস্করণের ভূমিকা।
- দ্বিতীয় সংস্করণের বিজ্ঞাপন।
- ভৌগলিক বৃত্তান্ত।
- ঐতিহাসিক বৃত্তান্ত: প্রাচীনযুগ।
- ঐতিহাসিক বৃত্তান্ত: মধ্যযুগ।
- ঐতিহাসিক বৃত্তান্ত: নবযুগ।
- ধর্ম্মপ্রণালী।
- সামাজিক রীতিনীতি।
- জাপানের শিক্ষা-প্রণালী।
- জাপানের সাহিত্য ও সংবাদপত্র।
- জাপান সাম্রাজ্যের গঠনপ্রণালী ও রাজনীতি।
- জাপানের বাণিজ্য।
- জাপানের সমর বল।
- জাপানের নানাকথা।
- রুষ ও জাপান যুদ্ধের ইতিহাস।
ইস্তাহার
- ইস্তাহার
- মুখবন্ধ
- ইস্তাহার
- মশাল
- জনতা
- আদিম ও আগামী
- চোখ
- জেহাদ
- রাজনীতি
- সঙ্কট
- বন্যা
- জবানবন্দী
- নেতা
- শকুনির পাশা
- মহাজীবন
- যৌথ
- জালিয়াত
- সাংবাদিক
- কুতুব মিনার
- বাংলা দেশ
- হিপি
- চন্দ্রকাব্য
- পিঞ্জরে বন্দী
- বেনামী সার্কাস
- আরশি
- রঙের গোলাম
- শোষক মশক
- মুক্তির নিমন্ত্রণ
- বীরবরণ
- জলছবি
- বিকল্প
- মুক
- প্রতিবাদ
- প্রস্তরমূর্তি
- নিরুপায়
- বিনষ্ট
- প্রস্থান
- সংশোধন
- বিবৃতি
- সেই লোকটি
- পলাতক
- মাটি ও মানুষ
- মৃত্যু
- গরীয়সী
- প্রণাম
পণ্ডিত মশাই
- পণ্ডিত মশাই
- পণ্ডিত মশাই
- প্রথম পরিচ্ছেদ : কুসুমের বাল্য-ইতিহাস
- দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ : বৃন্দাবনের সংসার
- তৃতীয় পরিচ্ছেদ : সোনার বালা
- চতুর্থ পরিচ্ছেদ : কুঞ্জনাথের বিবাহ
- পঞ্চম পরিচ্ছেদ : কাল একটি দিনের
- ষষ্ঠ পরিচ্ছেদ : মাস-খানেক হইল
- সপ্তম পরিচ্ছেদ : অনুতপ্ত দুষ্কৃতকারী
- অষ্টম পরিচ্ছেদ : তাহা না বুঝিলেও
- নবম পরিচ্ছেদ : অনেকদিন কাটিয়াছে
- একাদশ পরিচ্ছেদ : দোল-উৎসব
- দ্বাদশ পরিচ্ছেদ : পরদিন সকালেই
- ত্রয়োদশ পরিচ্ছেদ : স্বামী আবার
- চতুর্দশ পরিচ্ছেদ : ছয়দিন হইল
- পঞ্চদশ পরিচ্ছেদ : চরণের ক্ষুদ্র দেহ
পরিণীতা
- পরিণীতা
- পরিণীতা
- প্রথম পরিচ্ছেদ : শক্তিশেল
- দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ : শ্যামবাজারের
- তৃতীয় পরিচ্ছেদ : চারুবালার মা
- চতুর্থ পরিচ্ছেদ : এ পাড়ার একজন
- পঞ্চম পরিচ্ছেদ : গুরুচরণ লোকটি
- ষষ্ঠ পরিচ্ছেদ : নবীন রায়
- সপ্তম পরিচ্ছেদ : চায়ের মজলিস
- অষ্টম পরিচ্ছেদ : মাস-তিনেক পরে
- নবম পরিচ্ছেদ : সে রাত্রে
- দশম পরিচ্ছেদ : অসম্ভব বলিয়া
- একাদশ পরিচ্ছেদ : গুরুচরণ
- দ্বাদশ পরিচ্ছেদ : শেখর মাকে লইয়া
গৃহদাহ
- গৃহদাহ
- গৃহদাহ
- প্রথম পরিচ্ছেদ
- দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ
- তৃতীয় পরিচ্ছেদ
- চতুর্থ পরিচ্ছেদ
- পঞ্চম পরিচ্ছেদ
- ষষ্ঠ পরিচ্ছেদ
- সপ্তম পরিচ্ছেদ
- অষ্টম পরিচ্ছেদ
- নবম পরিচ্ছেদ
- দশম পরিচ্ছেদ
- একাদশ পরিচ্ছেদ
- দ্বাদশ পরিচ্ছেদ
- ত্রয়োদশ পরিচ্ছেদ
- চতুর্দশ পরিচ্ছেদ
- পঞ্চদশ পরিচ্ছেদ
- ষোড়শ পরিচ্ছেদ
- সপ্তদশ পরিচ্ছেদ
- অষ্টাদশ পরিচ্ছেদ
- ঊনবিংশ পরিচ্ছেদ
- বিংশ পরিচ্ছেদ
- পরিচ্ছেদ
- দ্বাবিংশ পরিচ্ছেদ
- ত্রয়োবিংশ পরিচ্ছেদ
- চতুর্বিংশ পরিচ্ছেদ
- পঞ্চবিংশ পরিচ্ছেদ
- ষড়্বিংশ পরিচ্ছেদ
- সপ্তবিংশ পরিচ্ছেদ
- অষ্টাবিংশ পরিচ্ছেদ
- ঊনত্রিংশ পরিচ্ছেদ
- ত্রিংশ পরিচ্ছেদ
- একত্রিংশ পরিচ্ছেদ
- দ্বাত্রিংশ পরিচ্ছেদ
- ত্রয়স্ত্রিংশ পরিচ্ছেদ
- চতুস্ত্রিংশ পরিচ্ছেদ
- পঞ্চত্রিংশ পরিচ্ছেদ
- ষড়্ত্রিংশ পরিচ্ছেদ
- সপ্তত্রিংশ পরিচ্ছেদ
- অষ্টাত্রিংশ পরিচ্ছেদ
- ঊনচত্বারিংশ পরিচ্ছেদ
- চত্বারিংশ পরিচ্ছেদ
- একচত্বারিংশ পরিচ্ছেদ
- দ্বিচত্বারিংশ পরিচ্ছেদ
- ত্রিচত্বারিংশ পরিচ্ছেদ
- চতুশ্চত্বারিংশ পরিচ্ছেদ
চন্দ্রনাথ
- চন্দ্রনাথ
- চন্দ্রনাথ
- প্রথম পরিচ্ছেদ : চন্দ্রনাথের পিতৃ-শ্রাদ্ধ
- দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ : দিন-দুই পরে
- তৃতীয় পরিচ্ছেদ : তাহার পর কতদিন
- চতুর্থ পরিচ্ছেদ : চন্দ্রনাথের মাতুলানী
- পঞ্চম পরিচ্ছেদ : বয়সের সন্মান-জ্ঞান
- ষষ্ঠ পরিচ্ছেদ : তখনও কথাটা
- সপ্তম পরিচ্ছেদ : সুলোচনা কোথায়?
- অষ্টম পরিচ্ছেদ : হরিদয়াল সমস্ত কথা
- নবম পরিচ্ছেদ : চন্দ্রনাথ কহিল
- দশম পরিচ্ছেদ : সেই রাত্রে সরযূ
- একাদশ পরিচ্ছেদ : সমস্ত রাত্রি
- দ্বাদশ পরিচ্ছেদ : হরিদয়ালের বাটীতে
- ত্রয়োদশ পরিচ্ছেদ : শরৎকালে
- চতুর্দশ পরিচ্ছেদ : ঘটনার পর
- পঞ্চদশ পরিচ্ছেদ : এই দুই বৎসর
- ষোড়শ পরিচ্ছেদ : চন্দ্রনাথ
- সপ্তদশ পরিচ্ছেদ : তখন স্বামী-স্ত্রীতে
- অষ্টাদশ পরিচ্ছেদ : কিন্তু চন্দ্রনাথ
- ঊনবিংশ পরিচ্ছেদ : বাড়ি পৌঁছিয়া
- বিংশ পরিচ্ছেদ : সে রাত্রে
দত্তা
- দত্তা
- দত্তা
- প্রথম পরিচ্ছেদ
- দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ
- তৃতীয় পরিচ্ছেদ
- চতুর্থ পরিচ্ছেদ
- পঞ্চম পরিচ্ছেদ
- ষষ্ঠ পরিচ্ছেদ
- সপ্তম পরিচ্ছেদ
- অষ্টম পরিচ্ছেদ
- নবম পরিচ্ছেদ
- দশম পরিচ্ছেদ
- একাদশ পরিচ্ছেদ
- দ্বাদশ পরিচ্ছেদ
- ত্রয়োদশ পরিচ্ছেদ
- চতুর্দশ পরিচ্ছেদ
- পঞ্চদশ পরিচ্ছেদ
- ষোড়শ পরিচ্ছেদ
- সপ্তদশ পরিচ্ছেদ
- অষ্টাদশ পরিচ্ছেদ
- ঊনবিংশ পরিচ্ছেদ
- বিংশ পরিচ্ছেদ
- একবিংশ পরিচ্ছেদ
- দ্বাবিংশ পরিচ্ছেদ
- ত্রয়োবিংশ পরিচ্ছেদ
- চতুর্বিংশ পরিচ্ছেদ
- পঞ্চবিংশ পরিচ্ছেদ
- ষড়্বিংশ পরিচ্ছেদ
পল্লী-সমাজ
- পল্লী-সমাজ
- পল্লী-সমাজ
- এক : বেণী ঘোষাল
- দুই : কুঁয়াপুরের বিষয়টা
- তিন : জ্যাঠাইমা!
- চার : এইমাত্র শ্রাদ্ধ শেষ
- পাঁচ : মধু পালের মুদীর দোকান
- ছয় : বিশ্বেশ্বরীর সেদিনের কথাটা
- সাত : হাঁ রে যতীন
- আট : আয় বাবা, ঘরে আয়
- নয় : যত রাগ করিয়াই
- দশ : মাস-তিনেক পরে
- এগার : দুইদিন অবিশ্রান্ত বৃষ্টিপাত
- বার : ছেলেবেলায় একদিন
- তের : আজ দুই মাস
- চৌদ্দ : বর্ষা শেষ হইয়া
- পনর : এমনি একটা আশঙ্কা
- ষোল : প্রতি বৎসর রমা
- সতর : বিশ্বেশ্বরী ঘরে ঢুকিয়া
- আঠার : কারা-প্রাচীরের বাহিরে
- উনিশ : সেইদিন অপরাহ্নে
শুভদা
- শুভদা
- প্রথম অধ্যায়
- প্রথম পরিচ্ছেদ
- দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ
- তৃতীয় পরিচ্ছেদ
- চতুর্থ পরিচ্ছেদ
- পঞ্চম পরিচ্ছেদ
- ষষ্ঠ পরিচ্ছেদ
- সপ্তম পরিচ্ছেদ
- অষ্টম পরিচ্ছেদ
- নবম পরিচ্ছেদ
- দশম পরিচ্ছেদ
- একাদশ পরিচ্ছেদ
- দ্বাদশ পরিচ্ছেদ
- ত্রয়োদশ পরিচ্ছেদ
- দ্বিতীয় অধ্যায়
- প্রথম পরিচ্ছেদ
- দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ
- তৃতীয় পরিচ্ছেদ
- চতুর্থ পরিচ্ছেদ
- পঞ্চম পরিচ্ছেদ
- ষষ্ঠ পরিচ্ছেদ
- সপ্তম পরিচ্ছেদ
- অষ্টম পরিচ্ছেদ
- নবম পরিচ্ছেদ
- দশম পরিচ্ছেদ
- একাদশ পরিচ্ছেদ
- দ্বাদশ পরিচ্ছেদ
- ত্রয়োদশ পরিচ্ছেদ
- চতুর্দশ পরিচ্ছেদ
- পঞ্চদশ পরিচ্ছেদ
- ষোড়শ পরিচ্ছেদ
- সপ্তদশ পরিচ্ছেদ
শ্রীকান্ত
- শ্রীকান্ত
- প্রথম পর্ব
- দ্বিতীয় পর্ব
- তৃতীয় পর্ব
- চতুর্থ পর্ব
- শ্রীকান্ত
- শ্রীকান্ত
- প্রথম পর্ব
- এক : আমার এই ‘ভবঘুরে’
- দুই : কয়েক মুহূর্তেই ঘনান্ধকারে
- তিন : বড় ঘুম পেয়েছে
- চার : পা আর চলে না
- পাঁচ : সমস্ত ব্যাপারটা শুনিতে
- ছয় : নিস্তব্ধ গভীর রাত্রে
- সাত : আজ একাকী গিয়া
- আট : লিখিতে বসিয়া
- নয় : মানুষের অন্তর
- দশ : সমস্ত ঘটনারই হেতু
- এগার : পিয়ারীর কাছে
- বার : যাহাতে অচৈতন্য
- দ্বিতীয় পর্ব
- এক : এই ছন্নছাড়া জীবনের
- দুই : এক-একটা কথা
- তিন : দিন পাঁচ-ছয় পরে
- চার : সেদিন এমন প্রবৃত্তি
- পাঁচ : কেরেন্টিন্ কারাবাসের
- ছয় : অভয়া ও রোহিণীদাদা
- সাত : পথে যাহাদের সুখ
- আট : রাজলক্ষ্মীর অনুরোধ
- নয় : আবার অভয়ার স্বামী
- দশ : হঠাৎ অভয়া
- এগার : মনোহর চক্রবর্তী
- বার : যখন মৃত্যুর পরওয়ানা
- তের : কলিকাতার ঘাটে
- চৌদ্দ : শ্রীমান বঙ্কুকে
- পনর : রাজলক্ষ্মী আমার
- তৃতীয় পর্ব
- এক : একদিন যে ভ্রমণকাহিনী
- দুই : বাঙ্গলার ম্যালেরিয়া
- তিন : সাঁইথিয়া স্টেশনে
- চার : সাধু জিজ্ঞাসা
- পাঁচ : সাধুজী ত স্বচ্ছন্দে
- ছয় : সকালে উঠিয়া শুনিলাম
- সাত : আপনাকে আপনি বিশ্লেষণ
- আট : পূর্বেই বলিয়াছি
- নয় : তাহাদের সম্বন্ধে
- দশ : মানুষের পরকালের
- এগার : সকালে উঠিয়া
- বার : সকালে খবর পৌঁছিল
- তের : সন্ধ্যা শেষ হইল
- চৌদ্দ : গঙ্গামাটির বাটীতে
- পনর : সন্ন্যাসী বজ্রানন্দ
- চতুর্থ পর্ব
- এক
- দুই : স্টেশনে পদার্পণ মাত্র
- তিন : সশব্দ উদ্গারে চমকিত
- চার : পৃথিবীর সর্বাপেক্ষা
- পাঁচ : গহরের খোঁজে আসিয়া
- ছয় : যদিচ ধর্মাচরণে
- সাত : আজ আমাকে বৈষ্ণবী
- আট : এখানে আর একদণ্ডও
- নয় : আজ অবেলায়
- দশ : ওগো, ওঠো
- এগার : পরদিন আমার অনিচ্ছায়
- বার : রাজলক্ষ্মীর প্রশ্নের উত্তরে
- তের : এক সকালে স্বামীজী
- চৌদ্দ : সমস্ত পথ চোখ যাহাকে
দ্বিতীয় পর্ব
- দ্বিতীয় পর্ব
- এক : এই ছন্নছাড়া জীবনের
- দুই : এক-একটা কথা
- তিন : দিন পাঁচ-ছয় পরে
- চার : সেদিন এমন প্রবৃত্তি
- পাঁচ : কেরেন্টিন্ কারাবাসের
- ছয় : অভয়া ও রোহিণীদাদা
- সাত : পথে যাহাদের সুখ
- আট : রাজলক্ষ্মীর অনুরোধ
- নয় : আবার অভয়ার স্বামী
- দশ : হঠাৎ অভয়া
- এগার : মনোহর চক্রবর্তী
- বার : যখন মৃত্যুর পরওয়ানা
- তের : কলিকাতার ঘাটে
- চৌদ্দ : শ্রীমান বঙ্কুকে
- পনর : রাজলক্ষ্মী আমার
অনন্ত দ্রাঘিমা
- অনন্ত দ্রাঘিমা
- চৌদ্দ : গঙ্গামাটির বাটীতে
- চতুর্থ পর্ব
- এক
- দুই : স্টেশনে পদার্পণ মাত্র
- তিন : সশব্দ উদ্গারে চমকিত
- চার : পৃথিবীর সর্বাপেক্ষা
- পাঁচ : গহরের খোঁজে আসিয়া
- ছয় : যদিচ ধর্মাচরণে
- সাত : আজ আমাকে বৈষ্ণবী
- আট : এখানে আর একদণ্ডও
- নয় : আজ অবেলায়
- দশ : ওগো, ওঠো
- এগার : পরদিন আমার অনিচ্ছায়
- বার : রাজলক্ষ্মীর প্রশ্নের উত্তরে
- তের : এক সকালে স্বামীজী
- চৌদ্দ : সমস্ত পথ চোখ যাহাকে
শরৎ গল্প সমগ্র
- শরৎ গল্প সমগ্র
- বিন্দুর ছেলে
- রামের সুমতি
- পথ-নির্দেশ
- মেজদিদি
- দর্পচূর্ণ
- আঁধারে আলো
- বোঝা
- মন্দির
- অনুপমার প্রেম
- হরিচরণ
- স্বামী
- একাদশী বৈরাগী
- ছবি
- বিলাসী
- মামলার ফল
- হরিলক্ষ্মী
- মহেশ
- বাল্যস্মৃতি
- অভাগীর স্বর্গ
- অনুরাধা
- সতী
- পরেশ
- লালু
- ছেলেধরা
- কলকাতার নতুন-দা
- বছর-পঞ্চাশ পূর্বের একটা দিনের কাহিনী
- দেওঘরের স্মৃতি
- কোরেল
- বিচার
- অন্তর্যামী
- জাগরণ
- আগামীকাল
লিঙ্গপুরাণ
- লিঙ্গপুরাণ
- জ্যোতিষ
- গোহত্যা, গোমাংস ও গোমাতার ইতিবৃত্ত
- সরস্বতী
- ব্রাহ্মণ্যবাদ এবং ভারতীয় সমাজ
- মনু, মনুসংহিতা এবং হিন্দুবাদের ভারতবর্ষ
- লিঙ্গপুরাণ
- মোহে-নির্মোহে নগ্নতা
- আঁধারে আলো
- এক : সে অনেকদিনের কথা
- দুই : একফোঁটা রাধারানীকে
- তিন : রমণী যে প্রত্যহ
- চার : জ্ঞানীরা কহিয়াছেন
- পাঁচ : সকালবেলা স্নান করিয়া
- ছয় : চার বৎসর পরের কথা
অপ্রকাশিত রচনাবলী
- অপ্রকাশিত রচনাবলী
- নারীর লেখা
- কানকাটা
- ক্ষুদ্রের গৌরব
- সমাজ-ধর্মের মূল্য
- আসার আশায়
- সধবার একাদশী
- রস-সেবায়েৎ
- চন্দননগরে আলাপ-সভায়
- রসচক্র
- মুসলমান সাহিত্য
- মুসলিম সাহিত্য-সমাজ
- বর্তমান হিন্দু-মুসলমান সমস্যা
- বাঙলা বইয়ের দুঃখ
- ভাগ্য-বিড়ম্বিত লেখক-সম্প্রদায়
- সাহিত্যের মাত্রা
- সাহিত্যের আর একটা দিক
- শেষের পরিচয়ের অপ্রকাশিত অংশ
- শ্রীকান্তের পরিত্যক্ত অংশ
- ৫৭তম জন্মদিনে প্রতিভাষণ
- মাতৃভাষা এবং সাহিত্য
- ভালমন্দ
- অপ্রকাশিত খণ্ডরচনা
- আত্মকথা
- একটি অসমাপ্ত গল্প
- দিন-কয়েকের ভ্রমণ-কাহিনী
- জলধর-সম্বর্ধনা
- দেশসেবা
- নূতন প্রোগ্রাম
- বর্তমান রাজনৈতিক প্রসঙ্গ
- সাম্প্রদায়িক বাঁটোয়ারা
- দু’টি আবেদন
- দুটি অসমাপ্ত প্রবন্ধ
- বাংলা নাটক
- বামুনের মেয়ের নাট্যরূপ
- বিপ্রদাসের পরিত্যক্ত এক পৃষ্ঠা
- বারোয়ারি
- বাল্য-স্মৃতি
- বেতার-সঙ্গীত
- মহাত্মাজী
- মহাত্মার পদত্যাগ
- যুব-সঙ্ঘ
- রবীন্দ্র-জয়ন্তী উপলক্ষে মানপত্র
- শুভেচ্ছা
- সত্যাশ্রয়ী
- সাহিত্য সম্মিলনের রূপ
চোদ্দ শতকের বাঙালী
- চোদ্দ শতকের বাঙালী
- শতক বিহরণ
- বিপ্লববাদী সমাজের অভ্যুত্থান
- হিন্দু সভ্যতার শিকর আবিষ্কার
- কুলীনের মেয়ের মুক্তি
- হিন্দু বিবাহ-বিধান
- মুসলিম বিবাহ ও তিন তালাক
- বিয়ে বাড়ির আদব
- শতাব্দীর মর্মন্তুদ অগ্নিকাণ্ড
- কলকাতার দাঙ্গা
- শতাব্দীর আর্থিক চিত্র
- পশ্চিমবঙ্গের নবরূপ
- সার্বভৌম বাংলাদেশের জন্ম
- বাঙালী জীবনচর্যার পরিবর্তন
- বাঙালী জীবনের অস্তাচল
- বাঙালী আরও হারিয়েছে তার স্বয়ম্ভরতা
- নারী নির্যাতনে দেশ গেল ভরে
- বাঙালীর দুর্গতি
- ঘটনাপঞ্জী
- প্রথম পরিচ্ছেদ
- দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ
- তৃতীয় পরিচ্ছেদ
- চতুর্থ পরিচ্ছেদ
যুগবাণী
- যুগবাণী
- উৎসর্গ
- নবযুগ
- গেছে দেশ দুঃখ নাই, আবার তোরা মানুষ হ!
- ডায়ারের স্মৃতিস্তম্ভ
- ধর্মঘট
- লোকমান্য তিলকের মৃত্যুতে বেদনাতুর কলিকাতার দৃশ্য
- মুহাজিরিন হত্যার জন্য দায়ী কে?
- বাংলা সাহিত্যে মুসলমান
- ছুঁৎমার্গ
- উপেক্ষিত শক্তির উদ্বোধন
- মুখবন্ধ
- রোজ কেয়ামত বা প্রলয় দিন
- বাঙালির ব্যবসাদারি
- আমাদের শক্তি স্থায়ী হয় না কেন?
- কালা আদমিকে গুলি মারা
- শ্যাম রাখি না কুল রাখি
- লাট-প্রেমিক আলি ইমাম
- ভাব ও কাজ
- সত্য-শিক্ষা
- জাতীয় শিক্ষা
- জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়
- জাগরণী
বিষের বাঁশী
- বিষের বাঁশী
- উৎসর্গ
- কৈফিয়ত
- আয় রে আবার আমার চির-তিক্ত প্রাণ!
- ফাতেহা-ই-দোয়াজ্-দহম্ : আবির্ভাব
- ফাতেহা-ই-দোয়াজ্-দহম্ : তিরোভাব
- সেবক
- জাগৃহি
- তূর্য-নিনাদ
- বোধন
- উদ্বোধন
- অভয়-মন্ত্র
- আত্মশক্তি
- মরণ-বরণ
- বন্দি-বন্দনা
- বন্দনা-গান
- মুক্তি-সেবকের গান
- শিকল-পরার গান
- মুক্ত-বন্দি
- যুগান্তরের গান
- চরকার গান
- জাতের বজ্জাতি
- সত্য-মন্ত্র
- বিজয়-গান
- পাগল পথিক
- ভূত-ভাগানোর গান
- বিদ্রোহীর বাণী
- অভিশাপ
- মুক্ত-পিঞ্জর
- ঝড়
ছায়ানট
- পলাতকা
- ছায়ানট
- বিজয়িনী
- কমল-কাঁটা
- চৈতি হাওয়া
- বেদনা-অভিমান
- নিশীথ-প্রীতম্
- অ-বেলায়
- হার-মানা-হার
- লক্ষ্মীছাড়া
- শেষের গান
- নিরুদ্দেশের যাত্রী
- চিরন্তনী প্রিয়া
- বেদনা-মণি
- পরশ পূজা
- অনাদৃতা
- শায়ক-বেঁধা পাখী
- হারামণি
- নীল পরী
- স্নেহ-ভীতু
- চিরশিশু
- মানস-বধূ
- দহনমালা
- বিদায়-বেলায়
- অকরুণ পিয়া
- ব্যথা-নিশীথ
- সন্ধ্যাতারা
- দূরের বন্ধু
- আশা
- মরমী
- মুক্তি-বার
- আপন-পিয়াসী
- বিবাগিনী
- প্রতিবেশিনী
- দুপুর-অভিসার
- ছলকুমারী
- পাপড়ি-খোলা
- বিধুরা পথিকপ্রিয়া
- মনের মানুষ
- প্রিয়ার রূপ
- বাদল-দিনে
- কার বাঁশি বাজিল?
- অ-কেজোর গান
- স্তব্ধ বাদল
- চাঁদমুকুর
- চির-চেনা
- পাহাড়ী গান
- অমর-কানন
- পূবের হাওয়া
- আলতা-স্মৃতি
- রৌদ্রদগ্ধের গান
ফণী-মনসা
- ফণী-মনসা
- সব্যসাচী
- দ্বীপান্তরের বন্দিনী
- প্রবর্তকের ঘুর-চাকায়
- আশীর্বাদ
- মুক্তিকাম
- সাবধানী ঘণ্টা
- বিদায়-মাভৈঃ
- বাংলার মহাত্মা
- হেমপ্রভা
- অশ্বিনীকুমার
- ইন্দু-প্রয়াণ
- দিল-দরদী
- সত্যেন্দ্র-প্রয়াণ
- সত্য-কবি
- সত্যেন্দ্র-প্রয়াণ-গীতি
- সুর-কুমার
- রক্ত-পতাকার গান
- অন্তর-ন্যাশন্যাল সঙ্গীত
- জাগর-তূর্য
- যুগের আলো
- পথের দিশা
- যা শত্রু পরে পরে
- হিন্দু-মুসলিম যুদ্ধ
বাঁধনহারা
- বাঁধনহারা
- উৎসর্গ
- পরিচ্ছেদ ক : পত্র এক
- পরিচ্ছেদ ক : পত্র দুই
- পরিচ্ছেদ খ : পত্র এক
- পরিচ্ছেদ খ : পত্র দুই
- পরিচ্ছেদ গ : পত্র এক
- পরিচ্ছেদ গ : পত্র দুই
- পরিচ্ছেদ ঘ : পত্র এক
- পরিচ্ছেদ ঘ : পত্র দুই
- পরিচ্ছেদ ঘ : পত্র তিন
- পরিচ্ছেদ ঙ
- পরিচ্ছেদ চ
- পরিচ্ছেদ ছ
- পরিচ্ছেদ জ : পত্র এক
- পরিচ্ছেদ জ : পত্র দুই
- পরিচ্ছেদ জ : পত্র তিন
- পরিচ্ছেদ জ : পত্র চার
- পরিচ্ছেদ জ : পত্র পাঁচ
- পরিচ্ছেদ জ : পত্র ছয়
বুলবুল
- বুলবুল
- উৎসর্গ
- ‘বুলবুলে’র কবি
- বাগিচায় বুলবুলি তুই
- আমারে চোখ-ইশারায়
- বসিয়া বিজনে কেন একা মনে
- ভুলি কেমনে আজও যে মনে
- কেন কাঁদে পরান
- মৃদুল বায়ে বকুল ছায়ে
- কে বিদেশি মন-উদাসী
- করুণ কেন অরুণ আঁখি
- এত জল ও-কাজল-চোখে
- আসে বসন্ত ফুলবনে
- দুরন্ত বায়ু পুরবৈয়াঁ
- চেয়ো না সুনয়না
- পরান-প্রিয়! কেন এলে অবেলায়
- সখী জাগো, রজনী পোহায়
- নিশি ভোর হল জাগিয়া
- এ বাসি বাসরে আসিলে
- বসিয়া নদীকূলে
- কেন দিলে এ কাঁটা
- সখী, বোলো-বঁধূয়ারে
- নহে নহে প্রিয়
- এ আঁখি-জল মোছ পিয়া
- কী হবে জানিয়া বলো
- পরদেশি বঁধুয়া
- কেন উচাটন মন
- আসিলে এ ভাঙা ঘরে
- আজি দোল পূর্ণিমাতে
- রুমুঝুমু রুমুঝুম্
- আজি এ কুসুম-হার
- গরজে গম্ভীর গগন কম্বু
- হাজার তারার হার হয়ে
- অধীর অম্বরে গুরু গরজন
- ঝরে ঝরঝর কোন গভীর
- হৃদয় যত নিষেধ হানে
- শুকাল মিলন-মালা
- স্মরণ-পারের ওগো প্রিয়
- গহীন রাতে ঘুম
- কোন শরতে পূর্ণিমা-চাঁদ
- জাগিলে ‘পারুল’ কি গো
- চরণ ফেলি গো মরণ-ছন্দে
- নমো হে নমো যন্ত্রপতি
- পুরবের তরুণ অরুণ
- কে শিব সুন্দর
- কার নিকুঞ্জে রাত কাটায়ে
- কেন আন ফুল-ডোর
- কেমনে রাখি আঁখি-বারি
- কেন আসিলে যদি যাবে চলি
- সাজিয়াছ যোগী
- মুসাফির! মোছ এ আঁখি জল
- এ নহে বিলাস বন্ধু
চোখের চাতক
- চোখের চাতক
- আমার কোন কূলে আজ ভিড়ল তরী
- কাঁদিতে এসেছি আপনারে লয়ে
- ছাড়িতে পরান নাহি চায়
- কে তুমি দূরের সাথী
- আজি এ শ্রাবণ-নিশি
- আজি বাদল ঝরে
- মোর ঘুম ঘোরে এলে
- কেউ ভোলে না কেউ ভোলে
- যাও যাও তুমি ফিরে
- ফাগুন-রাতের ফুলের নেশায়
- নিশীথ-স্বপন তোর ভুলে যা
- ঘোর তিমির ছাইল রবি শশী
- দারুণ পিপাসায় মায়া-মরীচিকায়
- এত কথা কি গো কহিতে জানে
- মন কেন উদাসে
- আমার গহীন জলের নদী
- তোমায় কূলে তুলে বন্ধু
- আমার সাম্পান যাত্রী না লয়
- ওরে মাঝি ভাই
- কেন প্রাণ ওঠে কাঁদিয়া
- আঁধার রাতে কে গো একেলা
- কী হবে লাল পাল তুলে
ছাড়পত্র
- ছাড়পত্র
- ছাড়পত্র (কবিতা)
- আগামী
- রবীন্দ্রনাথের প্রতি
- চারাগাছ
- খবর
- ইউরোপের উদ্দেশে
- প্রস্তুত
- প্রার্থী
- একটি মোরগের কাহিনী
- সিঁড়ি
- কলম
- আগ্নেয়গিরি
- দুরাশার মৃত্যু
- ঠিকানা
- লেনিন
- অনুভব
- কাশ্মীর
- সিগারেট
- দেশলাই কাঠি
- বিবৃতি
- চিল
- চট্টগ্রাম : ১৯৪৩
- মধ্যবিত্ত '৪২
- সেপ্টেম্বর '৪৬
- ঐতিহাসিক
- শত্রু এক
- মজুরদের ঝড়
- ডাক
- বোধন
- রানার
- মৃত্যুজয়ী গান
- কনভয়
- ফসলের ডাক : ১৩৫১
- কৃষকের গান
- এই নবান্নে
- আঠারো বছর বয়স
- হে মহাজীবন
ঘুম নেই
- ঘুম নেই
- বিক্ষোভ
- ১লা মে-র কবিতা '৪৬
- পরিখা
- সব্যসাচী
- উদ্বীক্ষণ
- বিদ্রোহের গান
- অনন্যোপায়
- অভিবাদন
- জনতার মুখে ফোটে বিদ্যুৎবাণী
- কবিতার খসড়া
- আমরা এসেছি
- একুশে নভেম্বর : ১৯৪৬
- দিন বদলের পালা
- মুক্ত বীরদের প্রতি
- প্রিয়তমাসু
- ছুরি
- সূচনা
- অদ্বৈধ
- দিক্প্রান্তে
- চিরদিনের
- নিভৃত
- বৈশম্পায়ন
- নিভৃত
- কবে
- অলক্ষ্যে
- মহাত্মাজীর প্রতি
- পঁচিশে বৈশাখের উদ্দেশে
- পরিশিষ্ট
- মীমাংসা
- অবৈধ
- ১৯৪১ সাল
- রোম : ১৯৪৩
- জনরব
- রৌদ্রের গান
- দেওয়ালী
গীতিগুচ্ছ
- গীতিগুচ্ছ
- ওগো কবি তুমি আপন ভোলা
- এই নিবিড় বাদল দিনে
- গানের সাগর পাড়ি দিলাম
- হে মোর মরণ
- দাঁড়াও ক্ষণিক পথিক হে
- শয়ন শিয়রে ভোরের পাখির রবে
- ও কে যায় চলে
- হে পাষাণ, আমি নির্ঝরিণী
- শীতের হাওয়া ছুঁয়ে গেল
- কিছু দিয়ে যাও
- ক্লান্ত আমি কর ক্ষমা
- সাঁঝের আঁধার ঘিরল যখন
- কঙ্কণ-কিঙ্কিণী মঞ্জুল মঞ্জীর ধ্বনি
- মেঘ-বিনিন্দিত স্বরে
- গুঞ্জরিয়া এল অলি
- কোন অভিশাপে নিয়ে এল
- ভুল হল বুঝি
- মুখ তুলে চায়
- ফোটে ফুল আসে যৌবন
সুকান্তের অপ্রচলিত রচনা
- সুকান্তের অপ্রচলিত রচনা
- ক্ষুধা
- দুর্বোধ্য
- ভদ্রলোক
- দরদী কিশোর
- কিশোরের স্বপ্ন
- ছন্দ ও আবৃত্তি
- বর্ষ-বাণী
- যেমন ক’রে তপন টানে জল
- জনগণ হও আজ উদ্বুদ্ধ
- আমরা জেগেছি
- শৃঙ্খল ভাঙা সুর
- ভবিষ্যতে
- সুচিকিৎসা
- পরিচয়
- আজিকার দিন কেটে যায়
- চৈত্রদিনের গান
- সুহৃদ্বরেষু
- পটভূমি
- ভারতীয় জীবনত্রাণ-সমাজের মহাপ্রয়াণে
- “নব জ্যামিতি”র ছড়া
- জবাব
- চরমপত্র
- মেজদাকে : মুক্তির অভিনন্দন
- পত্র
- মার্শাল তিতোর প্রতি
- ব্যর্থতা
- দেবদারু গাছে রোদের ঝলক
পলাশির অজানা কাহিনী
- পলাশির অজানা কাহিনী
- ভূমিকা
- প্রাক্-পলাশি বাংলার রূপরেখা
- সিরাজ চরিত-কথা
- ইউরোপীয় কোম্পানি ও এশীয় বণিক সম্প্রদায়
- সিরাজদ্দৌল্লা ও ইংরেজ কোম্পানির সংঘাত
- পলাশি বিপ্লবের অনিবার্যতা
- ষড়যন্ত্রের উদ্ভব ও ক্রমবিকাশ
- চক্রান্তের মূল নায়করা
- পলাশি অভিমুখে : ইংরেজ পরিকল্পনা
- পলাশির পরিণাম : সুদূরপ্রসারী প্রভাব
- উপসংহার
- নির্বাচিত গ্রন্থপঞ্জি
হযরত ওমর
- হযরত ওমর
- গুমরাহীর অন্ধকারায়
- ইসলামের আলোকধারায়
- খেলাফতের প্রতিষ্ঠায়
- বিজয়ীর বেশে ফিরে দেশে দেশে
- ইরাক-আরব বিজয়
- ইরাক-আযম বিজয়
- সিরিয়া বিজয়
- মিসর বিজয়
- ওমরের শাহাদাত
- রাজ্যজয় ও রাষ্ট্রগঠন
- প্রশাসনিক ও রাজস্ব-ব্যবস্থা
- সেনাবিভাগ
- শহর পত্তন ও পূর্তবিভাগ
- বিচার-বিভাগ
- জিম্মীদের অধিকার সংরক্ষণ ও দাসপ্রথা নিয়ন্ত্ৰণ
- শিক্ষাবিস্তার ও ধর্মপ্রচার
- রাষ্ট্রনায়ক : ব্যক্তিত্ব
- মানুষ ওমর
- ওমর-কাহিনীগুচ্ছ
- শেষ প্ৰসঙ্গ
ঐতিহাসিক সমগ্র
- ঐতিহাসিক সমগ্র
- ভারতের দ্বিতীয় প্রভাতে
- মহাভারতের শেষ মহাবীর
- পঞ্চনদের তীরে
- ভগবানের চাবুক
- আলেকজান্ডার দি গ্রেট
- দিগবিজয়ী নেপোলিয়ন
- রক্ত বাদল ঝরে
- হন্তারক নরদানব
- সিরাজের বিজয় অভিযান
- তিন সম্রাটের ত্র্যহস্পর্শযোগ
- সাতহাজারের আত্মদান
- আলেকজান্ডারের পলায়ন
- ওষ্ঠাধরে রাজদণ্ড
- মরা মানিক আর জ্যান্ত মানিক
- মুসলমানের জহরব্রত
- সূর্য দেবী, পর্মল দেবী
- মারাঠার লিওনিডাস
- ভারতের একমাত্র সুলতানা
- ব্যাঘ্রভূমির বঙ্গবীর
- উপন্যাসের চেয়ে আশ্চর্য
- মরণ বিজয়ীর দল
- ছত্রপতির ছত্রভঙ্গ
- জগন্নাথদেবের গুপ্তকথা
- নতুন বাংলার প্রথম কবি
- শিবদাস ভাদুড়ি
- ইতিহাসের রক্তাক্ত প্রান্তরে
- বীরাঙ্গনা, পরাক্রমে ভীমা-সমা
- বর্গি এল দেশে
- হে ইতিহাস গল্প বলো
- প্রথম বাঙালি সম্রাট
- অনামা বীরাঙ্গনা
- ইতিহাসের রক্তাক্ত দৃশ্য
- ছত্রপতির অ্যাডভেঞ্চার
- বাংলাদেশের বোম্বেটেরাজ
ক্রুসেড সিরিজ
- গাজী সালাহুদ্দীনের দুঃসাহসিক অভিযান
- গোপন বিদ্রোহী
- হেমসের যোদ্ধা
- পাপের ফল
- তুমুল লড়াই
- উমরু দরবেশ
- টার্গেট ফিলিস্তিন
- গাদ্দার
- সালাহুদ্দীন আয়ুবীর কমান্ডো অভিযান
- বিষাক্ত ছোবল
- খুনী চক্রের আস্তানায়
- পাল্টা ধাওয়া
- সুবাক দুর্গে আক্রমণ
- ইহুদী কন্যা
- ধাপ্পাবাজ
- ভয়ংকর ষড়যন্ত্র
- ভয়াল রজনী
- আবারও সংঘাত
- দূর্গপতন
- ফেরাউনের গুপ্তধন
- উপকূলে সংঘর্ষ
- সর্প কেল্লার খুনী
- চারদিকে চক্রান্ত
- সামনে বৈরুত
- দুর্গম পাহাড়
- ভণ্ডপীর
- ছোট বেগম
- রক্তস্রোত
- রিচার্ডের নৌবহর
- মহাসমর
বাবরনামা
- দ্বিতীয় অধ্যায়
- বাবরনামা
- ভূমিকা
- প্রথম অধ্যায়
- তৃতীয় অধ্যায়
- চতুর্থ অধ্যায়
- পঞ্চম অধ্যায়
- ষষ্ঠ অধ্যায়
- সপ্তম অধ্যায়
- অষ্টম অধ্যায়
- নবম অধ্যায়
- দশম অধ্যায়
- একাদশ অধ্যায়
- দ্বাদশ অধ্যায়
- ত্রয়োদশ অধ্যায়
- চতুর্দশ অধ্যায়
- পঞ্চদশ অধ্যায়
- ষোড়শ অধ্যায়
- সপ্তদশ অধ্যায়
- অষ্টাদশ অধ্যায়
- ঊনবিংশ অধ্যায়
- বিংশ অধ্যায়
- একবিংশ অধ্যায়
- দ্বাবিংশ অধ্যায়
- ত্রয়োবিংশ অধ্যায়
ভাটির দেশ
- ভাটির দেশ
- প্রথম পর্ব
- ভাটির দেশ
- আমন্ত্রণ
- ক্যানিং
- লঞ্চে
- লুসিবাড়ি
- পতন
- স্যার ড্যানিয়েল
- স্নেল’স উইন্ডো
- ট্রাস্ট
- ফকির
- চিঠি
- ডিঙিতে
- নির্মল আর নীলিমার কথা
- নোঙর
- কুসুম
- কথা
- বনবিবির মহিমা
- স্পন্দন
- মরিচঝাঁপি
- ময়না
- কাঁকড়া
- ভ্রমণকাহিনি
- গর্জনতলা
- আলোড়ন
- হঠাৎ আলো
- শোনা
- তীরে ভেড়া
- ধাওয়া
- স্বপ্ন
- অনুসরণ
- দ্বিতীয় পর্ব
- পুনরাগমনায় চ
- বন্দরের কাল
- ভোজ
- আলাপ
- ঝড়
- আলোচনা
- অভ্যাস
- একটি সূর্যাস্ত
- রূপান্তর
- তীর্থদর্শন
- নিয়তি
- মেঘা
- স্মৃতি
- মধ্যস্থ
- ঘেরাটোপে
- কথা
- অপরাধ
- বিদায় লুসিবাড়ি
- ব্যাঘাত
- বাঁচা
- রবিবারের ডাকঘর
- একটি হত্যা
- জেরা
- মিস্টার স্লোয়েন
- ক্রেতি
- চিহ্ন
- আলো
- খোঁজ
- হতাহত
- উপহার
- মিঠে জল, নোনা জল
- দিগন্তে
- ক্ষয়ক্ষতি
- তরী থেকে তীরে
- ঢেউ
- পরদিন
- বাড়ি : একটি উপসংহার
- লেখকের কথা
- অনুবাদ প্রসঙ্গে
দ্বিতীয় পর্ব
- দ্বিতীয় পর্ব
- পুনরাগমনায় চ
- বন্দরের কাল
- ভোজ
- আলাপ
- ঝড়
- আলোচনা
- অভ্যাস
- একটি সূর্যাস্ত
- রূপান্তর
- তীর্থদর্শন
- নিয়তি
- মেঘা
- স্মৃতি
- মধ্যস্থ
- ঘেরাটোপে
- কথা
- অপরাধ
- বিদায় লুসিবাড়ি
- ব্যাঘাত
- বাঁচা
- রবিবারের ডাকঘর
- একটি হত্যা
- জেরা
- মিস্টার স্লোয়েন
- ক্রেতি
- চিহ্ন
- আলো
- খোঁজ
- হতাহত
- উপহার
- মিঠে জল, নোনা জল
- দিগন্তে
- ক্ষয়ক্ষতি
- তরী থেকে তীরে
- ঢেউ
- পরদিন
- বাড়ি : একটি উপসংহার
- লেখকের কথা
- অনুবাদ প্রসঙ্গে
অলৌকিক জলযান
- অলৌকিক জলযান
- এক
- দুই
- তিন
- চার
- পাঁচ
- ছয়
- সাত
- আট
- নয়
- দশ
- এগার
- বার
- তের
- চৌদ্দ
- পনের
- ষোল
- সতের
- আঠার
- উনিশ
- বিশ
- একুশ
- বাইশ
- তেইশ
- চব্বিশ
- পঁচিশ
- ছাব্বিশ
- সাতাশ
- আঠাশ
- ঊনত্রিশ
- ত্রিশ
- একত্রিশ
- বত্রিশ
- তেত্রিশ
- চৌত্রিশ
- পয়ত্রিশ
- ছত্রিশ
- সাইত্রিশ
- আটত্রিশ
- উনচল্লিশ
- চল্লিশ
- একচল্লিশ
- বিয়াল্লিশ
- তেতাল্লিশ
- চুয়াল্লিশ
- পঁয়তাল্লিশ
- ছিচল্লিশ
- সাতচল্লিশ
- আটচল্লিশ
- উনপঞ্চাশ
- পঞ্চাশ
- একান্ন
- বাহান্ন
- তিপ্পান্ন
- চুয়ান্ন
হরিদাসের গুপ্তকথা
- অষ্টম কল্প
- নবম কল্প
- তৃতীয় খণ্ড
- প্রথম কল্প
- দ্বিতীয় কল্প
- তৃতীয় কল্প
- হরিদাসের গুপ্তকথা
- ভূবনচন্দ্র মুখোপাধ্যায়
- প্রকাশকের নিবেদন
- প্রথম খণ্ড
- প্রথম কল্প
- দ্বিতীয় কল্প
- তৃতীয় কল্প
- চতুর্থ কল্প
- পঞ্চম কল্প
- ষষ্ঠ কল্প
- সপ্তম কল্প
- অষ্টম কল্প
- নবম কল্প
- দশম কল্প
- একাদশ কল্প
- দ্বাদশ কল্প
- ত্রয়োদশ কল্প
- চতুর্দ্দশ কল্প
- পঞ্চদশ কল্প
- ষোড়শ কল্প
- সপ্তদশ কল্প
- অষ্টাদশ কল্প
- উনবিংশ কল্প
- বিংশ কল্প
- একবিংশ কল্প
- দ্বাবিংশ কল্প
- ত্রয়োবিংশ কল্প
- চতুর্ব্বিংশ কল্প
- পঞ্চবিংশ কল্প
- ষড়্বিংশ কল্প
- সপ্তবিংশ কল্প
- অষ্টাবিংশ কল্প
- ঊনত্রিংশ কল্প
- দ্বিতীয় খণ্ড
- প্রথম কল্প
- দ্বিতীয় কল্প
- তৃতীয় কল্প
- চতুর্থ কল্প
- পঞ্চম কল্প
- ষষ্ঠ কল্প
- সপ্তম কল্প
প্রথম খণ্ড
- প্রথম খণ্ড
- প্রথম কল্প
- দ্বিতীয় কল্প
- তৃতীয় কল্প
- চতুর্থ কল্প
- পঞ্চম কল্প
- অষ্টম কল্প
- নবম কল্প
- দশম কল্প
- একাদশ কল্প
- দ্বাদশ কল্প
- ত্রয়োদশ কল্প
- চতুর্দ্দশ কল্প
- পঞ্চদশ কল্প
- ষোড়শ কল্প
- সপ্তদশ কল্প
- অষ্টাদশ কল্প
- উনবিংশ কল্প
- বিংশ কল্প
- একবিংশ কল্প
- দ্বাবিংশ কল্প
- ত্রয়োবিংশ কল্প
- চতুর্ব্বিংশ কল্প
- পঞ্চবিংশ কল্প
- ষড়্বিংশ কল্প
- সপ্তবিংশ কল্প
- অষ্টাবিংশ কল্প
- ঊনত্রিংশ কল্প
ভারতবর্ষে দর্শন কাহাকে বলে? ইহার উত্তর দিতে গেলে প্রথমে বুঝিতে হইবে যে, ইউরোপে যে অর্থে “ফিলসফি” শব্দ ব্যবহৃত হয়, দর্শন সে অর্থে ব্যবহৃত হয় না। বাস্তবিক ফিলসফি শব্দের অর্থের স্থিরতা নাই,—কখন ইহার অর্থ অধ্যাত্বতত্ত্ব, কখন ইহার অর্থ প্রাকৃতিক বিজ্ঞান, কখন ইহার অর্থ ধর্ম্মনীতি, কখন ইহার অর্থ বিচারবিদ্যা। ইহার একটিও দর্শনের ব্যাখ্যার অনুরূপ নহে। ফিলসফির উদ্দেশ্য, জ্ঞানবিশেষ; তদতিরিক্ত অন্য উদ্দেশ্য নাই। দর্শনেরও উদ্দেশ্য জ্ঞান বটে, কিন্তু সে জ্ঞানের উদ্দেশ্য আছে। সেই উদ্দেশ্য নিঃশ্রেয়স, মুক্তি; নির্ব্বাণ বা তদ্বৎ নামান্তরবিশিষ্ট পারলৌকিক অবস্থা। ইউরোপীয় ফিলসফিতে জ্ঞানই সাধনীয়; দর্শনে জ্ঞান সাধন মাত্র। ইহা ভিন্ন আর একটি গুরুতর প্রভেদ আছে। ফিলসফির উদ্দেশ্য, জ্ঞানবিশেষ,—কখন আধ্যাত্মিক, কখন ভৌতিক, কখন নৈতিক বা সামাজিক জ্ঞান। কিন্তু সর্ব্বত্র পদার্থ মাত্রেরই জ্ঞান দর্শনের উদ্দেশ্য। ফলতঃ সকল প্রকার জ্ঞানই দর্শনের অন্তর্গত।
সংসার দুঃখময়। প্রাকৃতিক বল, সর্ব্বদা মনুষ্য—সুখের প্রতিদ্বন্দ্বী। তুমি যাহা কিছু সুখভোগ কর, সে বাহ্য প্রকৃতির সঙ্গে যুদ্ধ করিয়া লাভ কর। মনুষ্যজীবন, প্রকৃতির সঙ্গে দীর্ঘ সমর মাত্র—যখন তুমি সমরজয়ী হইলে, তখনই কিঞ্চিৎ সুখলাভ করিলে। কিন্তু মনুষ্যবল হইতে প্রাকৃতিক বল অনেক গুণে গুরুতর। অতএব মনুষ্যের জয় কদাচিৎ—প্রকৃতির জয়ই প্রতিনিয়ত ঘটিয়া থাকে। তবে জীবন যন্ত্রণাময়। আর্য্যমতে ইহার আবার পৌনঃপুন্য আছে। ইহজন্মে, অনন্ত দুঃখে কোনরূপে কাটাইয়া, প্রাকৃতিক রণে শেষে পরাস্ত হইয়া, যদি জীব দেহত্যাগ করিল—তথাপি ক্ষমা নাই—আবার জন্মগ্রহণ করিতে হইবে, আবার সেই অনন্ত দুঃখ ভোগ করিতে হইবে—আবার মরিতে হইবে,—আবার জন্মিতে হইবে,—আবার দুঃখ। এই অনন্ত দুঃখের কি নিবৃত্তি নাই? মনুষ্যের নিস্তার নাই?
ইহার দুই উত্তর আছে। এক উত্তর ইউরোপীয়, আর এক উত্তর ভারতবর্ষীয়। ইউরোপীয়েরা বলেন, প্রকৃতি জেয়; যাহাতে প্রকৃতিকে জয় করিতে পার, সেই চেষ্টা দেখ। এই জীবন—রণে প্রকৃতিকে পরাস্ত করিবার জন্য আয়ুধ সংগ্রহ করে। সেই আয়ুধ, প্রকৃতিকে জিজ্ঞাসা করিলে তিনি নিজেই বলিয়া দিবেন। প্রাকৃতিক তত্ত্ব অধ্যয়ন কর—প্রকৃতির গুপ্ত তত্ত্ব সকল অবগত হইয়া, তাহারই বলে তাহাকে বিজিত করিয়া, মনুষ্যজীবন সুখময় কর। এই উত্তরের ফল—ইউরোপীয় বিজ্ঞানশাস্ত্র।
ভারতবর্ষীয় উত্তর এই যে, প্রকৃতি অজেয়—যত দিন প্রকৃতির সঙ্গে সম্বন্ধ থাকিবে, তত দিন দুঃখ থাকিবে। অতএব প্রকৃতির সঙ্গে সম্বন্ধবিচ্ছেদই দুঃখ নিবারণের একমাত্র উপায়। সেই সম্বন্ধবিচ্ছেদ কেবল জ্ঞানের দ্বারাই হইতে পারে। এই উত্তরের ফল ভারতবর্ষীয় দর্শন।
সেই জ্ঞান কি? আকাশকুসুম বলিলেই একটি জ্ঞান হয়—কেন না, আকাশ কি, তাহা আমরা জানি, এবং কুসুম কি, তাহাও জানি, মনের শক্তি দ্বারা উভয়ের সংযোগ করিতে পারি। কিন্তু সে জ্ঞান, দর্শনের উদ্দেশ্য নহে। তাহা ভ্রমজ্ঞান। যথার্থ জ্ঞানই দর্শনের উদ্দেশ্য। এই যথার্থ জ্ঞানকে প্রমাজ্ঞান বা প্রমা প্রতীতি বলে। সেই যথার্থ জ্ঞান কি?
যাহা জানি, তাহাই জ্ঞান। যাহা জানি, তাহা কি প্রকারে জানিয়াছি?
কতকগুলি বিষয় ইন্দ্রিয়ের সাক্ষাৎ সংযোগে জানিতে পারি। ঐ গৃহ, এই বৃক্ষ, ঐ নদী, এই পর্ব্বত আমার সম্মুখে রহিয়াছে; তাহা আমি চক্ষে দেখিতে পাইতেছি, এজন্য জানি যে, ঐ গৃহ, এই বৃক্ষ, ঐ নদী, এই পর্ব্বত আছে। অতএব জ্ঞাতব্য পদার্থের সঙ্গে চক্ষুরিন্দ্রিয়ের সংযোগে আমাদিগের এই জ্ঞান লব্ধ হইল।1 ইহাকে চাক্ষুষ প্রত্যক্ষ বলে। এইরূপ, গৃহমধ্যে থাকিয়া শুনিতে পাইলাম, মেঘ গর্জ্জিতেছে, পক্ষী ডাকিতেছে; এখানে মেঘের ডাক, পক্ষীর রব আমরা কর্ণের দ্বারা প্রত্যক্ষ করিলাম। ইহা শ্রবণ প্রত্যক্ষ। এইরূপ চাক্ষুষ, শ্রাবণ, ঘ্রাণজ, ত্বাচ, এবং রাসন, পঞ্চন্দ্রিয়ের সাধ্য পাঁচ প্রত্যক্ষ। মনও একটি ইন্দ্রিয় বলিয়া আর্য্য দার্শনিকেরা গণিয়া থাকেন, অতএব তাঁহারা মানস প্রত্যক্ষের কথা বলেন। মন বহিরিন্দ্রিয় নহে। অন্তরিন্দ্রিয়ের সঙ্গে বহির্ব্বিষয়ের সাক্ষাৎসংযোগে অসম্ভব। অতএব মানস প্রত্যক্ষে বহির্ব্বিষয় অবগত হওয়া যায় না; কিন্তু অন্তর্জ্ঞান, মানস প্রত্যক্ষের দ্বারাই হইবে।
যে পদার্থ প্রত্যক্ষ হয়, তদ্বিষয়ে আমাদিগের জ্ঞান জন্মে, এবং তদ্ব্যতিরিক্ত বিষয়ে জ্ঞানও সূচিত হয়। আমি রুদ্ধদ্বার গৃহমধ্যে শয়ন করিয়া আছি, এমত সময়ে মেঘের ধ্বনি শুনিলাম, ইহাতে শ্রাবণ প্রত্যক্ষ হইল। কিন্তু সে প্রত্যক্ষ ধ্বনির মেঘের নহে। মেঘ এখানে আমাদের ইহাতে শ্রাবণ প্রত্যক্ষ হইল। কিন্তু সে প্রত্যক্ষ ধ্বনির, মেঘের নহে। মেঘ এখানে আমাদের প্রত্যক্ষের বিষয় নহে। অথচ আমরা জানিতে পারিলাম যে, আকাশে মেঘ আছে। ধ্বনির প্রত্যক্ষে মেঘের অস্তিত্ব জ্ঞান হইল কোথা হইতে? আমরা পূর্ব্বে পূর্ব্বে দেখিয়াছি, আকাশে মেঘ ব্যতীত কখন এরূপ ধ্বনি হয় নাই। এমন কখনও ঘটে নাই যে, মেঘ নাই, অথচ এরূপ ধ্বনি শূন্য গিয়াছে। অতএব রুদ্ধদ্বার গৃহমধ্যে থাকিয়াও আমরা বিনা প্রত্যক্ষে জানিলাম যে, আকাশে মেঘ হইয়াছে। ইহাকে অনুমিতি বলে। মেঘধ্বনি আমরা প্রত্যক্ষ জানিয়াছি, কিন্তু মেঘ অনুমিতির দ্বারা।
মনে কর, ঐ রুদ্ধদ্বার গৃহ অন্ধকার, এবং তুমি সেখানে একাকী আছ। এমত কালে তোমার দেহের সহিত মনুষ্যশরীরের স্পর্শ অনুভূত করিলে। তুমি তখন কিছু না দেখিয়া, কোন শব্দও না শুনিয়া জানিতে পারিলে যে, গৃহমধ্যে মনুষ্য আসিয়াছে। সেই স্পর্শজ্ঞান ত্বাচ প্রত্যক্ষ; কিন্তু গৃহমধ্যে মনুষ্য—জ্ঞান অনুমিতি। ঐ অন্ধকার গৃহে তুমি যদি যূথিকা পুষ্পের গন্ধ পাও, তবে তুমি বুঝিবে যে, গৃহে পুষ্পাদি আছে; এখানে গন্ধই প্রত্যক্ষের বিষয়; পুষ্প অনুমিতির বিষয়।
মনুষ্য অল্প বিষয়ই স্বয়ং প্রত্যক্ষ করিতে পারে। অধিকাংশ জ্ঞানই অনুমিতির উপর নির্ভর করে। অনুমিতি সংসার চালাইতেছে। আমাদিগের অনুমানশক্তি না থাকিলে আমরা প্রায় কোন কার্য্যই করিতে পারিতাম না। বিজ্ঞান, দর্শনাদি অনুমানের উপরেই নির্ম্মিত।
কিন্তু যেমন কোন মনুষ্যই সকল বিষয়ে স্বয়ং প্রত্যক্ষ করিতে পারেন না, তেমনি কোন ব্যক্তি সকল তত্ত্ব স্বয়ং অনুমান করিয়া সিদ্ধ করিতে পারেন না। এমন অনেক বিষয় আছে যে, তাহা অনুমান করিয়া জানিতে গেলে যে পরিশ্রম আবশ্যক, তাহা একজন মনুষ্যের জীবনকালের মধ্যে সাধ্য নহে। এমন অনেক বিষয় আছে যে, তাহা অনুমানের দ্বারা সিদ্ধ করার জন্য যে বিদ্যা বা যে জ্ঞান, বা যে বুদ্ধি বা যে অধ্যবসায় প্রয়োজনীয়, তাহা অধিকাংশ লোকেরই নাই। অতএব এমন অনেক নিতান্ত প্রয়োজনীয় বিষয় আছে যে, তাহা অনেকে স্বয়ং প্রত্যক্ষ বা অনুমানের দ্বারা জ্ঞাত হইতে পারেন না। এমন স্থলে আমরা কি করিয়া থাকি? যে স্বয়ং প্রত্যক্ষ করিয়াছে বা যে স্বয়ং অনুমান করিয়াছে, তাহার কথা শুনিয়া বিশ্বাস করি। ইতালীর উত্তরে যে আল্প নামে পর্ব্বতশ্রেণী আছে, তাহা তুমি স্বয়ং প্রত্যক্ষ কর নাই। কিন্তু যাঁহারা দেখিয়াছেন, তাঁহাদের প্রণীত পুস্তক পাঠ করিয়া তুমি সে জ্ঞান লাভ করিলে। পরমাণুমাত্র যে অন্য পরমাণুমাত্রের দ্বারা আকৃষ্ট হয়, ইহা প্রত্যক্ষের বিষয় হইতে পারে না এবং তুমিও ইহা গণনার দ্বারা সিদ্ধ করিতে পার নাই, এজন্য তুমি নিউটনের কথায় বিশ্বাস করিয়া সে জ্ঞান লাভ করিলে। ন্যায়, সাংখ্যাদি আর্য্যদর্শনশাস্ত্রে ইহা একটি তৃতীয় প্রমাণ বলিয়া গণ্য হইয়াছে। ইহার নাম শব্দ। তাঁহাদিগের বিবেচনায় বেদাদি এই প্রমাণের উপর নির্ভর করে। আপ্তবাক্য বা গুরূপদেশ, স্থূলতঃ যে বিশ্বাসযোগ্য, তাহার উপদেশ,— আর্য্যমতে ইহা একটি স্বতন্ত্র প্রমাণ। তাহারই নাম শব্দ।
কিন্তু চার্ব্বাগাদি কোন কোন আর্য্য দার্শনিক ইহাকে প্রমাণ বলিয়া স্বীকার করেন না। ইউরোপীয়েরাও ইহাকে স্বতন্ত্র প্রমাণ বলিয়া স্বীকার করেন না।
দেখা যাইতেছে, সকলের কথায় বিশ্বাস অকর্ত্তব্য। যদি একজন বিখ্যাত মিথ্যাবাদী আসিয়া বলে যে, সে জলে অগ্নি জ্বলিতে দেখিয়া আসিয়াছে, তবে এ কথা কেহই বিশ্বাস করিবে না। তাহার উপদেশে প্রমাজ্ঞানের উৎপত্তি নাই। ব্যক্তিবিশেষের উপদেশই প্রমাণ বলিয়া গ্রাহ্য। তবে সেই জ্ঞানলাভের পূর্ব্বে আদৌ মীমাংসা আবশ্যক যে, কে বিশ্বাসযোগ্য, কে নহে। কোন্ প্রমাণের উপর নির্ভর করিয়া এ মীমাংসা করিব? কোন্ প্রমাণের উপর নির্ভর করিয়া, মন্বাদির কথা আপ্তবাক্য বলিয়া গ্রহণ করিব, এবং রামু শ্যামুর কথা অগ্রাহ্য করিব? দেখা যাইতেছে যে, অনুমানের দ্বারা ইহা সিদ্ধ করিতে হইবে। মনুর সঙ্গে পল্লীর পাদরি সাহেবের মতভেদ। তুমি চিরকাল শুনিয়া আসিয়াছ যে, মনু অভ্রান্ত ঋষি, এবং পাদরি সাহেব স্বার্থপর সামান্য মনুষ্য; এজন্য তুমি অনুমান করিলে যে, মনুর কথা গ্রাহ্য, পাদরির কথা অগ্রাহ্য। মনুর ন্যায় অভ্রান্ত ঋষি গোমাংসভোজন নিষেধ করিয়াছেন বলিয়া তুমি অনুমান করিলে গোমাংস অভক্ষ্য। অতএব শব্দকে একটি স্বতন্ত্র প্রমাণ না বলিয়া, অনুমানের অন্তর্গত বল না কেন?
শুধু তাহাই নহে। যে ব্যক্তির কতকগুলি উপদেশ গ্রাহ্য কর, তাহারই আর কতকগুলি অগ্রাহ্য করিয়া থাক। মাধ্যাকর্ষণ সম্বন্ধে নিউটনের যে মত, তাহা তুমি শিরোধার্য্য কর, কিন্তু আলোক সম্বন্ধে তাঁহার যে মত, তাহা পরিত্যাগ করিয়া তুমি ক্ষুদ্রতর বুদ্ধিজীবী ইয়ঙ ও ফ্রেনেলের মত গ্রহণ কর, ইহার কারণ কি? ইহার কারণ সন্ধান করিলে, তলে অনুমিতিকেই পাওয়া যাইবে। অনুমানের দ্বারা তুমি জানিয়াছ যে, মাধ্যাকর্ষণ সম্বন্ধে নিউটনের যে মত, তাহা সত্য, আলোক সম্বন্ধে তাঁহার যে মত, তাহা অসত্য। যদি শব্দ একটি পৃথক্ প্রমাণ হইত, তবে তাঁহার সকল মতই তুমি গ্রাহ্য করিতে।
ভারতবর্ষে তাহাই ঘটিয়া থাকে। ভারতবর্ষে যাহার মত গ্রাহ্য বলিয়া স্থির হয়, তাহার সকল মতই গ্রাহ্য। ইহার কারণ শব্দ একটি স্বতন্ত্র প্রমাণ বলিয়া গণ্য—আপ্তবাক্য মাত্র গ্রাহ্য, ইহা আর্য্য দর্শনশাস্ত্রের আজ্ঞা। এইরূপ বিশেষ বিচার ব্যতীত ঋষি ও পণ্ডিতদিগের মতমাত্রই গ্রহণ করা, ভারতবর্ষের অবনতির একটি যে কারণ, ইহা বলা বাহুল্য। অতএব দার্শনিকদিগের এই একটি ক্ষুদ্র ভ্রান্তিতে সামান্য কুফল ফলে নাই।
প্রত্যক্ষ, অনুমান এবং শব্দ ভিন্ন নৈয়ারিকেরা উপমতিকেও একটি স্বতন্ত্র প্রমাণ বিবেচনা করেন। বিচার করিয়া দেখিলে সিদ্ধ হইবে যে, উপমিতি, অনুমিতির প্রকারভেদ মাত্র, এবং সেই জন্য সাংখ্যাদি দর্শনে উপমিতি স্বতন্ত্র প্রমাণ বলিয়া গণ্য হয় নাই। অতএব উপমিতির বিস্তারিত উল্লেখ প্রয়োজনীয় বোধ হইল না। বস্তুতঃ প্রত্যক্ষ এবং অনুমানই জ্ঞানের মূল।
তাহার পর দেখিতে হইবে যে, অনুমানও প্রত্যক্ষমূলক। যে জাতীয় প্রত্যক্ষ কখন হয় নাই, সে বিষয়ে অনুমান হয় না। তুমি যদি কখন পূর্ব্বে মেঘ না দেখিতে বা আর কেহ কখন না দেখিত, তবে তুমি রুদ্ধদ্বার গৃহমধ্যে মেঘগর্জ্জন শুনিয়া কখন মেঘানুমান করিতে পারিতে না। তুমি যদি কখন যূথিকা—গন্ধ প্রত্যক্ষ না করিতে, তবে অন্ধকার গৃহে থাকিয়া যূথিকা—ঘ্রাণ পাইয়া তুমি কখন অনুমান করিতে পারিতে না যে, গৃহমধ্যে যূথিকা আছে। এইরূপ অন্যান্য পদার্থ সম্বন্ধে বলা যাইতে পারে। তবে অনেক সময়ে দেখা যাইবে যে, একটি অনুমানের মূল, বহুতর বহুজাতীয় পূর্ব্বপ্রত্যক্ষ। এক একটি বৈজ্ঞানিক নিয়ম সহস্র সহস্র জাতীয় প্রত্যক্ষের ফল।
অতএব প্রত্যক্ষই জ্ঞানের একমাত্র মূল—সকল প্রমাণের মূল।2 অনেকে দেখিয়া বিস্মিত হইবেন যে, দর্শনশাস্ত্রের দুই তিন সহস্র বৎসরের পর, ঘুরিয়া ঘুরিয়া আবার সেই চার্ব্বাকের মতে আসিয়া পড়িতেছে। ধন্য আর্য্যবুদ্ধি! যাহা এত কালে হূম, মিল, বেন প্রভৃতির দ্বারা সংস্থাপিত হইয়াছে—দুই সহস্রাধিক বৎসর পূর্ব্বে বৃহস্পতি তাহা প্রতিপন্ন করিয়া গিয়াছেন। কেহ না ভাবেন যে, আমরা এমন বলিতেছি যে, প্রত্যক্ষ ভিন্ন প্রমাণ নাই—আমরা বলিতেছি যে, সকল প্রমাণের মূল প্রত্যক্ষ। বৃহস্পতি ঠিক তাহাই বলিয়াছিলেন কি না, তাঁহার গ্রন্থ সকল লুপ্ত হওয়ায় নিশ্চয় করা কঠিন।
প্রত্যক্ষই জ্ঞানের একমাত্র মূল, কিন্তু এই তত্ত্বের মধ্যে ইউরোপীয় দার্শনিকদিগের মধ্যে একটি ঘোরতর বিবাদ আছে। কেহ কেহ বলেন যে, আমাদিগের এমন অনেক জ্ঞান আছে যে, তাহার মূল প্রত্যক্ষে পাওয়া যায় না। যথা,—কাল, আকাশ, ইত্যাদি।
কথাটি বুঝা কঠিন। আকাশ সম্বন্ধে একটি সহজ কথা গ্রহণ করা যাউক,—যথা, দুইটি সমানান্তরাল রেখা যতদূর টানা যাউক, কখন মিলিত হইবে না, ইহা আমরা নিশ্চিত জানি। কিন্তু এ জ্ঞান আমরা কোথায় পাইলাম? প্রত্যক্ষবাদী বলিবেন, “প্রত্যক্ষের দ্বারা! আমরা যত সমানান্তরাল রেখা দেখিয়াছি, তাহা কখন মিলিত হয় নাই।” তাহাতে বিপক্ষেরা প্রত্যুত্তর করেন যে, “জগতে যত সমানান্তরাল রেখা হইয়াছে, সকল তুমি দেখ নাই,—তুমি যাহা দেখিয়াছ, তাহা মিলে নাই বটে, কিন্তু তুমি কি প্রকারে জানিলে যে, কোন কালে কোথায় এমন দুটি সমানান্তরাল রেখা হয় নাই বা হইবে না যে, তাহা টানিতে টানিতে এক স্থানে মিলিবে না? যাহা মনুষ্যের প্রত্যক্ষ হইয়াছে, তাহা হইতে তুমি কি প্রকারে অপ্রত্যক্ষীভূতের নিশ্চয় করিলে? অথচ আমরা জানিতেছি যে, তুমি যাহা বলিতেছ, তাহা সত্য;—কস্মিন্ কালে কোথাও এমন দুইটি সমানান্তরাল রেখা হইতে পারে না যে, তাহা মিলিবে। তবে প্রত্যক্ষ ব্যতীত তোমার আর কোন জ্ঞানমূল আছে—নহিলে তুমি এই প্রত্যক্ষের অতিরিক্ত জ্ঞানটুকু কোথায় পাইলে?”
এই কথা বলিয়া, বিখ্যাত জার্ম্মান দার্শনিক কান্ত, লক ও হূমের প্রত্যক্ষবাদের প্রতিবাদ করেন। এই অতিরিক্ত জ্ঞানের মূল তিনি এই নির্দ্দেশ করেন যে, যেখানে বহির্ব্বিষয়ের জ্ঞান আমাদিগের ইন্দ্রিয়ের দ্বারা হইয়া থাকে, সেখানে বহির্ব্বিষয়ের প্রকৃতি সম্বন্ধে কোন তত্ত্বের নিত্যত্ব আমাদের জ্ঞানের অতীত হইলেও, আমাদিগের ইন্দ্রিয় সকলের প্রকৃতির নিত্যত্ব আমাদিগের জ্ঞানের আয়ত্ত বটে। আমাদিগের ইন্দ্রিয় সকলের প্রকৃতি অনুসারে আমরা বহির্ব্বিষয়ে কতকগুলি নির্দ্দিষ্ট অবস্থাপন্ন বলিয়া পরিজ্ঞাত হই। ইন্দ্রিয়ের প্রকৃতি সর্ব্বত্র একরূপ এজন্য বহির্ব্বিষয়ের তত্ত্বং অবস্থাও আমাদিগের নিকট সর্ব্বত্র একরূপ। এই জন্য আমাদিগের কাল, আকাশাদির সমবায়ের নিত্যত্ব জানিতে পারি। এই জ্ঞান আমাদিগেতেই আছে—এজন্য কান্ত ইহাকে স্বতোলব্ধ বা আভ্যন্তরিক জ্ঞান বলেন।
পাঠক আবার দেখিবেন যে, আধুনিক ইউরোপীয় দর্শন, ফিরিয়া ফিরিয়া সেই প্রাচীন ভারতীয় দর্শনে মিলিতেছে। যেমন চার্ব্বাকের প্রত্যক্ষবাদে, মিল ও বেনের প্রত্যক্ষবাদের সাদৃশ্য দেখা গিয়াছে, তেমনি বেদান্তের মায়াবাদের সঙ্গে কান্তের এই প্রত্যক্ষ প্রতিবাদের সাদৃশ্য দেখা যায়। আধ্যাত্মিক তত্ত্বে, প্রাচীন আর্য্যগণ কর্ত্তৃক সূচিত হয় নাই, এমত তত্ত্ব অল্পই ইউরোপে আবিষ্কৃত হইয়াছে।
কান্তীয় আভ্যন্তরিক মতের প্রধানতম প্রতিদ্বন্দ্বী জন ষ্টুয়ার্ট মিল। তিনি কার্য্যকারণসম্বন্ধের নিত্যত্বের উপর নির্ভর করেন। তিনি বলেন যে, আমরা প্রত্যক্ষের দ্বারা একটি অকাট্য সংস্কার এই লাভ করিয়াছি যে, যেখানে কারণ বর্তমান আছে, সেইখানেই তাহার কার্য্য বর্ত্তমান থাকিবে। যেখানে পূর্ব্বে দেখিয়াছি যে, ক বর্ত্তমান আছে, সেইখানে দেখিয়াছি যে, খ আছে। পুনর্ব্বার যদি কোথাও ক দেখি, তবে আমরা জানিতে পারি যে, খও এখানে আছে; কেন না, আমরা প্রত্যক্ষের দ্বারা জানিয়াছি, যেখানে কারণ থাকে, সেইখানেই তাহার কার্য্য থাকে। সমানান্তরালতা কারণ, এবং সংমিলনবিরহ তাহার কার্য্য; কেন না, আমরা যেখানে যেখানে সমানান্তরালতা প্রত্যক্ষ করিয়াছি, সেইখানে সেইখানে দেখিয়াছি, মিল হয় নাই, অতএব সমানান্তরালতা, সংমিলনবিরহের নিয়ত পূর্ব্ববর্ত্তী। কাজেই আমরা জানিতেছি যে, যখন যেখানে দুইটি সমানান্তরাল রেখা থাকিবে, সেইখানে আর তাহাদিগের মিলন হইবে না। অতএব এ জ্ঞান প্রত্যক্ষমূলক।
শেষ মত হর্বট স্পেন্সরের। তিনিও প্রত্যক্ষবাদী, কিন্তু তিনি বলেন যে, এই প্রত্যক্ষমূলক জ্ঞান সকলটুকু আমাদিগের নিজ প্রত্যক্ষজাত সংস্কার, পুরুষানুক্রমে প্রাপ্ত হওয়া যায়। আমার পূর্ব্বপুরুষদিগের যে প্রত্যক্ষজাত সংস্কার আমি তাহা কিয়দংশ প্রাপ্ত হইয়াছি। আমি যে সেই সকল সংস্কার লইয়া জন্মিয়াছি, এমন নহে—তাহা হইলে সদ্যঃপ্রসূত শিশুও সংস্কারবিশিষ্ট হইত, কিন্তু তাহার বীজ আমার শরীরে (মন শরীরের অন্তর্গত) আছে; প্রয়োজনমত সময়ে জ্ঞানে পরিণত হইবে। এইরূপে, যাহা কান্তীয় মতে আভ্যন্তরিক বা সহজে জ্ঞান, স্পেন্সরের মতে তাহা পূর্ব্বপুরুষপরম্পরাগত প্রত্যক্ষজাত জ্ঞান।
এই কথা আপাততঃ অপ্রামাণিক বোধ হইতে পারে, কিন্তু স্পেন্সর দক্ষতার সহিত ইহার সমর্থন করিয়াছেন যে, ইউরোপে এই মতই এক্ষণে প্রচলিত হইয়া উঠিতেছে।3
সূত্রনির্দেশ ও টীকা
- গৃহ, পর্ব্বতাদি দূরে রহিয়াছে—আমাদিগের চক্ষে সংলগ্ন নহে, তবে ইন্দ্রিয়ের সংযোগ হইল কি প্রকারে? দৃষ্ট পদার্থবিক্ষিপ্ত রশ্মির দ্বারা। ঐ রশ্মি আমাদিগের নয়নাভ্যন্তরে প্রবেশ করিলে দৃষ্টি হয়।
- এই সকল মত আমি এক্ষণে পরিত্যাগ করিয়াছি।
- অনেকের কোমতের “Positive Philosophy” নামক দর্শনশাস্ত্রের নামানুবাদে প্রত্যক্ষবাদ লিখিয়া থাকেন। আমাদের বিবেচনায় সেটি ভ্রম। যাহাকে “Empirical Philosophy” বলে, অর্থাৎ লক, হূম্ মিল ও বেনের মতকেই প্রত্যক্ষবাদ বলা যায়। আমরা সেই অর্থেই প্রত্যক্ষবাদ শব্দ এই প্রবন্ধে ব্যবহার করিয়াছি।
